ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেলের আয় বেড়েছে ২২১ কোটি টাকা


২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেলের আয় বেড়েছে ২২১ কোটি টাকা

বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেলওয়ে মোট ২ হাজার ৬৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আয় করেছে। এর আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আয় হয়েছিল ১ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেলো অর্থবছরে রেলওয়ের আয় তার আগের অর্থবছরের তুলনায় ২২১ কোটি টাকা বেড়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমানের পাঠানো একটি বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ফলে গেলো অর্থবছরে রেলওয়ের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। সবচেয়ে বেশি আয় বেড়েছে যাত্রী খাতে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে যাত্রী খাতে আয় বেড়েছে ২৫৬ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন: জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্র সফর করলেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন

তবে ইঞ্জিনের অভাবে মালামাল পরিবহন খাতে আয় কমেছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া ভূ-সম্পত্তি খাতে ৩ কোটি টাকা এবং রেলওয়ের অপটিক্যাল ফাইবার লিজ থেকে ১১ কোটি ৫২ লাখ টাকা বেশি আয় হয়েছে।

অন্যদিকে পরিবহন ও বাণিজ্যিক খাতে ভেন্ডিং লাইসেন্স ও বিবিধ আয়সহ মোট আয় কমেছে প্রায় ২৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

রেলওয়ের পরিচালন ব্যয় বেতন-ভাতা, পেনশন, রেলপথ ও রোলিং স্টক রক্ষণাবেক্ষণসহ—মোট ৩ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের অনুপাত দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৯১। গত অর্থবছরে এ অনুপাত ছিল ২ দশমিক ০৯। অর্থাৎ রেলওয়ের আয় ও ব্যয়ের পার্থক্য কমেছে।

বার্তায় জানানো হয়েছে, তবে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রতিবছর প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা পেনশন খাতে ব্যয় করে, যা পরিচালন ব্যয় হিসেবে গণ্য করা সমীচীন নয়। পেনশন ব্যয় বাদ দিলে অপারেটিং রেশিও বা ব্যয় ও আয়ের অনুপাত দাঁড়ায় ১ দশমিক ৪৩। অর্থাৎ পেনশন ব্যতীত রেলওয়ে আয়ের চেয়ে ৪৩ শতাংশ বেশি ব্যয় করেছে।

আরও পড়ুন: ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট: এসিল্যান্ডকে সিলেটে সংযুক্তি

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি রাষ্ট্রীয় গণপরিবহন ব্যবস্থা। রেলওয়ের ভাড়া রেয়াতি হারে নির্ধারিত। ২০১৬ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত রেলভাড়া বৃদ্ধি করা হয়নি। এ সময়ে রেলওয়ের রক্ষণাবেক্ষণ কাজে ব্যবহৃত মালামাল, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্য, ডলার রেটের কারণে ব্যয়, কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, পেনশন এবং জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।

বর্তমান ভাড়া গত ১০ বছরেও বৃদ্ধি করা হয়নি উল্লেখ করে বলা হয়, অন্যান্য পরিবহন মাধ্যম ও বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রেলভাড়া যৌক্তিক হারে নির্ধারণ করা হলে আয় ও ব্যয়ের পার্থক্য অনেক কমে আসবে।

এ কারণে বাংলাদেশ রেলওয়েকে লোকসানি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন নয় বলে বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী চার দিনের সফরে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় নানা আয়োজনে হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


নেত্রকোনায় নানা আয়োজনে হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ

দেশের বরেণ্য কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের স্মরণে নেত্রকোনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে "স্মরণকথন"। এই আয়োজন হিমু পাঠক আড্ডার উদ্যোগে আজ রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে শহরের মোক্তারপাড়া জেলা প্রেসক্লাবের ছাদনাতলা উন্মুক্ত মিলনায়তনে ব্যবস্থা করা হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক, লেখক, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক লোকজন সহ হুমায়ূন ভক্তরা।

"স্মরণকথন" অনুষ্ঠানে আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল প্রিয় লেখকের ১৪তম প্রয়াণ দিবস। এই বিশেষ দিনে লেখকের কর্ম এবং জীবন নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন লেখক বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে লেখকের সাহিত্যকর্মের উপর আলোচনা করেন প্রবীণ সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল, প্রফেসর নাহিদ ফেরদৌস, নেত্রকোনা সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান এবং নেত্রকোনা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুলতান মাহমুদ সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রধানগণ।

