ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানের মার্কিন কৃষিপণ্য কেনার ব্যয়ের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান


ইরানের মার্কিন কৃষিপণ্য কেনার ব্যয়ের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান

মার্কিন কৃষিপণ্য কেনার জন্য ইরানের অবমুক্ত করা তহবিল ব্যয় হবে— যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবি তেহরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ প্রত্যাখ্যান করেছেন। গালিবাফ অভিযোগ করেছেন যে মার্কিন নেতারা একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তাবলীকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ তিনি একটি পোস্ট করেছেন যেখানে লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র মিথ্যাভাবে দাবি করছে যে আমাদের অবমুক্ত সম্পদ দিয়ে তাদের কৃষিপণ্য কেনা হবে।’

তিনি আরও বলেন, আমরা এখন একমাত্র যে ফসলটি ঘরে তুলছি, তা আপনাদেরই রোপণ করা—কয়েক দশকের অবিশ্বাস। এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক, প্রচুর পরিমাণে উৎপাদিত এবং আমাদের নিজেদেরই মাটিতে ফলানো। অথচ যুক্তরাষ্ট্র কেবল জিএমও সয়াবিন, ভঙ্গ করা প্রতিশ্রুতি আর কটূক্তিই রফতানি করে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও দেশটির কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া সমঝোতা স্মারকের আওতায় ইরানের জন্য প্রাথমিক আর্থিক ছাড়ের অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের কাছ থেকে ভুট্টা, গম ও সয়াবিন কেনার কাজে ব্যবহার করা হবে।

ট্রাম্প বলেছিলেন, এই অর্থ সরাসরি তেহরানের হাতে যাবে না; বরং তা মার্কিন কৃষকদের কাছে যাবে এবং ইরানের খাদ্যসংকট মোকাবিলায় ব্যয় হবে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সম্প্রতি সিএনবিসি-কে বলেছেন, কাতারে অবস্থানরত ট্রেজারি কর্মকর্তারা তহবিলের ব্যবহার তদারকি করবেন এবং এর ‘বড় অংশ’ মার্কিন খাদ্যপণ্য ও ওষুধ কেনায় ব্যয় হবে।

এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানের অবমুক্ত সম্পদ শেষ পর্যন্ত মার্কিন কৃষকদের সমৃদ্ধ করবে এবং ইরানের জনগণের খাদ্য সরবরাহে ব্যবহৃত হবে।

আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

মার্কিন কর্মকর্তাদের এসব বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির কর্মকর্তারা বলছেন, যুদ্ধের কয়েক মাস পরও দেশে খাদ্য সরবরাহে কোনো বড় ধরনের সংকট দেখা দেয়নি।

ইরানের কৃষিমন্ত্রী গোলামরেজা নৌরি গেজেলজেহ সম্প্রতি জানান, দেশটি বর্তমানে খাদ্যে প্রায় ৮৫ শতাংশ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং এর ফলে দেশটিতে কৃষি উৎপাদন ইসলামি বিপ্লবের আগের ২৮ মিলিয়ন টন থেকে বেড়ে বর্তমানে ১৩৯ মিলিয়ন টনে উন্নীত হয়েছে।

ইরানি কর্মকর্তারা গত ১৭ জুনের চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিকৃত ভাষ্য’ জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদোলনাসের হেম্মাতি বলেছেন, স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় তেহরানের ‘আমেরিকা থেকে কৃষি উপকরণ কেনার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই’।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, অবমুক্ত অর্থ ইরানের প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো দেশ থেকে পণ্য কেনার জন্য স্বাধীনভাবে ব্যবহার করা হবে। কৃষিপণ্য কেনা হলে তা মূল্য ও মানের ভিত্তিতেই হবে, ওয়াশিংটনের শর্তে নয়।

আরও পড়ুন: লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরছেন ১৭২ বাংলাদেশি

তিনি বলেন, যে যুদ্ধের লক্ষ্য ছিল ইরানের সভ্যতা ধ্বংস করা এবং দেশটিকে অস্থিতিশীল করা, সেটিই এখন কীভাবে মার্কিন কৃষকদের সমৃদ্ধ করার প্রকল্পে পরিণত হলো, তা সত্যিই বিস্ময়কর।

সূত্র: প্রেস টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার সঙ্গে বস্ত্র খাতে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার সঙ্গে বস্ত্র খাতে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায়

বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার সঙ্গে বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায়। এ লক্ষ্য পূরণে প্রথমবারের মতো কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বস্ত্র ও পোশাক প্রদর্শনী ‘অ্যাপারেল অ্যান্ড টেক্সটাইল এক্সিবিশন মালয়েশিয়া’ (আটেক্স মালয়েশিয়া ২০২৬)-এ বাংলাদেশ অংশ নিয়েছে। এই প্রদর্শনী নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং রফতানি বৃদ্ধি ঘটিয়ে, দুই দেশের বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব শক্তিশালী করার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করবে।

কাইজার এক্সিবিশনস অ্যান্ড কনফারেন্সেসের আয়োজনে শুরু হওয়া এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীটি ২৫ জুন থেকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং এটি আগামী ২৭ জুন পর্যন্ত চলবে। বিশ্বের ৬টি দেশের শতাধিক প্রতিষ্ঠান এই প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে।

কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সার্বিক সহযোগিতায়, মেলায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নামিরাহ অ্যাপারেলস, বিকেএমইএ, স্টিচ (বিডি) নিটওয়্যার এবং সামার ফ্যাশন লিমিটেডসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। মেলায় বাংলাদেশী বুথগুলোতে দেশের তৈরি বিশ্বমানের নিটওয়্যার, তৈরি পোশাক এবং বস্ত্রশিল্পের বিভিন্ন বৈচিত্র্যময় পণ্য ও উৎপাদন সক্ষমতা দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে।

গত ২৫ জুন প্রদর্শনীর জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হার রয়্যাল হাইনেস ইয়াং আমাত মুলিয়া হাজাহ শরিফাহ খাতরিনা নুরানিয়াহ জামালুল্লাহিল, মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী এবং মেট্রেডের ডেপুটি চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এস. জয় শংকর সুপায়াহসহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। উদ্বোধনী পর্ব শেষে অতিথিবৃন্দ বাংলাদেশের বুথসমূহ পরিদর্শন করেন, যেখানে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের অভূতপূর্ব সাফল্য এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা তুলে ধরা হয়।

মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের রফতানি আয়ের সিংহভাগই তৈরি পোশাক খাত থেকে, যার পরিমাণ প্রায় ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মালয়েশিয়া ও বৃহত্তর আসিয়ান অঞ্চলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রফতানি বৃদ্ধি, নতুন বাজার সম্প্রসারণ, এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব জোরদারে ‘আটেক্স মালয়েশিয়া ২০২৬’-এর মতো বড় মাপের বিটুবি সোর্সিং মেলায় অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে। বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে চলমান পরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বস্ত্র খাতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ।

প্রদর্শনীতে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী জানান, প্রতিযোগিতামূলক গুণগত মান, সাশ্রয়ী উৎপাদন খরচ, এবং আঞ্চলিক ক্রেতাদের চাহিদা পূরণের সক্ষমতার কারণে বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে একটি নির্ভরযোগ্য সোর্সিং অংশীদার। এই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী সোর্সিং প্রবাহ তৈরি ও যৌথ উদ্যোগ বাড়াতে বাংলাদেশ লক্ষ্যভিত্তিক ক্রেতা মিশন, বিটুবি ম্যাচমেকিং এবং কুয়ালালামপুরে একটি ‘বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া টেক্সটাইল ফোরাম’ গঠনে পূর্ণ সমর্থনের পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের এই পুনর্গঠনের সময়ে মালয়েশিয়া নিজেকে পোশাক সোর্সিং এবং টেক্সটাইল উদ্ভাবনের একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর তুরাগে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


রাজধানীর তুরাগে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১১

রাজধানীর তুরাগ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযানে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তুরাগ থানা পুলিশের সদস্যরা বৃহস্পতিবার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেন। এ তথ্য আজ জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. কামরুল হাসান সুজন (২২), মো. শাহ ফারহাদ (২৫), মো. জাফর (১৯), মো. তানভীর আহমেদ (৩৫), মো. শহিদ মিয়া (৫৫), মো. ইয়ামিন ওরফে নয়ন (২৬), মোছা. চম্পা আক্তার মিষ্টি (৩৪), মো. ফাহিম হোসেন (২৭), হৃদয় চৌকিদার (২৬), মো. মনির হোসেন (২৫) এবং মো. জাহিদ হোসেন। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত মামলার আসামি, পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরা রয়েছেন। গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র কোনো মূল্য দিয়ে ইরানের সঙ্গে চুক্তি করবে না: রুবিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র কোনো মূল্য দিয়ে ইরানের সঙ্গে চুক্তি করবে না: রুবিও

