ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পূজা-প্রবারণা পূর্ণিমার ছুটিতে বান্দরবানে পর্যটকের ভিড়


পূজা-প্রবারণা পূর্ণিমার ছুটিতে বান্দরবানে পর্যটকের ভিড়

দুর্গাপূজা এবং মারমা সম্প্রদায়ের প্রবারণা পূর্ণিমার ছুটির ফলে পর্যটকদের ভিড় বেড়েছে পাহাড়ে। বান্দরবান জেলা এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণপ্রেমীরা পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছেন, যেখানে মেঘের আনাগোনা, আঁকাবাঁকা পথ, সবুজ বনভূমি এবং ঝরনার দৃশ্য তাদের আকর্ষণ করছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। নীলাচল, মেঘলা, চিম্বুক, নীলগিরি এবং প্রান্তিক লেকসহ দুর্গম পাহাড়ি জনপদ থানচি, রুমা, রোয়াংছড়ি ও আলীকদমে পর্যটকদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অভিযানে ৭৮৬ জন গ্রেফতার

চাঁদের গাড়ির স্টেশনে দীর্ঘ সারি, হোটেল ও রিসোর্টে কক্ষের জন্য খোঁজাখুঁজি এবং রেস্তোরাঁয় বাড়তি ব্যস্ততা—এসব মিলিয়ে দীর্ঘদিনের মন্দা কাটিয়ে সেখানকার পর্যটনকেন্দ্রিক অর্থনীতিতে প্রাণ ফিরছে।

পর্যটন সংশ্লিষ্টদের ধারণা, উৎসবের ছুটিতে আবাসন, পরিবহন, খাবার, পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ ফি এবং স্থানীয় পণ্য কেনাবেচা মিলিয়ে জেলায় আট কোটি থেকে ১০ কোটি টাকার বেশি আর্থিক লেনদেন হতে পারে।

করোনা মহামারি, কুকি-চিনবিরোধী যৌথ অভিযান এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে পর্যটন কার্যক্রমে বিধিনিষেধের ফলে বান্দরবানের পর্যটন খাত দীর্ঘদিন সংকটের মধ্যে ছিল। ২০২৪ সালের এপ্রিলে ব্যাংক ডাকাতির ঘটনার পরও পর্যটন ও স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে বিরূপ প্রভাব পড়ে।

বিভিন্ন সময় ভ্রমণসংক্রান্ত বিধিনিষেধ এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে পর্যটকের আগমন কমে যায়। তবে এবার দুর্গাপূজা, সাপ্তাহিক ছুটি ও প্রবারণা পূর্ণিমার কারণে সেই স্থবিরতা কাটিয়ে ওঠার আশাবাদ দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন: বরিশালে প্রশাসনের উদ্যোগে পরিত্যক্ত পুকুর পরিষ্কার, জেলা প্রশাসক ও নির্বাহী অফিসারের অংশগ্রহণ

পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িতরা জানান, করোনা পরবর্তী সময়ে এবারই প্রথম জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলার হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টে ব্যাপক বুকিং দেখা যাচ্ছে।

জেলা হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন জানান, জেলা শহর এবং রুমা, থানচি, আলীকদম ও লামা উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২৫০টি হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার পর্যটকের রাত যাপনের ব্যবস্থা রয়েছে।

জসীম উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন পর এবার প্রায় সব পর্যটন এলাকার আবাসনপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ বুকিং হয়েছে। ফলে নতুন করে আসা অনেক পর্যটককে কক্ষ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। টানা ছুটির সুফল শুধু জেলা শহরের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; জেলার দুর্গম এলাকার স্থানীয় গাইড, নৌকার মাঝি, পরিবহন শ্রমিক এবং পাহাড়ি পাড়ার ছোট কটেজের মালিকরাও উপকৃত হবেন।

জসীম উদ্দিন আরো জানান, পর্যটকদের এই আগমন স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে পর্যটকের চাপ বাড়ার সুযোগে কিছু যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ভাড়া নিয়ন্ত্রণ ও পর্যটকদের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

