ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অধিকার রক্ষায় সাংবিধানিক হাতিয়ার রিট


অধিকার রক্ষায় সাংবিধানিক হাতিয়ার রিট

নাগরিকের অধিকার রক্ষায় রিট একটি কার্যকর সাংবিধানিক হাতিয়ার। অনেক সময় দেখা যায়, হাইকোর্টে কোনো ব্যক্তির দায়ের করা রিটের সুফল ভোগ করেন দেশের হাজারো সাধারণ মানুষ।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পাঁচ ধরনের রিট করার সুযোগ রয়েছে। সেগুলো হলো–

১. রিট অফ হেবিয়াস করপাস (Habeas Corpus): কোনো ব্যক্তি আইনগত কারণে আটকে রাখা হলে, হেবিয়াস করপাস রিট দায়ের করা যায়। এই ক্ষেত্রে বেআইনিভাবে আটক বা গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে হাজির করতে হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

২. রিট অফ ম্যান্ডামাস (Mandamus): কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের কর্তব্য পালন না করলে, হাইকোর্ট সেই কাজ করতে নির্দেশ দেয়।

৩. রিট অফ সার্টিওরারি (Certiorari): বিচারিক আদালত আইনবহির্ভূতভাবে কোনো আদেশ দিলে, হাইকোর্ট সেই আদেশ বাতিল করতে সক্ষম।

৪. রিট অফ প্রহিবিশন (Prohibition): বিচারিক আদালত আইনগত ক্ষমতার বাইরে কোনো মামলা শুনতে শুরু করলে, হাইকোর্ট সেই কার্যক্রম বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়।

৫. রিট অফ কো-ওয়ারেন্টো (Quo Warranto): কেউ আইনগত যোগ্যতা ছাড়া সরকারি পদে থাকলে, এই রিটের মাধ্যমে হাইকোর্ট তার বৈধতা যাচাই করে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

জনস্বার্থ রিটের ঐতিহাসিক ভিত্তি হলো মহিউদ্দিন ফারুক বনাম বাংলাদেশ মামলা, যেখানে বলা হয়, জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর কোনো ঘটনায় সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়েও যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনি প্রতিকার চেয়ে মামলা করতে পারেন। এই রায়ের মাধ্যমে আমাদের দেশে জনস্বার্থে করা রিট মামলা ভিন্ন মাত্রা পায়।

ব্যক্তির ন্যায়বিচার প্রাপ্তি কিংবা জনস্বার্থ রক্ষায় দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করা রিটের সংখ্যা যথেষ্ট রয়েছে। কিছু রিটের ফলে আমাদের সমাজ ও জীবনে এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন। উদাহরণস্বরূপ, শিশুর ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপন, নদীর আইনি অধিকার প্রাপ্তি, মায়ের পরিচয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ, ক্ষতিপূরণের বিভিন্ন বিষয়গুলো।

হাইকোর্টের একজন আইনজীবী ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন বলেন, রিট মামলা সাংবিধানিক একটি অধিকার। জনস্বার্থের (রিট) মামলার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে আদালত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, তবে অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে অনেকেই শর্টকাট পন্থায় রিট করেন যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ক্ষেত্রে মিডিয়া ও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল হতে হবে যেন কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য জনস্বার্থহীন বিষয়কে পুঁজি করতে না পারে। সর্বপরি আমাদের সমাজের জন্যই জনস্বার্থ (রিট) মামলা খোলা থাকা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করতে খান একাডেমির কার্যক্রম চালুর অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩২ পি.এম


শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করতে খান একাডেমির কার্যক্রম চালুর অনুমোদন

শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করতে 'খান একাডেমি বাংলাদেশ' কার্যক্রম চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বাসস-এর মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুসারে, দেশের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের গণিত শিক্ষণ দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের গণিত শিখনফল বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের ৭ জেলার মোট ১০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে 'খান একাডেমি বাংলাদেশ' কার্যক্রম বাস্তবায়নের অনুমোদন দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

এই কার্যক্রম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা 'সাজেদা ফাউন্ডেশন'-এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে এবং এটি এক বছর মেয়াদি, যা ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে।

বৃহস্পতিবার মাউশির এক আদেশে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। আওতাভুক্ত জেলাগুলো হলো— ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও পঞ্চগড়।

সাজেদা ফাউন্ডেশনের পরিচালনায় এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো 'খান একাডেমি বাংলাদেশ' প্ল্যাটফর্মের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করা এবং ডিজিটাল ডিভাইসের টেকনিক্যাল সমর্থনের মাধ্যমে পাঠদান আধুনিকায়ন করা।

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম সম্পর্কে আদেশে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষকদের শিক্ষণ দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিখনফল বৃদ্ধির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হবে।

