ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘কিছুই যায় আসে না’: সমঝোতা স্মারক থেকে ইরানের বেরিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে ট্রাম্প


‘কিছুই যায় আসে না’: সমঝোতা স্মারক থেকে ইরানের বেরিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে ট্রাম্প

তেহরানে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) পালন না করার সিদ্ধান্তের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে, ‘বিন্দুমাত্রও পাত্তা দেন না’।

তিনি পুনরায় উল্লেখ করেন যে, তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখাই ওয়াশিংটনের মুখ্য অগ্রাধিকার। শনিবার (১৮ জুলাই) এসব বিষয় নিয়ে ট্রাম্প কথা বলেন।

মার্কিন কেবল নেটওয়ার্ক নিউজনেশন-কে দেয়া এক সংক্ষিপ্ত ফোন সাক্ষাৎকারে, ট্রাম্পকে গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিটি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। স্মারকটি আর মেনে না চলার বিষয়টি নিয়ে তেহরানের ঘোষণার বিষয়ে তিনি জিজ্ঞাসা করেন। তখনই ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: ফেরাউনের জন্মদিনে আবু সিম্বেল মন্দিরে ‘অদ্ভুত’ দৃশ্য দেখলেন হাজারো মানুষ

ট্রাম্প বলেন, ‘আমার কিছু যায় আসে না।’

তিনি আরো বলেন যে, এই যুদ্ধের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেয়া।

ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধ শেষ করার জন্য জুনের মাঝামাঝি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়।

এদিকে, হরমুজ প্রণালীর ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতবিরোধের কারণে সর্বশেষ প্রাণঘাতী হামলা শুরু হয় দুই দেশের মধ্যে।

আরও পড়ুন: এনআইসিটিএফ নেতাদের জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন

অন্যদিকে, সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর জানিয়েছে যে, তারা ইরাক সীমান্তের খুজেস্তান অঞ্চলের শহর আহভাজে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন আটক করে এবং তা ধ্বংস করেছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রেস টিভি এ খবর জানিয়েছে।

মার্কিন বিমান বাহিনীর বর্ণনা অনুযায়ী, এমকিউ-৯ হলো একটি বৃহৎ, দূরনিয়ন্ত্রিত চালকবিহীন আকাশযান, যা প্রধানত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি, পর্যবেক্ষণ এবং বিমান হামলার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে ভর্তি ৩ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২১ পি.এম


রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে ভর্তি ৩ জন

রাজধানীতে একাধিক ঘটনায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছেন তিন ব্যক্তি। রবিবার দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে এই ভয়াবহ ঘটনাগুলি ঘটেছিল।

ভুক্তভোগীরা হচ্ছেন, একটি ওষুধ কোম্পানির কর্মী রাহাদ (৪০), হকার মঈনুদ্দীন (৬০) এবং উত্তম কুমার সরকার (৪৫)।

অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তারা হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সূত্র জানায়, বিকেলের সময় বাংলামোটর এলাকা থেকে বিআরটিসি বাসের ভেতর অচেতন হয়ে পড়ে ছিলেন উত্তম কুমার সরকার। বাসযাত্রী ডা. জোবায়ের জানান, হকারের কাছ থেকে চকলেট খাওয়ার পর উত্তম কুমার অচেতন হয়ে পড়েন এবং এই সুযোগে তার টাকা-পয়সা ও মোবাইল ফোন চুরি করা হয়।

উত্তম কুমার উত্তর শাহজাহানপুর শান্তিনগর এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম জিতেন্দ্র নাথ সরকার।

এর আগে, সিদ্ধিরগঞ্জের সাদ্দাম মার্কেট এলাকা থেকে রাহাদকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে ডেলিভারিম্যান হিসেবে কাজ করেন। দুপুরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকার খবর পেয়ে সহকর্মী এনামুল হক তাকে উদ্ধার করে দুপুর আড়াইটার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

এসময় এনামুল ওই এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে রাহাদের সম্পর্কে বলেন যে, তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও টাকা কিছুই পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে দুপুর ১২টার দিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় মঈনুদ্দীন (৬০) নামের একজন ব্যক্তিকে। তার স্ত্রী মানসুরা বেগম জানান, মঈনুদ্দীন গুলিস্তান এলাকার ফুটপাতে হকারি করেন এবং বাসা মাতুয়াইল নুরবাগ এলাকায়।

মানসুরা বলেন, তিনি সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে গুলিস্তান যাচ্ছিলেন। বাসে যাওয়ার সময় তিনি অচেতন হয়ে পড়েন এবং পরে লোকজন তাকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট এলাকায় নামিয়ে দেয়। খবর পেয়ে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। তার কাছেও কিছুই পাওয়া যায়নি। সবকিছুই খোয়া গেছে

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি চলবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


জুলাই চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি চলবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি করা যাবে না, এই মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন বন্দোবস্ত কোনটা? দায়-দরদের রাজনীতি আসলে কোনটা? এসব শব্দের ব্যাখ্যা জরুরি। নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতি জনগণ গ্রহণ করলে জনগণ আপনাদের পক্ষে থাকবে।

তিনি বলেন, একটা নতুন দল জুলাইয়ের কথা বলে ৪৭ এ যেতে চায়। সংসদে বলেছিলাম ৪৭ এ আপনারা ছিলেন না। তারা হীনস্বার্থে ৪৭ গ্রহণ করে একাত্তরকে বর্জন করে, আবার চব্বিশকে গ্রহণ করে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমিই ঐকমত্য কমিশনে গণভোটের কথা বলেছিলাম। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার গণভোট অধ্যাদেশ জারি করলো। কিন্তু ছলচাতুরির মাধ্যমে চারটা প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’, ‘না’ ভোট দেয়া হলো কোনো বিকল্প রাখা হলো না। জুলাই জাতীয় সনদে তো অনেকগুলো দফা ছিল।

তিনি বলেন, গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের যে চিন্তা সেটা সাংবিধানিক নয়। আমরা রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করব। আমরা সংবিধান সংস্কার করব, অন্যান্য সব জায়গায় সাংবিধানিক সংস্কার করব। আইনি সংস্কারের জন্য অধ্যাদেশ আইন প্রণয়নই যথেষ্ট। আমরা সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে কথা বলে সংবিধান সংস্কার আইন প্রণয়ন করব।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিরোধীদলের অনেক নেতা জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কথা বলছেন। অনেকে বলছেন, সরকারকে বিদায় করে দেবে। আমি তাদের সংবিধান সংস্কার কমিটিতে আসতে বলবো। সাংবিধানিক কাঠামো ছাড়া সংবিধান সংস্কার সম্ভব নয়। সংসদে বিরোধীদল ওয়াকআউট করেছে। একজন বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, আদালতের রায়ে গণভোট ফিরে এসেছে। তিনি বোঝেননি যে, এটা আগের যে গণভোট সেটা ফিরে এসেছে। তারা যে গণভোটের কথা বলছেন সেটা সাংবিধানিক গণভোট নয়, রাষ্ট্রপতির আদেশে এখতিয়ার ছাড়া এটি হয়েছিল।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনের শাসন কার্যকর করতে না পারায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মব কালচার সৃষ্টি হয়। সে সময় কিছু লোকের কর্মসংস্থান তৈরিতে কমিশন তৈরি হয়েছিলো। যাদের আসলে কোনো কর্ম ছিল না।

বিভিন্ন ধরনের গুমের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা শাস্তি দিতে হবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সামনের সংসদে গুম প্রতিরোধ আইন আনা হবে। কোন কোর্টে বিচার হবে, কোন ধরনের গুমের কতদিন জেল হবে— এসব বিষয়ে আলোচনা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিকের শিক্ষক-কর্মকর্তারা গবেষণায় পাবেন ২ লাখ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৪ পি.এম


প্রাথমিকের শিক্ষক-কর্মকর্তারা গবেষণায় পাবেন ২ লাখ টাকা

দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা এবং চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধান খুঁজতে চলতি অর্থবছরে ক্ষুদ্র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এ লক্ষ্যে রাজস্ব খাতের আওতায় মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের কাছ থেকে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে। আগ্রহীরা আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে আবেদন জমা দিতে পারবেন।

সম্প্রতি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ বছর মোট পাঁচটি ক্ষুদ্র গবেষণা প্রস্তাব চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হবে। নির্বাচিত প্রতিটি গবেষণার জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষার প্রাসঙ্গিকতায় ৫টি নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর এই প্রস্তাবনা জমা দিতে হবে।

বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে - শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজি মৌলিক সাক্ষরতা উন্নয়ন, গণিতের চ্যালেঞ্জিং বিষয়বস্তু উপস্থাপনার কৌশল, পরিমার্জিত ডিপিএড (বিটিপিটি) প্রশিক্ষণের কার্যকারিতা, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষাক্রমের সামঞ্জস্যতা এবং প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের কার্যক্রম সহজীকরণ।

এ বছর বিশেষভাবে পরীক্ষামূলক গবেষণাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষণা পরিচালনার জন্য একজন টিম লিডারের নেতৃত্বে এক বা একাধিক সহযোগী গবেষক নিয়ে গবেষণা দল গঠন করতে হবে। পিটিআই, ইউপিইটিসি, শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং পরীক্ষণ বিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ঐ দলে গবেষক হিসেবে অংশ নিতে পারবেন।

নির্ধারিত কাঠামো অনুযায়ী গবেষণা প্রস্তাবের হার্ড কপি আগামী ১৫ আগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে অনুষদ প্রধান, গবেষণা ও শিক্ষাক্রম উন্নয়ন অনুষদ, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ), ময়মনসিংহ ঠিকানায় পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে সফট কপি (ওয়ার্ড ও পিডিএফ) [email protected] ই-মেইলে জমা দিতে হবে।

গবেষণা প্রস্তাবে গবেষণার শিরোনাম, ভূমিকা, সমস্যা, যৌক্তিকতা, উদ্দেশ্য, গবেষণা এলাকা, গবেষণা পদ্ধতি, গবেষণার ডিজাইন, নমুনায়ন, তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ পদ্ধতি, প্রত্যাশিত ফলাফল, এপিএ-৭ অনুসারে রেফারেন্স, সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা, বাজেট বিভাজন এবং উপসংহার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইএলও মহাপরিচালকের সঙ্গে শ্রমমন্ত্রীর বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


আইএলও মহাপরিচালকের সঙ্গে শ্রমমন্ত্রীর বৈঠক

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবোর একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আজ সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে বাংলাদেশের শ্রম খাতের আধুনিকায়ন, শ্রম আইন সংস্কার, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান নিশ্চিতকরণে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরো জোরদার করার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী আইএলও মহাপরিচালককে বাংলাদেশের মাটিতে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে একেবারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন যে, শ্রম খাতের সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। এই ধারাবাহিকতায় ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে গিয়ে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রমমান নিশ্চিতকরণ। গোলামের গর্বের সঙ্গে তিনি জানান, বাংলাদেশ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে আইএলও-র ১০টি মৌলিক কনভেনশনই সমর্থন করেছে, যা বৈশ্বিক শ্রম পরিম-লে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। মন্ত্রী সরকারের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫-এর সংশোধন, একটি ত্রিপক্ষীয় 'ন্যাশনাল সোশ্যাল ডায়ালগ ফোরাম' গঠন এবং স্বাধীন বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার পাশাপাশি ডিজিটাল কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালুর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এ ছাড়া, প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উভয় খাতের শ্রমিকদের জন্য একটি সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলার জন্য 'এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম' জাতীয়করণ চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। দেশে ও বিদেশে দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নতুন 'কর্মসংস্থান অধিদপ্তর' প্রতিষ্ঠার কাজ বর্তমানে চলছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু করে আত্মকর্মসংস্থান ও কারিগরি প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। শ্রমমন্ত্রী বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর এবং শ্রম অভিবাসনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম বা সিন্ডিকেটের কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ও কম খরচে কর্মী পাঠানোর কাজ করছে মন্ত্রী। প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আইএলও-র কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ গভর্নিং বডির সদস্য হিসেবে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। শ্রম পরিদপ্তরের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন শ্রম পরিদর্শক নিয়োগসহ আইএলও-র রোডম্যাপ বাস্তবায়নে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। এই ইতিবাচক পরিবর্তন ও মাইলফলকগুলোকে স্বীকৃতি দিয়ে আইএলও-র ধারা ২৬ এর অধীনে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চলমান অভিযোগের মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য তিনি মহাপরিচালকের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান। আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো বাংলাদেশের শ্রম খাতের যুগান্তকারী সংস্কার, বিশেষ করে ১০টি মৌলিক কনভেনশন অনুসমর্থন এবং ২০২৬ সালের নতুন শ্রম আইন প্রণয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার সাম্প্রতিক আন্দোলনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। সোমবার ইপিজেডসহ সকল কর্মক্ষেত্রে সংগঠনের স্বাধীনতা ও আন্তর্জাতিক শ্রমমান বজায় রাখতে আইএলও বাংলাদেশকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে এবং আগামী অক্টোবর মাসের প্রস্তাবিত যৌথ মিশনসহ সার্বিক ক্ষেত্রে নীতিগত ও কারিগরি সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, আইএলও-র কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও আইএলওর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%