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চাইলেও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো মূল্য দিয়ে চুক্তি করা হবে না। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর ইরানের সম্ভাব্য ফি বা কর আরোপের পরিকল্পনা গ্রহণযোগ্য নয়। আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা এএফপির একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।

শুক্রবার (২৬ জুন) বাহরাইনে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে মার্কো রুবিও বলেন, 'আমরা একটি চুক্তি চাই, তবে তা যেকোনো মূল্য দিয়ে নয়। আমরা এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে চাই যে, এমন কোনো চুক্তি হবে না যা উপসাগরীয় অঞ্চলে আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারদের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধিকে বিন্দুমাত্র ক্ষতিগ্রস্ত করবে।'

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান একটি প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছায়, যার লক্ষ্য হলো দীর্ঘদিনের যুদ্ধের অবসান ঘটানো। ওই সমঝোতার আওতায় জার্মানির পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি পরিবহনসহ নানা জটিল বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চলছে। কিন্তু ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থনের বিষয়টি আলোচনার এতে অন্তর্ভুক্ত হবে কিনা, এটি এখনো স্পষ্ট নয়।

বাহরাইনের বৈঠক শেষে জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থনের বিষয়গুলোতে স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।

এদিকে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) হরমুজ প্রণালিতে ওমান উপকূলের কাছে একটি বাণিজ্যিক পণ্যবাহী জাহাজ অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও জানায়, জাহাজটির ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আরসেনিও ডোমিঙ্গেজ নিরাপত্তা পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়নের জন্য যুদ্ধের কারণে ওই অঞ্চলে আটকে পড়া প্রায় ৬০০ জাহাজ সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও বলেন, হরমুজ প্রণালি একটি আন্তর্জাতিক জলপথ এবং এর ওপর কোনো রাষ্ট্র এককভাবে নিয়ন্ত্রণ বা ফি আরোপ করতে পারে না। তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক জলপথ কোনো একক রাষ্ট্রের মালিকানাধীন নয় এবং এই বৈশ্বিক নীতি ভেঙে গেলে বিশ্বজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। জিসিসির পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও তাদের যৌথ বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালিতে নিঃশর্ত ও বাধাহীন মুক্ত নৌচলাচলের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।

অবশ্য ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালির জন্য যা নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, তাতে জাহাজ চলাচলের ওপর কোনো ট্রানজিট ফি আরোপের বিষয় নেই। যদিও এর আগে ওমান এবং ইরান যৌথভাবে জানিয়েছিল, প্রণালিতে প্রদত্ত বিভিন্ন সেবার জন্য সম্ভাব্য নতুন চার্জ নিয়ে তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে।

গত সপ্তাহে স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে আগামী ৬০ দিন সম্পূর্ণ বিনা খরচে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে এই সুনির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সেখানে কী ধরনের স্থায়ী ব্যবস্থা কার্যকর হবে, তা এখনো জানা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবি দর্শন বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


জবি দর্শন বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

 

জবি’র দর্শন বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে দ্বিতীয় পুনর্মিলনী-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে সকালে অ্যালামনাইদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এসে শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জবি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আত্ম-অনুসন্ধানের চিরন্তন যে প্রচেষ্টা, অবিরাম যে যাত্রা—তার নামই দর্শন। আমরা মানুষ; আমাদের সৃষ্টি কীভাবে হলো, পৃথিবীতে আমাদের কাজ কী, জীবনের শেষ যাত্রা কোথায়, মৃত্যুর পর কী ঘটে—এসব গভীর চিন্তার নামই দর্শন।

উপাচার্য আরও বলেন, যারা আমাদের জাতিসত্তাকে হেয় করতে চায়, বিপন্ন করতে চায়, জাতীয় সংগীতকে অবমাননা করতে চায়, জাতীয় পতাকাকে অপমান করতে চায় কিংবা দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে—তাদের সঙ্গে কোনো আপস নয়। এগুলোই দর্শনের মৌলিক শিক্ষা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আরজুমন্দ আরা বানু।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সিত্তুল মুনা হাসান। সভাপতিত্ব করেন পুনর্মিলনী আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক খন্দকার আমিনুল হক কাকন। সঞ্চালনা করেন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম মামুন।

দিনব্যাপী এ আয়োজনে বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা স্মৃতিচারণ, মতবিনিময় এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বিনিময়ের মাধ্যমে পুনর্মিলনীর আনন্দ ভাগাভাগি করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%