বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:২২ পি.এম
ভুলবশত ট্রেনে ফেলে আসা একটি ট্রাভেল ব্যাগ ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’-এ ফোন করে ফিরে পেয়েছেন জাকারিয়া নামের এক যাত্রী।
এই ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁও রেলস্টেশনে।
জাকারিয়া জানান, তিনি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বলেন যে, ঢাকা থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জগামী তিস্তা কমিউটার ট্রেনে জয়দেবপুর থেকে উঠার পর গফরগাঁও স্টেশনে নেমে যান। এরপর তিনি বুঝতে পারেন যে, ট্রেনের ‘ড’ বগির ৫/৬ নম্বর আসনের উপর তাঁর ট্রাভেল ব্যাগটি রেখে নেমে গেছেন।
ব্যাগটির ভেতরে কয়েক হাজার টাকা, একটি মোবাইল ফোন, দরকারি কাগজপত্র ও কাপড় ছিল। এই কারণে তিনি ব্যাগটি উদ্ধার করার জন্য ৯৯৯-এর কাছে অনুরোধ জানান।
অভিযোগ পাওয়ার পর ৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে রেলওয়ে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, ময়মনসিংহ রেলস্টেশন এবং জামালপুর রেলওয়ে থানাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অবহিত করে। কলটি গ্রহণ করেন ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল আমির হোসেন। পুরো উদ্ধার কার্যক্রমের তদারকি ও সমন্বয় করেন ৯৯৯-এর ডিসপ্যাচার এসআই মো. মহিউদ্দিন মুন্না।
পরে জামালপুর রেলওয়ে থানার একটি দল দেওয়ানগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছানো তিস্তা কমিউটার ট্রেনে তল্লাশি চালিয়ে ‘ড’ বগি থেকে ব্যাগটি উদ্ধার করে এবং থানায় নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে জাকারিয়াকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি জামালপুর রেলওয়ে থানায় উপস্থিত হয়ে সেখানে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম তার হাতে উদ্ধার করা ব্যাগটি বুঝিয়ে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইয়েমেনভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের যেকোনও হামলার জন্য ইরানকে সরাসরি দায়ী করা হবে।
তিনি মন্তব্য করেন, হুথিরা মূলত ইরানের ‘প্রক্সি’ হিসেবে কাজ করে এবং তাদের হামলার দায় তেহরানকেই বহন করতে হবে।
ট্রাম্প বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রায় এক বছর আগে হুথিদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত শক্তিশালী সামরিক অভিযান চালিয়েছে। তাঁর দাবি, ওই অভিযানের পর হুথিরা দীর্ঘ সময় তুলনামূলকভাবে সংযত আচরণ করেছে।
তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা আবারও হামলা শুরু করেছে। গত রাতে তারা সৌদি আরবের দু’টি জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে।”
তিনি আরও জানান, “যদি তারা আবার এমন হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকেই এর জন্য দায়ী করবে। কারণ হুথিরা ইরানের প্রতিনিধি বা প্রক্সি বাহিনী হিসেবে কাজ করে। সেক্ষেত্রে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অবশ্যই হুথিরাও তার পরিণতি ভোগ করবে।”
ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে বৃদ্ধি পেয়েছে। ওয়াশিংটন দীর্ঘকাল ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে, ইরান হুথিদের অস্ত্র, প্রশিক্ষণ ও গোয়েন্দা সহায়তা প্রদান করে। যদিও তেহরান সরাসরি সামরিক নিয়ন্ত্রণ বা হামলার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হুথিদের যেকোনও নতুন হামলার জন্য ইরানকে সরাসরি দায়ী করার ট্রাম্পের ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। কারণ এ ধরনের অবস্থান ভবিষ্যতে হুথিদের হামলার জবাবে শুধুমাত্র ইয়েমেনেই নয়, বরং ইরানের ভেতরেও মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের পথ প্রশস্ত করতে পারে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে লোহিত সাগর ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে হুথিদের হামলা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এর মধ্যেই ট্রাম্পের সর্বশেষ হুঁশিয়ারি ইঙ্গিত করছে যে, পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক প্রতিক্রিয়া জানাতেও প্রস্তুত থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাজিলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগদান করেছেন। ক্লাবটির সহ-মালিক ও সাবেক ইংলিশ ফুটবল তারকা ডেভিড বেকহ্যাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ফ্রি এজেন্ট হিসেবে ৩৪ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার ইন্টার মায়ামিতে নাম লেখান। তিনি ২০২৭ সালের এমএলএস মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এছাড়া, পারফরম্যান্স ও পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও রয়েছে।
রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক এই তারকা দীর্ঘকাল বার্সেলোনার বিপক্ষে এল ক্লাসিকোয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এবার তিনি প্রথমবারের মতো লিওনেল মেসির সঙ্গে একই দলে খেলবেন।
ইন্টার মায়ামিতে ক্যাসেমিরো ‘ডেজিগনেটেড প্লেয়ার’ (ডিপি) হিসেবে নিবন্ধিত হচ্ছেন না। বর্তমানে ক্লাবটির তিনটি ডিপি স্লট দখলে রয়েছেন লিওনেল মেসি, রদ্রিগো দে পল এবং জার্মান বার্টারেমে।
তবে ক্যাসেমিরোর দলবদল ঘিরে বিতর্কও সৃষ্টি হয়েছে। এমএলএস কর্তৃপক্ষ বর্তমানে ইন্টার মায়ামির বিরুদ্ধে ট্যাম্পারিং (নিয়মবহির্ভূত যোগাযোগ) অভিযোগের তদন্ত করছে। অভিযোগ রয়েছে, এলএ গ্যালাক্সির কাছে ক্যাসেমিরোর ‘ডিসকভারি রাইটস’ থাকা সত্ত্বেও ইন্টার মায়ামি সরাসরি খেলোয়াড়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। যদিও দুই ক্লাব ইতোমধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে, তবুও লিগ কর্তৃপক্ষ নিয়মভঙ্গের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে।
ইন্টার মায়ামিতে যোগদান করে ক্যাসেমিরো বলেন, "পরিবারসহ মায়ামি শহরের প্রতি আমার আলাদা ভালোবাসা রয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় কারণ ছিল লিওনেল মেসির সঙ্গে খেলার সুযোগ। ইউরোপ ও সৌদি আরব থেকে আকর্ষণীয় প্রস্তাব ছিল, কিন্তু মেসির সঙ্গে একই দলে খেলার ইচ্ছাতেই আমি ইন্টার মায়ামিকে বেছে নিয়েছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একজনের পাসপোর্ট ব্যবহার করে অন্য একজনকে ইতালি পাঠানোর অভিযোগে গুলশান থানার মামলায় গ্রেপ্তারের চার দিন পর প্রধান আসামি মো. বেলায়েত হোসেন জামিন পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার শুনানি শেষে জামিনের এই আদেশ দেন।
তবে রিমান্ড শেষে অন্য আসামি নাজমুল হাসানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিন রিমান্ড শেষে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক তনুনন্দন রুরাম তাদের কারাগারে আটক রাখার জন্য আবেদন করেন। এ সময় বেলায়েতের আইনজীবী জামিনের জন্য আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত বেলায়েতের জামিন মঞ্জুর করে এবং একই সঙ্গে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নাজমুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে সোমবার রাজধানীর গুলশান-১ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই চক্রের সাত সদস্যকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) গ্রেপ্তার করে। পরদিন মঙ্গলবার তাদের দুজনের একটি দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। পাশাপাশি অপর পাঁচ আসামির রিমান্ড নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন-মেহেদী হাসান, কাওসার হোসেন, মো. সোলাইমান সুমন, মো. তৌহিদুর রহমান ও ফজলে রাব্বী।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, তাসলিমা আক্তারের স্বামী সুমন মিয়া ১১ বছর যাবত ইতালিতে রয়েছেন। ইতালিতে চার সন্তানসহ স্বামীর কাছে যাওয়ার জন্য পাঁচ বছর ধরে চেষ্টা করছেন তিনি। কিন্তু কোন কারণে তিনি ভিসা করতে ব্যর্থ হন। ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ঢাকার ইতালি দূতাবাসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর ১৪ মাস পার হলেও তিনি ভিসা পাননি। এই সময় তার পাসপোর্টের মেয়াদও ফুরিয়ে যায়। দূতাবাস থেকে মোবাইলের মাধ্যমে জানানোর পর তিনি মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট নিতে যান। সেখানে আসামি নাজমুল তাকে বলেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাসপোর্ট নবায়ন করে দিতে পারবেন।
