বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:১০ পি.এম
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তিন থানায় নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) মোট ৬ জন পরিদর্শককে বদলি করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) তারিখে ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) মো. শাহরিয়ার আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
উক্ত আদেশ অনুযায়ী, ক্যান্টনমেন্ট থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) (তদন্ত) ইয়াসিন মিয়াকে রমনা থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। একইসাথে, ডিবি সাইবার স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগের পুলিশের নিরস্ত্র পরিদর্শক মো. আজহারুল ইসলামকে কামরাঙ্গীরচর থানার অফিসার ইনচার্জ করা হয়েছে। এরপর, ডিবি সাইবার স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগের আরেকজন নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. নজরুল ইসলামকে শ্যামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
অপর দিকে, রমনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রাহাত খানকে ডিএমপির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালিসিস বিভাগে বদলি করা হয়েছে। কামরাঙ্গীরচর থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম ফারুককে ডিবি সাইবার স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং শ্যামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহমুদুর রহমানকে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট, ৩০ জুলাই, ২০২৬ : জেলার কচুয়া উপজেলায় খাল পুনঃখনন ও ভূমি সেবা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেছেন খুলনার কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন।
গতকাল বুধবার পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া খাল পুনঃখনন কাজ প্রত্যক্ষ করেছেন এবং কচুয়া উপজেলা ভূমি অফিস ও রাড়িপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন।
এসময় তিনি পুনঃখনন কাজের অগ্রগতি ও গুণগত মান পর্যালোচনা করে বলেন, ‘কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় খাল পুনঃখনন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করা উচিত, যাতে স্থানীয় জনগণ দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল ভোগ করতে পারেন।'
পরে তিনি কচুয়া উপজেলা ভূমি অফিস এবং রাড়িপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দাপ্তরিক নথিপত্র, নামজারি কার্যক্রম, ভূমি রেকর্ড সংরক্ষণ এবং সেবাদান প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘ভূমি সেবা গ্রহণে সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দ্রুততার সঙ্গে আধুনিক এবং জনবান্ধব ভূমি সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।'
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অনুপ দাশ, কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আসিফ হায়দার, খুলনা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বাগেরহাট জেলা প্রশাসন ও কচুয়া উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমানের অধ্যাপক পদে পদোন্নতি নিয়ে নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক ও কর্মকর্তারা নীতিমালা শিথিল, স্বার্থের সংঘাত এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর) পদে তাঁর নাম আলোচনায় থাকায় ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও প্রশাসনিক সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ড. ফেরদৌস রহমান ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। প্রচলিত পদোন্নতি নীতিমালায় অধ্যাপক পদে আবেদনের জন্য নির্ধারিত অভিজ্ঞতার মেয়াদ ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণ হওয়ার কথা থাকলেও, নীতিমালায় শর্ত শিথিল হওয়ার পর তিনি তাঁর পদোন্নতির জন্য আবেদন করেন এবং পরবর্তীতে পদোন্নতি লাভ করেন।
অভিযোগ রয়েছে যে, পদোন্নতি-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কাঠামোর সদস্য ছিলেন। এ কারণে নিজের পদোন্নতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় তাঁর সম্পৃক্ততা স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্ন তুলেছে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত এবং ইউজিসির অভিন্ন নীতিমালায় অধ্যাপক পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে রেয়াতের কোনো সুযোগ ছিল না। তবে নীতিমালা পরিবর্তনের মাধ্যমে সেই সুযোগ তৈরি হয় এবং এর সুবিধাভোগীদের মধ্যে ড. ফেরদৌস রহমান অন্যতম বলে অভিযোগ আছে।
সূত্রগুলো আরও জানায়, পদোন্নতির পর জারি করা আদেশে তাঁর ক্ষেত্রে এক বছরের পর্যবেক্ষণকাল এবং নির্দিষ্ট গবেষণা-সংক্রান্ত শর্ত পূরণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, এতে পদোন্নতির সময় তাঁর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যায়।
এদিকে, বর্তমানে ড. ফেরদৌস রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বহিরাঙ্গণ কার্যক্রম দপ্তরের পরিচালক, সিন্ডিকেট সদস্য এবং অতিরিক্ত দায়িত্বে রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করছেন। একই ব্যক্তির হাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব থাকায় প্রশাসনিক ভারসাম্য নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অংশ।