মেঘলা পর্যটন মোটেলের ব্যবস্থাপক মো. শোয়েব জানান, ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের মোটেলের কোনো কক্ষ খালি নেই। পর্যটকরা প্রতিদিন কক্ষের জন্য যোগাযোগ করছেন, কিন্তু বুকিং পূর্ণ থাকায় নতুন করে কাউকে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বান্দরবান শহরের চাঁদের গাড়ির স্টেশন বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পর্যটকদের অন্যতম ব্যস্ততম জায়গা ছিল। নীলগিরি, চিম্বুক, থানচি, রুমা ও অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য গাড়ির অপেক্ষায় ছিলেন অনেক পর্যটক।

চাঁদের গাড়ির লাইনম্যান ফখরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৪০৯টি পর্যটকবাহী গাড়ি দেবতাকুম, নীলগিরি, চিম্বুক, রুমা ও থানচির বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।

পর্যটকের চাপে পরিবহন খাতে যেমন ব্যস্ততা বেড়েছে, তেমনি বাড়তি আয়ের আশাও করছেন চালক ও গাড়ির মালিকরা। সংশ্লিষ্টদের প্রাথমিক হিসাবে, ছুটির দিনগুলোতে পর্যটক পরিবহন থেকে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ লাখ টাকার ব্যবসা হতে পারে।

আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

রুট ও গাড়ির ধরন অনুযায়ী চাঁদের গাড়ি ও রিজার্ভ সিএনজির ভাড়া চার হাজার থেকে ১৭ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠছে বলে জানান তারা।

এদিকে, পর্যটকের ভিড় বাড়ায় বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্র ও পাহাড়ি সড়কগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নজরদারি ও টহল বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলা পুলিশ সুপার ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, পর্যটকদের ভ্রমণ নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পর্যটনকেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি পাহাড়ি সড়কেও নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) গোপা বিশ্বাস বলেন, দুর্গাপূজার পরপরই বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রবারণা উৎসব থাকায় এবার পর্যটকদের আগ্রহ বেড়েছে। ২৫ থেকে ২৭ অক্টোবর মারমা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ওয়াগ্যোয়াই পোয়ে বা প্রবারণা উৎসব ঘিরেও পর্যটকরা বান্দরবানে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ডাসারে গৃহবধূ হত্যা মামলায় পলাতক স্বামী গ্রেপ্তার

সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড় অব্যাহত থাকতে পারে বলে মনে করছেন এই কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশকে যানজটমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে: মতিউর রহমান আকন্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


জামায়াত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশকে যানজটমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে: মতিউর রহমান আকন্দ

জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশকে যানজটমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, যিনি দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি। তিনি মাদক, জুয়া, চুরি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ঘুষমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার নেহাল গ্রিন পার্কের মিলনায়তনে জেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন সম্মেলন-২০২৬-এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

জুলাই আন্দোলনে শহীদদের প্রতি জামায়াতের ভূমিকা তুলে ধরতে গিয়ে মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, "জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান জুলাই আন্দোলনে শহীদদের প্রায় সবার বাড়িতে গিয়েছেন এবং তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহযোগিতার চেষ্টা করেছেন।" তিনি প্রশ্ন তোলেন, "অন্য রাজনৈতিক দলের নেতারা কতজন শহীদ পরিবারের বাড়িতে গিয়েছেন?" বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, "জামায়াতে ইসলামী জুলাই সনদ ধারণ করে না—এমন বক্তব্যের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।"

জামায়াতের আমিরকে আমন্ত্রণ জানানোর প্রসঙ্গে মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, "ডা. শফিকুর রহমান কেবল জামায়াতে ইসলামী আমির নন, তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতাও।" তিনি অভিযোগ করেন যে, আমন্ত্রণপত্রে তাঁর সংসদীয় পরিচয় যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, "জামায়াত জুলাই সনদ বিশ্বাস করে না; এ কথা পাগলেও বিশ্বাস করবে?" তিনি গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা আধাসত্য বলেও মন্তব্য করেন।

মতিউর রহমান আকন্দ জানান, "বিভিন্ন সময়ে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও এরশাদের শাসনামলে জামায়াতের নেতাকর্মীরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ১৯৯১-৯৬ সময়ে জামায়াত-শিবিরের ৪৬ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "১৯৯১ সালে জামায়াত নি:শর্তভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে সমর্থন দিয়েছিল। জামায়াতের সমর্থন না থাকলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকত কিনা, তা ভাববার বিষয়।" ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, "আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের কোনে জোট হয়নি; বরং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবীতে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত একসঙ্গে আন্দোলণ করেছিল।"

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, "আল্লাহ জামায়াতে ইসলামীকে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য সময় দিয়েছেন। ভবিষ্যতে পবিত্র কোরআনের আলোকে দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে একটি সুশাসিত, দুর্নীতিমুক্ত ও নিরাপদ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবে তাঁর দল।" তিনি মাদক, জুয়া, চুরি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ঘুষ ও যানজটমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।

এর আগে সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য অধ্যাপক মো. রমজান আলী। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলামের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য কর্নেল (অব.) ডা. জেহাদ খান, জেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা অধ্যক্ষ মো. তৈয়বুজ্জামান ও অধ্যাপক আব্দুস সালাম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আজিজুল হক, ঢাকা মহানগরী উত্তরের শূরা সদস্য অ্যাডভোকেট রোকন রেজা শেখ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ওয়ারী থানার আমির মাহবুবুর রহমান মাহফুজ এবং জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজাহিদ বিল্লাহ। এ ছাড়া বিভিন্ন উপজেলা ও সাংগঠনিক থানা শাখার দায়িত্বশীল ও রুকনরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে জেলা আমির নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। উদ্বোধনী বক্তব্য শেষে অধ্যাপক মো. রমজান আলী দলীয় নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালকদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এরপর সভাপতির আসন ছেড়ে সাধারণ রুকনদের সারিতে বসেন তিনি।

পরে আগামী দুই বছরের জন্য জেলা আমির নির্বাচনে গোপন ব্যালটে ভোট দেন প্রায় আট শতাধিক পুরুষ ও নারী রুকন। নির্বাচন পরিচালনার প্রধান দায়িত্বে ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কাজী সাইফুল্লাহ। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শামসুল আলম সেলিম ও মাওলানা এস এম ইউসূফ।

ভোটগ্রহণ শেষে তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দলীয় কেন্দ্র থেকে পরবর্তী সময়ে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

সম্মেলনে বক্তারা সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, নৈতিকতা ও আদর্শভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেঁতুলিয়ায় পর্যটকদের ভিড়, কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে না পেয়ে বাড়ি ফিরছেন হতাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


তেঁতুলিয়ায় পর্যটকদের ভিড়, কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে না পেয়ে বাড়ি ফিরছেন হতাশ

পঞ্চগড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শত শত পর্যটকের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে তেঁতুলিয়ার ডাকবাংলোতে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার প্রত্যাশা নিয়ে আসা পর্যটকরা হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন, কারণ তারা দর্শন পাননি। এদিকে, ডাকবাংলো পিকনিক কর্ণারের অব্যবস্থাপনার বিষয়টি পর্যটকদের কাছে উঠে এসেছে।

ভ্রমণ পিপাসুরা জানিয়েছেন, তারা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার জন্য এসেছেন। কিন্তু এখানে আসার পর কয়েকদিন ধরে তারা কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পাচ্ছেন না। তাদের অভিযোগ, কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা না গেলেও কিছু মানুষ তাদের হোটেল ব্যবসার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে তারা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বলে জানান।

জানা গেছে, কাঞ্চনজঙ্ঘা বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। প্রতি বছর অক্টোবর মাসের শেষ থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন স্থানসহ তেঁতুলিয়ার ডাকবাংলো থেকে এই পর্বতটি সবচেয়ে সুন্দরভাবে দেখা যায়। চলতি মাসে একদিন কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা গেলেও পরে আর দেখা যায়নি।

