বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:২৩ পি.এম
ব্রাজিলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগদান করেছেন। ক্লাবটির সহ-মালিক ও সাবেক ইংলিশ ফুটবল তারকা ডেভিড বেকহ্যাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ফ্রি এজেন্ট হিসেবে ৩৪ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার ইন্টার মায়ামিতে নাম লেখান। তিনি ২০২৭ সালের এমএলএস মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এছাড়া, পারফরম্যান্স ও পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও রয়েছে।
রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক এই তারকা দীর্ঘকাল বার্সেলোনার বিপক্ষে এল ক্লাসিকোয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এবার তিনি প্রথমবারের মতো লিওনেল মেসির সঙ্গে একই দলে খেলবেন।
ইন্টার মায়ামিতে ক্যাসেমিরো ‘ডেজিগনেটেড প্লেয়ার’ (ডিপি) হিসেবে নিবন্ধিত হচ্ছেন না। বর্তমানে ক্লাবটির তিনটি ডিপি স্লট দখলে রয়েছেন লিওনেল মেসি, রদ্রিগো দে পল এবং জার্মান বার্টারেমে।
তবে ক্যাসেমিরোর দলবদল ঘিরে বিতর্কও সৃষ্টি হয়েছে। এমএলএস কর্তৃপক্ষ বর্তমানে ইন্টার মায়ামির বিরুদ্ধে ট্যাম্পারিং (নিয়মবহির্ভূত যোগাযোগ) অভিযোগের তদন্ত করছে। অভিযোগ রয়েছে, এলএ গ্যালাক্সির কাছে ক্যাসেমিরোর ‘ডিসকভারি রাইটস’ থাকা সত্ত্বেও ইন্টার মায়ামি সরাসরি খেলোয়াড়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। যদিও দুই ক্লাব ইতোমধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে, তবুও লিগ কর্তৃপক্ষ নিয়মভঙ্গের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে।
ইন্টার মায়ামিতে যোগদান করে ক্যাসেমিরো বলেন, "পরিবারসহ মায়ামি শহরের প্রতি আমার আলাদা ভালোবাসা রয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় কারণ ছিল লিওনেল মেসির সঙ্গে খেলার সুযোগ। ইউরোপ ও সৌদি আরব থেকে আকর্ষণীয় প্রস্তাব ছিল, কিন্তু মেসির সঙ্গে একই দলে খেলার ইচ্ছাতেই আমি ইন্টার মায়ামিকে বেছে নিয়েছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একজনের পাসপোর্ট ব্যবহার করে অন্য একজনকে ইতালি পাঠানোর অভিযোগে গুলশান থানার মামলায় গ্রেপ্তারের চার দিন পর প্রধান আসামি মো. বেলায়েত হোসেন জামিন পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার শুনানি শেষে জামিনের এই আদেশ দেন।
তবে রিমান্ড শেষে অন্য আসামি নাজমুল হাসানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিন রিমান্ড শেষে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক তনুনন্দন রুরাম তাদের কারাগারে আটক রাখার জন্য আবেদন করেন। এ সময় বেলায়েতের আইনজীবী জামিনের জন্য আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত বেলায়েতের জামিন মঞ্জুর করে এবং একই সঙ্গে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নাজমুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে সোমবার রাজধানীর গুলশান-১ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই চক্রের সাত সদস্যকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) গ্রেপ্তার করে। পরদিন মঙ্গলবার তাদের দুজনের একটি দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। পাশাপাশি অপর পাঁচ আসামির রিমান্ড নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন-মেহেদী হাসান, কাওসার হোসেন, মো. সোলাইমান সুমন, মো. তৌহিদুর রহমান ও ফজলে রাব্বী।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, তাসলিমা আক্তারের স্বামী সুমন মিয়া ১১ বছর যাবত ইতালিতে রয়েছেন। ইতালিতে চার সন্তানসহ স্বামীর কাছে যাওয়ার জন্য পাঁচ বছর ধরে চেষ্টা করছেন তিনি। কিন্তু কোন কারণে তিনি ভিসা করতে ব্যর্থ হন। ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ঢাকার ইতালি দূতাবাসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর ১৪ মাস পার হলেও তিনি ভিসা পাননি। এই সময় তার পাসপোর্টের মেয়াদও ফুরিয়ে যায়। দূতাবাস থেকে মোবাইলের মাধ্যমে জানানোর পর তিনি মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট নিতে যান। সেখানে আসামি নাজমুল তাকে বলেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাসপোর্ট নবায়ন করে দিতে পারবেন।
দূতাবাস থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করে নবায়ন করানোর জন্য তাকে দিয়ে দেন। এতে নাজমুলের প্রতি তার বিশ্বাস জন্মায় এবং তিনি জানান যে, ইতালি যাওয়ার ভিসা করে দিতে পারবেন। গত ২ এপ্রিল গুলশানের জমাদার ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস অফিসে গিয়ে তার সঙ্গে বেলায়েতের পরিচয় হয়। ভিসা করে দেওয়ার জন্য সাড়ে চার লাখ টাকায় মৌখিক চুক্তি হয়। ভিসা হয়ে গেলে তখনই টাকা পরিশোধ করতে হবে।
গত ১৬ তারিখে ইতালি দূতাবাস থেকে তিনি পাসপোর্ট সংগ্রহ করার পর বাহিরে বের হয়ে নাজমুলসহ অজ্ঞাতনামা আসামীরা তার কাছে চুক্তির অনুযায়ী টাকা চান। তখন তার কাছে টাকা না থাকায় আসামিরা পাসপোর্টটি কেড়ে নেয়। বাধ্য হয়ে তিনি তাদের ব্যাংক হিসাবে চার লাখ ৪০ হাজার টাকা জমা দেন। টাকা বিতরণের পর তিনি পাসপোর্ট ফিরে পান। ইতালি যাওয়ার উদ্দেশ্যে ৯ জুলাই বিমানবন্দরে গেলে তাদের আটক করা হয়। ইমিগ্রেশন থেকে জানানো হয়, গত ২৪ এপ্রিল তার পাসপোর্ট ব্যবহার করে একজন ইতালি গেছেন। এ ঘটনায় তিনি ২১ জুলাই রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মন্ত্রিসভার ১৪তম সভায় বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
আজ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই আইনটির খসড়ায় অনুমোদন প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, আইনটি প্রনয়ণের জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোল্লা কুতুবদ-দীন বৈঠকের সারসংক্ষেপে জানান। বৈঠকে আইনটির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বগুড়া ও এর সন্নিহিত এলাকা নিয়ে একটি পরিকল্পিত এবং আধুনিক নগর প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এই এলাকার ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা, অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধ করা, দুর্যোগ সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, তথ্য প্রযুক্তি এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানো, এবং উন্নত নাগরিক জীবন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’ খসড়ার অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই আইনের মাধ্যমে বগুড়া সিটি কর্পোরেশন ও তার সংলগ্ন এলাকা নিয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ প্রতিষ্ঠিত হবে, যেখানে চেয়ারম্যান, সার্বক্ষণিক সদস্য এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করবেন। এই কর্তৃপক্ষ গণশুনানি ও প্রাক-প্রকাশসহ বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে মহাপরিকল্পনা থেকে উন্নয়ন প্রকল্প ও স্থানীয় পরিকল্পনার জন্য একটি পর্যায়ভিত্তিক পরিকল্পনা কাঠামো নির্ধারণ করবে। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত কোনো নির্মাণ বা প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না। নদী, নালা, জলাশয়, খেলার মাঠ এবং উন্মুক্ত স্থান সুরক্ষার জন্য কঠোর পরিবেশগত বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। ভূমি পুনর্বিন্যাস ও ভূমি পুনঃউন্নয়নের মতো আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনার কৌশল প্রবর্তন করা হবে, এবং অননুমোদিত নির্মাণ ও জলাধার ভরাটের জন্য কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হবে। এ আইনে নিজস্ব তহবিল, উন্নয়ন ফি ধার্য্য, ঋণগ্রহণ এবং নিরীক্ষার বিধানও অন্তর্ভুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আজ আসিয়ান-এর 'সেক্টোরাল ডায়ালগ পার্টনার' হবার আকাক্সক্ষা এবং রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসিইপি) যোগদানের প্রচেষ্টায় সিঙ্গাপুরের সমর্থন চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধানের লক্ষ্যেও তিনি সিঙ্গাপুরের সহযোগিতা কামনা করছেন।
এ সংক্রান্ত তথ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ম্যানিলায় আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের (এআরএফ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে, সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠককালে তিনি এই আহ্বান জানান।