তা ছাড়া, তাঁর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ী বিলাসীতার অভিযোগও রয়েছে। তিনি একা দুইটি গাড়ী ব্যবহার করেন। প্রক্টরের জন্য সার্বক্ষণিক কোনো গাড়ী নির্ধারিত না থাকলেও, তিনি একটি মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো ৫৩-২৮০৪) সার্বক্ষণিক নিজের হেফাজতে রেখেছেন। এই গাড়ীতে মূলত তাঁর পরিবারের সদস্যরাই বেশি চলাচল করেন। অপরদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের জন্য বরাদ্দকৃত গাড়ীটিও (রংপুর গ ১১-০০৭৪) তিনি সার্বক্ষণিকভাবে ব্যবহার করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের জন্য মূল্যস্ফীতি একটি বড় ধরনের যন্ত্রণারূপ বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীর ব্রাক ইন সেন্টারে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ-সিপিডি আয়োজিত এক সংলাপে তিনি এই কথা বলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি অধিক থাকার পিছনে একটি প্রধান কারণ হলো সরবরাহ ব্যবস্থাপনা। চাষিরা সঠিক তথ্যের অভাবে অযথা অতিরিক্ত পণ্য উৎপাদন করছেন। অনেক সময় তারা সঠিক দামও পান না, কারণ চাহিদা কম থাকে।
পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার বাড়তি নজরদারি রাখছে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
মূল্যস্ফীতি সবাইর জন্যই ‘পেইন’ উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্যের পরিবহনে চাঁদাবাজির মতো অদৃশ্য খরচ বিদ্যমান, যা পণ্যের দাম বৃদ্ধি করে। তবে সরকার এই সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেসরকারি বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যতটা সম্ভব হজের খরচ কমানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, দেশের পক্ষ থেকে ব্যয় কমানোর সুযোগ বর্তমানে খুবই সীমিত রয়েছে। তবে সৌদি আরব আরোপিত বিভিন্ন চার্জ যদি কমানো যায়, তাহলে হজযাত্রীদের ব্যয় আরও কমানো সম্ভব হবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় হজ ও ওমরাহ ফেয়ার-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, এসব চার্জ কমানোর ফলে একজন হজযাত্রীর ব্যয়ও আরও কমানো সম্ভব হবে। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে ইতোমধ্যে হজের ব্যয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে বলে তিনি জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরব হজযাত্রীপ্রতি ১০ টাকা বিমানবন্দর চার্জসহ বিভিন্ন ধরনের ফি আদায় করে। তিনি আরও যোগ করেন, সৌদি আরবের এসব চার্জ কমানো গেলে একজন হজযাত্রীর মোট ব্যয় আরও ৪০ থেকে ৪২ হাজার টাকা পর্যন্ত কমে আসতে পারে। একই সাথে বিমান ভাড়া কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান তিনি জানান।
প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবের ধর্ম ও বিমান মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, হজযাত্রীদের আবাসনের ক্ষেত্রে 'ডি' ক্যাটাগরির পরিবর্তে 'সি' ক্যাটাগরির সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। এর মাধ্যমে হাজিরা তুলনামূলক উন্নত সুযোগ-সুবিধা পাবেন। একই সাথে 'ডি' ক্যাটাগরির ভাড়ায় 'সি' ক্যাটাগরির সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। অনেক মানুষ জমিজমা বিক্রি করে বা দীর্ঘদিন সঞ্চয় করে হজে যান, তাই তাদের আর্থিক চাপ কমাতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
তিনি বলেন, সামর্থ্যহীন মানুষের হজ পালনে সহায়তার জন্য প্রয়োজনে সরকারি ভর্তুকির বিষয়টিও বিবেচনা করা হতে পারে। এ বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। মানবিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় চর্চা ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও মানবিক আচরণ ফিরিয়ে আনতে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে হজযাত্রী এবং হজ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
অনুষ্ঠানে ধর্মসচিব আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, হজ ব্যবস্থাপনায় যদি কোনো ধরনের অনিয়ম বা প্রতারণা ঘটে, তবে দায়ী এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হজে যারা যাবেন তাদের মানবিক হতে হবে। একইসঙ্গে, যারা হজযাত্রীদের সেবায় নিয়োজিত থাকবেন, তাদেরও সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে।
লাগেজ ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, আগে এ বিষয়ে বাংলাদেশের কিছু করণীয় ছিল, কিন্তু এখন লাগেজ হ্যান্ডেলিংয়ের দায়িত্ব সৌদি আরবের একটি কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। সেই কোম্পানি আবার ভারতের একটি প্রতিষ্ঠানকে এ দায়িত্ব দিয়েছে। ফলে এ বিষয়ে বাংলাদেশের সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই।
হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি ও দালাল নিরীহ মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের হয়রানি করে। অনেককে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হোটেলে রাখা হয় না এবং প্রয়োজনীয় সেবাও দেওয়া হয় না। কোনো বৈধ এজেন্সি যদি হজযাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা করে, তবে হাব ও ধর্ম মন্ত্রণালয় যৌথভাবে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে।
চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোহাম্মদ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের জাতীয় হজ ও ওমরাহ ফেয়ার-২০২৬ উদ্বোধনের কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত না থাকায় বেসরকারি বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাত মেলার উদ্বোধন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