বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:০২ পি.এম
রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের সাথে জড়িত ‘হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে ডিবি কার্যালয় থেকে তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ কিছু সময় পর তাকে উপস্থাপন করা হবে।
ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের বক্তব্য শুনে নিয়মানুযায়ী তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিতে পারেন এই ট্রাইব্যুনাল।
শাপলা চত্বরের হত্যাযজ্ঞের মামলায় গত সোমবার ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল-২। এই মামলার ১০ নম্বর আসামি হিসেবে আসামি আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে গণহত্যার ঘটনার পরিকল্পনাকারী ছিলেন, বলেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। গ্রেপ্তারির পর গতকাল সন্ধ্যা ছয়টার দিকে গুলশান-১-এর নিজ বাসভবন থেকে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি গ্রেপ্তার করে। তিনি ট্রাইব্যুনালে আনার আগ পর্যন্ত ডিবির হেফাজতেই ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও চলাচলের সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের অভিযোগ ওঠার কারণে ইরান সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম নিউজ এজেন্সি’র একাধিক অফিশিয়াল অ্যাকাউন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) কর্তৃক অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
বুধবার গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এর পক্ষ থেকে এই আকস্মিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এর ফলে, এক্স থেকে তাসনিম নিউজের ইংরেজি, ফারসি ও আরবি ভাষার প্রধান অ্যাকাউন্টগুলো সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে এবং বর্তমানে যদিএ এই অ্যাকাউন্টগুলোতে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়, তখন এক্স ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেখাচ্ছে, ‘অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়েছে। এক্স-এর নীতি ও নিয়ম লঙ্ঘনকারী অ্যাকাউন্টগুলোকে স্থগিত করা হয়।’
যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স ঠিক কোন নির্দিষ্ট নীতি লঙ্ঘনের কারণে এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে খোলাসা করা হয়নি। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদন এবং স্বতন্ত্র নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংস্থাটি সম্প্রতি একটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছে যা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, ভিডিওটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের চলাচলের গোপনীয় রুট এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তাব্যবস্থার বেশ কিছু সংবেদনশীল ত্রুটি ও দুর্বলতার বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের স্পর্শকাতর তথ্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে কিংবা কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে ব্যবহার করার মতো চরম ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বহুদিন ধরেই বর্তমান ও সাবেক মার্কিন সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর ইরান-সংক্রান্ত বিভিন্ন হুমকি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে।
তাসনিম নিউজের বিরুদ্ধে নেওয়া এই ব্যবস্থার ফলে তেহরান সরকারের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের উপস্থিতি হারিয়েছে। ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই গণমাধ্যমটি নিজেদেরকে পশ্চিমা গণমাধ্যমের একপাক্ষিক বর্ণনার বিরুদ্ধে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের রক্ষক হিসেবে পরিচয় দেয়। তবে পশ্চিমারা মনে করে, এই সংবাদ সংস্থার সঙ্গে ইরানের শক্তিশালী সামরিক সংস্থা ‘ইসলামিক রেভোলিউশনरी গার্ড কর্পস’ বা আইআরজিসির গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আইআরজিসিকে ২০১৯ সালে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। এর আগে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধিমালা অনুযায়ী এক্স কর্তৃপক্ষ তাসনিম নিউজসহ একাধিক ইরানি রাষ্ট্রায়ত্ত অ্যাকাউন্টের ভেরিফায়েড ব্যাজ বা টিকচিহ্ন সরিয়ে নিয়েছিল।
বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যখন ইরানি রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমগুলোর ওপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছে, ঠিক সেই প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপটি কার্যকর করা হচ্ছে। মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যেকোনো সময় যখন ইরানের রাষ্ট্র-সমর্থিত গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তখন তেহরানের পক্ষ থেকে এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সেন্সরশিপ বলে তীব্র সমালোচনা করা হয়। অতীতে তেহরান বিভিন্ন ঘটনার ক্ষেত্রেও পশ্চিমের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার হরণের অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
অন্যদিকে এটাও একটি বাস্তবতা যে, ২০০৯ সাল থেকে ইরানের ভেতরে সাধারণ নাগরিকদের জন্য এক্স, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের মতো আন্তর্জাতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর প্রবেশাধিকার সীমাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। ফলে বর্তমানে কোটি কোটি ইরানি নাগরিক ভিপিএন বা ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সরকারের এই ব্লকগুলো এড়ানোর চেষ্টা করছেন।
