বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:৩৭ এম
ইন্দোনেশিয়াতে নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে আবুল হাসান মৃধা নিয়োগ প্রদান করেছে সরকার।
সোমবারের এক অফিস আদেশে নতুন এই দায়িত্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
বিধি অনুযায়ী, আদেশে বলা হয়েছে যে, ছয় দিনের মধ্যে তাকে জাকার্তা মিশনে যোগদান করতে হবে।
বুধবার (৮ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে উল্লেখিত তথ্যটি প্রকাশিত হয়।
আবুল হাসান মৃধা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রশাসন অনুবিভাগের মহাপরিচালকের পদে ছিলেন। এর আগে তিনি মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম ইউরোপ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন অনুবিভাগের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া, তিনি রাশিয়া, ওমান, কলকাতা এবং লন্ডনের বাংলাদেশ মিশনে বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের অন্যতম সহযোগী সতিন্দরজিত সিং, যিনি গোল্ডি ব্রার নামে পরিচিত, তাকে ধরতে ৫০ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে আমেরিকার ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন-এফবিআই।
এফবিআই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং এবং অন্যান্য ভারতীয় সন্ত্রাসী গ্রুপের বিরুদ্ধে চলমান ‘অপারেশন হার্ড বল’এর অংশ হিসেবে এই ঘোষণা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপের কিছু দেশ মিলে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন এই যৌথ অভিযানে অংশ নিচ্ছে। অভিযানে এ পর্যন্ত ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গোল্ডি ব্রার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার অংশের নেতৃত্ব দেন। বলিউড সুপারস্টার সালমান খানকে হত্যার হুমকি দিয়ে আলোচনায় আসা লরেন্স বিষ্ণোই ২০১৫ সাল থেকে ভারতের কারাগারে আটক আছেন।
কিন্তু কারাগারে বসেই তিনি ভারতের বিভিন্ন রাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তার গ্যাং পরিচালনা করছেন। এই গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে হত্যা, চুক্তিভিত্তিক হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান এবং মানবপাচারসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।
এফবিআইয়ের এক্স-এ (সাবেক টুইটার) বুধবার দেওয়া একটি পোস্টে সতিন্দরজিত সিংকে ধরতে তথ্য দাতাকে ৫০ হাজার ডলার দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়। গোল্ডি ব্রার নোমে পরিচিত লরেন্স বিষ্ণোইয়ের এই ঘনিষ্ঠ সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করে গ্যাং পরিচালনা করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এক বিবৃতিতে এফবিআই জানায়, ২০২৬ সালের ১ জুলাই ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসের সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট অব ক্যালিফোর্নিয়ার মার্কিন জেলা আদালতে সতিন্দরজিত সিং-এর বিরুদ্ধে একটি ফেডারেল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তার বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত অপরাধ ও দুর্নীতি চক্রের ষড়যন্ত্র, চাঁদাবাজির মাধ্যমে বাণিজ্যে বাধা দেওয়ার ষড়যন্ত্র এবং চেষ্টা, নিয়ন্ত্রিত মাদকদ্রব্য বণ্টন ও নিজের কাছে রাখার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।
সংস্থাটি আরো জানায়, ক্যালিফোর্নিয়ার স্যাক্রামেন্টো ও ফ্রেসনো ছাড়াও কানাডা, ভারত এবং মেক্সিকোর সাথে সিং-এর যোগাযোগ রয়েছে। গোল্ডি ব্রারকে ধরতে পুরস্কার ঘোষণার মাত্র এক ঘণ্টা আগে মার্কিন ফেডারেল প্রসিকিউটররা গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই এবং গোল্ডি ব্রারের বিরুদ্ধে কানাডায় শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী হরদীপ সিং নিজ্জরকে হত্যার চক্রান্ত করার অভিযোগ আনেন।
২০২৩ সালের ১৮ জুন কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার সারেতে একটি শিখ গুরুদ্বারের কার পার্কিং এলাকায় মুখোশধারী বন্দুকধারীরা গুলি চালিয়ে হরদীপ সিংকে হত্যা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৯৫৫ সালে নিজের সঙ্গীকে হত্যার দায়ে মৃত্যু দণ্ড কার্যকর হওয়া ব্রিটেনের শেষ নারী রুথ এলিসের সাজা প্রতীকীভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে। বুধবার, রাজা তৃতীয় চার্লস সরকারের পরামর্শে তার মৃত্যুদণ্ড পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপ দেন।
ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, রুথ এলিস 'ঐতিহাসিক অবিচারের' শিকার হয়েছিলেন। তার মামলার নতুন পর্যালোচনায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে, যা দেখায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক নির্যাতন এবং জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণের শিকার ছিলেন। সরকারের মতে, বর্তমান সময়ে এই ধরনের প্রমাণ আদালতে ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করা হতো।
এক বিবৃতিতে বিচারমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বলেন, ৭০ বছর আগে যা ঘটেছে, তা আর পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে এখন অন্তত এটুকু স্বীকার করা যায় যে, রুথ এলিসের ঘটনা ছিল ব্যতিক্রমী এবং তার সঙ্গে অন্যায় হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এই শর্তসাপেক্ষ ক্ষমা মানবিকতার একটি পদক্ষেপ। এতে রুথ এলিসের পরিবারের সদস্যরা কিছুটা হলেও মানসিক শান্তি পাবেন বলে সরকার আশা করছে।