শিক্ষার্থীদের গণিত শিখনফল বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'খান একাডেমি বাংলাদেশ' প্ল্যাটফর্মের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় ডিভাইস সেটআপ ও টেকনিক্যাল সমর্থন প্রদান, শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শিখনগত সহায়তা, কর্মশালার আয়োজন, মাসিক মনিটরিং সেশন পরিচালনা এবং অগ্রগতি রিপোর্টিং কার্যক্রমও পরিচালনা করা হবে।

অতিরিক্ত তথ্য অনুযায়ী, আদেশে বেশ কিছু শর্তও যুক্ত করা হয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, এই কার্যক্রম পরিচালনাকালে জাতীয় ও ধর্মীয় চেতনা পরিপন্থী কোনো কাজ করা যাবে না।

জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সহায়তায় বিদ্যালয় নির্বাচন করতে হবে এবং ওই তালিকা মাউশি অধিদপ্তর কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই মূল শ্রেণি কার্যক্রমের (ক্লাস) বিঘ্ন ঘটানো যাবে না।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, প্রকল্পের যেকোনো পরিবর্তন, পরিমার্জন কিংবা মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মাউশির পূর্বানুমতি লাগবে। কার্যক্রমটি উপজেলা, জেলা, আঞ্চলিক কার্যালয় এবং মাউশি অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নিয়মিত তদারকি করবেন এবং এর ত্রৈমাসিক ও বার্ষিক অগ্রগতি প্রতিবেদন অবশ্যই অধিদপ্তর বরাবর পাঠাতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমেরিকার চাকরি বিদেশি প্রতারকদের জন্য নয়’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ পি.এম


‘আমেরিকার চাকরি বিদেশি প্রতারকদের জন্য নয়’

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা কর্মসূচি থেকে বিদেশি প্রতারকদের বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, ‘আমেরিকান চাকরিগুলো অবশ্যই আমেরিকান কর্মীদের জন্যই হওয়া উচিত, বিদেশি প্রতারকদের জন্য নয়।’

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এদের নিয়োগের জন্য এইচ-১বি ও পার্ম ভিসা ক্যাটাগরির আওতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে দক্ষ পেশাজীবীদের নিয়োগ দেয়। তবে, ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহার, জালিয়াতি, অদক্ষ পেশাজীবীদের নিয়োগ, এমনকি বিদেশি পেশাজীবীদের বেতন কেটে রাখার অভিযোগে মার্কিন শ্রম বিভাগ তদন্তে নেমেছে।

শ্রম বিভাগের ইন্সপেক্টর জেনারেল অ্যান্থনি ডি’এসপোসিটো জানান, বিদেশি কর্মী ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহার এবং সন্দেহভাজন মানবপাচারের বিষয়ে একটি বড় আকারের অনুসন্ধান শুরু করেছে তার কার্যালয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা সম্ভাব্যভাবে আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদেশি শ্রম জালিয়াতির বিরুদ্ধে সবচেয়ে আগ্রাসী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি।’

ডি’এসপোসিটো জানিয়েছেন, হুইসেলব্লোয়ারদের দেওয়া গোপন তথ্য তদন্তকারীদের ‘কগনিজ্যান্ট’-এর মতো কিছু বড় বড় কম্পানির দিকে নির্দেশ করেছে।

তিনি আরও বলেন, তার দল প্রতিটি সূত্রের শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে কাজ করবে। তদন্ত চলাকালে প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের জালিয়াতি বিরোধী টাস্ক ফোর্সের সঙ্গে তারা সমন্বয় করে কাজ করবে।

এদিকে, শ্রম বিভাগের একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা এমন ব্যাবসায়িক কারসাজি খুঁজে পেয়েছে যেখানে নিয়োগকর্তা এবং শ্রম দালালরা ভুয়া আবেদন জমা দিয়েছিল এবং অবৈধভাবে মজুরি থেকে টাকা কেটে বিদেশি কর্মীদের শোষণ করছিল।

বিবৃতিতে এও উল্লেখ করা হয়েছে, এই অপব্যবহারগুলো শ্রম বিভাগের কর্মসূচির সততা ও উদ্দেশ্যকে নষ্ট করছে। আর এই কর্মসূচিগুলো তৈরি করা হয়েছে প্রকৃত শ্রম ঘাটতি পূরণ করার জন্য, আমেরিকানদের চাকরির বিনিময়ে অসাধুচক্রের পকেট ভারি করার জন্য নয়।

গত বুধবার মিলওয়াকিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, ‘শ্রম বিভাগ ইতিমধ্যেই সমন জারি করা শুরু করেছে এবং ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহারকারী বিদেশি প্রতারকদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের একটি এইচ-ওয়ানবি ভিসা প্রোগ্রাম রয়েছে। এই প্রোগ্রামটি একটি মেধাবী প্রযুক্তিবিদ, বিজ্ঞানী বা চিকিৎসকের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার একটি বৈধ পথ। কিন্তু এখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, বড় করপোরেশন এবং বিদেশি প্রতারকেরা এই প্রোগ্রামটি ব্যবহার করে আমেরিকান কর্মীদের মজুরি কমাচ্ছে।’

ভ্যান্স জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেন, ‘আমরা বলছি, আর নয়। আমরাও নিশ্চিত করছি যাতে প্রতারকরা এই ভিসা প্রোগ্রামগুলোর সুযোগ নিতে না পারে।’

তিনি বলেন, ‘আপনি যদি এই ভিসা প্রোগ্রামের অন্যায় সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে আপনাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।’

জেডি ভ্যান্স আরো যোগ করেন, ‘এখানে একটি সহজ নীতি রয়েছে: আমেরিকান চাকরিগুলো আমেরিকান কর্মীদেরই পাওয়া উচিত, বিদেশি প্রতারকদের নয়। আর শ্রম বিভাগ তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর লড়াই করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গতদের পাশে বিরোধীদলীয় নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪০ পি.এম


চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গতদের পাশে বিরোধীদলীয় নেতা

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম এবং পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানযোগে চট্টগ্রামে পৌঁছে তিনি সরাসরি বন্যাকবলিত বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন। পরিদর্শনকালে তিনি দেখেন, অনেক ঘরবাড়ি এখনও পানিতে তলিয়ে রয়েছে এবং অসংখ্য পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব।" তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

পরিদর্শন শেষে জামায়াত আমির ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে শুকনো খাবার ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের ফলে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রাণহানির পাশাপাশি বহু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে।

এ ছাড়াও বিরোধীদলীয় নেতা সাতকানিয়া এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করবেন।

জামায়াতের আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগরী আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপিসহ মহানগরী ও স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাইতিতে আন্তর্জাতিক গ্যাং দমন বাহিনীতে যোগ দিল শ্রীলঙ্কা: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ পি.এম


হাইতিতে আন্তর্জাতিক গ্যাং দমন বাহিনীতে যোগ দিল শ্রীলঙ্কা: জাতিসংঘ

নতুন আন্তর্জাতিক ‘গ্যাং’ দমন বাহিনী (জিএসএফ)-এ শ্রীলঙ্কার একটি দল যোগ দিয়েছে যা হাইতিতে সশস্ত্র গ্যাং দমনে গঠিত হয়েছে বলে জানা যায়। জাতিসংঘ-সমর্থিত এই বাহিনীর এক মুখপাত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এই মুখপাত্র বৃহস্পতিবার এএফপিকে বলেছেন, ‘একটি শ্রীলঙ্কান দল গত রাতে পোর্ট-অ-প্রিন্সে পৌঁছেছে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে আমরা সদস্যসংখ্যা প্রকাশ করছি না।’

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র থেকে এসেছে। মুখপাত্র জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও সদস্য এই বাহিনীতে যোগ দেবেন। ধাপে ধাপে এই বাহিনীর সদস্যসংখ্যা বাড়িয়ে পরিকল্পনা রয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ জন ইউনিফর্মধারী সদস্য (পুলিশ ও সেনাসদস্য) এবং ৫০ জন বেসামরিক কর্মী নিয়ে গঠনের।

এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য হচ্ছে হাইতির জাতীয় পুলিশকে সহায়তা করা এবং দেশের রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সশস্ত্র গ্যাংগুলোকে দমন করা।

এছাড়া, বাহিনীটি কাজ করবে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দেশে জননিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা এবং নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করার জন্যও।

আমেরিকা মহাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি হাইতি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতায় ভুগছে। দেশটির শক্তিশালী সশস্ত্র গ্যাংগুলো হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অপহরণের মতো অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার টুর্ক গত মাসে জানিয়েছিলেন, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে গ্যাং সহিংসতায় অন্তত ‘২ হাজার ৩০০ জন নিহত এবং ১ হাজার ১০০ জন আহত হয়েছেন। তিনি নতুন এই বাহিনীকে ‘অত্যন্ত জরুরি’ বলে উল্লেখ করেন।

নিরাপত্তাহীনতার কারণে হাইতিতে ২০১৬ সালের পর আর কোনো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। জাতিসংঘের ২০২৬ সালের হাইতি মানবিক সহায়তা পরিকল্পনার জন্য ৮৮ কোটি ডলার প্রয়োজন হলেও এখন পর্যন্ত এর এক-চতুর্থাংশেরও কম অর্থ পাওয়া গেছে। গত জুনে হাইতি সফরের সময় জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস দেশটির পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘বিশ্ব যেভাবে হাইতির দিকে তাকানো বন্ধ করে দিয়েছে, সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%