ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিজ্ঞাপন সরিয়ে নিতে শাহরুখ, অজয়, টাইগারকে নোটিশ


বিজ্ঞাপন সরিয়ে নিতে শাহরুখ, অজয়, টাইগারকে নোটিশ

বিজ্ঞাপন মানেই প্রলোভন। মানুষকে প্রলুব্ধ করতে বিজ্ঞাপনে অনেক সত্য মিথ্যা বহু বিভ্রান্তিকর দাবি করা হয়।

লম্বা হওয়া, মোটা হওয়া, চিকন হওয়া, ফর্সা হওয়ার এমন কতকগুলি দাবির মাধ্যমে নানান পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়; যার মধ্যে অনেকগুলোই প্রমাণিত সত্য নয়। সাধারণত বিভিন্ন ক্ষেত্রের সেলিব্রেটিরা নানা পণ্যের বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। তবে সেই নির্দিষ্ট পণ্যের গুণাবলী বিচার করার জন্য সেলিব্রেটি মডেলদেরও একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা রয়েছে।

একটি বিজ্ঞাপনের কারণে এখন সমস্যায় পড়েছেন বলিউডের তিন সুপারস্টার শাহরুখ খান, অজয় দেবগন এবং টাইগার শ্রফ।

আরও পড়ুন: বাঁশপাতার চায়ের উদ্ভাবনী ধারণায় দেশসেরা বেরোবির মাহিদ-আজিজ, পাচ্ছেন লাখ টাকার ফান্ড

বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে নিষিদ্ধ ‘পান মশালা’র প্রচারণার অভিযোগে মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসন এই তিন অভিনেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছে। ২০২৪ সালে ‘বিমল’-এর পণ্য ‘এলাইচি’ প্রচারের উদ্দেশ্যে এই তিন অভিনেতা একটি বিজ্ঞাপনে একত্রে কাজ করেছিলেন।

বিমল মূলত পান মশলা প্রস্তুতকারী সংস্থা, যেহেতু মহারাষ্ট্রে পান মশালার উৎপাদন, মজুত, পরিবহন, বিতরণ এবং বিক্রয় নিষিদ্ধ।

মহারাষ্ট্রের খাদ্য নিরাপত্তা প্রধান তুকারাম মুন্ডে ১১ আগস্ট এই কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। সেখানে অভিনেতাদের অবিলম্বে এই প্রচারণায় অংশ নেওয়া বন্ধ করতে এবং তাদের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে এই বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত সমস্ত প্রচারমূলক কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৯ পৃষ্ঠার ওই নোটিশে মুন্ডে বলেন, ‘উক্ত বিজ্ঞাপনটি পরীক্ষা করার পর প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে যে, এটি 'বিমল' ব্র্যান্ডের প্রচার করছে, যা মূলত পান মশলার সাথে সংযুক্ত।’ নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বিজ্ঞাপনে 'বিমল এলাইচি' শব্দটি এমনভাবে ব্যবহৃত হয়েছে যেটা ‘বিমল পান মশলা’ ব্র্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে পারে।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

নোটিশে আরো বলা হয়, এটি ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করতে পারে এবং নিষিদ্ধ পণ্যটির ব্র্যান্ডের পরোক্ষ প্রচার করতে পারে।

তিনি বলেন, ‘যদি এলাইচি বা অনুরূপ কোনো পণ্যের নামে 'বিমল' ব্র্যান্ডের ব্যবহার উদ্দেশ্যমূলকভাবে পান মশলা/তামাকজাত পণ্যের সাথে যুক্ত ব্র্যান্ড ইমেজ ধরে রাখা, জোরদার করা বা গ্রাহকদের আকর্ষণ বাড়ানো হয়; তবে এই ধরণের যোগাযোগ কেবল একটি স্বাধীন পণ্যের বিজ্ঞাপন হিসেবেও গণ্য নাও হতে পারে। এটি এক প্রকার নিষিদ্ধ পণ্যের পরোক্ষ ছদ্মবেশী প্রচারের শামিল হতে পারে।’

মুন্ডে, যিনি গুটখা এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ তামাকজাত পণ্যের উৎপাদন বা বিক্রয়ের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছেন; অভিনেতাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর চুক্তিপত্র, ক্যাম্পেইনের বিবরণ, পেমেন্টের নথিপত্র এবং যথাযথ সতর্কতামূলক পদক্ষেপের প্রমাণপত্রের সম্পূর্ণ কপিও দাবি করেছেন।

উল্লিখিত ভোক্তা সুরক্ষা আইনের অধীনে, বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য ১০ লাখ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এছাড়া, বিজ্ঞাপনদাতাদের সর্বোচ্চ তিন বছরের জন্য যে কোনো পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করা থেকে নিষিদ্ধ করা হতে পারে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

