মোঃ তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
০২:৪৬ পি.এম
অফিস টাইম চলছিল। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে থাকার কথা ছিল। এদিকে সরকারি দপ্তর ফাঁকি দিয়ে তিনি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। এমন অবস্থায় কিছু সাংবাদিক ও ক্যামেরা দেখার পর প্রাইভেট হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা প্রদানকারী সেই চিকিৎসক দৌড়ে পালিয়ে যান। হাতেনাতে ধরা পড়ে তিনি পালাচ্ছেন, এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ফাইরাল হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের আরামবাগ এলাকার চাঁপাই এ্যাপোলো হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটেছে। অফিস ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার পর ধরা খেয়ে এমন দৌড়ে পালানোর ভিডিও ফাইরাল হওয়ার ফলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত চিকিৎসক মো. ইনজামাম উল হক। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে মেডিকেল অফিসার (কো-অর্ডিনেটর) পদে কর্মরত রয়েছেন।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) দুপুরে চাঁপাই এ্যাপোলো হাসপাতালে গিয়ে ডা. মো. ইনজামাম উল হক চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। এমনকি ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তিনি এক রোগীর আলট্রাসনোগ্রাম করছিলেন। ঠিক তখনই কয়েকজন সাংবাদিক তাকে দেখতে পায় এবং ভিডিও ধারণ করেন। চিকিৎসা দিচ্ছিলেন তিনি, তবে যখন সাংবাদিক ও ক্যামেরা দেখতে পান, তখন তিনি চেয়ার থেকে উঠেই ভোঁ দৌড় দেন এবং বেরিয়ে যান হাসপাতাল থেকে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রতক্ষ্যদর্শী মিনার আহমেদ, সাকির আলী জানান, হঠাৎ করেই হাসপাতাল থেকে ডাক্তারকে দৌড়ে বের হয়ে আসতে দেখে। তার পেছনে কয়েকজন সাংবাদিকও ক্যামেরা নিয়ে আসে। এরপর রাস্তায় দাঁড়িয়ে ওই চিকিৎসক তার মোবাইল বের করে ফেসবুকে লাইভ করতে থাকেন এবং জানান তিনি নামাজ পড়তে এসেছেন। পরে জানা যায়, তিনি (ডা. ইনজামাম উল হক) অফিস ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন।
চিকিৎসকের দৌড়ে পালানোর ভিডিও ফাইরাল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমিনুল ইসলাম নামের এক যুবক লেখেন, জনগণের টাকায় সরকারি দপ্তরে চাকরি করেন, অথচ নিয়মিত থাকেন না। অফিস টাইমে তাকে প্রাইভেট হাসপাতালে পাওয়া যায়। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। এভাবে চিকিৎসকদের রুখে দিতে হবে এবং তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
চাঁপাই এ্যাপোলো হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সালাউদ্দিন ও তত্বাবধায়ক শ্রী বিশ্বজিৎ মুঠোফোনে সময় সংবাদকে জানান, দুপুরের বিরতিতে সিভিল সার্জন অফিস থেকে চিকিৎসা দেয়ার জন্য ডা. ইনজামাম উল হক চাঁপাই এ্যাপোলো হাসপাতালে এসেছিলেন। শ্রী বিশ্বজিৎ আরও বলেন, চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে একটি সিন্ডিকেট ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে গতকাল এই সম্পূর্ণ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এটি নিছক সাংবাদিকদের সাথে একটু ভুল বোঝাবুঝির ফল বলে জানান।
এনিয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (কো-অর্ডিনেটর) ডা. মো. ইনজামাম উল হক ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো ম্যাসেজেরও তিনি উত্তর দেননি। অন্যদিকে, রাত ১২টার দিকে ডা. মো. ইনজামাম উল হক তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, "আলহামদুলিল্লাহ, আজ চারজন সাংবাদিক ও ডা. মো: ইনজামাম উল হক এর মধ্যে উদ্ভূত যে পরিস্থিতি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল, তার সুষ্ঠু সমাধান হয়েছে। নেতিবাচক মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন। (Admin post)
এবিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. একেএম শাহাব উদ্দিন মুঠোফোনে সময় সংবাদকে বলেন, ডা. ইনজামাম উল হক সকাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আমার সাথে বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে অফিসেই ছিল। কিন্তু অফিস টাইমে প্রাইভেট হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা দেয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। এনিয়ে কোন অভিযোগও পাওয়া যায়নি। তিনি আরও বলেন, অফিস চলাকালীন সময়ে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার কোন সুযোগ নেই। কোন অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় বিয়ের দাওয়াতে যাওয়ার পথে ঘটে যাওয়া একটি অটোভ্যান ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে চাচি ও ভাতিজি সহ মোট দুইজন নিহত হয়েছেন। এ সংঘর্ষে আরও অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৩ জুলাই, ২০২৬) দুপুরের দিকে উপজেলার দ্বিতীয়খন্ড এলাকার ঝিনাইর গেট সংলগ্ন সড়কে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রিমি আক্তার এবং তার ৯ বছর বয়সী ভাতিজি আয়সা আক্তার। তারা একই পরিবারের সদস্য এবং আপন চাচি-ভাতিজি।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, রিমি আক্তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অটোভ্যানে করে পাশের গ্রামে সংলগ্ন এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। পথে ঝিনাইর গেট এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে অটোভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের ফলে অটোভ্যানটি সম্পূর্ণরূপে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণে ঘটনাস্থলেই রিমি আক্তার এবং শিশু আয়সা আক্তারের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এসে উদ্ধারকাজে অংশগ্রহণ করেন এবং আহতদের উদ্ধার করেন। আহত পাঁচজনকে তাৎক্ষণিকভাবে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছেন, অটোভ্যান ও কাভার্ডভ্যান উভয় যানই দ্রুত গতিতে চলছিল। তারা অভিযোগ করেন যে, বেপরোয়া গতির কারণে এই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটেছে।
শিবচর থানা পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে এবং এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটিতে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে শহরের মারী স্টেডিয়াম এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার হওয়া দুজন হলেন জলমনি চাকমা (৪৯) এবং নতুন বাবু (৩৯)।
রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. তারেক সেকান্দার আরটিভিকে কথা বলেন। তিনি বলেন, বিক্রির উদ্দেশ্যে ইয়াবাগুলো নিয়ে আসা হয়েছিল। অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হবে।
এদিকে কোতয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, গত জুন মাসে মাদকবিরোধী অভিযানে ৯টি মামলা করা হয়েছে। এ সময় ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৪৭ পিস ইয়াবা ও ১৮ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বসনিয়াকে ২-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র শেষ ষোলোতে জায়গা নিশ্চিত করেছে। তবে এই জয়েও খুব বেশি আনন্দিত হতে পারেননি মার্কিন সমর্থকরা। বসনিয়ার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন দলের তারকা ফরোয়ার্ড ফ্লোরিয়ান বালোগান।
বালোগানের বিতর্কিত লাল কার্ড ইস্যুতে বর্তমানে আমেরিকার ফুটবলাঙ্গন উত্তাল হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি এমন এক মোড় ধারণ করেছে যে, ক্ষুব্ধ মার্কিন সমর্থকরা এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
ম্যাচের প্রথমার্ধে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়েছেন ফোলারিন বালোগান। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল বালোগানের তৃতীয় গোল। লাল কার্ডের ঘটনা ঘটে ম্যাচের ৬১তম মিনিটে। বল নিয়ন্ত্রণে নিতে যান বসনিয়ার মুহারেমোভিচ ও যুক্তরাষ্ট্রের বালোগান।
মুহারেমোভিচ বল নিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। এই সময় পেছন থেকে বসনিয়ার ফুটবলারের ডান পায়ে বাজেভাবে ট্যাকল করেন বালোগান। রেফারি সম্ভাব্য লাল কার্ড দেখার জন্য ভিএআরের শরণাপন্ন হন। পরে ৬৪তম মিনিটে রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখান এবং বালোগানকে মাঠ ছাড়তে হয়।
