ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুনের প্রথম ১৫ দিনে ১৬২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে


জুনের প্রথম ১৫ দিনে ১৬২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে

চলতি মাসের প্রথম ১৫ দিনের মধ্যে দেশে এসেছে ১৬২ কোটি ৩৯ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১০ কোটি ৮৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ বিষয়টি নিয়ে তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, চলতি জুন মাসের প্রথম ১৫ দিনে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৬২ কোটি ৩৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায়, এই সময়ে ১৪৭ কোটি ৯৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। অর্থাৎ বছরের নিরিখে রেমিট্যান্স প্রবাহে বৃদ্ধি ঘটেছে।

আরও পড়ুন: সৌদি রুটে ১৪৪ ফ্লাইট স্থগিত, ২২ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৪৩৮ কোটি ৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার। যা বছরের ভিত্তিতে বেড়েছে ১৮ দশমিক ৬১ শতাংশ।

এছাড়া, গত মে মাসে দেশে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এটি দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।

গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার এবং গত মার্চে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। উল্লিখিত মার্চের রেমিট্যান্স, দেশের ইতিহাসে এক মাসের সর্বোচ্চ।

গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে দেশে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুকে ঠেকাতে বিদেশ থেকে দেশে ফিরছেন হাজার হাজার ইসরাইলি

এছাড়া, গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বর মাসে দেশে যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার এবং ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আরো জানতে পারা যায়, গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার এবং ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

এদিকে, ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম মহানগরে যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই প্রযুক্তির সহায়তায় বিশেষ প্রকল্পের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


চট্টগ্রাম মহানগরে যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই প্রযুক্তির সহায়তায় বিশেষ প্রকল্পের উদ্যোগ

চট্টগ্রাম মহানগরে যানজট নিরসন এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে সিটি কর্পোরেশন বিশেষ প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে এআই প্রযুক্তির সহায়তায়। ২১৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে যে ডিপিপি প্রস্তুত করা হয়েছে, সে সম্পর্কে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন। একইসাথে ৪৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নিরাপদ নগরী ও সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে।

চসিক মেয়র বলেন, গতকাল এক সভার মাধ্যমে আমরা পুরো বিষয়টি তুলে ধরেছি। এই প্রকল্প দুটি, এআইভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম এবং নিরাপদ নগরী গড়ে তুলতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি প্রকল্পের ব্যয় ২১৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা এবং অন্যটির ব্যয় ৪৪৫ কোটি টাকা। নগরের ৫৬টি ট্রাফিক জোন ও ইন্টারসেকশনে এসব ক্যামেরা বসানো হবে।

চসিক সূত্র জানায়, চট্টগ্রামকে একটি ‘ক্লিন, গ্রিন, হেলদি, সেফ অ্যান্ড স্মার্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এই প্রকল্পটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় নগরীর ৫৬টি অতি গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও ব্যস্ত ট্রাফিক জোনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে স্বয়ংক্রিয় স্মার্ট সিগন্যাল ও ট্রাফিক ফ্লো মনিটরিং ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। বিশেষ করে ট্রাফিক আইন অমান্যকারী গাড়ি ও লাল বাতি (রেড সিগন্যাল) অমান্যকারীদের শনাক্ত করার জন্য স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থাকবে এই প্রযুক্তিতে। এতে গাড়ির নম্বরপ্লেট চেনার জন্য আধুনিক ডিটেকশন সিস্টেমও থাকবে।

সভায় প্রকল্পের বিভিন্ন কারিগরি ও প্রশাসনিক দিক নিয়ে আলোচনা করেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম এবং আবু সাদাত তৈয়বসহ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবাননে ‘অতিরিক্ত মানুষ মারা যাচ্ছে’, ইসরাইলের সমালোচনায় ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ পি.এম


লেবাননে ‘অতিরিক্ত মানুষ মারা যাচ্ছে’, ইসরাইলের সমালোচনায় ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লেবাননে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের বেশ স্পষ্ট সমালোচনা করেছেন। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের একটি ফাঁকে কাতারের আমিরের সাথে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এই কথাগুলি বলেন। ট্রাম্পের মতে, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ইসরাইল ‘দীর্ঘদিন ধরে’ সমস্যার সমাধান খুঁজে বেড়াচ্ছে এবং এই সংঘাতের ফলস্বরূপ ‘অতিরিক্ত মানুষ মারা যাচ্ছে’ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এছাড়া, ট্রাম্প আরও বলেন যে, ইসরাইল অন্যান্য সবাইকে না মেরে হিজবুল্লাহ দমনের কাজ সম্পন্ন করতে পারছে না। বৈঠকের সময়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হিজবুল্লাহর কোনো সদস্যকে খোঁজার অজুহাত দেখিয়ে একেবারে একটি আবাসিক বহুতল ভবন ধ্বংস করার যুক্তি খুঁজছেন না বলে উল্লেখ করেন।

ইসরাইলি বাহিনীর আক্রমণ কৌশল সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘কাউকে খোঁজার জন্য প্রতিবার একটা আস্ত অ্যাপার্টমেন্ট ভবন মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।'' কারণ, সেখানে অনেক সাধারণ মানুষ বাস করে এবং সকলেই হিজবুল্লাহর সদস্য নয়।

এই সংকট সমাধানে ট্রাম্প একটি নতুন কূটনৈতিক প্রস্তাবের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, হিজবুল্লাহ দমনে ইসরাইলের চেয়ে সিরিয়াকে দায়িত্ব দেওয়াটা অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে।

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘‘আমি ইসরাইলকে পরামর্শ দিয়েছি যেন তারা সিরিয়াকে হিজবুল্লাহর বিষয়টি দেখভাল করতে দেয়। সত্যি বলতে, আমার মনে হয় সিরিয়া এই কাজটি অনেক বেশি নিখুঁত ও ভালোভাবে করতে পারবে।’’

বিশ্লেষকগণের মতে, লেবাননে ইসরাইলের নির্বিচার বিমান হামলার ফলে বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর যে ঘটনার সৃষ্টি হয়, এতে মার্কিন প্রশাসনের মধ্যে একটি অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। ট্রাম্পের এই মন্তব্য সেই অস্বস্তির প্রতিফলন জানাচ্ছে। তবে, ট্রাম্প এই কড়া মন্তব্য করার পরও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে তার সম্পর্ক এখনো খুবই ভালো বলে উল্লেখ করেন।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের রায় সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে হবে : ডা. শফিকুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের রায় সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে হবে : ডা. শফিকুর রহমান

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের রায় সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে হবে বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, "যেটা সংসদে সমাধান হয়, হবে। সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে হবে। আমরা জনগণের দাবি ছেড়ে দেবো না, ছেড়ে দেওয়ার কোনো অধিকার আমাদের নেই। আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করতে পারি না। জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করব না। আমরা কনফিডেন্ট, এই দাবি আজ হোক, কাল হোক আদায় হবে ইনশাল্লাহ।"

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সংবিধান সংশোধনে সরকারি দলের প্রস্তাবিত কমিটিতে বিরোধীদল প্রতিনিধি দেবে না জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "জনগণের দাবি ছিল সংবিধান সংস্কার। এজন্যই রেফারেন্ডাম (গণভোট) হয়েছে। আমরা বলেছি, ৭০ ভাগ মানুষ যেখানে ভোট দিয়েছে, আমরা সংসদের ভিতরে এসে এটা বদলাতে চাই না। আমরা জনগণের পক্ষে, জনগণের রায়ের পক্ষে। অতএব সংশোধন নয়, সংস্কারের জন্য কমিটি করলে আমরা দেখবো বিবেচনা করবো।"

তিনি আরও বলেন, "আমরা পরিষ্কার বলে দিয়েছি, এটা নতুন করে আর বলার কিছু নেই যে সংবিধান সংশোধনের জন্য কমিটির দরকার নেই। এইটা তো একটা রুটিন ওয়ার্ক। এটা বিল আকারে আসবে ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে, আমরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করবো। পাস হলে পাস হবে, রিজেক্ট হলে রিজেক্ট হবে, এইটার জন্য কোনো কমিটি লাগে না। কমিটির প্রয়োজন সংবিধান সংস্কারের জন্য। সংস্কারের জন্য যদি তারা কোনো প্রস্তাব দেন, তখন আমরা বিবেচনা করবো।"

অতীতের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে জনগণের স্বার্থে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবেন জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, "আমাদের ডিসিশন সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমরা বগলদাবা বিরোধীদল হবো না এবং আমরা সংসদের ভেতরে এমন কোনো আচরণ করবো না, যাতে জনস্বার্থ ক্ষুন্ন হয়। জনগণ আমাদের এইখানে (সংসদে) পাঠিয়েছে জনগণের কথা বলার জন্য।"

তিনি জানান, "কোনো ইস্যুতে আমাদের যদি যৌক্তিক বিষয়টাকে বিবেচনায় না নিয়ে নাকচ করে দেওয়া হয় বা সুযোগ না পাই তখন আমরা ওয়াকআউট করব। কিন্তু সেটা লং টার্মের জন্য না। আমি আবারও বলছি, আমাদের খুব গরম বিরোধীদল ভাববেন না এবং আমাদের একটা যৌক্তিক বিরোধীদল হিসেবে দেশের স্বার্থে কাজ করার জন্য আপনারা সহযোগিতা করবেন।"

সংসদ অধিবেশন পরিচালনায় প্রতি মিনিটের জন্য এক লাখ ৭৬ হাজার টাকা খরচ হয় জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, "আমরা স্পিকারকে অনুরোধ জানিয়েছিলাম যে, ব্যক্তিগত চরিত্রহনন, দলের চরিত্রহনন এবং কারো মনোরঞ্জন বা প্রশংসা করা- এগুলো যেন বাদ দেওয়া হয়। এখানে কারো প্রশংসা করতে আমরা আসি নাই। আমরা এসেছি জনগণের পক্ষে কথা বলতে।"

সংসদে বিরোধী দলের কার্যক্রম তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "সংসদে আমরা কিছু নোটিশ দিয়েছি। আমাদের প্রথম নোটিশ ছিল গণভোট নিয়ে অধিবেশন আহ্বান করার জন্য। সেইটা নিয়ে সংসদের ভেতরে আমরা আমাদের যুক্তিপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেছি।"

তিনি বলেন, "ব্যাংক ইস্যুতে আমরা কথা বলেছি। এটাও জনস্বার্থে বলেছি। আমাদের ভঙ্গুর অর্থনীতির দুই অঙ্গই বিধ্বস্ত। স্টক মার্কেট মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। ব্যাংকের যা হাড্ডি ছিল, এইটাও এখন গুঁড়া হওয়ার উপক্রম। এনিয়ে আমরা সংসদের ভেতরে জনগণের পক্ষে কথা বলেছি। প্রবাসীদের সমস্যা নিয়ো নোটিশ দিয়েছি। সেটা নিয়ে সরকার ও বিরোধী দল সবাই খুব গঠনমূলক আলোচনা করেছে। কিন্তু এইটা যদি আলোচনায় সীমাবদ্ধ হয়ে যায়, যদি এক্সিকিউশনে না যায় তাহলে এ দিয়ে প্রবাসীদের কোনো সমস্যার সমাধান হবে না। আমরা সুনির্দিষ্টভাবে সংসদীয় টাস্কফোর্স গঠন করার প্রস্তাব দিয়েছি। এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে তার কোনো প্রতিক্রিয়া বা সিদ্ধান্ত আমরা জানতেছি না। আরেকটা নোটিশ দিয়েছিলাম, সীমান্তে পুশ-ইন নিয়ে। আমার নোটিশদাতাকে ডেকে নিয়ে বলা হয়েছে যে, এটা সেনসিটিভ ইস্যু, আপনি একটু উইথড্র করেন। ওই এমপি বলছেন, আমি উইথড্র করবো না। সেনসিটিভ ইস্যু বলেই তো আমি আলোচনা করতে চাচ্ছি। দেশের স্বার্থে, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের স্বার্থে। একবার নোটিশ দেওয়া হলো ১৪ তারিখ, এটা আলোচনায় আসবে। নোটিশ আমরা পেয়ে গেলাম, তারপরে আবার এটা বাদ দিয়ে আবার ওই দিনের কার্যসূচি ঠিক করা হয়।"