এর আগে ২০২২ সালে শাহরুখ খান এবং অজয় দেবগনের সাথে 'বিমল এলাইচি'র একটি বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়ার পর তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন অভিনেতা অক্ষয় কুমার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা যখন এটি একটি তামাকজাত পণ্যের প্রচার হিসেবে গণ্য হতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন, তখনই তিনি জনসমক্ষে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

অক্ষয় তখন এক্স (টুইটারে) লিখেছিলেন, ‘আমি আমার সমস্ত ভক্ত এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে ক্ষমা চাইতে চাই। গত কয়েকদিন ধরে আপনাদের প্রতিক্রিয়া আমাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। যদিও আমি কখনো তামাকের প্রচার করিনি এবং করবও না, তবুও বিমল এলাইচির সাথে আমার যুক্ত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আপনারা যে অনুভূতি প্রকাশ করেছেন তা আমি সম্মান করি। অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে আমি এখান থেকে পিছিয়ে আসছি।’ কুমার আরো বলেন, ‘আমি এই বিজ্ঞাপনের পুরো পারিশ্রমিক একটি ভালো কাজের উদ্দেশ্যে দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চুক্তির আইনি মেয়াদের বাধ্যবাধকতার কারণে ব্র্যান্ডটি হয়তো বিজ্ঞাপনটি প্রচার করা চালিয়ে যেতে পারে, তবে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে ভবিষ্যতে আমি আমার পছন্দের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক থাকব। এর বিনিময়ে আমি চিরকাল আপনাদের ভালোবাসা এবং শুভকামনা কামনা করি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এস এম সাহান, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫০ পি.এম


ফরিদপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

“রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে মৎস্য অধিদপ্তর, ফরিদপুরের আয়োজনে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। পরে সদর উপজেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করার মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

পরে সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেন, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমির হোসেন, ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এ কে এম আশজাদ, এসডিসির পরিচালক খন্দকার জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ মহসিন, মৎস্যচাষি গোপাল চন্দ্র সরকারসহ সংশ্লিষ্টরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও পুষ্টি নিরাপত্তায় মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মাছের উৎপাদন আরও বাড়াতে মৎস্যচাষিদের আধুনিক প্রযুক্তি ও পদ্ধতিতে চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। দেশের জলাশয়গুলো পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষের আওতায় এনে মৎস্যচাষিদের স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছের চাষ ও উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি অবৈধ কারেন্ট জালের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। মৎস্য আইন ও বিধিবিধান মেনে মাছ চাষ ও আহরণ করতে হবে। মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে প্রশাসন, মৎস্যচাষি ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তারা বলেন, ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম স্থান অর্জন করেছে, যা দেশের জন্য গর্বের বিষয়। এ সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা মৎস্য খাতের ওপর নির্ভরশীল। তাই মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর করতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।

আলোচনা সভার শেষ পর্বে মাছ চাষে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় তিনজন মৎস্যচাষিকে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষি হিসেবে সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ আগামী ১৬ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত দেশব্যাপী পালিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অশ্লীল গান গাইতে মাফিয়াদের চাপ ছিল : কুমার শানু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫১ পি.এম


অশ্লীল গান গাইতে মাফিয়াদের চাপ ছিল : কুমার শানু

নব্বইয়ের দশকের বলিউডে কুমার শানু মানে একের পর এক কালজয়ী রোমান্টিক গান। ‘আশিকি’, ‘সাজন’ কিংবা ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’র মতো সিনেমার গানগুলো শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। এবার তিনি সেই সোনালি সময়ের এক অন্ধকার দিক নিয়ে আলোকপাত করেছেন।

সম্প্রতিকালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গায়ক দাবি করেছেন যে, ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকার সময়েও অশালীন গান গাওয়ার জন্য তাকে ‘মুভি মাফিয়া’ এবং ইন্ডাস্ট্রির প্রভাবশালীদের চাপের মুখে পড়তে হয়েছে।

সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেছেন, গানে কখনোই অশ্লীলতা না আনার একটি ব্যক্তিগত নীতি তিনি মেনে চলতেন। তবে তিনি জানান, পরিস্থিতি সব সময় তার নিয়ন্ত্রণে ছিল না। ক্ষোভ প্রকাশ করে কুমার শানু বলেন, ‘এমন এক-দুইটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যেখানে প্রবল চাপের কারণে গান গাইতে হয়েছিল।

না গাইলে হয়তো কাজের পরিবেশ আরো জটিল হয়ে যেত।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি তার গাওয়া ‘রাজ গায়া তবলা তবেলে মে’ গানটির কথাও উল্লেখ করেন এবং জানান যে, এটিকেও তিনি ওই বিতর্কের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করবেন।

নিজের নীতিতে অটল থাকার কারণে পেশাগত ও আর্থিকভাবে তিনি বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলেও জানান এই কিংবদন্তি গায়ক। যদিও অনেক কাজ হাতছাড়া হয়েছে, তবুও তিনি অনড় ছিলেন।

কুমার শানুর ভাষায়, কাজ কমে গেলেও তিনি নিজের পছন্দের বাইরে যেতে চাননি এবং আদর্শ ধরে রেখে যে ক্ষতি হয়েছে, সেই ব্যাপারে তার কোনো আফসোস বা আক্ষেপ নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইমন হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ পি.এম


ইমন হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ

বরগুনার আমতলী সরকারি এ কে হাই স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাবেদ ইমন (১৫) হত্যার বিচার এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবিতে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন এলাকার বাসিন্দা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এই কারণে মহাসড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

রবিবার (১৬ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আমতলী পৌর শহরের এ কে স্কুল চৌরাস্তা এলাকায় তারা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। আন্দোলনকারী ওই সময় ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে দাবি জানান যে, ইমন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা এবং তাদের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

নিহত জাবেদ ইমন ছিলেন আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের পূর্ব আড়পাঙ্গাশিয়া গ্রামের আউয়াল প্যাদার ছেলে। ইমন আমতলী সরকারি এ কে হাই স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

অবশ্য, গত ২৯ জুলাই আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া স্লুইসগেট এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় ইমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার করার সময় মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে আমতলী থানা পুলিশের প্রচেষ্টায় তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

 

ইমনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই তার পরিবার, স্বজন, সহপাঠী ও শিক্ষকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

মাত্র ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলশিক্ষার্থীর এত মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়ে গেছে।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াকুব হুসাইন জানান, স্কুলশিক্ষার্থী ইমন হত্যার মামলাটি নৌ পুলিশ তদন্ত করছে। আমরা তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করছি। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সুখবর জানালেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ পি.এম


পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সুখবর জানালেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

চলতি অর্থবছরে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে, এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।

রোববার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন।

আব্দুস সাত্তার বলেন, সরকারের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় চলতি অর্থবছরে সরকারি কর্মচারীদের জন্য পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে। সাধারণত প্রতি পাঁচ বছরে সরকারি কর্মচারীদের জন্য পে স্কেল প্রদান করা হয়।

তবে তিনি জানালেন, গত সরকার ১১ বছরেও পে-স্কেল বাস্তবায়ন করেনি। প্রায় ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারীর চাপ সামলাতে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, পে-স্কেল বাস্তবায়নের ফলে অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি হতে পারে। বর্তমানে অর্থনীতিতে অনেক চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। কর্মসংস্থান ও উৎপাদন বৃদ্ধি করে এসব সংকট মোকাবেলা করতে হবে।

জ্বালানি সংকটকে বর্তমান সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে মুখ্য সচিব বলেন, এটি শুধুমাত্র বাংলাদেশের নয়, একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এ সংকট সমাধানে সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে, জনপ্রশাসন সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবের মেয়াদ আজ শেষ হচ্ছে। তাদের মেয়াদ বাড়ানো হবে কিনা বা নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, সে সম্পর্কে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত আসবে বলেও জানান মুখ্য সচিব।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যে কমিটি সুপারিশ প্রায় চূড়ান্ত করেছে।

এ কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, অর্থসচিব, জনপ্রশাসন সচিব, আইন সচিব, প্রতিরক্ষা সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিব, স্বাস্থ্যসেবা সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং হিসাব মহানিয়ন্ত্রক রয়েছেন।

২০২৫ সালের ২৭ জুলাই অন্তর্বর্তী সরকার ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। কমিশন তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে এ বছরের ২১ জানুয়ারি। কমিশন প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান।

বিদ্যমান গ্রেড ২০টি বহাল রেখে কমিশন বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ২০ হাজার টাকার করার সুপারিশ করা হয়। আর সর্বোচ্চ বেতন কাঠামো নির্ধারিত ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে সুপারিশ করা হয় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায়।

এদিকে, গত ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় ঘোষণা করেছেন। বাজেট বক্তৃতায় তিনি বলেন, প্রায় ১১ বছর ধরে সরকারী কর্মচারীরা একই বেতন কাঠামোতে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। এই সময়ে মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। তাই ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%