ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবিতে অর্থমন্ত্রীকে স্মারকলিপি


ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবিতে অর্থমন্ত্রীকে স্মারকলিপি

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগসহ সাত দফা দাবিতে অর্থমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন ব্যাংকটির কিছু গ্রাহক।

বুধবার (১০ জুন) রাজধানীতে তারা বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং বর্তমান পর্ষদ পুনর্গঠন ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের জন্য এই স্মারকলিপিটি জমা দেন।

সকাল বেলা রাজধানীর দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে জড়ো হয়ে গ্রাহকরা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। পরে তারা ব্যানার-ফেস্টুনসহ সচিবালয়ের দিকেই বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রওনা দেন, কিন্তু পুরানা পল্টন মোড় এলাকায় পুলিশ তাদের মিছিলে বাধা দেয়। পুলিশের বাধায় মিছিলটি আর আগাতে না পেরে গ্রাহকরা পল্টন এলাকায় সড়কের পাশে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

আরও পড়ুন: হিলিতে নীলসাগর ও চিলাহাটি এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি অনুমোদনে খুশি স্থানীয়রা

পল্টনে অবস্থান কর্মসূচির সময় আন্দোলনকারীদের মধ্যে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে যান। তারা অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে সাত দফা দাবিসহ স্মারকলিপিটি হাতে তুলে দেন।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া গ্রাহকরা বর্তমান চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যাংকের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপন করেন। তারা দাবি করেন, ব্যাংকের আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য এবং আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ অবিলম্বে ভেঙে দিতে হবে। এ নিয়ে, তারা ব্যাংকিং খাতে অভিজ্ঞ ও দক্ষ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের জন্য জোর দাবি করেন।

আন্দোলনকারী গ্রাহকরা সতর্ক করে বলেন, গ্রাহকদের স্বার্থে এই সাত দফা দাবি অবিলম্বে কার্যকর না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী চার দিনের জাপান সফর শেষে আজ দেশে ফিরছেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কঙ্গোতে হাজার হাজার মানুষকে আটক ও নির্যাতন করেছে এম২৩ বিদ্রোহী: এইচআরডব্লিউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩২ পি.এম


কঙ্গোতে হাজার হাজার মানুষকে আটক ও নির্যাতন করেছে এম২৩ বিদ্রোহী: এইচআরডব্লিউ

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) পূর্বাঞ্চলে রুয়ান্ডা-সমর্থিত এম২৩ সশস্ত্র গোষ্ঠী হাজার হাজার মানুষকে তাদের বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করেছে। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে বেসামরিক নাগরিক ও যুদ্ধবন্দীদের অমানবিক অবস্থায় আটকে রাখার অভিযোগ করেছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। সংস্থাটি বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, ২০২১ সালে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার পর থেকে সরকার বিরোধী এই গোষ্ঠী পূর্বাঞ্চলে বিশাল এলাকা দখল করে রেখেছে। গত ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেখানে সংঘাত চলছে। এম২৩ তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় 'ব্যাপকভাবে জোরপূর্বক তাদের বাহিনীতে নিয়োগ ও অন্যান্য অভিযান' চালিয়েছে গোমা ও বুকাভু শহর দখলের পর। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারা কঙ্গোর হাজার হাজার সেনা ও মিলিশিয়া সদস্যকে আটক করেছে এবং বেসামরিক নাগরিকদেরকেও আটক করেছে, আর তাদেরকে অমানবিক ও প্রাণঘাতী অবস্থায় রেখেছে। এইচআরডব্লিউ জানায়, প্রতিবেদনটি ১০২ জন সাবেক বন্দি ও আরও বহু সূত্রের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও সাবেক বন্দিরা জানিয়েছেন, মানুষকে রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, সভা, গির্জা ও স্কুল থেকে অপহরণ করে অস্থায়ী আটককেন্দ্র, সামরিক ক্যাম্প বা অজ্ঞাত স্থানে রাখা হতো। প্রতিবেদনে বলা হয়, কিছু বন্দির মধ্যে ১২ বছর বয়সী শিশুও ছিল, যাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা সামরিক ক্যাম্পে পাঠানো হতো এবং সেখানে সপ্তাহ বা মাসব্যাপী অমানবিক অবস্থায় রাখা হতো। এসময় তাদেরকে মারধর ও নির্মম নির্যাতন করা হত। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এদেরকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হত। এইচআরডব্লিউ আরও জানায়, এম২৩ যোদ্ধা ও রুয়ান্ডার সেনারা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে হাজার হাজার মানুষকে তাদের দলে যোগ দিতে বাধ্য করেছে। প্রতিবেদনটি উল্লেখ করেছে, বন্দিদের মারধর ও ভয়াবহ অত্যাচার করা হতো। এই সময়ে তাদেরকে পানি বা খাবার দেওয়া হতো না এবং এ কারণে অনাহারে ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অনেকের মৃত্যু ঘটেছে। এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে, এ সমস্ত ক্যাম্পে মোট কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা নির্ভুলভাবে জানা সম্ভব হবে কেবল তখনই, যখন সবগুলো গণকবর পুরোপুরি উন্মোচিত হবে। তবে সাবেক বন্দিদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৫ সালে শত শত, সম্ভবত তারও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং ২০২৬ সালেও এসব ক্যাম্প কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সাবেক বন্দিরা জানান, তারা ক্যাম্পগুলোতে উচ্চপদস্থ এম২৩ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ও আশপাশে রুয়ান্ডার সামরিক ইউনিটগুলোর অবস্থান শনাক্ত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিল্প ও সংস্কৃতি পাঠ্যবই চালুর উদ্যোগ: ববি হাজ্জাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৫ পি.এম