রুথ এলিসের চার নাতি-নাতনি তার সাজা পরিবর্তনের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন। এর আগে ২০ বছরেরও বেশি সময় আগে তার বোন মুরিয়েল ইয়াকুবাইটও আদালতে চেষ্টা করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন, রুথ এলিসের বিরুদ্ধে দেওয়া হত্যার রায় পরিবর্তন করে সেটিকে উসকানির কারণে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। তবে সেই চেষ্টা সফল হয়নি। ব্রিটেনে রাজা বা রানি বিশেষ রাজকীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমা করতে বা তার সাজা পরিবর্তন করতে পারেন। তবে এই ক্ষমতা সাধারণত সরকারের সুপারিশের ভিত্তিতেই প্রয়োগ করা হয়।
ব্রিটেনে মৃত্যুদণ্ডের আইন ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত কার্যকর ছিল। তবে হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান ১৯৬৫ সালেই বাতিল করা হয়। এরপর আর হত্যার মামলায় কাউকে ফাঁসি দেওয়া হয়নি। সর্বশেষ ১৯৬৪ সালে হত্যার দায়ে দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। রুথ এলিস ব্রিটেনের ইতিহাসে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া শেষ নারী। প্রায় সাত দশক পর তার সাজা পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার স্বীকার করল, সে সময় তার মামলায় বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের ওপর নতুন দফা হামলায় ৯০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এ হামলার প্রতিক্রিয়ায় কুয়েত ও বাহরাইনে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান।
এই পাল্টাপাল্টি হামলায় চলমান যুদ্ধ থামানোর জন্য যে কূটনৈতিক উদ্যোগ চলছিল তা বর্তমানে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, হামলায় ইরানের প্রায় ৯০টি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি সরঞ্জাম, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের গুদাম, নৌঘাঁটি এবং সামরিক রসদ সংরক্ষণাগার। সেন্টকম আরো জানায়, আগের রাতে ইরানে তাদের সফল হামলার ধারাবাহিকতায় এই নতুন অভিযান চালানো হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের সম্ভাবনা বেড়ে গিয়েছে। মধ্য জুনে যুদ্ধবিরতির সমঝোতার পর এটি দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক উত্তেজনার ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও বেসামরিক নাবিকদের ওপর হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা কমিয়ে দেওয়া।
এর এক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্র ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দায় স্বীকার করেছিল। তাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছিল, তারা ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর (আইআরজিসি) ৬০টিরও বেশি ছোট নৌযানে হামলা চালিয়েছে।
তাদের দাবি অনুযায়ী, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করা। এর পরেই বাহরাইন ও কুয়েতের ৮৫টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালায় তেহরান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামার পূর্বে মরক্কো একটি বড় ধাক্কা পেয়েছে। দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় এবং চলমান টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মিডফিল্ডার-ফরোয়ার্ড ইসমাইল সাইবারি চোটের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। তিনি শেষ ষোলোর ম্যাচে কানাডার বিরুদ্ধে হ্যামস্ট্রিংয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং তখন থেকে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হতে পারেননি।
বুধবার (৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মরক্কোর প্রধান কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি নিশ্চিত করেছেন যে, সাইবারি ছাড়া দলের বাকি সকল ফুটবলার পুরোপুরি ফিট রয়েছেন। এসত্ত্বেও, তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, মরক্কো সেমিফাইনালে যেতে সক্ষম হলে সাইবারি আবারো মাঠে ফিরতে পারবেন।
চলতি বিশ্বকাপে সাইবারির ফর্ম ছিল অসাধারণ। গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই তিনি গোল করেছেন। এছাড়া, শেষ বত্রিশে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে টাইব্রেকারে জয়সূচক পেনাল্টিও তাঁর দ্বারা সৃষ্টি হয়েছিল। সম্প্রতি ডাচ ক্লাব পিএসভি আইন্দহোভেন থেকে পাঁচ বছরের চুক্তিতে বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেওয়া এই তারকার অনুপস্থিতি মরক্কোর জন্য একটি বড় ক্ষতির কারণ।
তবে বিকল্প হিসেবেও সদর্থক দৃষ্টিভঙ্গি দেখাচ্ছেন কোচ ওয়াহবি। কানাডার বিরুদ্ধে সাইবারির পরিবর্ত হিসেবে নামানো স্ট্রাইকার সুফিয়ান রহিমি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোল করেছিলেন এবং কোচ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাঁর ওপর আস্থা রাখতে চান।
২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মরক্কো ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হারিয়ে বিদায় নিয়েছিল। এবার সেই পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ দেখতে পাচ্ছে আটলাস লায়ন্স। তবে কোচ ওয়াহবি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছানোকে তিনি সাফল্য বলে মনে করেন না।
ওয়াহবির কথায়, 'আমরা শুধু ভালো খেলতে আসিনি, জিততে এসেছি। যদি কেউ বলে এখানেই বিদায় হয়ে যাবে, তাহলে সেটি আমি মানি না। আমাদের লক্ষ্য হল সেমিফাইনাল।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