হিমু পাঠক আড্ডার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আলপনা বেগমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান শুরুতেই কালোব্যাজ ধারণ করা হয়। এরপর দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। স্মরণকথনে পরবর্তীতে আলোচনা করা হয় লেখকের কালজয়ী সিনেমাগুলো কিভাবে সমাজে প্রভাব ফেলেছে এবং তরুণ প্রজন্মকে কিভাবে আকৃষ্ট করেছে।

এছাড়া, স্মরণকথনে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিকসহ বিভিন্ন বয়সের হুমায়ূন ভক্তরা লেখকের উপন্যাসের বিশ্লেষণের পাশাপাশি আগামী প্রজন্মকে বই পড়তে উদ্বুদ্ধ করার জন্য এমন আয়োজন করার প্রস্তাব জানান।

লেখকের জন্মস্থান মোহনগঞ্জের শেখ বাড়িতে লেখকের জন্মঘরে দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয় ও পৈত্রিক ভিটা কেন্দুয়ার কুতুবপুরে লেখক প্রতিষ্ঠিত শহিদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠে কুরআন খতমসহ শোক পালন করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর মায়ের প্রথম সন্তান হিসেবে এবং নানার বাড়ির প্রথম নাতি হিসেবেও মোহনগঞ্জের শেখ বাড়িতে লেখকের জন্ম হয়। কিংবদন্তি এই লেখক ২০১২ সালের ১৯ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমেরিকায় মারা যান। লেখক নিজ গ্রামে পৈত্রিক ভিটায় শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে গেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘কিছুই যায় আসে না’: সমঝোতা স্মারক থেকে ইরানের বেরিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২০ পি.এম


‘কিছুই যায় আসে না’: সমঝোতা স্মারক থেকে ইরানের বেরিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে ট্রাম্প

তেহরানে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) পালন না করার সিদ্ধান্তের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে, ‘বিন্দুমাত্রও পাত্তা দেন না’।

তিনি পুনরায় উল্লেখ করেন যে, তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখাই ওয়াশিংটনের মুখ্য অগ্রাধিকার। শনিবার (১৮ জুলাই) এসব বিষয় নিয়ে ট্রাম্প কথা বলেন।

মার্কিন কেবল নেটওয়ার্ক নিউজনেশন-কে দেয়া এক সংক্ষিপ্ত ফোন সাক্ষাৎকারে, ট্রাম্পকে গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিটি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। স্মারকটি আর মেনে না চলার বিষয়টি নিয়ে তেহরানের ঘোষণার বিষয়ে তিনি জিজ্ঞাসা করেন। তখনই ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমার কিছু যায় আসে না।’

তিনি আরো বলেন যে, এই যুদ্ধের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেয়া।

ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধ শেষ করার জন্য জুনের মাঝামাঝি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়।

এদিকে, হরমুজ প্রণালীর ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতবিরোধের কারণে সর্বশেষ প্রাণঘাতী হামলা শুরু হয় দুই দেশের মধ্যে।

অন্যদিকে, সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর জানিয়েছে যে, তারা ইরাক সীমান্তের খুজেস্তান অঞ্চলের শহর আহভাজে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন আটক করে এবং তা ধ্বংস করেছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রেস টিভি এ খবর জানিয়েছে।

মার্কিন বিমান বাহিনীর বর্ণনা অনুযায়ী, এমকিউ-৯ হলো একটি বৃহৎ, দূরনিয়ন্ত্রিত চালকবিহীন আকাশযান, যা প্রধানত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি, পর্যবেক্ষণ এবং বিমান হামলার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে ভর্তি ৩ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২১ পি.এম


রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে ভর্তি ৩ জন

রাজধানীতে একাধিক ঘটনায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছেন তিন ব্যক্তি। রবিবার দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে এই ভয়াবহ ঘটনাগুলি ঘটেছিল।

ভুক্তভোগীরা হচ্ছেন, একটি ওষুধ কোম্পানির কর্মী রাহাদ (৪০), হকার মঈনুদ্দীন (৬০) এবং উত্তম কুমার সরকার (৪৫)।

অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তারা হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সূত্র জানায়, বিকেলের সময় বাংলামোটর এলাকা থেকে বিআরটিসি বাসের ভেতর অচেতন হয়ে পড়ে ছিলেন উত্তম কুমার সরকার। বাসযাত্রী ডা. জোবায়ের জানান, হকারের কাছ থেকে চকলেট খাওয়ার পর উত্তম কুমার অচেতন হয়ে পড়েন এবং এই সুযোগে তার টাকা-পয়সা ও মোবাইল ফোন চুরি করা হয়।

