০৪:০৩ পি.এম
অবসর গ্রহণের পরেও ভারতের সাবেক টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা নিয়মিতভাবে নিজের ফিটনেস এবং সৌন্দর্য বজায় রাখতে ত্বকের যত্ন নিচ্ছেন। তার রূপচর্চার রুটিনে নতুন সংযোজন হিসেবে রয়েছে রেড লাইট থেরাপি।
২০২৩ সালে টেনিস থেকে অবসর নেওয়ার পর সানিয়া সাত বছর বয়সী এক সন্তানের মা। তবে তিনি নিজের ত্বকের যত্নে কোনো ছাড় দিতে ইচ্ছুক নন।
প্রতিদিন সকালে প্রায় ১০টি ধাপে ত্বকের পরিচর্যা করেন সানিয়া। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে তিনি একাধিক ধাপের রূপচর্চা অনুসরণ করেন। এই ক্ষেত্রে কোরীয় সৌন্দর্যচর্চার বিভিন্ন পদ্ধতির ওপরও তিনি নির্ভর করেন।
আরও পড়ুন: মা হারালেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পপি
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সানিয়া জানিয়েছেন, এই পদ্ধতিতে ত্বক ও চুল— দুই ক্ষেত্রেই তিনি উপকার পেয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, গত এক বছরে তার রূপচর্চার রুটিনে রেড লাইট থেরাপি যুক্ত হয়েছে। তিনি প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে এই থেরাপি গ্রহণ করেন।
সানিয়ার ভাষ্যমতে, থেরাপির পর ত্বকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন তিনি নিজেই লক্ষ্য করেছেন। চুলের ক্ষেত্রেও উপকার পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এই টেনিস তারকা।
রেড লাইট থেরাপি একটি আলোকভিত্তিক চিকিৎসাপদ্ধতি, যা লো-লেভেল লাইট থেরাপি নামেও পরিচিত। এতে লাল আলো এবং নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড আলো ব্যবহার করে ত্বকের কোষের কার্যকলাপকে উদ্দীপিত করার চেষ্টা করা হয়।
আরও পড়ুন: নেপালের নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হবে বাংলাদেশের ‘এ ফাদার’স স্কাই’
সঠিকভাবে প্রয়োগ করলে এই থেরাপি ত্বকের বলিরেখা ও কিছু দাগছোপ কমাতে, প্রদাহ প্রশমিত করতে এবং ত্বকের গঠন উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে। ত্বকে কোলাজেন উৎপাদন বাড়ানোর সম্ভাবনার কারণে পদ্ধতিটি নিয়ে আগ্রহ রয়েছে। তবে সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের ফল পাওয়া যায় না।
চুলের যত্নেও রেড লাইট থেরাপি ব্যবহার করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে এটি চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। তবে চুল পড়ার কারণ, থেরাপির ধরন এবং ব্যবহারের নিয়মের ওপর এর কার্যকারিতা নির্ভর করে।
রেড লাইট থেরাপিতে ত্বকের কিছু সমস্যার উন্নতি হতে পারে। তবে এটি বয়সের ছাপ পুরোপুরি মুছে ফেলার বা চিরযৌবন ধরে রাখার পদ্ধতি হিসেবে দেখা উচিত নয়। নিয়মিত ব্যবহার করলেও ফল পেতে সময় লাগতে পারে। পাশাপাশি যন্ত্রের মান, আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য, ব্যবহারের মাত্রা এবং ব্যক্তির ত্বকের ধরন ফলাফলে প্রভাব ফেলে।
সানিয়া মির্জা তার অভিজ্ঞতায় ত্বক ও চুলে উপকার পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা সবার ক্ষেত্রে একই ফল হবে— এমন নিশ্চয়তা নেই।
আরও পড়ুন: সাত বছরেই ১২ ভাষায় দক্ষ গজনি অভিনেত্রীর মেয়ে, ঘরে নেই টিভি-মোবাইল!
রেড লাইট থেরাপি সাধারণত নির্দিষ্ট সময় ও মাত্রা মেনে ব্যবহার করা হয়। আলো কতটা তীব্র, যন্ত্রটি কী ধরনের এবং কতক্ষণ ব্যবহার করা হচ্ছে— এসব বিষয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে ১০ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত থেরাপি দেওয়া হয়। তবে সব যন্ত্রের জন্য একই সময়সীমা প্রযোজ্য নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন