ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে: প্রধানমন্ত্রী


নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে: প্রধানমন্ত্রী

তারেক রহমান নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে বিন্যস্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে তা সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়। তিনি বলেছেন, ‘গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আমাকে জনসভায় অংশ নিতে হয়। নিরাপত্তা কৌশল বিন্যস্ত করার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন জনগণ থেকে সরকারপ্রধান বিচ্ছিন্ন না হয়ে পড়েন।’

রোববার (৫ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন এবং পিজিআর সদর দফতরে একটি স্মারক বৃক্ষ রোপণ করেন। এ সময় তিনি চট্টগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে শহীদ হওয়া ৫ পিজিআর সদস্যের পরিবারের খোঁজ নেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

আরও পড়ুন: রুয়েটের বাসে থাকা প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘স্নাইপারের অভাব’ মন্তব্য, যুবক গ্রেফতার

সশস্ত্র বাহিনীকে দেশ ও জনগণের সাহস ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এ দেশের মানুষের সঙ্গে তাদের অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রেখেছে। পিজিআরের কাজ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং এবং যে কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের দায়িত্ব পালন প্রশংসনীয়।

ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাহিনীর আধুনিকায়নের ওপর জোর দিয়ে তারেক রহমান বলেন, সাইবার যুদ্ধসহ বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে আরো আধুনিক এবং প্রশিক্ষিত হওয়া জরুরি। এই লক্ষ্যে সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে আধুনিক নিরাপত্তা কৌশল ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি সাহস, সততা ও বিশ্বস্ততা অপরিহার্য।

প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, সশস্ত্র বাহিনী যদি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কঠোর নিয়মানুবর্তিতা অনুসরণ করে এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখে, তাহলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব কখনও হুমকির মুখে পড়বে না।

আরও পড়ুন: মানিকগঞ্জে বাস-ইজিবাইক সংঘর্ষে ২ নিহত, আহত ১

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি ভেস্তে দেওয়ার সুযোগ ইসরাইলকে দেওয়া যাবে না: এরদোয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৮ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি ভেস্তে দেওয়ার সুযোগ ইসরাইলকে দেওয়া যাবে না: এরদোয়ান

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক বা চুক্তি যাতে ইসরাইল কোনো পরিস্থিতিতেই নস্যাৎ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

শনিবার (৪ জুলাই) ইস্তাম্বুল শহরে সফররত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক যৌথ সভায় তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি পরিষ্কার করে জানান, আঞ্চলিক দেশগুলোর ইচ্ছা এবং অবদান ছাড়া তৈরি হওয়া কোনো সমাধান দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।

প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান অভিযোগ করেন, ইসরাইলি প্রশাসন অব্যাহতভাবে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যকার চুক্তিকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান ইসরাইল সরকারকে যুদ্ধ-আসক্ত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি হুঙ্কার দেন, ‘বর্তমান যুদ্ধ-আসক্ত ইসরাইলি সরকারকে আমাদের ভূগোলকে আবারও বারুদ ও রক্তের গন্ধে ডুবিয়ে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া যাবে না।’

তুর্কি নেতা এর আগেও একাধিকবার ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা নস্যাৎ করার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন। একই সঙ্গে, গাজার হামলা, লেবানন এবং সিরিয়ায় ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর অবিরত হামলার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন।

গত ১৭ জুন কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এই সমঝোতা স্মারকে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চুক্তি এবং স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের একটি রূপরেখা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এরপর, চুক্তির বাস্তবায়ন কিভাবে হবে, সেই বিষয়ে গত মাসের শেষ দিকে সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক শহরে কারিগরি বৈঠকে উভয় দেশের প্রতিনিধিরা বসেন। বৈঠকে বেশ কিছুর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং বৈঠকে ‘ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ’ হিসেবে অভিহিত করা হয় পাকিস্তান ও কাতারের তরফ থেকে।

বিষয়টি পরবর্তীতে, লেবাননে ইসরাইলের অব্যাহত বিমান হামলার কারণে আবারও হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হয়। এর ফলে নতুন উত্তেজনা দেখা দেয়। এমনকি নৌ চলাচলে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর, গত সপ্তাহে কাতার এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধি দলগুলোর মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। তবে ইরানের শীর্ষ আলোচক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এতে অংশ নেননি। ইরানের পক্ষে কারিগরি দলের নেতৃত্ব দেন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, বৈঠকে প্রধানত হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা এবং সাম্প্রতিক উত্তেজনার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক সূত্র জানায়, বৈঠকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের অর্থ এবং লেবাননের চলমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

বৈঠক শেষে ইরানি গণমাধ্যমকে শিক্ষামূলক বক্তব্যে কাজেম গারিবাবাদি জানান, দোহায় দুই দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘চুক্তিগত বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘনের’ বিষয়টি উত্থাপন করে ইরান। এই সময়, ভবিষ্যতে বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলো সমাধান করতে উভয় পক্ষ এক সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা বা যোগাযোগ চ্যানেল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সম্মত হয়।

দ্বীতিয় বৈঠকে বিদেশে জব্দ যাওয়া ইরানের ৬০০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ কোরিয়ায় আটকে থাকা এই অর্থ ছাড়ার বিষয়ে তেহরান দাবি জানিয়ে আসছে। উভয় পক্ষ এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ইরানি কর্মকর্তারা।

যদিও বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি, তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, সাম্প্রতিক সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার পর দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের রক্ষণের ফলে ভবিষ্যতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ইতিবাচক সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং জব্দ অর্থ ছাড়সহ বাণিজ্যিক বিষয়গুলোর আলোচনা অব্যাহত থাকলেই নতুন কূটনৈতিক অগ্রগতির আশার জন্ম দিতে পারে। খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান শেষে আগামী ১১ জুলাই পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরু হবে, এমন তথ্য উরিষ্ঠ করেছেন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোরে প্রাইভেটকার থেকে ৯০ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩০ পি.এম


যশোরে প্রাইভেটকার থেকে ৯০ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২

যশোরে দুইজন মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (ডিএনসি) ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ। জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯০ লাখ টাকা। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়।

শনিবার (৪ জুলাই) দিবাগত রাত ১০টার সময় যশোর-নড়াইল মহাসড়কের ঝুমঝুমপুর এলাকার ময়লাখানার সামনে ইয়াবার এই বড় চালানটি উদ্ধার হয়েছে।

আটককৃতদের মধ্যে একজন হচ্ছেন যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার দক্ষিণ বারোপোতা গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে রনি মাহমুদ (৩৫) এবং অন্যজন শার্শা উপজেলার শ্যামলাগাছি গ্রামের মৃত আতিয়ার রহমানের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৮)।

ডিএনসি যশোর সার্কেলের উপ-পরিদর্শক মদন মোহন সাহা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসির একটি দল ঝুমঝুমপুর এলাকায় অবস্থান নিয়েছিল। এ সময় সন্দেহভাজন একটি প্রাইভেটকার থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির এক পর্যায়ে গাড়ির ড্যাশবোর্ড কেটে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিএনসি সূত্র জানিয়েছে, জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯০ লাখ টাকা। এ ঘটনায় আটককৃতদের বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন ডিএনসির উপ-পরিদর্শক মদন মোহন সাহা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৩৮ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৩ পি.এম


জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৩৮ জন

গত জুন মাসে দেশে ৪৭২টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন total ৪৩৮ জন। নিহতদের মধ্যে প্রায় ৩১ শতাংশ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।

রোববার (৫ জুলাই) প্রকাশিত রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মাসিক দুর্ঘটনা বিশ্লেষণ প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সংগঠনটির নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে।

জুন মাসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সংখ্যা ১৪৫টি, যা মোট দুর্ঘটনার ৩০ দশমিক ৭২ শতাংশ। এ সময়ে পথচারী নিহত হয়েছেন ৯১ জন, যা মোট প্রাণহানির ২০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আরো জানা গেছে, ৫৭ জন চালক ও পরিবহন-সহকারীও প্রাণ হারিয়েছেন।

যানবাহনভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের পর সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে থ্রি-হুইলারে। এসব যানবাহনে ১১২ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এছাড়া, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ ও ট্রলিতে ৩৭ জন, বাসে ২৭ জন এবং প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্সে ১৪ জন নিহত হয়েছেন।

