ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাপানে ৬.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার


জাপানে ৬.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার

জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে ৬ দশমিক ১ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল, কিন্তু পরে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এখনো কোন হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৫ মিনিট) ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল জাপানের ওকিনাওয়া জেলার মিয়াকো দ্বীপের হিরারা শহরের কাছাকাছি, যা প্রায় ১৩৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে অবস্থিত। অগভীর গভীরতায় উৎপত্তি হওয়ায়, কম্পন তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর জাপানের ভূমিকম্প গবেষণা সংস্থা সুনামি সতর্কতা জারি করলেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর তা প্রত্যাহার করা হয়। প্রশান্ত মহাসাগরের 'রিং অব ফায়ার' অঞ্চলে অবস্থান করায় জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রায় প্রতি মাসেই সেখানে একাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হয়ে থাকে।

আরও পড়ুন: বেরোবিতে শেখ হাসিনা থেকে বেগম খালেদা জিয়া হল, নির্মাণকাজ এক দশকেও শেষ হয়নি

এছাড়া, উল্লেখযোগ্য যে, জাপানের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানা ছিল ২০১১ সালের ১১ মার্চ। ৯ দশমিক ১ মাত্রার সেই ভূমিকম্প ও পরবর্তী সুনামিতে প্রায় ২০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল অন্তত ৪০ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৩ পি.এম


পাকিস্তানে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল অন্তত ৪০ জনের

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটিমাত্র যাত্রীবাহী বাস মহাসড়ক থেকে খাদে পড়ে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা এই হতাহতের তথ্য জানিয়েছেন।

ঝব জেলার জরুরি সেবাকেন্দ্রের প্রধান সানাউল্লাহ শেরানি শুক্রবার (৩ জুলাই) বার্তা সংস্থা এএফপি-কে বলেন, “কোয়েটা থেকে পেশোয়ারগামী একটি যাত্রীবাহী বাস পাহাড়ি এলাকা ‘দানা সার’-এ একটি গভীর খাদে পড়ে যায়।”

বাসটি প্রায় ৭০ থেকে ৮০ ফুট (২১ থেকে ২৪ মিটার) নিচে খাদে পড়ে যায় বলেও তিনি জানান।

বেলুচিস্তান সরকারের মুখপাত্র শহীদ রিন্দ বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) জানিয়েছেন, বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত এলাকায় শুক্রবার ভোরে দ্রুতগামী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাথুরে খাদে পড়ে যায়।

উভয় কর্মকর্তাই এই দুর্ঘটনায় ৪০ জন নিহতের তথ্য জানিয়েছেন। এ ছাড়া অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।

রিন্দ এপি-কে আরও জানান, বাসটিতে কেবল এর নিজস্ব যাত্রীই ছিল না, বরং যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে বিকল হয়ে পড়া আরেকটি বাসের যাত্রীরাও এতে উঠেছিলেন; ফলে বাসটি অতিরিক্ত যাত্রীর বোঝাই হয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, উদ্ধারকর্মীরা দুর্ঘটনায় নিহতদের শনাক্ত করার কাজ করছেন।

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি যাত্রীবাহী এই বাস দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন, নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সিসার চালান জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৫ পি.এম


ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সিসার চালান জব্দ

অনলাইনে পরিচালিত সংঘবদ্ধ সিসা সরবরাহকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় ৬৫ কেজি ৯০০ গ্রাম সিসা, ৪১টি হুক্কাসহ এবং বিপুল আলামত উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (ডিএনসি) । এ বিষয়ে ডিএনসি বলছে, গ্রেফতারদের মধ্যে দুই সহোদর ইরান থেকে সিসা বিক্রির কার্যক্রম শিখে এসে বাংলাদেশে অনলাইনে অবৈধ ব্যাবসা পরিচালনা করতো। গ্রেফতারকৃতরা হলেন আহমেদ শরীফি (৩৪) ও মেহদাদ শরীফি (৩৪), তারা ইরানি বংশোদ্ভূত নাগরিক। অন্য ব্যক্তি মো. মাকসুদ আলম (৪০) নামে পরিচিত। শুক্রবার (৩ জুলাই) সেগুনবাগিচায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পরিচালক (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ বদরুদ্দীন। তিনি বলেন, রাজধানীর গুলশান ও ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিসা উদ্ধারসহ একটি আন্তঃজেলা অনলাইন মাদক সরবরাহকারী চক্রের দুই সহোদরসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। গ্রেফতারকালে তাদের কাছ থেকে ৬৫ কেজি ৯০০ গ্রাম সিসা, ৪১টি হুক্কা, ৪০ কেজি সিসা সেবনের কয়লা, ৫টি মোবাইল ফোন এবং বিপুল পরিমাণ সিসা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় আহমেদ শরীফি ও মেহদাদ শরীফি নামের এই দুই সহোদরের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবৎ একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনার মাধ্যমে ঢাকাসহ সারাদেশে অনলাইনে অবৈধ সিসা ও সেবনের উপকরণ বিক্রি ও সরবরাহ করে আসছে। ওই পেইজের মাধ্যমে অর্ডার করা দুটি চালান দেশীয় কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে পাঠানো হবে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসির একটি বিশেষ রেইডিং টিম গত ২ জুলাই রাজধানীর ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা এলাকায় প্রথম অভিযান চালায়। সেখান থেকে ওই ফেসবুক পেজের নামে পাঠানো এক কেজি সিসাসহ একটি পার্সেল জব্দ করা হয়। তারপর একই দিন রমনা থানাধীন মালিবাগ থেকে একই পেজের নামে পাঠানো আরও এক কেজি সিসাসহ দ্বিতীয় পার্সেলটি জব্দ করা হয়। তিনি আরও বলেন, জব্দ করা পার্সেল দুটির প্রেরক-ঠিকানা যাচাই করে অভিযানিক দল একই দিনে গুলশান থানাধীন কালাচাঁদপুরে একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ওই দুই সহোদরকে ভাড়া বাসা থেকে হাতেনাতে আটক করা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ ও তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ওই ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৪৫ কেজি ৯০০ গ্রাম সিসা এবং ২০টি হুক্কা উদ্ধার করা হয়। আটক দুই সহোদর জানিয়েছেন, তাদের সরবরাহ করা সিসার একটি বড় অংশ আসত মো. মাকসুদ আলম নামে আরেক ব্যক্তির কাছ থেকে, যিনি ভাটারা থানাধীন নূরেরচালা এলাকায় বসবাস করেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে ওইদিন রাতে অভিযানিক দলটি নূরেরচালায় একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে মাকসুদ আলমকে আটক করেন। পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে আরও ১৮ কেজি সিসা ও ২১টি হুক্কা উদ্ধার করা হয়। ফেসবুক পেজের মাধ্যমে দেশব্যাপী ব্যবসা মোহাম্মদ বদরুদ্দীন বলেন, গ্রেফতারকৃত দুই সহোদর বাংলাদেশি নাগরিক হলেও তাদের পূর্বপুরুষ ইরানি। তারা দুইজনই দীর্ঘ সময় ইরানে অবস্থান করেছেন। সেখানে অবস্থানের সময় তারা সিসা ব্যবসার কার্যক্রম, বাজারব্যবস্থা এবং সরবরাহ পদ্ধতি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশে ফিরে তারা একই ব্যবসায়িক মডেল অনুসরণ করে অনলাইনে সিসা বিক্রির নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন এবং ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেন। তারা একটি ফেসবুক পেজ চালু করেন, যা বাংলাদেশে অনলাইনে সিসা বিক্রয়কারী প্রথম দিকের পেজগুলোর মধ্যে অন্যতম। তারা ফেসবুকের মাধ্যমে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ, পণ্যের ছবি প্রকাশ, অর্ডার গ্রহণ, মূল্য নির্ধারণ এবং ডেলিভারির সমন্বয় করতো। অর্ডার নিশ্চিত হওয়ার পর দেশীয় কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পার্সেল পাঠাতো। মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস এর মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ ডিএনসি জানায়, চক্রটি মূলত বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের ব্যবহার করে পণ্যের মূল্য গ্রহণ করতো। বিভিন্ন ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত একাধিক মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে তারা অর্থ সংগ্রহ করতো, যাতে প্রকৃত লেনদেনের উৎস ও সুবিধাভোগীদের পরিচয় গোপন রাখা যায়। ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এসব আর্থিক লেনদেন, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট এবং অর্থের প্রবাহ যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তে বিপুল সংখ্যক ক্রেতার তথ্য অভিযানে জব্দ করা মোবাইল ফোন, ডিজিটাল ডিভাইস এবং অনলাইন অ্যাকাউন্ট থেকে একটি বিস্তৃত গ্রাহক ডাটাবেস উদ্ধার করেছে ডিএনসি। এতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার অসংখ্য ক্রেতার তথ্য, যোগাযোগের ইতিহাস, অর্ডারের বিবরণ এবং লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিয়মিত ক্রেতা, পরিবেশক, সহযোগী এবং এই নেটওয়ার্কের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করার কাজ চলমান বলে জানান ডিএনসির অতিরিক্ত এই পরিচালক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক দেখে দৌঁড়ে পালালেন অফিস ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে থাকা চিকিৎসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৬ পি.এম


সাংবাদিক দেখে দৌঁড়ে পালালেন অফিস ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে থাকা চিকিৎসক

অফিস টাইম চলছিল। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে থাকার কথা ছিল। এদিকে সরকারি দপ্তর ফাঁকি দিয়ে তিনি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। এমন অবস্থায় কিছু সাংবাদিক ও ক্যামেরা দেখার পর প্রাইভেট হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা প্রদানকারী সেই চিকিৎসক দৌড়ে পালিয়ে যান। হাতেনাতে ধরা পড়ে তিনি পালাচ্ছেন, এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ফাইরাল হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের আরামবাগ এলাকার চাঁপাই এ্যাপোলো হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটেছে। অফিস ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার পর ধরা খেয়ে এমন দৌড়ে পালানোর ভিডিও ফাইরাল হওয়ার ফলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত চিকিৎসক মো. ইনজামাম উল হক। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে মেডিকেল অফিসার (কো-অর্ডিনেটর) পদে কর্মরত রয়েছেন।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) দুপুরে চাঁপাই এ্যাপোলো হাসপাতালে গিয়ে ডা. মো. ইনজামাম উল হক চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। এমনকি ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তিনি এক রোগীর আলট্রাসনোগ্রাম করছিলেন। ঠিক তখনই কয়েকজন সাংবাদিক তাকে দেখতে পায় এবং ভিডিও ধারণ করেন। চিকিৎসা দিচ্ছিলেন তিনি, তবে যখন সাংবাদিক ও ক্যামেরা দেখতে পান, তখন তিনি চেয়ার থেকে উঠেই ভোঁ দৌড় দেন এবং বেরিয়ে যান হাসপাতাল থেকে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রতক্ষ্যদর্শী মিনার আহমেদ, সাকির আলী জানান, হঠাৎ করেই হাসপাতাল থেকে ডাক্তারকে দৌড়ে বের হয়ে আসতে দেখে। তার পেছনে কয়েকজন সাংবাদিকও ক্যামেরা নিয়ে আসে। এরপর রাস্তায় দাঁড়িয়ে ওই চিকিৎসক তার মোবাইল বের করে ফেসবুকে লাইভ করতে থাকেন এবং জানান তিনি নামাজ পড়তে এসেছেন। পরে জানা যায়, তিনি (ডা. ইনজামাম উল হক) অফিস ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন।