স্থগিত হওয়া এই অ্যাকাউন্টগুলো স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে কিনা অথবা পর্যালোচনার পর পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এক্স-এর নিরাপত্তা দল এখনো কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বাংলাদেশি অধ্যুষিত ওয়াইলি পার্ক এলাকায় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু ঘটেছে। বুধবার (স্থানীয় সময়) রাতে কর্নেলিয়া স্ট্রিটের একটি বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটনাটির সূত্রপাত ঘটে।
নিউ সাউথ ওয়েলস (এনএসডব্লিউ) পুলিশ জানায়, রাত প্রায় পৌনে ১০টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও জরুরি চিকিৎসা সেবার কর্মীরা ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছান। তখন এসে দেখা যায়, বাড়িটির পেছনের আবাসিক অংশ সম্পূর্ণ আগুনে পুড়ে গিয়েছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে নিহত এক পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তথ্যে নিহতদের মধ্যে একজন ৫২ বছর বয়সী পুরুষ, একজন ৪৩ বছর বয়সী নারী এবং একজন ১৬ বছর বয়সী কিশোর রয়েছে। তারা ওই বাড়ির পেছনের একটি গ্র্যানি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ঘটনাস্থলকে অপরাধস্থল ঘোষণা করে তদন্তকার্যে রত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ সঠিকভাবে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা যায়, প্রথমবারের মতো বিকট শব্দ ও পোড়া গন্ধে তারা বাইরে বের হয়ে আগুন দেখতে পান। কিছু প্রতিবেশী ভেতরে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা করলেও, আগুনের তীব্রতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে সামনের অংশে একজন বৃদ্ধাকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে সক্ষম হন এক প্রতিবেশী।
ফায়ার সার্ভিস বিভাগ জানায়, ভবনের পেছনের অংশে পৌঁছানো কঠিন হওয়ায় উদ্ধার অভিযান জটিল হয়ে পড়েছিল। যথাসময়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও, তখনকার মধ্যে ভবনের ওই অংশ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।
আগুনের প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশের পাশাপাশি অগ্নি-তদন্ত বিশেষজ্ঞ ও ফরেনসিক কর্মকর্তারা যৌথভাবে তদন্ত করছেন। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
এদিকে শীত মৌসুমে হিটার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে দমকল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে। তারা বাসাবাড়িতে কার্যকর ধোঁয়া শনাক্তকারী (স্মোক অ্যালার্ম) স্থাপন ও বৈদ্যুতিক এবং গ্যাসচালিত যন্ত্রপাতি নিয়মিত পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তিন থানায় নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) মোট ৬ জন পরিদর্শককে বদলি করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) তারিখে ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) মো. শাহরিয়ার আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
উক্ত আদেশ অনুযায়ী, ক্যান্টনমেন্ট থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) (তদন্ত) ইয়াসিন মিয়াকে রমনা থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। একইসাথে, ডিবি সাইবার স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগের পুলিশের নিরস্ত্র পরিদর্শক মো. আজহারুল ইসলামকে কামরাঙ্গীরচর থানার অফিসার ইনচার্জ করা হয়েছে। এরপর, ডিবি সাইবার স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগের আরেকজন নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. নজরুল ইসলামকে শ্যামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
অপর দিকে, রমনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রাহাত খানকে ডিএমপির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালিসিস বিভাগে বদলি করা হয়েছে। কামরাঙ্গীরচর থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম ফারুককে ডিবি সাইবার স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং শ্যামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহমুদুর রহমানকে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট, ৩০ জুলাই, ২০২৬ : জেলার কচুয়া উপজেলায় খাল পুনঃখনন ও ভূমি সেবা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেছেন খুলনার কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন।
গতকাল বুধবার পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া খাল পুনঃখনন কাজ প্রত্যক্ষ করেছেন এবং কচুয়া উপজেলা ভূমি অফিস ও রাড়িপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন।
এসময় তিনি পুনঃখনন কাজের অগ্রগতি ও গুণগত মান পর্যালোচনা করে বলেন, ‘কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় খাল পুনঃখনন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করা উচিত, যাতে স্থানীয় জনগণ দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল ভোগ করতে পারেন।'
পরে তিনি কচুয়া উপজেলা ভূমি অফিস এবং রাড়িপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দাপ্তরিক নথিপত্র, নামজারি কার্যক্রম, ভূমি রেকর্ড সংরক্ষণ এবং সেবাদান প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘ভূমি সেবা গ্রহণে সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দ্রুততার সঙ্গে আধুনিক এবং জনবান্ধব ভূমি সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।'
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অনুপ দাশ, কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আসিফ হায়দার, খুলনা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বাগেরহাট জেলা প্রশাসন ও কচুয়া উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