পূজার ছুটিতে গাজীপুর থেকে মমতাজ উদ্দিন তার পরিবার নিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে এসেছিলেন। কিন্তু কয়েকদিন ধরে পর্বতশৃঙ্গটি দেখতে না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে। একই অভিজ্ঞতা জানাচ্ছিলেন নওগাঁ থেকে আসা দিল আকরাম। তবে তিনি কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে না পারলেও সমতলের চা বাগান, মহানন্দা নদী, বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টসহ দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখেছেন।

ফাইয়াজ বিনতে আফরোজ জানিয়েছেন, ডাকবাংলোয় পর্যটকদের এত জনসমাগম রয়েছে। সেখানে একটি পাবলিক টয়লেট রয়েছে, কিন্তু পানির কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে বোতলের পানি কিনে ব্যবহার করতে হচ্ছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেছেন, চলতি মাসের শেষে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে পাহাড় দৃশ্যমান হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নভেম্বরের শুরুতে অপরূপ কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা মিলবে।

তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসাইন জানিয়েছেন, দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভ্রমণ পিপাসু মানুষ যাতে নিরাপদে অবস্থান করতে পারেন, সে লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পর্যটক অনেক বেশি হওয়ায় ডাকবাংলোয় একটি পাবলিক টয়লেট নেই। তিনি জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই সেখানে একটি দৃষ্টিনন্দন পাবলিক টয়লেট স্থাপন করা হবে। জেলা পরিষদের অনুমোদন পেলে কাজ শুরু করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

করতোয়া নদীর ঘাটে সেতু না থাকায় তিন উপজেলার লাখো মানুষের দুর্ভোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


করতোয়া নদীর ঘাটে সেতু না থাকায় তিন উপজেলার লাখো মানুষের দুর্ভোগ

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার করতোয়া নদীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ঘাটে সেতু না থাকার কারণে তিন উপজেলার লাখো মানুষ বছরের পর বছর ধরে দুর্ভোগে রয়েছে। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, পথচারী, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ ও বরযাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসব ঘাটে নৌকায় নদী পারাপার করতে হচ্ছে। সেতু না থাকা এই এলাকার মানুষের কাছে দুর্ভোগের আরেক নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

করতোয়া নদী পীরগঞ্জ, নবাবগঞ্জ ও ঘোড়াঘাট উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নদীর ১১ ঘাটের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে তিনটি স্থানে বড় সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু বাকি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটগুলোতে সেতু না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিদিনই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কোথাও নৌকায়, আবার কোথাও বাঁশের সাঁকো কিংবা অস্থায়ী ব্যবস্থায় নদী পারাপার হতে হচ্ছে তাঁদের।

সাতপাড়া ঘাট, কুমারপুর ঘাট, কুয়েতপুর হামিপুর ঘাট, কুলানন্দপুর ঘাট, বড় আলমপুর ইউনিয়নের হোসেনপুরের ঘাট, রামনাথপুর শালকেদহ ঘাট, শালপাড়া ঘাট এবং টুকুরিয়া ইউনিয়নের যাতের ঘাট গুরুত্বপূর্ণ পারাপারের স্থান হিসেবে পরিচিত। এসব ঘাট দিয়ে প্রতিদিন তিন উপজেলার মানুষ যাতায়াত করেন। নৌকায় গরু-ছাগল, নছিমন, ভ্যান, রিকশা ও মোটরসাইকেল পারাপারের ঘটনাও ঘটে। ফলে নানা ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হয় অনেককে।

বুধবার দুপুরে একটি ঘাটের মাঝির সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, "নৌকার মাধ্যমে নিয়মিত মানুষকে নদী পারাপার করা হয়। তবে পারাপারের সময় ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা তুলনামূলক কম ঘটলেও ঝুঁকি থেকেই যায় যখন নদীতে পানি বেশি হয়।"

