১২:৩২ পি.এম
শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করতে 'খান একাডেমি বাংলাদেশ' কার্যক্রম চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বাসস-এর মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুসারে, দেশের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের গণিত শিক্ষণ দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের গণিত শিখনফল বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের ৭ জেলার মোট ১০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে 'খান একাডেমি বাংলাদেশ' কার্যক্রম বাস্তবায়নের অনুমোদন দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
এই কার্যক্রম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা 'সাজেদা ফাউন্ডেশন'-এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে এবং এটি এক বছর মেয়াদি, যা ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে।
আরও পড়ুন: সৌদি এয়ারলাইনসের যাত্রীদের লাগেজ হারানোর অভিযোগ দাখিলের আহ্বান
বৃহস্পতিবার মাউশির এক আদেশে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। আওতাভুক্ত জেলাগুলো হলো— ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও পঞ্চগড়।
সাজেদা ফাউন্ডেশনের পরিচালনায় এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো 'খান একাডেমি বাংলাদেশ' প্ল্যাটফর্মের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করা এবং ডিজিটাল ডিভাইসের টেকনিক্যাল সমর্থনের মাধ্যমে পাঠদান আধুনিকায়ন করা।
প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম সম্পর্কে আদেশে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষকদের শিক্ষণ দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিখনফল বৃদ্ধির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হবে।
শিক্ষার্থীদের গণিত শিখনফল বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'খান একাডেমি বাংলাদেশ' প্ল্যাটফর্মের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় ডিভাইস সেটআপ ও টেকনিক্যাল সমর্থন প্রদান, শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শিখনগত সহায়তা, কর্মশালার আয়োজন, মাসিক মনিটরিং সেশন পরিচালনা এবং অগ্রগতি রিপোর্টিং কার্যক্রমও পরিচালনা করা হবে।
আরও পড়ুন: সারের বস্তা থেকে বিএনপির বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
অতিরিক্ত তথ্য অনুযায়ী, আদেশে বেশ কিছু শর্তও যুক্ত করা হয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, এই কার্যক্রম পরিচালনাকালে জাতীয় ও ধর্মীয় চেতনা পরিপন্থী কোনো কাজ করা যাবে না।
জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সহায়তায় বিদ্যালয় নির্বাচন করতে হবে এবং ওই তালিকা মাউশি অধিদপ্তর কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই মূল শ্রেণি কার্যক্রমের (ক্লাস) বিঘ্ন ঘটানো যাবে না।
আদেশে আরও বলা হয়েছে, প্রকল্পের যেকোনো পরিবর্তন, পরিমার্জন কিংবা মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মাউশির পূর্বানুমতি লাগবে। কার্যক্রমটি উপজেলা, জেলা, আঞ্চলিক কার্যালয় এবং মাউশি অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নিয়মিত তদারকি করবেন এবং এর ত্রৈমাসিক ও বার্ষিক অগ্রগতি প্রতিবেদন অবশ্যই অধিদপ্তর বরাবর পাঠাতে হবে।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগকে ঘিরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ঠেলাঠেলি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন