ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালদ্বীপে বাংলাদেশি যুবকের আত্মহত্যা


মালদ্বীপে বাংলাদেশি যুবকের আত্মহত্যা

মালদ্বীপে মেজবাহ উদ্দিন নামক এক প্রবাসী বাংলাদেশি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার ভোরের বাজার এলাকার মাহাদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মোজিবুল হক (সুরুজ মিয়া)।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে রাজধানী মালের সিট্রন বাই লেমনগ্রাস কোম্পানির স্টাফ কোয়ার্টার থেকে স্থানীয় প্রশাসন তার মরদেহ উদ্ধার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এমন অভিজ্ঞতা শেয়ার করা এক কর্মী, যিনি একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বাংলাদেশি কবির আহমেদ।

তিনি জানান, মেজবাহ উদ্দিন স্টাফ কোয়ার্টারে অন্যান্য সহকর্মীদের সঙ্গে বসবাস করতেন। রাতে সহকর্মীরা তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে শিশু তালহা হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

নিহতের মামা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, জীবিকার সন্ধানে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মেজবাহ মালদ্বীপে যান। তিনি কিছু ব্যক্তিগত ও মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে তারা নিশ্চিত নন এবং মালদ্বীপ পুলিশের আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

বর্তমানে মেজবাহ উদ্দিনের মরদেহ রাজধানী মালের একটি মর্গে সংরক্ষিত রয়েছে। তার বাবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, প্রবাসী মেজবাহ উদ্দিনের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। হাইকমিশন এই বিষয়ে অবগত হয়েছে এবং তদন্তের অগ্রগতি জানতে মালদ্বীপের সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। একই সঙ্গে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার প্রতিরোধ করার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে মুন্সীগঞ্জে পালিত হয়েছে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৬। দিবসটির সুবর্ণ উপলক্ষে শুক্রবার (২৬ জুন) জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এ. কে. এম. ইরাদত এবং পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, পিপিএম।

আলোচনা সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার সকলের জন্য এক ভয়াবহ হুমকি স্বরূপ। মাদকাসক্তি একজন ব্যক্তির জীবনকে কেবল ধ্বংস করে না, বরং পরিবার ও সমাজের স্থিতিশীলতাও ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং যুবসমাজের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে দেয়।

বক্তারা মাদকমুক্ত সমাজ নির্মাণের জন্য পারিবারিক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, মিডিয়া এবং সর্বস্তরের জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তারা একইসঙ্গে মাদকের অপব্যবহার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, অবৈধ মাদক পাচার প্রতিরোধ এবং তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও বিভিন্ন ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে, দিবসটির স্বীকৃতি হিসেবে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের সনদপত্র ও পুরস্কার তুলে দেওয়ার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন যে, এ ধরনের কর্মসূচি মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে আরও প্রচার করবে এবং একই সঙ্গে মাদকমুক্ত, নিরাপদ এবং সুস্থ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এ সময় উপস্থিত অন্যদের মধ্যে ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মৌসুমী মাহমুব, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মাহমুদুর রহমান খোন্দকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরীফ উল্যাহ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ লুৎফর রহমান, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

‘ফলদ ও বনজ বৃক্ষে সমৃদ্ধ করি পরিবেশ’—প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফ্রেন্ডস অ্যালায়েন্স এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদ যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অমর একুশে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াছ আল-মামুন, ডুফার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ কামাল অনিক এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. আবু রাফি উপস্থিত ছিলেন। প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শুধু গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, বরং যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে গাছের বেঁচে থাকার হার বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।

গাছের পরিচর্যা করার সক্ষমতা বিবেচনা করেই বৃক্ষরোপণের পরিসর এবং সংখ্যা নির্ধারণ করা উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় ব্যাপকভাবে ফলদ ও বনজ বৃক্ষ রোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ শুধু সবুজায়ন বৃদ্ধি করে না, বরং বিশুদ্ধ বায়ু নিশ্চিত করা, খাদ্য ও প্রাকৃতিক সম্পদের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও টেকসই পৃথিবী গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাঁরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে দেশীয় বৃক্ষপ্রজাতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরে প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ সংলগ্ন লনে আম গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এরপর ফজলুল হক মুসলিম হল প্রাঙ্গণেও একটি গাছ লাগানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রুসার আয়োজনে বেরোবিতে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, ড্রয়ে শেষ হয়েছে লড়াই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসফিকুল হাসান বেরোবি প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


ব্রুসার আয়োজনে বেরোবিতে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, ড্রয়ে শেষ হয়েছে লড়াই

ফুটবল বিশ্বকাপের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ক্যাম্পাসে একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ম্যাচটি আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের অংশগ্রহণে ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম রোকেয়া ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন (ব্রুসা)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছেন বর্তমান শিক্ষার্থীরা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরাও।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে প্রীতি ম্যাচটি আয়োজন করার ফলে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। উভয় দলের সমর্থকেরা নিজ নিজ দলের জার্সি পরে মাঠে উপস্থিত হয়। খেলার শুরু থেকেই মাঠে করতালি, স্লোগান এবং উচ্ছ্বাসের শব্দে পুরো মাঠ মুখর হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ফুটবলপ্রেমীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

ম্যাচের শুরুতেই উভয় দল আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রদর্শন চালায়। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল—দুই দলই বেশ কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন আক্রমণ চালালেও, শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে উভয় দল একটি করে গোল করে। ফলে ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয় বহুল প্রতীক্ষিত এই প্রীতি ম্যাচ।

মাঠের লড়াই শেষ হওয়ার পর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়। তারা একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং ছবি তোলার মাধ্যমে ফুটবল যে সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করে, তারই প্রতিফলন ঘটে এ আয়োজনে।

ব্রুসার সভাপতি মনিবুর রহমান মিতু বলেন, "আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল ফুটবলকে কেন্দ্র করে বেরোবি পরিবারের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের একত্রিত করা। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল—দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আরও দৃঢ় করাই এই আয়োজনের উদ্দেশ্য। খেলায় জয়-পরাজয়ের চেয়ে অংশগ্রহণ, আনন্দ এবং ক্যাম্পাসের মিলনমেলাই আমাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এমন আরও ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত থাকবে।"

খেলা দেখতে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম বলেন, "অনেক দিন পর ক্যাম্পাসে এত প্রাণবন্ত একটি আয়োজন দেখলাম। মাঠে যেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল, তেমনি মাঠের বাইরে ছিল বন্ধুত্বের দারুণ পরিবেশ। এমন আয়োজন নিয়মিত হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি আরও বাড়বে।"

আরেক দর্শক তাসনিম জান্নাত বলেন, "শুধু খেলা নয়, এটি ছিল পুরো ক্যাম্পাসের জন্য একটি উৎসব। বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে খেলতে দেখা সত্যিই আনন্দের। এমন আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করবে।"

আয়োজকরা জানান, খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দলগত চেতনা বিকাশের লক্ষ্যেই এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহে আয়োজিত এই প্রীতি ম্যাচ শেষ পর্যন্ত ড্র হলেও, মাঠজুড়ে দর্শকদের উচ্ছ্বাস, খেলোয়াড়দের ক্রীড়াসুলভ মনোভাব এবং সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হল থেকে বের হওয়ার সময় আটক নাজিমের কারাগারে প্রেরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


হল থেকে বের হওয়ার সময় আটক নাজিমের কারাগারে প্রেরণ

রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে পরীক্ষা দেওয়ার পর বের হওয়ার সময় একদল যুবকের হাতে মারধরের শিকার হন শিক্ষার্থী নাজিম উদ দৌলা (২৫)। তাকে পরবর্তীতে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। খবর অনুযায়ী, বনানী থানার একটি সন্ত্রাসবিরোধী ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে শুক্রবার (২৬ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম নাজিমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতে আসামি নাজিম উদ দৌলার পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি। তিনি জানান, তিতুমীর কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার সময় নাজিম উদ দৌলাকে মব করে মেরে একদল লোক তাকে পুলিশে ধরিয়ে দেয়। তিনি কোনো ধরনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন। কিন্তু আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানী থানাধীন ১১ নম্বর ও ৬ নম্বর রোডের সংযোগস্থলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে মিছিল এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। ওই ঘটনায় হওয়া মামলার সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গতকাল তিতুমীর কলেজ এলাকা থেকে নাজিমকে গ্রেপ্তার করে বনানী থানা পুলিশ। তিনি কুড়িগ্রামের রৌমারী থানার জাদু চর গ্রামের মমিনুল ইসলামের ছেলে। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের বাসন থানার টেকনোপাড়া এলাকায় বসবাস করছিলেন।

পুলিশের আটক রাখার আবেদনের সূত্রে জানা যায়, গতকাল তিতুমীর কলেজ প্রাঙ্গণে আটক হওয়ার সময় নাজিম আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে চিকিৎসার জন্য কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়। আজ বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই কামাল হোসেন আসামিকে আদালতে হাজির করে আটক রাখার আবেদন জানালে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%