ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চার সন্তানকে একাই বড় করেছিলেন বাবা, মৃত্যুর পর এল না কেউ


চার সন্তানকে একাই বড় করেছিলেন বাবা, মৃত্যুর পর এল না কেউ

ঘনশ্যাম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর চার সন্তান—দুই ছেলে ও দুই মেয়েকে একাই বড় করেছিলেন। তবে জীবনের শেষ চার বছর তিনি ভোপালের একটি বৃদ্ধাশ্রমে কাটিয়েছিলেন। ৭০ বছর বয়সে তার মৃত্যু হলেও শেষবারের জন্য তাকে দেখতে আসেনি চার সন্তানের কেউ। তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় পুলিশ ও বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষের সহায়তায়।

ঘনশ্যাম ভারতের ভোপালের ইন্দোরে ছোট্ট ব্যবসা করতেন, সাইকেলের টায়ার ও টিউব বিক্রি করতেন। সেখানে ছিল একটি বাড়িও। ঘনশ্যামের স্ত্রী মারা যাওয়ার সময় তার ছোট মেয়ের বয়স ছিল মাত্র দুই বছর। সন্তানদের মানুষ করার জন্য তিনি নিজের জীবনটাই উৎসর্গ করেছিলেন।

কিন্তু জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসে সন্তানদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত ভালোবাসা ও যত্ন পাননি। ঘনশ্যামের শেষ ঠিকানা ছিল ভোপালের ‘আপনা ঘর’ নামের বৃদ্ধাশ্রম। প্রায় চার বছর সেখানে কাটানোর পর ৪ আগস্ট তার মৃত্যু হয়। বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষ পরিবারের সদস্যদের খবর দেন এবং বারবার ভোপালে এসে তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু পরিবারের সদস্যদের তরফ থেকে নানান অজুহাত দেখানো হয়।

আরও পড়ুন: সৌদি রুটে ১৪৪ ফ্লাইট স্থগিত, ২২ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে

পরিবার থেকে বৃদ্ধাশ্রমকে বলা হয়, ঘনশ্যামের শেষকৃত্য যেন তারা সেরে ফেলে এবং মৃত্যুসনদ পাঠিয়ে দেন। ‘আপনা ঘর’-এর পরিচালনাকারী মাধুরী মিশ্র বলেন, ঘনশ্যামের সবচেয়ে ছোট মেয়ের বয়স যখন মাত্র তিন বছর, তখনই তার স্ত্রী মারা যান। তিনি বলেন, ‘একসময় একজন বাবা চার-পাঁচটি সন্তানকে মানুষ করতে পারতেন। অথচ আজ চার সন্তান মিলে একজন বাবার দেখাশোনা করতে পারল না।’

মিশ্র জানান, ঘনশ্যামের ছোট একটি বাড়ি ছিল ইন্দোরে। পরে টাকার ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল সন্তানদের মধ্যে। ঘনশ্যাম যে জরুরি যোগাযোগ নম্বর দিয়েছিলেন, সেখানে বৃদ্ধাশ্রম থেকে ফোন করা হয়েছিল। কিন্তু উত্তর আসে, ‘আমি তাকে চিনি না। আমি তাকে ছেড়ে দিয়েছি। তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’ এছাড়া আরও বলা হয়, বাবার বাড়ির টাকা ভাই-বোনদের মধ্যে ভাগ হয়ে গেছে এবং এরপর তাদের সঙ্গে ঘনশ্যামের আর কোনো সম্পর্ক নেই।

বৃদ্ধাশ্রমে আসার সময় ঘনশ্যাম আংশিক পক্ষাঘাতগ্রস্ত ছিলেন। তাকে কথা বলতেও কষ্ট হতো এবং ঠিকমতো হাঁটতেও পারতেন না। মিশ্র বলেন, সন্তানরা তাকে বৃদ্ধাশ্রমে নিয়ে আসেনি। ইন্দোর থেকে বাসে ভোপালের আইএসবিটিতে আসার পর কিছু তরুণ সমাজকর্মী তাকে দেখতে পান। পরে তারাই ঘনশ্যামকে ‘আপনা ঘর’-এ নিয়ে আসেন।

যে মানুষটি একসময় নিজের চার সন্তানকে হাঁটতে শেখাতে সাহায্য করেছিলেন, জীবনের শেষ বেলায় তিনিই আংশিক পক্ষাঘাতগ্রস্ত অবস্থায় একটি বাস টার্মিনালে প্রায় একা ছিলেন। পরবর্তী চার বছর বৃদ্ধাশ্রম হয়ে যায় তার বাড়ি। অসুস্থ হলে কর্তৃপক্ষ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেত এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করত। কিন্তু সন্তানদের কেউই তাকে দেখতে আসেননি।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুকে ঠেকাতে বিদেশ থেকে দেশে ফিরছেন হাজার হাজার ইসরাইলি

৪ আগস্ট ঘনশ্যামের মৃত্যু হয়। বৃদ্ধাশ্রমে দীর্ঘদিন মরদেহ সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় কর্তৃপক্ষ পরিবারের অপেক্ষায় ছিলেন। তার মৃত্যুর পরেও ইন্দোরের পঞ্চবটি এলাকার ঠিকানায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কাউকে পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত পুলিশের সহায়তায় ঘনশ্যামের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

মিশ্র জানান, সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। তার দাবি, এক মেয়ে অভিযোগ করেছিলেন যে বাবা সম্পত্তি ছেলেদের দিয়ে দিয়েছেন এবং তিনি কিছুই পাননি। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ‘আমি কেন যাব?’ অন্যদিকে ছেলেদের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছিল, ‘তিনি আমাদের জন্য কী করেছেন?’

ঘনশ্যামের শেষকৃত্য শেষ হয়েছে। কিন্তু তার মৃত্যুর পরও ঘটনা শেষ হয়নি। এখন তার পরিবার মৃত্যুসনদ চাইছে। তবুও মাধুরী মিশ্র জানিয়েছেন, তিনি ঘনশ্যামের মৃত্যুসনদ পরিবারের হাতে তুলে দিতে চান না। তার প্রশ্ন, ‘তিনি জীবিত থাকাকালে দেখতে আসেননি, মৃত্যুর পরও এলেন না—তাহলে এখন কেন তার মৃত্যুসনদ নিতে আসছেন?’

ঘনশ্যামের জীবনের এই ঘটনা শুধু একটি পরিবারের গল্প নয়; এটি বয়স্ক বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সম্পত্তির সঙ্গে মানবিকতার সম্পর্ক নিয়েও গভীর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: শাহজালাল রুমিকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান হয়নি: রাশেদ খাঁন

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ পি.এম


গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পথে এগোচ্ছে সংসদ সচিবালয়। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে শিগগিরই নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি পাঠানো হবে।

জানা গেছে, গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি জানিয়ে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংসদ সচিবালয় থেকে ইসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেওয়া হবে।

এরপর নির্বাচন কমিশন সাতক্ষীরা-৪ আসনটি শূন্য ঘোষণা করলে বিষয়টি সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে জানানো হবে। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সংসদ সদস্যদের এ বিষয়ে অবহিত করবেন।

সরকারদলীয় চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, জামায়াতের পক্ষ থেকে স্পিকারকে বিষয়টি জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। এখন সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্ব হলো আইনি ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া। পরে কমিশন তাদের সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ সচিবালয়কে জানাবে।

এর আগে গত ২৩ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দেয় জামায়াতে ইসলামী। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ওই চিঠি দেন।

ব্যক্তিগত মুহূর্তের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নৈতিক স্খলনের অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াত। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাংগঠনিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জামায়াতের গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জামায়াতের চিঠিতে বলা হয়, গত ২২ জুলাই বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করা হয়।

এদিকে, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করলে কিংবা সংসদে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিলে তাঁর সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়। অন্যদিকে, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নৈতিক স্খলনজনিত কোনো অপরাধে দুই বছরের বেশি কারাদণ্ড হলে সংসদ সদস্য পদ হারানোর বিধান রয়েছে।

তবে গাজী নজরুল ইসলামের ক্ষেত্রে এসব বিধান সরাসরি প্রযোজ্য নয় বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তাঁর ভাষ্য, গাজী নজরুল ইসলাম দল থেকে পদত্যাগ করেননি এবং দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোটও দেননি। আবার নৈতিক স্খলনের অভিযোগে তাঁকে বহিষ্কার করা হলেও এ বিষয়ে কোনো আদালতের রায় বা কারাদণ্ড হয়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে শুরুতে জামায়াতের কয়েকজন নেতা-কর্মী এগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করেছিলেন। পরে গাজী নজরুল ইসলাম তাঁর ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, ভিডিওতে থাকা তরুণী তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম। তিনি জানান, গত ১৭ জুন প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে পারিবারিকভাবে মরিয়মকে বিয়ে করেছেন।