উত্তম কুমার উত্তর শাহজাহানপুর শান্তিনগর এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম জিতেন্দ্র নাথ সরকার।

এর আগে, সিদ্ধিরগঞ্জের সাদ্দাম মার্কেট এলাকা থেকে রাহাদকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে ডেলিভারিম্যান হিসেবে কাজ করেন। দুপুরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকার খবর পেয়ে সহকর্মী এনামুল হক তাকে উদ্ধার করে দুপুর আড়াইটার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

এসময় এনামুল ওই এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে রাহাদের সম্পর্কে বলেন যে, তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও টাকা কিছুই পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে দুপুর ১২টার দিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় মঈনুদ্দীন (৬০) নামের একজন ব্যক্তিকে। তার স্ত্রী মানসুরা বেগম জানান, মঈনুদ্দীন গুলিস্তান এলাকার ফুটপাতে হকারি করেন এবং বাসা মাতুয়াইল নুরবাগ এলাকায়।

মানসুরা বলেন, তিনি সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে গুলিস্তান যাচ্ছিলেন। বাসে যাওয়ার সময় তিনি অচেতন হয়ে পড়েন এবং পরে লোকজন তাকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট এলাকায় নামিয়ে দেয়। খবর পেয়ে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। তার কাছেও কিছুই পাওয়া যায়নি। সবকিছুই খোয়া গেছে

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি চলবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


জুলাই চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি চলবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি করা যাবে না, এই মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন বন্দোবস্ত কোনটা? দায়-দরদের রাজনীতি আসলে কোনটা? এসব শব্দের ব্যাখ্যা জরুরি। নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতি জনগণ গ্রহণ করলে জনগণ আপনাদের পক্ষে থাকবে।

তিনি বলেন, একটা নতুন দল জুলাইয়ের কথা বলে ৪৭ এ যেতে চায়। সংসদে বলেছিলাম ৪৭ এ আপনারা ছিলেন না। তারা হীনস্বার্থে ৪৭ গ্রহণ করে একাত্তরকে বর্জন করে, আবার চব্বিশকে গ্রহণ করে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমিই ঐকমত্য কমিশনে গণভোটের কথা বলেছিলাম। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার গণভোট অধ্যাদেশ জারি করলো। কিন্তু ছলচাতুরির মাধ্যমে চারটা প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’, ‘না’ ভোট দেয়া হলো কোনো বিকল্প রাখা হলো না। জুলাই জাতীয় সনদে তো অনেকগুলো দফা ছিল।

তিনি বলেন, গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের যে চিন্তা সেটা সাংবিধানিক নয়। আমরা রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করব। আমরা সংবিধান সংস্কার করব, অন্যান্য সব জায়গায় সাংবিধানিক সংস্কার করব। আইনি সংস্কারের জন্য অধ্যাদেশ আইন প্রণয়নই যথেষ্ট। আমরা সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে কথা বলে সংবিধান সংস্কার আইন প্রণয়ন করব।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিরোধীদলের অনেক নেতা জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কথা বলছেন। অনেকে বলছেন, সরকারকে বিদায় করে দেবে। আমি তাদের সংবিধান সংস্কার কমিটিতে আসতে বলবো। সাংবিধানিক কাঠামো ছাড়া সংবিধান সংস্কার সম্ভব নয়। সংসদে বিরোধীদল ওয়াকআউট করেছে। একজন বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, আদালতের রায়ে গণভোট ফিরে এসেছে। তিনি বোঝেননি যে, এটা আগের যে গণভোট সেটা ফিরে এসেছে। তারা যে গণভোটের কথা বলছেন সেটা সাংবিধানিক গণভোট নয়, রাষ্ট্রপতির আদেশে এখতিয়ার ছাড়া এটি হয়েছিল।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনের শাসন কার্যকর করতে না পারায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মব কালচার সৃষ্টি হয়। সে সময় কিছু লোকের কর্মসংস্থান তৈরিতে কমিশন তৈরি হয়েছিলো। যাদের আসলে কোনো কর্ম ছিল না।

বিভিন্ন ধরনের গুমের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা শাস্তি দিতে হবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সামনের সংসদে গুম প্রতিরোধ আইন আনা হবে। কোন কোর্টে বিচার হবে, কোন ধরনের গুমের কতদিন জেল হবে— এসব বিষয়ে আলোচনা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%