ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এক মুদি দোকানি ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান বিচারপতির আবেগঘন গল্প


এক মুদি দোকানি ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান বিচারপতির আবেগঘন গল্প

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান বিচারপতি রেমন্ড জোন্ডু সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের সংগ্রাম ও মানবিকতার এক অনন্য অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তাঁর সেই স্মৃতিচারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং অসংখ্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করছে।


রেমন্ড জোন্ডু জানান, কলেজ শেষ করার পর তাঁর উচ্চশিক্ষা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। কারণ, পরিবারের আর্থিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক। সংসারে উপার্জন করার মতো কেউ ছিলেন না। একমাত্র উপার্জনকারী তাঁর মায়ের আয়ও প্রায় দুই বছর আগে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে পড়াশোনার খরচ তো দূরের কথা, দৈনন্দিন খাবারের সংস্থান করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

এ অবস্থায় তরুণ রেমন্ড বিভিন্ন মানুষের দ্বারে দ্বারে সাহায্যের আবেদন জানান। কিন্তু কেউ তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি। বরং অনেকেই তাঁকে পরামর্শ দেন, পড়াশোনা বাদ দিয়ে কোনো কাজ খুঁজে নিয়ে আগে পরিবারকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে।

তবে রেমন্ড জোন্ডু হাল ছাড়েননি। শেষ পর্যন্ত তিনি স্থানীয় বাজারের এক অপরিচিত ভারতীয় মুদি দোকানদারের কাছে সাহায্যের আবেদন করেন।

তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার পর ওই দোকানদার কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই শুধু একটি প্রশ্ন করেন, “তুমি কি সত্যিই পড়তে চাও? এজন্য কি তোমার অর্থের প্রয়োজন?”

রেমন্ডের সম্মতিসূচক উত্তরের পর দোকানদার বলেন, “আমি তোমাকে নগদ টাকা দিতে পারব না। তবে তোমার মাকে বলবে, তিনি যেন প্রতি মাসে একদিন আমার দোকানে এসে সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে যান। আমি হিসাব রাখব। তুমি যখন নিজের পায়ে দাঁড়াবে, তখন ইচ্ছা হলে শোধ করে দেবে।”

এই মানবিক সহায়তাই রেমন্ড জোন্ডুর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। পড়াশোনা শেষ করে কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তিনি সেই দোকানদারের কাছে গিয়ে ঋণ পরিশোধের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

তখন দোকানদার এমন একটি কথা বলেন, যা আজও রেমন্ড জোন্ডুর হৃদয়ে গেঁথে আছে।

তিনি বলেন, *“Just do to others what I have done to you.”* অর্থাৎ, *“আমি তোমার জন্য যা করেছি, তুমি অন্যদের জন্যও তাই করো। তাহলেই আমার ঋণ শোধ হবে।”*

রেমন্ড জোন্ডু জানান, সাক্ষাৎকারে এই ঘটনাটি স্মরণ করতে গিয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।

মানবিকতা, সহমর্মিতা ও নিঃস্বার্থ সহযোগিতার এই গল্পটি আজও প্রমাণ করে— একটি ছোট্ট সহায়তা একজন মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে, আর সেই পরিবর্তন সমাজজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।

আরও পড়ুন: জামায়াতের দাবি, আইজিপির বক্তব্য সংবিধান ও আইনের শাসনের পরিপন্থী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অধিকার রক্ষায় সাংবিধানিক হাতিয়ার রিট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৬ পি.এম


অধিকার রক্ষায় সাংবিধানিক হাতিয়ার রিট

নাগরিকের অধিকার রক্ষায় রিট একটি কার্যকর সাংবিধানিক হাতিয়ার। অনেক সময় দেখা যায়, হাইকোর্টে কোনো ব্যক্তির দায়ের করা রিটের সুফল ভোগ করেন দেশের হাজারো সাধারণ মানুষ।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পাঁচ ধরনের রিট করার সুযোগ রয়েছে। সেগুলো হলো–

১. রিট অফ হেবিয়াস করপাস (Habeas Corpus): কোনো ব্যক্তি আইনগত কারণে আটকে রাখা হলে, হেবিয়াস করপাস রিট দায়ের করা যায়। এই ক্ষেত্রে বেআইনিভাবে আটক বা গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে হাজির করতে হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়।

২. রিট অফ ম্যান্ডামাস (Mandamus): কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের কর্তব্য পালন না করলে, হাইকোর্ট সেই কাজ করতে নির্দেশ দেয়।

৩. রিট অফ সার্টিওরারি (Certiorari): বিচারিক আদালত আইনবহির্ভূতভাবে কোনো আদেশ দিলে, হাইকোর্ট সেই আদেশ বাতিল করতে সক্ষম।

৪. রিট অফ প্রহিবিশন (Prohibition): বিচারিক আদালত আইনগত ক্ষমতার বাইরে কোনো মামলা শুনতে শুরু করলে, হাইকোর্ট সেই কার্যক্রম বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়।