আলোচনাকালে, দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার কূটনৈতিক ও সুদৃঢ় ব্যক্তিক সম্পর্ককে পারস্পরিক কল্যাণকর পদক্ষেপে রূপান্তর করার ব্যাপারে সম্মত হন।
ড. রহমান বিশেষভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংস্থা (আসিয়ান)-এর সেক্টোরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার জন্য এবং বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি আরসিইপি-তে যোগদানের ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের সমর্থন কামনা করেন।
এছাড়া, রোহিঙ্গা সংকটের একটি দীর্ঘস্থায়ী সমাধান খোঁজার প্রচেষ্টায় সিঙ্গাপুরের সহযোগিতাও চান তিনি।
উভয় পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, দক্ষ জনশক্তি স্থানান্তর এবং বহুপাক্ষিক সংস্থায় পারস্পরিক সমর্থন আরও বৃদ্ধি করতে সম্মত হয়েছেন। তারা বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার ব্যাপারেও একমত পোষণ করেন।
বৈঠককালে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায়, ড. রহমানকে অভিনন্দন জানান বালাকৃষ্ণান। এই সময়, ড. রহমান তার সিঙ্গাপুরের সমকক্ষকে আশ্বস্ত করেন যে, ইউএনজিএ সভাপতি হিসেবে তার মেয়াদে সিঙ্গাপুরের মতো ছোট রাষ্ট্রগুলোর উদ্বেগ ও স্বার্থ তার অগ্রাধিকার তালিকায় শীর্ষে থাকবে।
সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের মূল্যবান অবদানের কথা স্বীকার করেন এবং বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তির আগমনকে স্বাগত জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের পাভলোগ্রাদ শহরে রাশিয়ার হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইউক্রেনের পাল্টা হামলায় রাশিয়া ও রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়াতে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একটি তিন বছর বয়সী শিশু রয়েছে।
এ খবর জানায় কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি।
চার বছরের বেশি সময় ধরে যে যুদ্ধে চলছে, সেই যুদ্ধে চলতি গ্রীষ্মে বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে গেছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ২০২২ সালে রাশিয়ার হামলার প্রথম বছরের পর গত মাসটি ছিল সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী।
এখনো যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক আলোচনা অচলাবস্থায় রয়েছে।
ইউক্রেনের দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের গভর্নর ওলেক্সান্দর গানঝা বলেন, ‘তিনজন নিহত হয়েছেন।’ তিনি পরে জানান, ‘১৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একটি দুই বছর বয়সী মেয়েশিশুও রয়েছে।’ গানঝা বলেন, সব আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পূর্ব-মধ্যাঞ্চলীয় শহর পাভলোগ্রাদের যুদ্ধ-পূর্ব জনগণের সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ। এই শহরটি যুদ্ধের সময় ধরে রাশিয়ার হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাশিয়ায় কর্মকর্তারা জানান, ভোরোনেজ শহরের উপকণ্ঠে একটি ইউক্রেনের ড্রোন একটি বাড়িতে আঘাত হেনে আগুন ধরিয়ে দিলে মোট তিন বছর বয়সী এক শিশুপুত্র নিহত হয়।
মস্কো থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ভোরোনেজে ইউক্রেন নিয়মিত ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। পাল্টা হামলার অংশ হিসেবে কিয়েভ রাশিয়ার অভ্যন্তরে আরও গভীরে আঘাত হানছে।
আঞ্চলিক গভর্নর আলেক্সান্ডার গুসেভ জানান, শিশুটির বাবা-মা ‘বিভিন্ন ধরণের আঘাত’ পেয়েছেন।
এদিকে ক্রেমলিন-নিযুক্ত কর্মকর্তারা জানায়, রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের হামলায় রাতের বেলায় দুইজন নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, আরও একজন নিহত হয়েছেন রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনের একটি ড্রোন হামলায়। ইউক্রেন সীমান্তের এ অঞ্চলে হামলার ঘটনা প্রায় ঘটে।
ক্রেমলিন পূর্ব ইউক্রেনের পুরো অঞ্চল দখলের সর্বোচ্চ দাবির অবস্থান থেকে সরে আসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সংঘাত নিরসনের আলোচনা স্থবির হয়ে আছে।
জাতিসংঘ বুধবার জানিয়ে দেয়, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা ৩৭ শতাংশ বেড়ে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