স্থানীয়রা জানান, করতোয়া নদীর একটি বড় অংশ পীরগঞ্জ উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নদীর দুই পাড়ে তিন উপজেলার মানুষের কৃষিজমি থাকায় চাষাবাদের প্রয়োজনে কৃষকদের নিয়মিত নদী পার হতে হয়। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ নানা কাজে মানুষ এসব ঘাট ব্যবহার করেন। জনসংখ্যা ও যাতায়াতের চাপ দিন দিন বাড়লেও স্থায়ী সেতু নির্মাণের অভাবে দুর্ভোগ কমছে না।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ ঘাটগুলোতে সেতু নির্মাণ করা হলে তিন উপজেলার মানুষের যাতায়াতব্যবস্থা সহজ হবে। কৃষকেরা দ্রুত উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করতে পারবেন। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন, আমদানি রপ্তানি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। পাশাপাশি তিন উপজেলার মানুষের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক আরও বাড়বে।

পথচারী মোনারুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম ও মাজেদুল ইসলাম বলেন, "এসব ঘাটে সেতু বা (পুল) নির্মাণ করা হলে মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে। বর্তমানে নদী পারাপারে সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষকদের উৎপাদিত ফসল পরিবহনে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়। স্থায়ী সেতু বা (পুল) নির্মাণ করা হলে এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।"

নৌকার মাঝিরা জানান, প্রতিবছর সরকারি নিয়মে ঘাটগুলো ইজারা দেওয়া হয়। নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতাকে এক বছরের জন্য ঘাটের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ফলে এসব ঘাট দিয়ে নৌকায় পারাপারের জন্য যাত্রীদের নির্ধারিত অর্থ দিতে হয়।

চতরা ইউনিয়নের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, "তাঁর গ্রামের বাড়ি করতোয়া নদীর তীরে। ফলে নদী পারাপারের কষ্ট তিনি ভালোভাবেই জানেন। একজন রোগীকে দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া প্রয়োজন হলেও অনেক সময় ঘাটে নৌকা থাকলেও মাঝি পাওয়া যায় না। আবার মাঝি ও নৌকা দুটোই থাকলেও অপেক্ষা করতে গিয়ে মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। ব্যবসায়ীরা সময়মতো মালামাল মোকামে নিতে পারেন না। এসব সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ঘাটগুলোতে সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন। এতে কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগীসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষ উপকৃত হবেন।"

সচেতন মহল ও শিক্ষকদের ভাষ্য, টাকা দিয়ে নদী পারাপার হতে হলেও অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। নৌকায় পর্যাপ্ত যাত্রী না উঠলে মাঝিরা অনেক ক্ষেত্রে নৌকা ছাড়তে চান না। এতে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, কৃষক ও সাধারণ যাত্রীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। জরুরি প্রয়োজনে নদী পারাপারেও ভোগান্তি পোহাতে হয়।

তাঁদের মতে, করতোয়া নদীর গুরুত্বপূর্ণ ঘাটগুলোতে সেতু নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সমীক্ষা করে এসব স্থানে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিলে তিন উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। একই সঙ্গে কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিকিনি পরতে অস্বস্তি বোধ করেন রাশমিকা, জানান চরিত্রের প্রয়োজনে পরেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


বিকিনি পরতে অস্বস্তি বোধ করেন রাশমিকা, জানান চরিত্রের প্রয়োজনে পরেন

অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা বিকিনি বা শরীরের অধিকাংশ অংশ প্রকাশ করে এমন পোশাক পরতে অস্বস্তি অনুভব করেন। তিনি জানান, যদি কোনো চরিত্রের জন্য এমন পোশাক পরতে হয়, তাহলে নিজের অস্বস্তির কথা জানাতে চান। তবে সিনেমায় কাজ করার পর পোশাক বা দৃশ্য নিয়ে আপত্তি জানানো সহজ নয়। সম্প্রতি, তিনি স্বামী ও অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে এই বিষয়ে আলোচনা করেন।

বিজয় ও রাশমিকা ‘কফি উইথ করণ’-এর নবম মৌসুমে করণ জোহরের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তারা অভিনয়শিল্পীদের ব্যক্তিগত সীমারেখা, খোলামেলা পোশাক এবং দৃশ্য নিয়ে অস্বস্তি প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করেন।

রাশমিকা বলেন, বাণিজ্যিক সিনেমায় অনেক সময় এমন পোশাক পরতে হয়, যা তার ব্যক্তিগত পছন্দের সঙ্গে মেলে না। তবে চরিত্রের প্রয়োজনে সবকিছু মেনে নেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন না।