৫. রিট অফ কো-ওয়ারেন্টো (Quo Warranto): কেউ আইনগত যোগ্যতা ছাড়া সরকারি পদে থাকলে, এই রিটের মাধ্যমে হাইকোর্ট তার বৈধতা যাচাই করে।

জনস্বার্থ রিটের ঐতিহাসিক ভিত্তি হলো মহিউদ্দিন ফারুক বনাম বাংলাদেশ মামলা, যেখানে বলা হয়, জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর কোনো ঘটনায় সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়েও যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনি প্রতিকার চেয়ে মামলা করতে পারেন। এই রায়ের মাধ্যমে আমাদের দেশে জনস্বার্থে করা রিট মামলা ভিন্ন মাত্রা পায়।

ব্যক্তির ন্যায়বিচার প্রাপ্তি কিংবা জনস্বার্থ রক্ষায় দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করা রিটের সংখ্যা যথেষ্ট রয়েছে। কিছু রিটের ফলে আমাদের সমাজ ও জীবনে এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন। উদাহরণস্বরূপ, শিশুর ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপন, নদীর আইনি অধিকার প্রাপ্তি, মায়ের পরিচয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ, ক্ষতিপূরণের বিভিন্ন বিষয়গুলো।

হাইকোর্টের একজন আইনজীবী ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন বলেন, রিট মামলা সাংবিধানিক একটি অধিকার। জনস্বার্থের (রিট) মামলার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে আদালত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, তবে অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে অনেকেই শর্টকাট পন্থায় রিট করেন যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ক্ষেত্রে মিডিয়া ও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল হতে হবে যেন কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য জনস্বার্থহীন বিষয়কে পুঁজি করতে না পারে। সর্বপরি আমাদের সমাজের জন্যই জনস্বার্থ (রিট) মামলা খোলা থাকা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করতে খান একাডেমির কার্যক্রম চালুর অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩২ পি.এম


শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করতে খান একাডেমির কার্যক্রম চালুর অনুমোদন

শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করতে 'খান একাডেমি বাংলাদেশ' কার্যক্রম চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বাসস-এর মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুসারে, দেশের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের গণিত শিক্ষণ দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের গণিত শিখনফল বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের ৭ জেলার মোট ১০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে 'খান একাডেমি বাংলাদেশ' কার্যক্রম বাস্তবায়নের অনুমোদন দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

এই কার্যক্রম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা 'সাজেদা ফাউন্ডেশন'-এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে এবং এটি এক বছর মেয়াদি, যা ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে।

বৃহস্পতিবার মাউশির এক আদেশে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। আওতাভুক্ত জেলাগুলো হলো— ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও পঞ্চগড়।

সাজেদা ফাউন্ডেশনের পরিচালনায় এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো 'খান একাডেমি বাংলাদেশ' প্ল্যাটফর্মের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করা এবং ডিজিটাল ডিভাইসের টেকনিক্যাল সমর্থনের মাধ্যমে পাঠদান আধুনিকায়ন করা।

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম সম্পর্কে আদেশে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষকদের শিক্ষণ দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিখনফল বৃদ্ধির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হবে।

শিক্ষার্থীদের গণিত শিখনফল বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'খান একাডেমি বাংলাদেশ' প্ল্যাটফর্মের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় ডিভাইস সেটআপ ও টেকনিক্যাল সমর্থন প্রদান, শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শিখনগত সহায়তা, কর্মশালার আয়োজন, মাসিক মনিটরিং সেশন পরিচালনা এবং অগ্রগতি রিপোর্টিং কার্যক্রমও পরিচালনা করা হবে।

অতিরিক্ত তথ্য অনুযায়ী, আদেশে বেশ কিছু শর্তও যুক্ত করা হয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, এই কার্যক্রম পরিচালনাকালে জাতীয় ও ধর্মীয় চেতনা পরিপন্থী কোনো কাজ করা যাবে না।

জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সহায়তায় বিদ্যালয় নির্বাচন করতে হবে এবং ওই তালিকা মাউশি অধিদপ্তর কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই মূল শ্রেণি কার্যক্রমের (ক্লাস) বিঘ্ন ঘটানো যাবে না।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, প্রকল্পের যেকোনো পরিবর্তন, পরিমার্জন কিংবা মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মাউশির পূর্বানুমতি লাগবে। কার্যক্রমটি উপজেলা, জেলা, আঞ্চলিক কার্যালয় এবং মাউশি অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নিয়মিত তদারকি করবেন এবং এর ত্রৈমাসিক ও বার্ষিক অগ্রগতি প্রতিবেদন অবশ্যই অধিদপ্তর বরাবর পাঠাতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমেরিকার চাকরি বিদেশি প্রতারকদের জন্য নয়’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ পি.এম


‘আমেরিকার চাকরি বিদেশি প্রতারকদের জন্য নয়’

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা কর্মসূচি থেকে বিদেশি প্রতারকদের বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, ‘আমেরিকান চাকরিগুলো অবশ্যই আমেরিকান কর্মীদের জন্যই হওয়া উচিত, বিদেশি প্রতারকদের জন্য নয়।’

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এদের নিয়োগের জন্য এইচ-১বি ও পার্ম ভিসা ক্যাটাগরির আওতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে দক্ষ পেশাজীবীদের নিয়োগ দেয়। তবে, ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহার, জালিয়াতি, অদক্ষ পেশাজীবীদের নিয়োগ, এমনকি বিদেশি পেশাজীবীদের বেতন কেটে রাখার অভিযোগে মার্কিন শ্রম বিভাগ তদন্তে নেমেছে।

শ্রম বিভাগের ইন্সপেক্টর জেনারেল অ্যান্থনি ডি’এসপোসিটো জানান, বিদেশি কর্মী ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহার এবং সন্দেহভাজন মানবপাচারের বিষয়ে একটি বড় আকারের অনুসন্ধান শুরু করেছে তার কার্যালয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা সম্ভাব্যভাবে আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদেশি শ্রম জালিয়াতির বিরুদ্ধে সবচেয়ে আগ্রাসী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি।’

ডি’এসপোসিটো জানিয়েছেন, হুইসেলব্লোয়ারদের দেওয়া গোপন তথ্য তদন্তকারীদের ‘কগনিজ্যান্ট’-এর মতো কিছু বড় বড় কম্পানির দিকে নির্দেশ করেছে।

তিনি আরও বলেন, তার দল প্রতিটি সূত্রের শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে কাজ করবে। তদন্ত চলাকালে প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের জালিয়াতি বিরোধী টাস্ক ফোর্সের সঙ্গে তারা সমন্বয় করে কাজ করবে।

এদিকে, শ্রম বিভাগের একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা এমন ব্যাবসায়িক কারসাজি খুঁজে পেয়েছে যেখানে নিয়োগকর্তা এবং শ্রম দালালরা ভুয়া আবেদন জমা দিয়েছিল এবং অবৈধভাবে মজুরি থেকে টাকা কেটে বিদেশি কর্মীদের শোষণ করছিল।

বিবৃতিতে এও উল্লেখ করা হয়েছে, এই অপব্যবহারগুলো শ্রম বিভাগের কর্মসূচির সততা ও উদ্দেশ্যকে নষ্ট করছে। আর এই কর্মসূচিগুলো তৈরি করা হয়েছে প্রকৃত শ্রম ঘাটতি পূরণ করার জন্য, আমেরিকানদের চাকরির বিনিময়ে অসাধুচক্রের পকেট ভারি করার জন্য নয়।

গত বুধবার মিলওয়াকিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, ‘শ্রম বিভাগ ইতিমধ্যেই সমন জারি করা শুরু করেছে এবং ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহারকারী বিদেশি প্রতারকদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের একটি এইচ-ওয়ানবি ভিসা প্রোগ্রাম রয়েছে। এই প্রোগ্রামটি একটি মেধাবী প্রযুক্তিবিদ, বিজ্ঞানী বা চিকিৎসকের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার একটি বৈধ পথ। কিন্তু এখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, বড় করপোরেশন এবং বিদেশি প্রতারকেরা এই প্রোগ্রামটি ব্যবহার করে আমেরিকান কর্মীদের মজুরি কমাচ্ছে।’

ভ্যান্স জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেন, ‘আমরা বলছি, আর নয়। আমরাও নিশ্চিত করছি যাতে প্রতারকরা এই ভিসা প্রোগ্রামগুলোর সুযোগ নিতে না পারে।’

তিনি বলেন, ‘আপনি যদি এই ভিসা প্রোগ্রামের অন্যায় সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে আপনাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।’

জেডি ভ্যান্স আরো যোগ করেন, ‘এখানে একটি সহজ নীতি রয়েছে: আমেরিকান চাকরিগুলো আমেরিকান কর্মীদেরই পাওয়া উচিত, বিদেশি প্রতারকদের নয়। আর শ্রম বিভাগ তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর লড়াই করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গতদের পাশে বিরোধীদলীয় নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪০ পি.এম


চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গতদের পাশে বিরোধীদলীয় নেতা

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম এবং পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানযোগে চট্টগ্রামে পৌঁছে তিনি সরাসরি বন্যাকবলিত বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন। পরিদর্শনকালে তিনি দেখেন, অনেক ঘরবাড়ি এখনও পানিতে তলিয়ে রয়েছে এবং অসংখ্য পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব।" তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

পরিদর্শন শেষে জামায়াত আমির ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে শুকনো খাবার ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের ফলে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রাণহানির পাশাপাশি বহু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে।

এ ছাড়াও বিরোধীদলীয় নেতা সাতকানিয়া এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করবেন।

জামায়াতের আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগরী আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপিসহ মহানগরী ও স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%