৭৪ বছর বয়সী গাজী নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে এবার তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে ১৯৯১ সালে একই আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। তিনি জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা আমিরের দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাকিব ‘ফালতু’ কথা বলে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ পি.এম


সাকিব ‘ফালতু’ কথা বলে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

ক্রিকেটার ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) সাকিব আল হাসান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে 'ফালতু' কথা বলেন, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে তার কাছে এসংক্রান্ত এক প্রশ্নে তিনি এ মন্তব্যটি করেন।

সাকিব আল হাসান জানিয়েছেন যে, নিরাপত্তা পেলে তিনি দেশে ফিরে আসবেন। সেই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তথ্য উপদেষ্টার কাছে বিভিন্ন মন্তব্য পতঙ্গ হয়।

জাহেদ উর রহমান বলেন, সাকিব আল হাসান দেশে এলে কি নিরাপত্তাহীন থাকবেন? তিনি জানান, উনি একজন নষ্ট ও পচে যাওয়া মানুষ। সাকিব আল হাসান সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য ফালতু কথা বলেন। তিনি এখনও হাসিনার সঙ্গে সম্পৃক্ত।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, উনি (সাকিব) যদি এয়ারপোর্টে নামেন, তাহলে কি কেউ মব করবেন? তিনি অভিযোগ করেন, উনি আইনগত সমস্যা ফেস করলে, এতে সমস্যা হওয়ার কিছু দেখেন না। সাকিব হাসিনার চেয়ে বড় অপরাধী নন।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, হাসিনাও যদি দেশে আসেন, পূর্ণ নিরাপত্তার সঙ্গে আসবেন। তবে তিনি আরও যোগ করেন যে, হাসিনার মতো মাফিয়াকে তিনি আর দেখতে চান না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০০ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ডিজিটাল পেমেন্ট নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠান ভিসার এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন কারপিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করেন।

এসময় তারা আলোচনা করেন বাংলাদেশে ডিজিটাল কমার্সের গতিকে বাড়াতে, পেমেন্ট নিরাপত্তা আরো মজবুত করার এবং দেশের ডিজিটাল রূপান্তরে করণীয় বিষয়ে।

আগে তিন দিনের সফরে, গতকাল সোমবার বাংলাদেশে আসেন স্টিফেন কারপিন। তিনি আগামী ১২ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করবেন। তার সঙ্গে আছেন ভিসার ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার গ্রুপ কান্ট্রি ম্যানেজার সুরেশ শেথি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোরেলগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৪ পি.এম


মোরেলগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ১০

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ছয়জন বিভিন্ন মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং চারজন মাদক কারবারি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে গ্রেপ্তারদের বাগেরহাট বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

থানা পুলিশ জানায়, সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশের একাধিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিভিন্ন মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

একই সময়ে মাদকবিরোধী অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তাররা হলেন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি উপজেলার মহিষপুরা এলাকার মৃত আরশেদ আলী হাওলাদারের ছেলে মো. মাসুদুর রহমান মিঠু (৫২), কিসমত জামুয়া গ্রামের আলমগীর তালুকদারের ছেলে মো. আবু তাহের তালুকদার, হরতকি তলা গ্রামের রুস্তম আলী ফকিরের ছেলে মো. শফিকুর রহমান, ভাটখালী গ্রামের মো. ইসমাইল মোল্লার ছেলে মো. ইউনুস মোল্লা, দক্ষিণ জোকা গ্রামের রহিম খানের ছেলে জাকির খান ও সিদ্দিক খান।

মাদক কারবারিরা হলেন রামপাল উপজেলার পেড়িখালি ইউনিয়নের শিকিরডাঙ্গা গ্রামের মো. আকবর শেখের ছেলে আজমল শেখ (৩২), মোড়েলগঞ্জ উপজেলার পালেরখন্ড গ্রামের নাসিরুদ্দিনের ছেলে মো. রাহাত (২৪), উত্তর সরালিয়া গ্রামের নূর মোহাম্মদ হাওলাদার এর ছেলে নবীন হাওলাদার (৩৬) ও একই গ্রামের মোকলেছ বেপারীর ছেলে ইব্রাহিম বেপারী (৪২)।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার চারজন মোরেলগঞ্জ থানা এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত।

মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, 'বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এলাকায় মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%