ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজিমপুর কবরস্থানে কঙ্কাল বাণিজ্য, ঘাসের বস্তায় ভরে পাচার


আজিমপুর কবরস্থানে কঙ্কাল বাণিজ্য, ঘাসের বস্তায় ভরে পাচার

রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে কঙ্কাল পাচারকারীর সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে জানা গেছে, কবর থেকে মরদেহের হাড় তুলে তারা বিশাল অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বিক্রি করছে। কবরস্থানে প্রিয়জনদের দাফন করা পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ ও অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছে।

রাজধানীর অন্যতম বৃহৎ আজিমপুর কবরস্থানে প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০টি মরদেহ দাফন করা হয়ে থাকে। প্রায় ৩২ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই কবরস্থানে প্রায় ৩০ হাজার কবর বিদ্যমান। অভিযোগ পাওয়া গেছে, কিছু গোরখোদক ও তাদের সহযোগীরা নির্দিষ্ট কবর চিহ্নিত করে এবং সুযোগ বুঝে সেখান থেকে মরদেহের হাড় তুলে পাচার করছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, কঙ্কাল ক্রেতা পরিচয়ে যোগাযোগ করলে চক্রের সদস্যরা জানান, ছয় থেকে সাত মাস পুরোনো এবং নামফলকবিহীন কবর থেকে হাড় সংগ্রহ করা তুলনামূলক সহজ। প্রয়োজনে সাত থেকে দশ দিনের মধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ কঙ্কাল সরবরাহ করা সম্ভব বলেও দাবি করেন তারা।

আরও পড়ুন: দ্রুত সময়ে সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্ক দৃশ্যমান হবে: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

একটি মানুষের ২০৬টি হাড় গুনে গুনে সরবরাহ করা হবে, এই দাবি জানান চক্রের একজন সদস্য। এর জন্য তারা ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন। তাদের দাবি, কবর খননের কাজে যুক্ত ব্যক্তিরাই এই কাজ করেন।

অনুসন্ধানের সময় জানা যায়, সন্ধ্যার পর কবর খুঁড়ে হাড় বের করা হয় এবং ঘাস ভর্তি বস্তায় নির্ধারিত স্থানে পাঠানো হয়। যোগাযোগ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করা হয় এবং লেনদেনের পর পক্ষগুলি পরস্পরকে চিনতে পারে না এমন ব্যবস্থা অনুসরণ করা হয়।

চক্রের সমন্বয়কারী হিসাবে পরিচিত একজন দাবি করেন, একটি মরদেহ থেকে সব হাড় পাওয়া যায় না, তাই দুই বা তিনটি মরদেহের হাড় একত্র করে পূর্ণাঙ্গ কঙ্কাল তৈরি করা হয়। তিনি আরও জানান, অতীতে অনেকের কাছে কঙ্কাল সরবরাহ করেছেন এবং এই কাজ থেকে পাওয়া টাকার একটি অংশ এতিমখানায় দান করা হয়।

কবরস্থানের একজন গোরখোদক নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, প্রতিদিনের দাফনের মধ্যে কিছু কবর আগে থেকেই নজরদারির মধ্যে রাখা হয়। নির্দিষ্ট সময় পর মরদেহ অন্য কবরে সরিয়ে রেখে পরে সেখান থেকে কঙ্কাল সংগ্রহ করা হয়।

আরও পড়ুন: শুধু ৯ দেশ-ই নয়, বিশ্ব এক হলেও হারবে? কারণ- ইয়েমেনের জন্য নবী (সা.) দোয়া করেছিলেন!

এ বিষয়ে লালবাগ থানার পুলিশ জানায়, কঙ্কাল চুরির অভিযোগ নতুন নয়, তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা সাধারণ ডায়েরিও জমা পড়েনি। ফলে আনুষ্ঠানিক তদন্তও শুরু করা সম্ভব হয়নি। লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইয়াছিন আলী গণমাধ্যমকে বলেন, কঙ্কাল পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে দ্রুত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই কথা জানিয়েছেন লালবাগ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে দুই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২১ পি.এম


ঢাকার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে দুই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা শহরের বিপুল পরিমাণ বর্জ্যকে বিদ্যুৎ এবং পরিবেশবান্ধব পণ্যে রূপান্তরের লক্ষ্যে আমিনবাজার এবং মাতুয়াইলে দুটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই প্রকল্প দুভাবে কার্যকর হবে, যাতে প্রতিদিন কয়েক হাজার টন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। উপরন্তু, মিথেন গ্যাস, সার, পশুখাদ্য ও পরিবেশবান্ধব ইকো-ব্রিকস উৎপাদনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান প্রকল্প দুটির অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠক করেছেন। বৈঠকটি সকাল সাড়ে ৯টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে জানান যে, ঢাকার আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি কেন্দ্র নির্মাণে বিনিয়োগ করবে চীনের সিএমইসি গ্রুপ। এই প্রকল্পে প্রতিদিন ঢাকা শহরের প্রায় তিন হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করা হবে। এসব বর্জ্য থেকে ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোনো সম্ভব হলে ২০২৮ সালের আগস্টের মধ্যে কেন্দ্রটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করতে পারবে।

এই প্রকল্পটি চালু হওয়ার পর আগামী ২৫ বছর সেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে।

ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আরেকটি বড় প্রকল্প হচ্ছে মাতুয়াইলে, যা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন করবে। এই প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার বিঅ্যান্ডএফ কোম্পানি সহযোগিতা করবে। এখানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সঙ্গে এর থেকে মিথেন গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।

মাতুয়াইলের প্রকল্প অনুযায়ী, বছরে প্রায় ১৫ হাজার টন মিথেন গ্যাস উৎপাদিত হবে। সেই গ্যাস ব্যবহার করে বছরে প্রায় ৮১ হাজার মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দৈনিক হিসাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ হবে প্রায় ২২১ মেগাওয়াট-ঘণ্টা। মাতুয়াইলের প্রকল্পটি কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। সেখানে সৌরবিদ্যুৎ, সার, পশুখাদ্য এবং পরিবেশবান্ধব ইকো-ব্রিকস উৎপাদনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টন বর্জ্য এই প্রকল্পে ব্যবহার করা হবে।

সরকারের সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, যদি প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয় তাহলে রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে। একই সঙ্গে বর্জ্য থেকে নিঃসৃত ক্ষতিকর গ্যাস নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রশমনেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৈঠকে, প্রকল্প দুটির বাস্তবায়ন দ্রুত এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক আয়োজনের নির্দেশ দেন স্থানীয় সরকার, বিদ্যুৎ ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপরও প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব দেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে ফের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ, জারি করা হলো সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


ভারতে ফের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ, জারি করা হলো সতর্কতা

ভারতে করোনা ভাইরাস আবারও হানা দিয়েছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশে প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর সাথে আরও আটজন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নজরদারি, পরীক্ষা ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে, যার অংশ হিসেবে রাজ্য সরকার সতর্কতাও জারি করেছে।

রোববার (১২ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা গেছে এই তথ্য।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশের কাদাপা জেলায় ৫২ বছর বয়সী এক ব্যক্তি জ্বর ও কাশিতে আক্রান্ত হলে করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ শনাক্ত হন। পরে ভেলোরের ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

কাদাপার ৪৩ বছর বয়সী একজন ব্যক্তি শারীরিক জটিলতা নিয়ে সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এদিকে কাদাপা মেডিকেল কলেজের ২৫ বছর বয়সী এক মেডিকেল শিক্ষার্থীর শরীরেও করোনা শনাক্ত হয়েছে, বর্তমানে তিনি বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

নতুন সংক্রমণের পর রাজ্য স্বাস্থ্য বিভাগ ওই জেলায় একটি বিশেষ টিম মোতায়েন করেছে। আক্রান্ত এলাকাগুলো থেকে প্রায় ৪০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮টি নমুনার ফল নেগেটিভ এসেছে, বাকি পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

কাদাপা জেলা পরিষদের একটি বৈঠকে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান যে, বর্তমানে জেলার আটজন সক্রিয় করোনা রোগী রয়েছে। ভাইরাসের ধরন শনাক্ত ও সংক্রমণের প্রকার বোঝার জন্য নমুনাগুলি পুনের একটি পরীক্ষাগারে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে।

অন্ধ্রপ্রদেশের জেলা-দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সাভিথা কাদাপায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। আক্রান্ত এলাকাগুলোতে করোনা-সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতা কর্মসূচি চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এছাড়া, হাসপাতালসহ জনসমাগমস্থলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী সাভিথা। তিনি এটাও বলেন, জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত শনাক্ত করে আইসোলেশন কেন্দ্রে স্থানান্তর করতে হবে।

এদিকে, আক্রান্ত এলাকাগুলোতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের দ্রুত করোনা পরীক্ষা করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। যাদের করোনা শনাক্ত হবে, তাদের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হবে এবং যাদের রিপোর্ট নেগেটিভ আসবে, তাদের বাড়িতে আইসোলেশনে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

