ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাইবার সচেতনতা বাড়াতে কাজ করছেন তরুণ উদ্যোক্তা নাজমুল হক সজীব


সাইবার সচেতনতা বাড়াতে কাজ করছেন তরুণ উদ্যোক্তা নাজমুল হক সজীব

তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের ফলে সাইবার অপরাধ, অনলাইন জুয়া, ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল প্রতারণার বিষয়গুলো উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা এবং প্রশাসনের কার্যক্রমে তথ্যভিত্তিক সহায়তা দিতে কাজ করে যাচ্ছেন সুনামগঞ্জের তরুণ উদ্যোক্তা নাজমুল হক সজীব।

তিনি ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামের মো. মঞ্জুরুল হকের ছেলে। বর্তমানে নাজমুল হক সজীব তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে কাজ করছেন। তিনি আইটি প্রতিষ্ঠান টেক ডাউন ফাইটার্স (TDF) এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নিরাপত্তা, সাইবার সচেতনতা, ডিজিটাল সেবা এবং প্রযুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তিনি।

বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে অনলাইনে হয়রানি, ভুয়া আইডি, সাইবার প্রতারণা এবং ব্ল্যাকমেইলের শিকার ব্যক্তিদের কারিগরি পরামর্শও দিয়ে থাকেন। একই সঙ্গে, দেশে দ্রুত বিস্তার লাভ করা অবৈধ অনলাইন জুয়া সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে নিয়মিত প্রচার-প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এ-সংক্রান্ত তথ্য প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরে আনতে সহযোগিতা করেন বলে জানান।

আরও পড়ুন: মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১

এ ছাড়া, টাঙ্গুয়ার হাওরে পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ড, অবৈধ স্থাপনা বা অনিয়মের বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে প্রশাসনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করার উদ্যোগেও তিনি সম্পৃক্ত রয়েছেন। তাঁকে মনে হয়, প্রযুক্তি, জনসচেতনতা এবং প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগই সমাজ ও পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নাজমুল হক সজীব বলেন, "সাইবার অপরাধ ও অবৈধ অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হলে সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যক্রমেও সহযোগিতা করতে হবে।"

তিনি জানান, ভবিষ্যতেও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। প্রশাসনের আইনসম্মত উদ্যোগে সহযোগিতার মাধ্যমে একটি নিরাপদ ডিজিটাল ও সামাজিক পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যেতে চান।

আরও পড়ুন: গফরগাঁওয়ে গৃহবধূ নাদিয়া আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ এলাকাবাসীর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন? জানা গেল তারকাদের প্রত্যাশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন? জানা গেল তারকাদের প্রত্যাশা

বিশ্বকাপ ফুটবল হচ্ছে একটি মহোৎসব। এক এমন উৎসব যেখানে ভাষা, সংস্কৃতি, কিংবা ভৌগোলিক দুরত্ব ভুলে মানুষ এক বলের উন্মাদনায় মেতে ওঠে। বাংলাদেশও এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়। সাধারণ মানুষের মতো বাংলাদেশের বিনোদন অঙ্গনের তারকারাও এখন ফাইনালের উন্মাদনায় মেতে উঠেছেন। কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীদের মতো শোবিজের তারকারাও টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখবেন।

জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ফুটবলের ব্যাপারে ধারণা পোষণ করেন যে, এটি কোটি জনতাকে এক সুতোয় বাঁধার একটি মন্ত্র। ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে তার প্রত্যাশা হলো, খেলা হবে আক্রমণাত্মক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, যা শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত রোমাঞ্চে ভরা থাকবে। তিনি পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি উপভোগের সব প্রস্তুতি সেরে রেখেছেন।

এদিকে ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক সিয়াম আহমেদের মতে, বিশ্বকাপ ফাইনাল নতুন কোনো ইতিহাসের জন্ম দেয়। একটি গোল, একটি নিখুঁত সেভ অথবা রেফারির একটি সিদ্ধান্ত পুরো ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। তাই তিনি ম্যাচটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত মনোযোগ দিয়ে উপভোগ করতে চান।

ফুটবল উন্মাদনাকে বাদ দেননি চিত্রনায়িকা পরীমণিও। ফাইনালের দিন নিজের অন্যান্য সব কাজ নিয়ে ছুটি দিয়ে খেলা দেখকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি মনে করেন, ফুটবলের আসল সৌন্দর্য হলো শেষ বাঁশি বাজার আগে কিছুই নিশ্চিত নয়।

অন্যদিকে অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবের মতে, ফাইনাল ম্যাচে ভুল করার কোনো সুযোগ খুব কম। একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যই ব্যবধান তৈরি করতে পারে। তাই তিনি দর্শকদের মতো একটি টানটান উত্তেজনার লড়াই দেখার অপেক্ষায় আছেন।

অভিনেত্রী সাফা কবিরের কাছে বিশ্বকাপ ফাইনাল মানেই তার ছেলেবেলার পারিবারিক ঐতিহ্যের পুনর্মিলন। মাঠে দুই দল তাদের সেরাটা দিয়ে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখবে, এটাই তার প্রত্যাশা।

আজ ২২ জন খেলোয়াড়ের পায়ের জাদুর মাধ্যমে কোটি মানুষের হৃদয় স্পন্দিত হবে। আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন, কার মাথায় উঠবে বিশ্বসেরার মুকুট? উত্তর মিলবে আজ মাঠেই। তবে ফল যাই হোক, বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে আজ রাতে এক মহাকাব্যিক ঘটনার সাক্ষী হতে প্রস্তুত দেশের সাধারণ জনতা এবং বিনোদন জগতের তারকারাও।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেলের আয় বেড়েছে ২২১ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেলের আয় বেড়েছে ২২১ কোটি টাকা

বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেলওয়ে মোট ২ হাজার ৬৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আয় করেছে। এর আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আয় হয়েছিল ১ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেলো অর্থবছরে রেলওয়ের আয় তার আগের অর্থবছরের তুলনায় ২২১ কোটি টাকা বেড়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমানের পাঠানো একটি বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ফলে গেলো অর্থবছরে রেলওয়ের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। সবচেয়ে বেশি আয় বেড়েছে যাত্রী খাতে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে যাত্রী খাতে আয় বেড়েছে ২৫৬ কোটি টাকা।

তবে ইঞ্জিনের অভাবে মালামাল পরিবহন খাতে আয় কমেছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া ভূ-সম্পত্তি খাতে ৩ কোটি টাকা এবং রেলওয়ের অপটিক্যাল ফাইবার লিজ থেকে ১১ কোটি ৫২ লাখ টাকা বেশি আয় হয়েছে।

অন্যদিকে পরিবহন ও বাণিজ্যিক খাতে ভেন্ডিং লাইসেন্স ও বিবিধ আয়সহ মোট আয় কমেছে প্রায় ২৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

রেলওয়ের পরিচালন ব্যয় বেতন-ভাতা, পেনশন, রেলপথ ও রোলিং স্টক রক্ষণাবেক্ষণসহ—মোট ৩ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের অনুপাত দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৯১। গত অর্থবছরে এ অনুপাত ছিল ২ দশমিক ০৯। অর্থাৎ রেলওয়ের আয় ও ব্যয়ের পার্থক্য কমেছে।

বার্তায় জানানো হয়েছে, তবে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রতিবছর প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা পেনশন খাতে ব্যয় করে, যা পরিচালন ব্যয় হিসেবে গণ্য করা সমীচীন নয়। পেনশন ব্যয় বাদ দিলে অপারেটিং রেশিও বা ব্যয় ও আয়ের অনুপাত দাঁড়ায় ১ দশমিক ৪৩। অর্থাৎ পেনশন ব্যতীত রেলওয়ে আয়ের চেয়ে ৪৩ শতাংশ বেশি ব্যয় করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি রাষ্ট্রীয় গণপরিবহন ব্যবস্থা। রেলওয়ের ভাড়া রেয়াতি হারে নির্ধারিত। ২০১৬ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত রেলভাড়া বৃদ্ধি করা হয়নি। এ সময়ে রেলওয়ের রক্ষণাবেক্ষণ কাজে ব্যবহৃত মালামাল, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্য, ডলার রেটের কারণে ব্যয়, কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, পেনশন এবং জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।

বর্তমান ভাড়া গত ১০ বছরেও বৃদ্ধি করা হয়নি উল্লেখ করে বলা হয়, অন্যান্য পরিবহন মাধ্যম ও বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রেলভাড়া যৌক্তিক হারে নির্ধারণ করা হলে আয় ও ব্যয়ের পার্থক্য অনেক কমে আসবে।

এ কারণে বাংলাদেশ রেলওয়েকে লোকসানি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন নয় বলে বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় নানা আয়োজনে হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