চিকিৎসকের দৌড়ে পালানোর ভিডিও ফাইরাল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমিনুল ইসলাম নামের এক যুবক লেখেন, জনগণের টাকায় সরকারি দপ্তরে চাকরি করেন, অথচ নিয়মিত থাকেন না। অফিস টাইমে তাকে প্রাইভেট হাসপাতালে পাওয়া যায়। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। এভাবে চিকিৎসকদের রুখে দিতে হবে এবং তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

চাঁপাই এ্যাপোলো হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সালাউদ্দিন ও তত্বাবধায়ক শ্রী বিশ্বজিৎ মুঠোফোনে সময় সংবাদকে জানান, দুপুরের বিরতিতে সিভিল সার্জন অফিস থেকে চিকিৎসা দেয়ার জন্য ডা. ইনজামাম উল হক চাঁপাই এ্যাপোলো হাসপাতালে এসেছিলেন। শ্রী বিশ্বজিৎ আরও বলেন, চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে একটি সিন্ডিকেট ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে গতকাল এই সম্পূর্ণ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এটি নিছক সাংবাদিকদের সাথে একটু ভুল বোঝাবুঝির ফল বলে জানান।

এনিয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (কো-অর্ডিনেটর) ডা. মো. ইনজামাম উল হক ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো ম্যাসেজেরও তিনি উত্তর দেননি। অন্যদিকে, রাত ১২টার দিকে ডা. মো. ইনজামাম উল হক তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, "আলহামদুলিল্লাহ, আজ চারজন সাংবাদিক ও ডা. মো: ইনজামাম উল হক এর মধ্যে উদ্ভূত যে পরিস্থিতি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল, তার সুষ্ঠু সমাধান হয়েছে। নেতিবাচক মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন। (Admin post)

এবিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. একেএম শাহাব উদ্দিন মুঠোফোনে সময় সংবাদকে বলেন, ডা. ইনজামাম উল হক সকাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আমার সাথে বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে অফিসেই ছিল। কিন্তু অফিস টাইমে প্রাইভেট হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা দেয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। এনিয়ে কোন অভিযোগও পাওয়া যায়নি। তিনি আরও বলেন, অফিস চলাকালীন সময়ে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার কোন সুযোগ নেই। কোন অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ের দাওয়াতে যাওয়ার পথে শিবচরে সড়ক দুর্ঘটনা: প্রাণ গেল চাচি-ভাতিজির, আহত ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ পি.এম


বিয়ের দাওয়াতে যাওয়ার পথে শিবচরে সড়ক দুর্ঘটনা: প্রাণ গেল চাচি-ভাতিজির, আহত ৫

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় বিয়ের দাওয়াতে যাওয়ার পথে ঘটে যাওয়া একটি অটোভ্যান ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে চাচি ও ভাতিজি সহ মোট দুইজন নিহত হয়েছেন। এ সংঘর্ষে আরও অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই, ২০২৬) দুপুরের দিকে উপজেলার দ্বিতীয়খন্ড এলাকার ঝিনাইর গেট সংলগ্ন সড়কে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রিমি আক্তার এবং তার ৯ বছর বয়সী ভাতিজি আয়সা আক্তার। তারা একই পরিবারের সদস্য এবং আপন চাচি-ভাতিজি।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, রিমি আক্তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অটোভ্যানে করে পাশের গ্রামে সংলগ্ন এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। পথে ঝিনাইর গেট এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে অটোভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের ফলে অটোভ্যানটি সম্পূর্ণরূপে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণে ঘটনাস্থলেই রিমি আক্তার এবং শিশু আয়সা আক্তারের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এসে উদ্ধারকাজে অংশগ্রহণ করেন এবং আহতদের উদ্ধার করেন। আহত পাঁচজনকে তাৎক্ষণিকভাবে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছেন, অটোভ্যান ও কাভার্ডভ্যান উভয় যানই দ্রুত গতিতে চলছিল। তারা অভিযোগ করেন যে, বেপরোয়া গতির কারণে এই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটেছে।

শিবচর থানা পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে এবং এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%