ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লাস ভেগাসে যাওয়ার অভিযোগে চার সন্তানকে একা রেখে ফের গ্রেপ্তার মা


লাস ভেগাসে যাওয়ার অভিযোগে চার সন্তানকে একা রেখে ফের গ্রেপ্তার মা

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় চার সন্তানকে প্রায় তিন দিন একা রেখে লাস ভেগাসে যাওয়ার অভিযোগে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৫০ বছর বয়সী আইরিন মিলারের বিরুদ্ধে শিশুদের অবহেলার চারটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) এনবিসি নিউজের সূত্রে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

স্থানীয় শেরিফের কার্যালয় জানায়, ২১ অক্টোবর কিসিমির বাড়ি থেকে এক শিশু জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করে জানায়, ভারোত্তোলনের ওজন পড়ে গিয়ে তার ৯ বছর বয়সী ভাই আহত হয়েছে।

আরও পড়ুন: ডিজেল রপ্তানি বাড়াতে চায় ভারত, শোধনাগারগুলো সক্ষমতা বাড়াচ্ছে

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ১৪, ১২, ১১ ও ৯ বছর বয়সী চার শিশুকে একা পায়। সেখানে তাদের দেখাশোনার জন্য কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন না। আহত শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হয়, তবে তার আঘাত গুরুতর ছিল না বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়।

পুলিশ জানায়, আইরিন মিলার ১৮ অক্টোবর লাস ভেগাসে গিয়েছিলেন। তিনি পুলিশকে জানান, সেখানে তিনি কাজ করছিলেন এবং ২৩ অক্টোবর ফেরার পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি দাবি করেন, সন্তানদের স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি ও স্কুল থেকে ফেরার পর খোঁজখবর নিতে টাম্পা থেকে একজন পরিচর্যাকারী আসতেন। কিন্তু মিলার ওই ব্যক্তিকে রাতে শিশুদের সঙ্গে বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেননি।

পরে শিশুদের তাদের বাবার বাড়িতে পাঠানো হয়। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে লাস ভেগাস থেকে ফেরার পর বিমানবন্দরে মিলারের সঙ্গে তদন্তকারীরা দেখা করেন। তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে নেওয়া হলেও সোমবারের মধ্যে তিনি কারামুক্ত হন বলে কারাগারের নথিতে দেখা যায়।

স্থানীয় শেরিফ ক্রিস ব্ল্যাকমন মন্তব্য করেন, শিশুদের অবহেলার ঘটনা সহ্য করা হবে না। এ ধরনের অভিযোগের তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ভারত মহাসাগরে ১৩ দিনের যৌথ মিশনে ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া

সূত্র: এনবিসি নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যৌবন ধরে রাখতে রেড লাইট থেরাপি নিচ্ছেন সানিয়া মির্জা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ পি.এম


যৌবন ধরে রাখতে রেড লাইট থেরাপি নিচ্ছেন সানিয়া মির্জা

অবসর গ্রহণের পরেও ভারতের সাবেক টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা নিয়মিতভাবে নিজের ফিটনেস এবং সৌন্দর্য বজায় রাখতে ত্বকের যত্ন নিচ্ছেন। তার রূপচর্চার রুটিনে নতুন সংযোজন হিসেবে রয়েছে রেড লাইট থেরাপি।

২০২৩ সালে টেনিস থেকে অবসর নেওয়ার পর সানিয়া সাত বছর বয়সী এক সন্তানের মা। তবে তিনি নিজের ত্বকের যত্নে কোনো ছাড় দিতে ইচ্ছুক নন।

প্রতিদিন সকালে প্রায় ১০টি ধাপে ত্বকের পরিচর্যা করেন সানিয়া। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে তিনি একাধিক ধাপের রূপচর্চা অনুসরণ করেন। এই ক্ষেত্রে কোরীয় সৌন্দর্যচর্চার বিভিন্ন পদ্ধতির ওপরও তিনি নির্ভর করেন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সানিয়া জানিয়েছেন, এই পদ্ধতিতে ত্বক ও চুল— দুই ক্ষেত্রেই তিনি উপকার পেয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, গত এক বছরে তার রূপচর্চার রুটিনে রেড লাইট থেরাপি যুক্ত হয়েছে। তিনি প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে এই থেরাপি গ্রহণ করেন।

সানিয়ার ভাষ্যমতে, থেরাপির পর ত্বকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন তিনি নিজেই লক্ষ্য করেছেন। চুলের ক্ষেত্রেও উপকার পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এই টেনিস তারকা।

রেড লাইট থেরাপি একটি আলোকভিত্তিক চিকিৎসাপদ্ধতি, যা লো-লেভেল লাইট থেরাপি নামেও পরিচিত। এতে লাল আলো এবং নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড আলো ব্যবহার করে ত্বকের কোষের কার্যকলাপকে উদ্দীপিত করার চেষ্টা করা হয়।

সঠিকভাবে প্রয়োগ করলে এই থেরাপি ত্বকের বলিরেখা ও কিছু দাগছোপ কমাতে, প্রদাহ প্রশমিত করতে এবং ত্বকের গঠন উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে। ত্বকে কোলাজেন উৎপাদন বাড়ানোর সম্ভাবনার কারণে পদ্ধতিটি নিয়ে আগ্রহ রয়েছে। তবে সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের ফল পাওয়া যায় না।

চুলের যত্নেও রেড লাইট থেরাপি ব্যবহার করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে এটি চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। তবে চুল পড়ার কারণ, থেরাপির ধরন এবং ব্যবহারের নিয়মের ওপর এর কার্যকারিতা নির্ভর করে।

রেড লাইট থেরাপিতে ত্বকের কিছু সমস্যার উন্নতি হতে পারে। তবে এটি বয়সের ছাপ পুরোপুরি মুছে ফেলার বা চিরযৌবন ধরে রাখার পদ্ধতি হিসেবে দেখা উচিত নয়। নিয়মিত ব্যবহার করলেও ফল পেতে সময় লাগতে পারে। পাশাপাশি যন্ত্রের মান, আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য, ব্যবহারের মাত্রা এবং ব্যক্তির ত্বকের ধরন ফলাফলে প্রভাব ফেলে।

সানিয়া মির্জা তার অভিজ্ঞতায় ত্বক ও চুলে উপকার পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা সবার ক্ষেত্রে একই ফল হবে— এমন নিশ্চয়তা নেই।

রেড লাইট থেরাপি সাধারণত নির্দিষ্ট সময় ও মাত্রা মেনে ব্যবহার করা হয়। আলো কতটা তীব্র, যন্ত্রটি কী ধরনের এবং কতক্ষণ ব্যবহার করা হচ্ছে— এসব বিষয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে ১০ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত থেরাপি দেওয়া হয়। তবে সব যন্ত্রের জন্য একই সময়সীমা প্রযোজ্য নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রে সহিংস অপরাধ ২৫ শতাংশ কমেছে: হোয়াইট হাউস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ পি.এম


ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রে সহিংস অপরাধ ২৫ শতাংশ কমেছে: হোয়াইট হাউস

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে সহিংস অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। দেশটির বিচার বিভাগের জাতীয় অপরাধভুক্তভোগী জরিপের তথ্য উল্লেখ করে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে সহিংস অপরাধ ২০২৪ সালের তুলনায় কমেছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) হোয়াইট হাউস এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

হোয়াইট হাউসের দাবি অনুযায়ী, জরিপের ইতিহাসে এক বছরে সহিংস অপরাধের এই হ্রাস সবচেয়ে বড় ঘটনা। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্পের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নীতি, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার এবং মাদক পাচারবিরোধী পদক্ষেপের কারণে এই অপরাধের হার কমেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রাণহানিহীন সহিংস অপরাধ ২৫ শতাংশ কমেছে। গুরুতর হামলার হার ৩১ শতাংশ, ছিনতাই ২৭ শতাংশ, বাড়িতে চুরি ও অনধিকার প্রবেশ ২৫ শতাংশ এবং মোটরযান চুরি ৩০ শতাংশ কমেছে। এছাড়া সম্পত্তিসংক্রান্ত অপরাধের হার ১৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

হোয়াইট হাউসের দাবি, এই পরিসংখ্যানগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের অপরাধ দমনের নীতির প্রভাবকে তুলে ধরে। একই সঙ্গে বিজ্ঞপ্তিতে বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের জামিননীতি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং অভিবাসনসংক্রান্ত নীতির সমালোচনা করা হয়েছে।

তবে, এই তথ্য হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা দাবি। অপরাধ কমার পেছনে বিভিন্ন নীতি ও অন্যান্য কারণের পৃথক প্রভাব সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত বিশ্লেষণ প্রদান করা হয়নি।

সূত্র: হোয়াইট হাউস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে শিশু তালহা হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


গোপালগঞ্জে শিশু তালহা হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

গোপালগঞ্জে ১২ বছরের শিশু মো. তালহা ওরফে মুহিন হত্যা মামলায় আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে এবং একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু নির্যাতন ও সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোরশেদ আলম এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে মো. আমিন উদ্দিন এবং মো. শিহাব মোল্লা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। অপরদিকে, শাওন মোল্লাকে দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। একই সাথে, প্রত্যেক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় লিয়াকত আলী মোল্লা নামের অপর আসামিকে আদালত খালাস দিয়েছে। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি শিশু তালহা তার মা আলেয়া বেগমের সাথে দোকানে বিস্কুট ও কেক কিনতে যায়। এরপর খালের পাড়ে মাছ ধরা দেখতে গিয়ে সে আর বাড়ি ফেরেনি। শিশুটির সন্ধান না পেয়ে মা আলেয়া বেগম গোপীনাথপুর পুলিশ ফাঁড়িতে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরে পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে বাড়ির ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। আমিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার ঘরের ট্রাঙ্কের ভেতর থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিশু তালহার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা মো. মানজুরুল ইসলাম বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত এই রায় প্রদান করে। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চবির শাটলে সিট ধরা নিয়ে অপসংস্কৃতি, আগে উঠেও দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শিক্ষার্থীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


চবির শাটলে সিট ধরা নিয়ে অপসংস্কৃতি, আগে উঠেও দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শিক্ষার্থীদের

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের জন্য শহর থেকে ক্যাম্পাসে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হলো শাটল ট্রেন। প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী এই ট্রেনে চলাচল করেন। তবে শাটলে আসন দখল করে রাখার প্রবণতা অনেকের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক শিক্ষার্থী ট্রেনে উঠার পর নিজের পাশাপাশি অন্যদের জন্য একাধিক আসন ধরে রাখেন। ফলে, আগে ট্রেনে উঠেও অনেক শিক্ষার্থীকে বসার জায়গা না পেয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা এই প্রবণতাকে ভুক্তভোগীরা অপসংস্কৃতি হিসেবে চিহ্নিত করছেন।

গত ২৭ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার ক্যাম্পাসগামী শাটলে সরেজমিনে দেখা যায়, নগরের বটতলী স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠা কিছু শিক্ষার্থী নিজেদের জন্য একাধিক আসন ধরে রেখেছেন। কিছু আসনে ব্যাগ রাখা হয়েছে, কোথাও ছাতা, আবার কোথাও অন্য জিনিসপত্র। অথচ, এসব আসনে যাঁদের জন্য জায়গা রাখা হয়েছে, তাঁদের অনেকেই পরবর্তী স্টেশন ষোলশহর থেকে উঠছেন। বটতলী থেকে ষোলশহর পর্যন্ত পথটুকুতে আসনগুলো খালি থাকলেও অন্য শিক্ষার্থীরা সেখানে বসতে পারছেন না।

এ নিয়ে প্রায়ই শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। আসন ধরে রাখার পক্ষে কেউ কেউ একে প্রচলিত নিয়ম বলে দাবি করেন। তাঁদের যুক্তি হলো, আগে ট্রেনে উঠলে নিজের ইচ্ছামতো অন্যের জন্য আসন রাখা যায়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানাচ্ছে, শাটলে এ ধরনের আসন ধরে রাখার কোনো নিয়ম নেই। ফলে অলিখিত নিয়মের দোহাই দিয়ে অনেক শিক্ষার্থীকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

শাটলে নিয়মিত যাতায়াতকারী শিক্ষার্থী আরিফুর রহমান বলেন, “শাটলে অনেক সময় খালি সিট থাকলেও বসতে পারি না। বলা হয়, সিটটা অন্য একজনের জন্য ধরে রেখেছেন। এটা কেমন সংস্কৃতি? আবার বলা হয়, এটা নাকি নিয়ম। এই সংস্কৃতি দূর হওয়া উচিত।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন বলেন, “শাটলে সিট ধরার কোনো নিয়ম নেই। যে আগে উঠবে, সে আগে বসবে। কোনো শিক্ষার্থী বাড়াবাড়ি করলে আমাকে অবহিত করলে আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।”

শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই বাহনে আসন নিয়ে অনিয়ম ও অসহিষ্ণুতা দূর করতে সচেতনতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শাটলে আগে ওঠা শিক্ষার্থীর আসন পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা গেলে এ নিয়ে বিরোধ ও ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%