এ প্রসঙ্গে রাশমিকা মন্তব্য করেন, "কিছু বিষয় আছে, যেগুলোতে আমি স্বচ্ছন্দ নই। আমি জানি, কিছু চরিত্রের প্রয়োজনে বিকিনি বা এ ধরনের পোশাক দরকার হতে পারে। কিন্তু এমন ক্ষেত্রেও আমি বলব, শরীরের বেশি অংশ প্রকাশ পায়—এমন পোশাকে আমি অস্বস্তি বোধ করি। আমি সে ধরনের মানুষ নই।"

তিনি তার পছন্দ ও অপছন্দের বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান রাখেন। তার ভাষ্য, বাণিজ্যিক সিনেমায় কিছু পোশাক থাকতে পারে, যেগুলো পরতে তিনি পুরোপুরি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না। তবে তিনি নিজের জন্য কিছু সীমারেখা ঠিক করে রেখেছেন। সাধারণত তিনি সেই পরিচালকদের সঙ্গেই কাজ করতে পছন্দ করেন, যারা তার সিদ্ধান্তকে সম্মান করেন।

বিজয় রাশমিকার সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, কোনো দৃশ্য বা পোশাক নিয়ে আপত্তি জানানোর মতো পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। কারণ, সিনেমায় কাজ করতে রাজি হওয়ার পর অনেক অভিনয়শিল্পী নিজেদের অস্বস্তির কথা জানাতে গিয়ে পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ার আশঙ্কা করেন।

বিজয়ের মতে, সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর অভিনয়শিল্পীরা ভাবতে পারেন, নির্দিষ্ট দৃশ্য বা পোশাকে আপত্তি জানালে অন্যরা তাদের দায়িত্ব পালনে অনীহা আছে বলে মনে করবেন। এই চাপের কারণে অনেক সময় তারা নিজেদের অস্বস্তি উপেক্ষা করে রাজি হয়ে যান।

বিজয় বলেন, "নিজের অবস্থানে অনড় থাকা যে ঠিক, সে কথা বলার জন্য অভিনয়শিল্পীদের পাশে কাউকে থাকা দরকার। তাদের এমনভাবে বলা হতে পারে, ‘তুমি তো অভিনেত্রী, এই সিনেমায় কাজ করতে রাজি হয়েছ। এটা কি তোমার কাজ নয়?’ তখন তারা ভাবতে শুরু করেন, তারা কি পেশাদার নন? একপর্যায়ে বিষয়টি বড় করে দেখতে চান না এবং আশা করেন, সব ঠিক থাকবে। কিন্তু পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে তাদের মনে হয়, তখনই আপত্তি জানানো উচিত ছিল।"

রাশমিকা স্বীকার করেন, কোনো দৃশ্যে অভিনয় করতে না চাইলে পরিচালককে সরাসরি ‘না’ বলা তার জন্যও কঠিন। অনেক সময় তিনি নিজের অস্বস্তির কথা জানাতে দ্বিধায় পড়েন। এই ক্ষেত্রে বিজয়ের সঙ্গে কথা বলে সাহস পান।

রাশমিকার কথায়, "অভিনয়শিল্পীদের এমন পরিবেশ দিতে হবে, যেখানে তারা সহজেই প্রশ্ন করতে পারবেন। আমারও কখনো কখনো বলতে কষ্ট হয়, আমি এটা করতে চাই না। তখন বিজয়ের সঙ্গে অনেকবার কথা বলতে হয়। আমি তাকে বলি, বিষয়টি জানাতে চাই। সে বলে, “তুমি বলতে পারো। অবশ্যই বলা উচিত।”"

অভিনয়শিল্পীদের কাজের ক্ষেত্রে পেশাদারির পাশাপাশি ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য ও সম্মতিকেও গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় তুলে ধরেছেন বিজয় ও রাশমিকা। তাদের মতে, কোনো পোশাক বা দৃশ্য নিয়ে অস্বস্তি থাকলে তা প্রকাশের সুযোগ থাকা জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%