ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২১৬০ মামলা


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২১৬০ মামলা

জাতীয় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বুধবার ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ১৬০টি মামলা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

আজ ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে চারটি বাস, দু’টি ট্রাক, তিনটি কাভার্ডভ্যান, নয়টি সিএনজি ও ৩৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮৫টি মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাগদাদে বায়ুদূষণ শীর্ষে, ঢাকার অবস্থান ১৩তম

এছাড়া ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৭টি বাস, চারটি ট্রাক, ১৯টি সিএনজি ও ৮৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৫টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২২টি বাস, দু’টি ট্রাক, ২৪টি কাভার্ডভ্যান, ৯৭টি সিএনজি ও ২০০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪০৩টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ১৬টি বাস, ১৯টি ট্রাক, ১৬টি কাভার্ডভ্যান, ২৮টি সিএনজি ও ৬২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৮১টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ২৫টি বাস, তিনটি ট্রাক, নয়টি কাভার্ডভ্যান, ৪৫টি সিএনজি ও ৫৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৭৩টি মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার ঢাকার মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরীসহ বিভিন্ন এলাকায় দোকানপাট বন্ধ

ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ১৯টি বাস, ১৮টি ট্রাক, ২৮টি কাভার্ডভ্যান, ৬৬টি সিএনজি, ২৬৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৭৯টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৪৯টি বাস, ২৭টি ট্রাক, আটটি কাভার্ডভ্যান, ৮৩টি সিএনজি ও ১৬৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৪৫টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৩৫টি বাস, চারটি ট্রাক, ১২টি কাভার্ডভ্যান, ৩৫টি সিএনজি ও ৯২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩৯টি মামলা হয়েছে।

এছাড়াও অভিযানকালে মোট ৪৯৮টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ৩৬৭টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নেসেটে ১৯ আসন পেয়েও সংশয়: নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে তো আরব দলগুলো?

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার কনস্টেবল আনোয়ার হোসেনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার কনস্টেবল আনোয়ার হোসেনের মৃত্যু

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত কনস্টেবল মোঃ আনোয়ার হোসেন (বিপি-৮৩০৩০০৩৮১৬) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দিবাগত রাতে হঠাৎ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে, ফলে দ্রুত সময়ে তাঁকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ সূত্র থেকে জানা যায়, কনস্টেবল আনোয়ার হোসেন পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার উত্তর পৈকখালী গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম মকবুল হোসেন। বিএমপির তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। বিষয়টি উপলব্ধি করে সহকর্মীরা ডাক্তারের কাছে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। তিনি যখন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছান, সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাত ১২টা ৩০ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসকদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে জানা গেছে, হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়াই তাঁর মৃত্যুর প্রধান কারণ। কনস্টেবল আনোয়ার হোসেনের অকাল মৃত্যুতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ পরিবারের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই পুলিশ সদস্য দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং তাঁর মৃত্যুতে সহকর্মী, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে শোকের আবহ বিরাজ করছে।

এ ঘটনার পর বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মোঃ আশিক সাঈদ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানান। পুলিশ বাহিনীর এই সদস্যের মৃত্যুর কারণে সহকর্মীদের পাশাপাশি তাঁর স্বজন ও এলাকার মানুষের মাঝেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার থেকে মরহুমের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাতের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাড়ির আঙিনায় গাঁজা চাষ, গ্রেপ্তার ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


বাড়ির আঙিনায় গাঁজা চাষ, গ্রেপ্তার ১

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় একজন ব্যক্তিকে গাঁজা গাছ রোপণ ও পরিচর্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম শুক্কুর আলী এবং তার বয়স ৪০ বছর। তার বাড়ি থেকে ৯টি গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্কুর আলী কেন্দুয়া উপজেলার বাসিন্দা। কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে, বুধবার (২৪ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেন্দুয়া থানার চিরাং ইউনিয়নের গোপালাশ্রম গ্রামে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় বাড়ির পূর্ব পাশের আঙিনায় থেকে প্রায় ৭ ফুট উচ্চতার ৯টি গাঁজা গাছ, ৪০ গ্রাম গাঁজা এবং ২১ হাজার ১ শত ৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত গাঁজা গাছগুলোর আনুমানিক ওজন প্রায় ১৫ কেজি।

কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জানিয়েছেন যে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শুক্কুর আলী স্বীকার করেছেন যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে গাঁজা গাছ চাষ করে স্থানীয় এলাকার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিলেন। তিনি বলেন যে, জব্দকৃত গাঁজা গাছগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যেই তিনি চাষ করেছিলেন। তাকে গ্রেপ্তার করার পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় কেন্দ্রীয় থানায় মামলা রুজু করে দুপুরের দিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিগাতলা ও যাত্রাবাড়ীতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৯ পি.এম


জিগাতলা ও যাত্রাবাড়ীতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং টাস্কফোর্সের সভাপতি মীর শাহে আলমের নেতৃত্বে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) জিগাতলা ও যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী খাল এলাকায় বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে।

আজ ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় কমিটি’র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নবগঠিত টাস্কফোর্সের উদ্যোগে কার্যক্রমটি সম্পন্ন হয়।

অভিযানকালে জিগাতলা এলাকার বিভিন্ন বসতবাড়ির ছাদ, বেইজমেন্ট, হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করা হয়েছে।

এ সময় ২টি নির্মাণাধীন ব্যক্তি মালিকানাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাওয়ায়, দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৭০ ধারার অনুযায়ী ভবনের প্রত্যেক মালিককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

ডেঙ্গুর লার্ভা থাকায় লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত বিশেষ সতর্কতামূলক লিফলেট ভবনের প্রবেশপথে সেঁটে দেওয়া হয়েছে।

অভিযানকালে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন সরকারি আবাসিক এলাকায় ডেঙ্গুর লার্ভা সৃষ্টির উপযোগী পরিবেশ ও ময়লা জমে থাকার জন্য বাসিন্দাদের এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়।

এছাড়া যত্রতত্র ময়লা না ফেলতে পথচারী এবং ব্যবসায়ীদের সচেতন করা হয়।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মীর শাহে আলম বলেন, ‘মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তি দেওয়া আমাদের মূল উদ্দেশ্য নয়। আমাদের উদ্দেশ্য হলো জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।’

তিনি আরও জানান, আমরা চাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুক।

টাস্কফোর্সের সভাপতি উল্লেখ করেন যে, জাতীয় কমিটির অধীনে এই টাস্কফোর্সের অভিযান রাজধানীজুড়ে অব্যাহত থাকবে।

এ সময় তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে গণমাধ্যম কর্মীদের ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে আরও কার্যকরী ভূমিকা রাখার জন্য বিনীত অনুরোধ জানান।

পরে তিনি যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ কুতুবখালী খাল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি খাল ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমান ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জনাব মো. রবিউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৯ শিশুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৯ শিশুর

দেশে হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে আরও ৯ শিশুর, যা গত ২৪ ঘণ্টায় ঘটেছে। এই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে পুরো ৯৪৫ শিশু।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম সংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রদান করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু ঘটে। কিন্তু, নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনও শিশুর মৃত্যু হয়নি।

২০১৫ সালের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত, সারা দেশে হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬০৫ শিশুর। আর নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯৩ শিশু। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গে এই সময়ে মোট ৬৯৮ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।

এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৫২ শিশু এবং হামের উপসর্গ থাকা রোগীর সংখ্যা ৮৯৩। এ সময়ে ৮৬০ নতুন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, এবং হাসপাতাল থেকে ৯০৬ শিশু ছাড়া পেয়েছে।

১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত, মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৬ হাজার ৬৫৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৪৪২। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮০ হাজার ৪৯৭ রোগী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%