প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিল্প ও সংস্কৃতি পাঠ্যবই চালুর উদ্যোগ: ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত শিক্ষা-দর্শন অনুযায়ী দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে বিকশিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাও অর্জন করতে পারে।

আজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও সাংস্কৃতিক শিক্ষার সম্প্রসারণ, নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন ও দক্ষ শিক্ষক তৈরির লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণের ফলে ভবিষ্যতে বিপুল সংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। এতে সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং এ সব বিষয়ে একটি টেকসই ক্যারিয়ার পাথওয়ে গড়ে উঠবে। আগামী ৫ বছরে এ খাতে প্রায় ৫০-৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।

ববি হাজ্জাজ এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, আমরা চাই আপনাদের শিক্ষার্থীরা যেন ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পায়। সে লক্ষ্যে কীভাবে তাদেরকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিক্ষকতা-সম্পর্কিত প্রস্তুতি যুক্ত করা যায় ও কীভাবে যৌথভাবে দক্ষ শিক্ষক তৈরি করা যায়, সে সব বিষয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সংগীত, নাট্যকলা ও নৃত্যকলাকে শুধু সহশিক্ষা কার্যক্রম হিসেবে নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এ জন্য কারিকুলাম উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষক তৈরির বিষয়েও এখন থেকেই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ও দেশের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিষয়ের চেয়ারম্যানগণসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৭ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির জন্য শিল্প ও সংস্কৃতি পাঠ্যবই-এ ৪টি অধ্যায়ে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা ও নাট্যকলা অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলামে এই বিষয়গুলো পূর্ণাঙ্গভাবে যুক্ত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে ডাম্পট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষে ২ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৭ পি.এম


হবিগঞ্জে ডাম্পট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষে ২ জনের মৃত্যু

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে একটি ডাম্পট্রাক ও সিএনজিচালিত রিকশার (অটোরিকশা) মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সংঘর্ষের ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়ে পড়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়।

দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে এক ব্যক্তি হলেন উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের বেঙাডুবা গ্রামের বাবু মিয়ার ছেলে আক্কাস মিয়া (৪০) এবং অপরজন একই উপজেলার রতনপুর গ্রামের প্রখ্যাত মৃত্তিকা বিজ্ঞানী ড. কামরুল আহসানের স্ত্রী মনোয়ারা খাতুন (৭০)। আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সিলেটগামী একটি ডাম্পট্রাক ফিডার সড়ক থেকে মহাসড়কে এসে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে মহুর্তের মধ্যে অটোরিকশাচালক আক্কাস মিয়া ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোরিকশার যাত্রী মনোয়ারা খাতুনের মৃত্যু ঘটে। অপর দুই আহত যাত্রীকে যদিও স্থানীয় হাসপাতাল থেকে তাদের অবস্থার অবনতির কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও অটোরিকশাটি উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে গ্রহণ করেছে। শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা এ ঘটনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে নিশ্চিত করেছেন এবং জানিয়েছেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেডআরএফ-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ পি.এম


জেডআরএফ-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা রহমান

মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) উদ্যোগে ‘মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ’ এবং ‘ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানীর খোঁজে-বিজ্ঞান মেলা ২০২৬’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। জেডআরএফ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. জুবাইদা রহমান এই উদ্বোধন করেন।

আজ বুধবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল প্রাঙ্গণে নিম গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এর পরে তিনি উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সেন্ট্রাল গ্যালারিতে ‘ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানীর খোঁজে-বিজ্ঞান মেলা ২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন।

জেডআরএফ-এর ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খানের সভাপতিত্বে এবং জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জেডআরএফ গঠিত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, জেডআরএফ-এর পরিচালক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন এবং কৃষিবিদ বয়জার রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, অধ্যাপক আল মোজাদ্দেদী আলফেছানী, জেডআরএফ-এর পরিচালক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম, কৃষিবিদ শফিউল আলম দিদার, আমিরুল ইসলাম কাগজীসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. জুবাইদা রহমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা, ছায়া সৃষ্টি এবং একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার সুযোগ তৈরির কথা বলেন।

ডা. জুবাইদা রহমান আরও বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষকেরা দেশের বিভিন্ন সমস্যার বৈজ্ঞানিক সমাধান উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের প্রতিটি গ্রাম ও শহর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও সবুজ, নির্মল ও সৌন্দর্যম-িত হয়ে উঠবে।

তিনি বৃক্ষরোপণকে একজন প্রচলিত কর্মসূচি হিসেবে না দেখে জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রজন্মগত উন্নয়নের ‘সবুজ বিপ্লবে’ রূপান্তরের আহ্বান জানান। এ লক্ষ্যে গ্রিন ভলান্টিয়ারিজম, সবুজ স্বেচ্ছাসেবা, ক্লাইমেট ইয়ুথ ফেলোশিপ এবং পরিবেশভিত্তিক স্টার্ট-আপ তহবিল গঠনের বিষয় তুলে ধরেন। তিনি শিক্ষার্থীদের পরিবেশ বিষয়ে সচেতন করতে স্কুলের পাঠ্যক্রমে সবুজ স্বেচ্ছাসেবার বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানীর খোঁজে’ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

তিনি চিকিৎসাবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশের নানা সমস্যার সমাধান সম্ভব। নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে মানুষের কষ্ট লাঘব এবং উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথ আরও সুগম হবে।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান প্রতিযোগিতার সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করেন। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে একই দিনে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%