মতবিনিময় সভায় বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, বিরোধী দলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খান ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাতারবাড়ি বন্দরের অ্যাক্সেস রোডে বালুর দাম নিয়ে রিট দায়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


মাতারবাড়ি বন্দরের অ্যাক্সেস রোডে বালুর দাম নিয়ে রিট দায়ের

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর সংযোগ সড়ক (পোর্ট অ্যাক্সেস রোড) নির্মাণ প্রকল্পে বালু উত্তোলন ও বিক্রির নামে শত শত কোটি টাকার সরকারি রাজস্ব ক্ষতির সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট দায়ের করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সোহানা শারমিন দায়ের করা এ রিটে কক্সবাজারের মহেশখালী উপকূল থেকে প্রায় ৬ কোটি ৩৪ লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলনের অনুমোদন এবং বালুর মূল্য নির্ধারণের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি হিসাবে প্রতি ঘনফুট বালুর ভিত্তিমূল্য ৬ টাকা ৯৪ পয়সা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ড্রেজিং ব্যয় বাবদ ৪ টাকা ৫৭ পয়সা কর্তনের মাধ্যমে কার্যত প্রতি ঘনফুট বালুর মূল্য ২ টাকা ৩৭ পয়সা নির্ধারণ করেছে। এতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টোকিও-এমআইএল-জেভি বিশেষ সুবিধা পেয়েছে এবং রাষ্ট্র বিপুল অঙ্কের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।

দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন “বালুতেই ঠিকাদারের পকেটে যাবে ৪৫০ কোটি টাকা” শিরোনামে দাবি করা হয়, মাতারবাড়ি পোর্ট অ্যাক্সেস রোড প্রকল্পে ব্যবহৃত বালু সরবরাহকে কেন্দ্র করে সরকারের প্রায় ৪৫০ কোটি টাকার রাজস্ব সুবিধা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সমুদ্র থেকে বালু উত্তোলনের রয়্যালটি প্রতি ঘনফুট ৬ টাকা ৯৪ পয়সা নির্ধারণ করা হলেও ড্রেজিং ব্যয় সরকারি কোষাগার থেকে বহন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ফলে সরকারি রাজস্ব হিসাবে জমা হবে মাত্র ২ টাকা ৩৭ পয়সা।

রিটে আরও বলা হয়, প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কোনো ঠিকাদার নিজস্ব ব্যয়ে ড্রেজিং, বালু উত্তোলন এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করে থাকে। সরকার চুক্তি অনুযায়ী কাজের বিল পরিশোধ করে। কিন্তু বর্তমান ক্ষেত্রে বালুর মূল্য থেকেই ড্রেজিং ব্যয় সমন্বয় করে রাষ্ট্রীয় আয় কমিয়ে দেয়া হয়েছে, যা জনস্বার্থ ও আর্থিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বালু বিক্রি ও ইজারা দেয়ার বিধান রয়েছে। অথচ কোনো প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বালু উত্তোলন, ভরাট ও ব্যবহার সংক্রান্ত সুবিধা দেয়া হয়েছে। এতে আইনের বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে বালুর প্রয়োজনীয়তা কয়েকগুণ বেশি হলেও প্রাথমিকভাবে মাত্র ৬ কোটি ৩৪ লাখ ঘনফুট বালুর অনুমোদন নেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে একই পদ্ধতিতে আরও বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলনের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে, যা রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।

জনস্বার্থে দায়ের করা রিটে সংশ্লিষ্ট অনুমোদন, মূল্য নির্ধারণ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বৈধতা পর্যালোচনার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি রাজস্ব ক্ষতির সম্ভাবনা এবং একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা প্রদানের অভিযোগেরও বিচারিক তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

আইনজীবী সোহানা শারমিন বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতেই এ রিট দায়ের করা হয়েছে। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%