ম্যাচ শেষে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান মার্কিন কোচ মরিসিও পচেত্তিনো। তবে ফিফার কঠোর আইনের কারণে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার কোনো সুযোগ নেই।
ফিফার ৬৬.৪ ধারা অনুযায়ী, ‘সরাসরি লাল কার্ড দেখলে পরবর্তী ম্যাচে নিষেধাজ্ঞা বাধ্যতামূলক।’ ফিফার নিয়মের প্রতি অবগত হয়ে মার্কিন সমর্থকরা বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক অদ্ভুত ও হাস্যরসাত্মক প্রচারণা শুরু করেছেন।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুসম্পর্কের কথা সবার জানা। গত ডিসেম্বরেই ইনফান্তিনো ট্রাম্পকে প্রথম ‘ফিফা পিস প্রাইজ’ প্রদান করেছিলেন, যা নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছিল।
সমর্থকরা এখন ট্রাম্পকে ফিফার ওপর প্রভাব খাটিয়ে বালোগানের লাল কার্ড প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক মার্কিন সমর্থক মন্তব্য করেছেন, ‘ট্রাম্পের উচিত ফিফার কাছে আপিল করা এবং প্রয়োজনে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করা।’
অন্য এক ব্যবহারকারী রসিকতা করে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘ট্রাম্প কেন এখনও বালোগানকে ‘প্রেসিডেন্সিয়াল পারডন’ বা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা ঘোষণা করছেন না?’ কেউ কেউ আবার বালোগানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে ট্রাম্পকে তার ফিফা পিস প্রাইজটি ফেরত দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন।
এমতাবস্থায়, পচেত্তিনোর অধীনে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে অত্যন্ত ভালো খেললেও এখনও পর্যন্ত গ্যালারিতে কোনো ম্যাচে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখা যায়নি। গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর রটেছিল যে, ট্রাম্পের গ্যালারিতে হাজির হওয়ার ব্যাপারে কিছু নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উদ্বেগ রয়েছে।
এর আগে আমেরিকায় বেশ কিছু বড় ক্রীড়া ইভেন্টে ট্রাম্প উপস্থিত হলে গ্যালারির একটি অংশ থেকে তাকে লক্ষ্য করে দুয়ো বা দেওয়া হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকের বিরুদ্ধে সতর্কীকরণ জানিয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ১৭ বছরের আওয়ামী লীগের ধারাবাহিকতায় যদি কেউ মাদকের ব্যবসা করেন, আমি ওসিকে জানিয়েছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। আপনারা ও আমার তদবির করার কোনো সুযোগ থাকবে না।
কিছু প্রভাবশালী লোকেরা মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছে, এরা সাময়িকভাবে প্রভাবশালী। আমি তাদের মাদক ব্যবসা ত্যাগ করার অনুরোধ করছি। তবে যদি তারা মাদক ব্যবসা না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখতে হবে, কেউ যদি গর্তে পড়ে যায়, উদ্ধারের জন্য কোনো লোক থাকবে না।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১ টায় লক্ষ্মীপুর চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ছিলাদি এলাকায় আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সভায় তিনি এসব কথা জানান।
পানিসম্পদ মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের নারী উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় নারী বান্ধব হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার পরিবারগুলোর নারী সদস্যদের ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে টাকা প্রদান করছে। ওই টাকা থেকে নারীরা প্রয়োজনীয় খরচের পর সঞ্চয়ও করছেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের এই সহযোগিতার মাধ্যমে যদি একজন মা সহযোগিতা পান, তিনি যদি সেই সহযোগিতাকে যথাযথভাবে ব্যবহার করেন, পরিবারকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন এবং সরকারের সহযোগিতার মাধ্যমে যদি তার সন্তানসমূহ শিক্ষিত হতে পারে, তাহলে পুরো জাতি শিক্ষিত হবে।
এই টাকা আমাদের বিনিয়োগ। আমরা এই টাকা বিনিয়োগের জন্য কাজ করছি।
এ সময় জেলা ওলামা দলের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ এমরান ও দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ারও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