০২:৪১ পি.এম
বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে গোল করে উল্লাসে মেতে উঠেছিল ক্রোয়েশিয়া। মনে হচ্ছিল, লুকা মদ্রিচদের দলের জন্য সমতা ফিরে এসেছে এবং ম্যাচে নতুন জীবন পেয়েছে তারা। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) গোলটি বাতিল করার পর ক্রোয়েশিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে যায়।
গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েই মাঠে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। রিপ্লেতে স্পষ্টভাবে কোনো অফসাইড বা বলের স্পর্শ চিহ্নিত না হওয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে এমন একটি সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হলো।
পরে ফিফা জানায়, আক্রমণের সময় পর্তুগালের রেনাতো ভেগার কাছ থেকে বলটি ইভান পেরিসিচের কাছে যায়। পেরিসিচের দ্বারা বলটি বাড়ানোর পর সেটি মারিও পাসালিচের কাছে পৌঁছানোর আগেই ক্রোয়েশিয়ার ইগর মাতানোভিচের পায়ে একটি অতি সামান্য স্পর্শ লাগে। এই স্পর্শটি খালি চোখে বা সাধারণ রিপ্লেতে বোঝা যায়নি।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে
কিন্তু বিশ্বকাপে ব্যবহৃত অ্যাডিডাসের স্মার্ট ম্যাচ বলে থাকা 'কানেক্টেড বল টেকনোলজি' এই স্পর্শ শনাক্ত করে। বলের ভেতরে থাকা সেন্সর প্রতি সেকেন্ডে অসংখ্য তথ্য সংগ্রহ করে, ফলে ক্ষুদ্রতম স্পর্শও ধরা পড়ে। পরে সেই তথ্যগুলো সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। এভাবেই নিশ্চিত হওয়া যায় যে, মাতানোভিচ বলটি স্পর্শ করার মুহূর্তে পাসালিচ অফসাইডে ছিলেন।
এর ভিত্তিতেই ভিএআর রেফারিকে গোল বাতিলের পরামর্শ দেয়। সেই কারণে জসকো ভার্দিওলের করা গোলটি আর গণ্য হয়নি। এক মুহূর্তের উল্লাস পরিণত হয় হতাশায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন