বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৫৬ পি.এম
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এই কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই ২০২৬) উপজেলা সম্মেলন কক্ষে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কক্সবাজার-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কক্সবাজারের উপপরিচালক ড. বিমল কুমার প্রামাণিক। সভাপতিত্ব করেন ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মংছিনু মারমা। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঈদগাঁও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদু শুক্কুর এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং উপকারভোগী কৃষকরা।
কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ও বনজ-ফলজ চারা, রোপা আমন ধানের চারা, হাইব্রিড মরিচের বীজ, লেবুর চারা, গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির বীজ, সারসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। বক্তারা এ সময় বলেন, সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বক্তারা কৃষকদের বিতরণকৃত উপকরণ সঠিকভাবে ব্যবহার করে অধিক উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, কৃষক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে আধুনিক ও উন্নত কৃষি উপকরণ পৌঁছে দিয়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষিকে আরও টেকসই ও লাভজনক করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাউজানে গতকাল সোমবার সকালে ফলদ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে রাউজানের গহিরাস্থ কোতোয়ালীঘোনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে। অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। পরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে একটি সচেতনতামূলক র্যালি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
আয়োজকরা জানান, এই কর্মসূচির লক্ষ্য হচ্ছে পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করতে জনসচেতনতা তৈরি করা।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্য ও গহিরা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর মিয়াজী।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মফিজুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সাবেক পরিচালনা কমিটির সদস্য ও সমাজসেবক ফজলুল আজিজ, সমাজসেবক মোহাম্মদ সোহাইব শিকদার, সিনিয়র শিক্ষক খোরশেদুল আলম, সিনিয়র শিক্ষক বিশ্বজিৎ বড়ুয়া, সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল মোনায়েম, সিনিয়র শিক্ষিকা শিরিন আক্তার, সহকারী শিক্ষিকা রেশমা আক্তার, সহকারী শিক্ষক ওহিদুল আলম, সহকারী শিক্ষক মো. শওকত-উল-আলম, সহকারী শিক্ষক মিথুন কুমার নাথ এবং সহকারী শিক্ষক রফিকুল করিমসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) সদর দফতরে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। হুমকি সম্বলিত একটি ই-মেইল পাঠানোর পরপরই তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ইসরো-এর চেয়ারম্যান ড. ভি নারায়ণনের কার্যালয়ে এই হুমকিমূলক ই-মেইলটি পাঠানো হয়। সতর্কবার্তা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ এবং বম্ব স্কোয়াডের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পুরো কার্যালয় চত্বরে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি চালান।
তবে, তল্লাশি চলাকালে বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত ওই সদর দফতর থেকে কোনও বিস্ফোরক ডিভাইস বা বস্তু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এদিকে, ই-মেইলটি কে পাঠিয়েছে এবং এর পেছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে তা উদঘাটন করতে ইতোমধ্যেই পুলিশের একাধিক দল মাঠে নেমেছে। এই ই-মেইলের উৎস দেশের বাইরে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে, এই ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। গত বছরও দিল্লির ডিপিএস দ্বারকা, কৃষ্ণা মডেল স্কুল এবং সর্বোদয় বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি স্কুলে একই ধরনের হুমকিমূলক ই-মেইল পাঠানো হয়েছিল, যার ফলে স্কুলগুলোতে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়।
ইসরো কার্যালয়ে পাঠানো এই হুমকির ঘটনায় তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হারারেতে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টে সফরকারী বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ও ৮৫ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। ২৫ বছর পরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে হারে হাঁটার কারণে তাদের একাদশ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার ধারণা নাকচ করে দিয়েছেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। তিনি জানান, দলের পরিকল্পনায় বিশাল কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি, যদিও অনেক নিয়মিত খেলোয়াড় মাঠে ছিলেন না।
বাংলাদেশ দুই ইনিংসে ২শ রানের গন্ডি স্পর্শ করতে পারেনি। ২৫ বছর পরে ইনিংস ব্যবধানে হারের পেছনে এই বিষয়টি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ না হওয়া এই ম্যাচে নিয়মিত খেলোয়াড় তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা বিশ্রামে ছিলেন। অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজও খেলেননি। ইনজুরির কারণে ব্যাটার লিটন দাসকে মাঠে দেখা যায়নি। এই ম্যাচেই দুই নতুন খেলোয়াড় তাওহিদ হৃদয় ও উইকেটরক্ষক অমিত হাসানের টেস্ট অভিষেক হয়।
বাশার এ পরিবর্তনগুলোকে কোনোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হিসেবে গণ্য করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, 'আমরা ওয়ানডেতে কোনো পরিবর্তন করিনি। টেস্টেও খুব বেশি পরিবর্তন আনা হয়নি। ব্যাটিং লাইনআপ আগের মতোই ছিল। নিয়মিত ব্যাটারদের মধ্যে লিটন ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি।'
বিশ্রামের পেসারদের বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন প্রধান নির্বাচক। তিনি জানান, কাজের চাপ সামলানো গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি আরো বলেন, 'তাসকিন ও নাহিদকে দিয়ে সব টেস্ট খেলা সম্ভব নয়। যারা খেলেছে, তারা সবাই মূল স্কোয়াডেরই সদস্য। এবাদত, নাঈম ও খালেদ টেস্ট স্কোয়াডের অংশ এবং তারা নিয়মিতভাবেই টেস্ট খেলে থাকে। টেস্ট দলের জন্য নতুন খেলোয়াড় খুব বেশি নেওয়া হয়নি।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এ বছর সফলভাবে হজ-পরবর্তী ফ্লাইট কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে এবং সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশি হাজিদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করেছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের ম্যানেজার আনন্দ সান্যাল আজ বাসসকে এ কথা জানান, জাতীয় পতাকাবাহী এ সংস্থা ২০২৬ সালের হজ ফ্লাইট কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এ সময় তারা ২২০টি বিশেষ ও নিয়মিত ফ্লাইটের মাধ্যমে মোট ৭০ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রীকে পরিবহন করেছে।
তিনি আরও জানান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এয়ারলাইন্সটি ১২টি নিয়মিত ফ্লাইটের মাধ্যমে সৌদি আরব থেকে আরো ২ হাজার ২০৮ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে।
তিনি বলেন, জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি হজ-পরবর্তী ১০৪টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করে সৌদি আরব থেকে ৩২ হাজার ২৫৬ জন হাজিকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনেছে। এর পাশাপাশি, হজ-পূর্ব ৯৮টি ফ্লাইটে ৩৮ হাজার ৬৭৯ জন হাজিকে সৌদি আরবে পৌঁছে দিয়েছে।
বিমানের কর্মকর্তা জানান, জাতীয় পতাকাবাহী এ সংস্থা হজ-পরবর্তী কার্যক্রমে নিরাপদ, সময়ানুবর্তী ও মানসম্মত যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
গত ৩০ মে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স হজ-পরবর্তী ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে এবং হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরব থেকে ফেরা হাজিদের ফুল ও পবিত্র জমজমের পানি দিয়ে স্বাগত জানায়।
জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থাটির প্রথম ফিরতি হজ ফ্লাইট বিজি-৩৩৬ জেদ্দা থেকে হাজিদের নিয়ে ওই দিন সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর মাধ্যমে চলতি বছরের হজ-পরবর্তী ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ বিমানবন্দরে হাজিদের স্বাগত জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