দূতাবাস থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করে নবায়ন করানোর জন্য তাকে দিয়ে দেন। এতে নাজমুলের প্রতি তার বিশ্বাস জন্মায় এবং তিনি জানান যে, ইতালি যাওয়ার ভিসা করে দিতে পারবেন। গত ২ এপ্রিল গুলশানের জমাদার ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস অফিসে গিয়ে তার সঙ্গে বেলায়েতের পরিচয় হয়। ভিসা করে দেওয়ার জন্য সাড়ে চার লাখ টাকায় মৌখিক চুক্তি হয়। ভিসা হয়ে গেলে তখনই টাকা পরিশোধ করতে হবে।
গত ১৬ তারিখে ইতালি দূতাবাস থেকে তিনি পাসপোর্ট সংগ্রহ করার পর বাহিরে বের হয়ে নাজমুলসহ অজ্ঞাতনামা আসামীরা তার কাছে চুক্তির অনুযায়ী টাকা চান। তখন তার কাছে টাকা না থাকায় আসামিরা পাসপোর্টটি কেড়ে নেয়। বাধ্য হয়ে তিনি তাদের ব্যাংক হিসাবে চার লাখ ৪০ হাজার টাকা জমা দেন। টাকা বিতরণের পর তিনি পাসপোর্ট ফিরে পান। ইতালি যাওয়ার উদ্দেশ্যে ৯ জুলাই বিমানবন্দরে গেলে তাদের আটক করা হয়। ইমিগ্রেশন থেকে জানানো হয়, গত ২৪ এপ্রিল তার পাসপোর্ট ব্যবহার করে একজন ইতালি গেছেন। এ ঘটনায় তিনি ২১ জুলাই রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মন্ত্রিসভার ১৪তম সভায় বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
আজ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই আইনটির খসড়ায় অনুমোদন প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, আইনটি প্রনয়ণের জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোল্লা কুতুবদ-দীন বৈঠকের সারসংক্ষেপে জানান। বৈঠকে আইনটির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বগুড়া ও এর সন্নিহিত এলাকা নিয়ে একটি পরিকল্পিত এবং আধুনিক নগর প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এই এলাকার ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা, অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধ করা, দুর্যোগ সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, তথ্য প্রযুক্তি এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানো, এবং উন্নত নাগরিক জীবন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’ খসড়ার অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই আইনের মাধ্যমে বগুড়া সিটি কর্পোরেশন ও তার সংলগ্ন এলাকা নিয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ প্রতিষ্ঠিত হবে, যেখানে চেয়ারম্যান, সার্বক্ষণিক সদস্য এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করবেন। এই কর্তৃপক্ষ গণশুনানি ও প্রাক-প্রকাশসহ বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে মহাপরিকল্পনা থেকে উন্নয়ন প্রকল্প ও স্থানীয় পরিকল্পনার জন্য একটি পর্যায়ভিত্তিক পরিকল্পনা কাঠামো নির্ধারণ করবে। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত কোনো নির্মাণ বা প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না। নদী, নালা, জলাশয়, খেলার মাঠ এবং উন্মুক্ত স্থান সুরক্ষার জন্য কঠোর পরিবেশগত বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। ভূমি পুনর্বিন্যাস ও ভূমি পুনঃউন্নয়নের মতো আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনার কৌশল প্রবর্তন করা হবে, এবং অননুমোদিত নির্মাণ ও জলাধার ভরাটের জন্য কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হবে। এ আইনে নিজস্ব তহবিল, উন্নয়ন ফি ধার্য্য, ঋণগ্রহণ এবং নিরীক্ষার বিধানও অন্তর্ভুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