নেত্রকোনায় নানা আয়োজনে হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ

দেশের বরেণ্য কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের স্মরণে নেত্রকোনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে "স্মরণকথন"। এই আয়োজন হিমু পাঠক আড্ডার উদ্যোগে আজ রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে শহরের মোক্তারপাড়া জেলা প্রেসক্লাবের ছাদনাতলা উন্মুক্ত মিলনায়তনে ব্যবস্থা করা হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক, লেখক, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক লোকজন সহ হুমায়ূন ভক্তরা।

"স্মরণকথন" অনুষ্ঠানে আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল প্রিয় লেখকের ১৪তম প্রয়াণ দিবস। এই বিশেষ দিনে লেখকের কর্ম এবং জীবন নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন লেখক বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে লেখকের সাহিত্যকর্মের উপর আলোচনা করেন প্রবীণ সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল, প্রফেসর নাহিদ ফেরদৌস, নেত্রকোনা সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান এবং নেত্রকোনা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুলতান মাহমুদ সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রধানগণ।

হিমু পাঠক আড্ডার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আলপনা বেগমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান শুরুতেই কালোব্যাজ ধারণ করা হয়। এরপর দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। স্মরণকথনে পরবর্তীতে আলোচনা করা হয় লেখকের কালজয়ী সিনেমাগুলো কিভাবে সমাজে প্রভাব ফেলেছে এবং তরুণ প্রজন্মকে কিভাবে আকৃষ্ট করেছে।

এছাড়া, স্মরণকথনে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিকসহ বিভিন্ন বয়সের হুমায়ূন ভক্তরা লেখকের উপন্যাসের বিশ্লেষণের পাশাপাশি আগামী প্রজন্মকে বই পড়তে উদ্বুদ্ধ করার জন্য এমন আয়োজন করার প্রস্তাব জানান।

লেখকের জন্মস্থান মোহনগঞ্জের শেখ বাড়িতে লেখকের জন্মঘরে দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয় ও পৈত্রিক ভিটা কেন্দুয়ার কুতুবপুরে লেখক প্রতিষ্ঠিত শহিদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠে কুরআন খতমসহ শোক পালন করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর মায়ের প্রথম সন্তান হিসেবে এবং নানার বাড়ির প্রথম নাতি হিসেবেও মোহনগঞ্জের শেখ বাড়িতে লেখকের জন্ম হয়। কিংবদন্তি এই লেখক ২০১২ সালের ১৯ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমেরিকায় মারা যান। লেখক নিজ গ্রামে পৈত্রিক ভিটায় শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে গেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘কিছুই যায় আসে না’: সমঝোতা স্মারক থেকে ইরানের বেরিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২০ পি.এম


‘কিছুই যায় আসে না’: সমঝোতা স্মারক থেকে ইরানের বেরিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে ট্রাম্প

তেহরানে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) পালন না করার সিদ্ধান্তের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে, ‘বিন্দুমাত্রও পাত্তা দেন না’।

তিনি পুনরায় উল্লেখ করেন যে, তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখাই ওয়াশিংটনের মুখ্য অগ্রাধিকার। শনিবার (১৮ জুলাই) এসব বিষয় নিয়ে ট্রাম্প কথা বলেন।

মার্কিন কেবল নেটওয়ার্ক নিউজনেশন-কে দেয়া এক সংক্ষিপ্ত ফোন সাক্ষাৎকারে, ট্রাম্পকে গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিটি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। স্মারকটি আর মেনে না চলার বিষয়টি নিয়ে তেহরানের ঘোষণার বিষয়ে তিনি জিজ্ঞাসা করেন। তখনই ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমার কিছু যায় আসে না।’

তিনি আরো বলেন যে, এই যুদ্ধের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেয়া।

ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধ শেষ করার জন্য জুনের মাঝামাঝি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়।

এদিকে, হরমুজ প্রণালীর ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতবিরোধের কারণে সর্বশেষ প্রাণঘাতী হামলা শুরু হয় দুই দেশের মধ্যে।

অন্যদিকে, সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর জানিয়েছে যে, তারা ইরাক সীমান্তের খুজেস্তান অঞ্চলের শহর আহভাজে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন আটক করে এবং তা ধ্বংস করেছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রেস টিভি এ খবর জানিয়েছে।

মার্কিন বিমান বাহিনীর বর্ণনা অনুযায়ী, এমকিউ-৯ হলো একটি বৃহৎ, দূরনিয়ন্ত্রিত চালকবিহীন আকাশযান, যা প্রধানত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি, পর্যবেক্ষণ এবং বিমান হামলার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%