কাদাপায় এমন অবস্থার পর অন্ধ্রপ্রদেশজুড়ে করোনা প্রস্তুতি সংক্রান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সব জেলার প্রশাসনকে নজরদারি, করোনা পরীক্ষা, তথ্য প্রতিবেদন এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালগুলোকে পর্যাপ্ত শয্যা, আইসোলেশন সুবিধা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-সহায়তা প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জনসমাগমপূর্ণ স্থানে মাস্ক ব্যবহার, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং করোনার মতো উপসর্গ দেখালে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুদ্রানীতিতে আইএমএফের শর্ত প্রতিফলিত হওয়ায় ঋণ সহায়তা নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩২ পি.এম


মুদ্রানীতিতে আইএমএফের শর্ত প্রতিফলিত হওয়ায় ঋণ সহায়তা নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ ব্যাংক

নতুন মুদ্রানীতিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিভিন্ন শর্তের প্রতিফলন হওয়ার কারণে ঋণ সহায়তা পাওয়ার বিষয়ে আশাতে আছেন বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই বক্তব্যটি জানান।

তিনি উল্লেখ করেন যে, গভর্নরের সাথে বৈঠক করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে এসেছে আইএমএফের মুদ্রা ও পুঁজিবাজার বিভাগের ডেপুটি ডিভিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।

নতুন মুদ্রানীতিতে আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নীতিগত পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, এবং এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির পরবর্তী সহায়তা পাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আশাবাদী।

এর আগে, ডলার সংকট মোকাবিলা করার জন্য, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ২০২৩ সালে আইএমএফের সাথে ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়। পরে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এর আকার বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত করা হয়।

এ পর্যন্ত পাঁচ কিস্তিতে বাংলাদেশ ৩৬৪ কোটি ডলার পেয়েছে। কিন্তু ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ ছাড় নিয়ে প্রায় এক বছর ধরে আলোচনা চললেও এখনও পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। উভয় পক্ষ নতুন ঋণ কর্মসূচির দিকে এগোচ্ছে।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ বিভাগের সাথে বৈঠকে বসে আইএমএফের মুদ্রা ও পুঁজিবাজার বিভাগের ডেপুটি ডিভিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল।

বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই আইএমএফের সাথে নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে তিনি আগের ঋণ কর্মসূচির কিছু সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, ‘আইএমএফের আগের ঋণ কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে এসেছে বর্তমান সরকার। জনগণের স্বার্থে নতুনভাবে ঋণ কর্মসূচিতে যাচ্ছি। কিস্তির টাকাগুলো নিয়ে আমি চিন্তা করছি না। আগের সরকার যে ঋণ কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল, তাতে জনগণের স্বার্থ সুরক্ষিত হয়নি।’

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, আগের ঋণ কর্মসূচির ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ ছাড় নিয়ে সরকারের কোনো উদ্বেগ নেই। একই সাথে বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং পর্যটকদের সুবিধার জন্য ভিসা নীতিতেও পরিবর্তন আনা হবে।

ঢাকা সফর শেষে আইএমএফের প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনে সংস্থাটির সদর দফতরে মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেবে। যদি সেই মূল্যায়ন ইতিবাচক হয়, আগামী অক্টোবরে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার পর নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করতে আরেকটি মিশন ঢাকায় আসতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারুণ্যকে দক্ষ ও সচেতন করে গড়তে পরিবার পরিকল্পনার বিকল্প নেই: এমপি জাহান্দার আলী জাহান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪১ পি.এম


তারুণ্যকে দক্ষ ও সচেতন করে গড়তে পরিবার পরিকল্পনার বিকল্প নেই: এমপি জাহান্দার আলী জাহান

মাদারীপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা ও শ্রেষ্ঠ কর্মী-প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান, যা বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজন করা হয়।

জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সভাকক্ষে রোববার সকাল ১০টায় এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মিজ মর্জিনা আক্তার।

প্রধান অতিথি হিসাবে মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী জাহান বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, "সুস্থ, শিক্ষিত ও দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির গুরুত্ব অপরিসীম। জনসংখ্যাকে বোঝা নয়, সম্পদে পরিণত করতে হলে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যের উন্নয়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ করে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

তিনি আরও যোগ করেন, "আজকের তরুণরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে। তাই তাদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।"

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার বিমল চন্দ্র বর্মণ, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. খলিলুজ্জাম হিমু এবং জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক মতিউর রহমান।

আলোচনা সভায় বক্তারা পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের সাফল্য, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়ন, জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা এবং তরুণ প্রজন্মকে সচেতন ও দক্ষ করে তুলতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

সভা শেষে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখায় নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ কর্মী ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে সনদপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

এবারের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল— "তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয় সুন্দর আগামী গড়ি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%