জুনে জাতীয় মহাসড়কে ১৫১টি, আঞ্চলিক সড়কে ১৯৪টি, গ্রামীণ সড়কে ৬৪টি এবং শহরের সড়কে ৫৭টি দুর্ঘটনা ঘটে। সেখান থেকে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২০৬টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যা মোট দুর্ঘটনার প্রায় ৪৪ শতাংশ। এছাড়াও, ১০৯টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৯৭টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেয়ার ঘটনা এবং ৫৩টি দুর্ঘটনা সামনে থাকা যানবাহনের পেছনে ধাক্কা লাগার কারণে ঘটেছে।

বিভাগভিত্তিক হিসেবে, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঢাকা বিভাগে হয়েছে। সেখানে ১১৬টি দুর্ঘটনায় ১১৮ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৩২টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত ও ৪৯ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম ১৯টি দুর্ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহ বিভাগে, যেখানে নিহত হয়েছেন ১৬ জন।

সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি জুন মাসে দেশের নৌপথেও ৯টি দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ৭ জন নিহত এবং ৪ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ২১টি রেল দুর্ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরো ৭ জন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, সড়ক দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে একাধিক কাঠামোগত ও ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে অনুপযোগী সড়ক, ত্রুটিযুক্ত যানবাহন, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, চালকদের দক্ষতার অভাব ও শারীরিক অসুস্থতা, নির্ধারিত কর্মঘণ্টা ও ন্যায্য পারিশ্রমিকের অভাব, মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল, তরুণদের ঝুঁকিপূর্ণ মোটরসাইকেল চালানোর প্রবণতা, ট্রাফিক আইন না মানা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএর প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।

প্রতিবেদনে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ১২ দফা সুপারিশও দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলকে কার্যকর করা, বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সংস্কার, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন চলাচল বন্ধ করা, দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগে জোরদার করা, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা এবং মহাসড়কে নিরাপদ অবকাঠামো নিশ্চিত করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ডিএমপির ৮৫৮ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৫ পি.এম


রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ডিএমপির ৮৫৮ মামলা

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা জুড়ে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ মোট ৮৫৮টি মামলা করেছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী আজ রবিবার (৫ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন।

মামলার বিস্তারিত সম্পর্কে তিনি জানান, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৩টি বাস, ২টি কাভার্ডভ্যান, ৬টি সিএনজি এবং ১০টি মোটরসাইকেল সহ মোট ৩৫টি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৪টি বাস, ৪টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ১৭টি সিএনজি এবং ৩৩টি মোটরসাইকেল মিলিয়ে মোট ৮৯টি মামলা হয়েছে।

একইভাবে, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২টি বাস, ১টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ১৬টি সিএনজি এবং ৪৬টি মোটরসাইকেল সহ মোট ৯২টি মামলা করা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩১টি বাস, ১১টি ট্রাক, ১৬টি কাভার্ডভ্যান, ৪৪টি সিএনজি এবং ৯১টি মোটরসাইকেল নিয়ে মোট ২৩৪টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৮টি বাস, ২টি ট্রাক, ২টি কাভার্ডভ্যান, ১৬টি সিএনজি এবং ২৩টি মোটরসাইকেল সহ মোট ৭৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৩টি বাস, ৩টি ট্রাক, ৪টি কাভার্ডভ্যান, ১৪টি সিএনজি এবং ৮০টি মোটরসাইকেল নিয়ে মোট ১১৬টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ১১টি বাস, ৬টি ট্রাক, ৪টি কাভার্ডভ্যান, ৩৬টি সিএনজি এবং ৪৮টি মোটরসাইকেল সহ মোট ১৫৮টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৯টি বাস, ৪টি কাভার্ডভ্যান, ১৩টি সিএনজি এবং ১৮টি মোটরসাইকেলে মিলিয়ে মোট ৫৯টি মামলা আছে।

এছাড়াও, অভিযান চলাকালে মোট ৪১৮টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ৩৯৮টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এইসব অভিযান অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগর এলাকার ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও নিশ্চিত করেছেন নিয়াজ মেহেদী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%