ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পৌর নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল না হলেও গৌরীপুরে বইছে নির্বাচনী হাওয়া, মাঠে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা


পৌর নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল না হলেও গৌরীপুরে বইছে নির্বাচনী হাওয়া, মাঠে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা

গৌরীপুর উপজেলার অন্তর্গত গৌরীপুর পৌরসভার প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ১৯২৭ সালে। বর্তমানে এটি 'ক' শ্রেণির একটি পৌরসভা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে সরকারে পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পর্যায়ক্রমে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধান মন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১০ থেকে ১২ মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও পৌরসভা নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়সূচি নির্বাচন কমিশন এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি, তবুও ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভায় নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়ে গেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সরব উপস্থিতিতে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে হালকা নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, সালাম আদান-প্রদান এবং বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনসংযোগ জোরদার করছেন। চায়ের দোকান, বাজার, অলিগলি থেকে শুরু করে সর্বত্রই পৌর নির্বাচন নিয়ে আলোচনা চলছে। কে পাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন, কার জনপ্রিয়তা কতটা—এসব নিয়েই রাজনৈতিক অঙ্গন সরগরম। স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, এবারের গৌরীপুর পৌরসভা নির্বাচনে প্রায় এক ডজন ব্যক্তি মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামসহ একটি ইসলামী রাজনৈতিক দলের একাধিক নেতা নিজেদের দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। এ ছাড়া কয়েকজন পরিচিত মুখও স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে ভোটারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রকৃত নির্বাচনের চিত্র পরিষ্কার হবে। তবে তফসিল ঘোষণার আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঠে সক্রিয় হয়ে ওঠা প্রমাণ করছে যে, গৌরীপুর পৌরসভার নির্বাচন এবারে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে পারে। এদিকে সাধারণ ভোটাররা বলছেন, তারা একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব জনপ্রতিনিধিকে বেছে নিতে চান, যিনি পৌরসভার উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন। সব মিলিয়ে, আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার আগেই গৌরীপুর পৌরসভাজুড়ে নির্বাচনী আবহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, দলীয় মনোনয়ন ঘোষণা ও নির্বাচন কমিশনের তফসিল প্রকাশের পর এই আমেজ আরও তীব্র হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিরোজপুরে নৌযান শুমারি উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পিরোজপুর প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ পি.এম


পিরোজপুরে নৌযান শুমারি উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত নৌযানের সঠিক সংখ্যা, ধরন এবং কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যের সমন্বিত তথ্যভান্ডার তৈরির লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের সহযোগিতায় নৌযান শুমারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এই বিশেষ অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক-সাইফ মিজান স্মৃতি সভাকক্ষে জেলা পর্যায়ের একটি অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আলাউদ্দিন ভূঞা জনী। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন পিরোজপুর সদর পরিসংখ্যান কর্মকর্তা নাঈম মাহমুদ। এরপর, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে নৌযান শুমারি ২০২৬ এর সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরে জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক হারুন-অর-রশীদ।

সভায় জানানো হয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত নৌযান শুমারি পরিচালিত হবে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত নৌযানের একটি একত্রিত ডাটাবেইজ তৈরি হবে। এই তথ্যভান্ডার অনুষ্ঠানিকভাবে নৌযানের নিবন্ধন, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দুর্ঘটনা ব্যবস্থাপনা, নৌপরিবহন খাতের পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

শুমারির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ৪ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত লিস্টিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়, যে সময় পিরোজপুর জেলাকে ১৮টি জোনে বিভক্ত করা হয়। এখানে ১৩০ জন গণনাকারীর মাধ্যমে ৪২২টি ঘাট এবং ১৫৭টি গণনা এলাকায় তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এই তালিকায় ঘাটভিত্তিক ৮ হাজার ৪৫৭টি এবং খানাভিত্তিক ১ হাজার ৬৩টি, মোট ৯ হাজার ৫২০টি নৌযানের প্রাথমিক তথ্য শনাক্ত করা হয়েছে।

সভায় আরও উল্লেখ করা হয়, নৌযান শুমারির মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ নৌযানের নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান প্রণয়ন করতে, নৌ-দুর্ঘটনার পর প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত শনাক্তকরণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহায়তা করবে। নৌযান মালিক ও শ্রমিকদের তথ্যভান্ডার তৈরি, নাবিকদের প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা এবং নৌপরিবহন খাতের উন্নয়নে কার্যকর নীতি নির্ধারণ করা যাবে।

অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ, নৌপুলিশ, নৌপরিবহন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), মৎস্য অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় অংশগ্রহণকারীরা মাঠপর্যায়ে শুমারি কার্যক্রম নির্ভুল, সুষ্ঠু ও সময়মতো সম্পন্ন করতে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদার এবং নৌযান মালিক, মাঝি-মাল্লাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪১ পি.এম


একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাটে একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে কচুয়া উপজেলার চেন্দেরকোলা এলাকা থেকে।

বিস্তারিত আসছে...

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪১ পি.এম


বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

ঢাকা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অবহেলা ও অনগ্রসরতা দূর করার জন্য আঞ্চলিক সমন্বয় এবং সাংবাদিকদের সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

আজ সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী অফিসে, ঢাকায় কর্মরত বৃহত্তর ময়মনসিংহের মূল সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর ময়মনসিংহের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধি এবং অন্যান্য নাগরিক সমস্যার সমাধানের জন্য একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা জরুরি। ঢাকার বিমানবন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত এক্সপ্রেসওয়ে বা ফ্লাইওভারকে ভালুকা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করার জন্য ময়মনসিংহ বিভাগের ৩৪ জন সংসদ সদস্যের স্বাক্ষরসহ (ডিও লেটার) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে, যা বর্তমানে নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া, ময়মনসিংহের সঙ্গে দ্রুতগতির ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন আধুনিকায়নের বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা চলমান রয়েছে।

হাসপাতালগুলোতে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করার এবং অনিয়ম প্রতিরোধে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, অনিয়ম এবং দুর্নীতি শুধুমাত্র আর্থিক খাতে সীমাবদ্ধ নয়, সেবাবঞ্চিত হওয়া বিষয়গুলোকেও দুর্নীতির আওতায় এনে এর লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে। এছাড়া, সারা বাংলাদেশে জেলা পর্যায়ে আধুনিক সুবিধাসংবলিত এবং কমিউনিটি সেন্টারভিত্তিক একটি সুনির্দিষ্ট মানসম্মত প্রেস ক্লাব নির্মাণের প্রস্তাবও সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

আলোচনা সভার শুরুতে উপস্থিত সাংবাদিকরা নিজেদের পরিচয় দেন এবং এরপরে বৃহত্তর ময়মনসিংহের সামগ্রিক উন্নয়ন, বিদ্যমান সমস্যা এবং আগামীর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনায় বৈঠকে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। এসময় বক্তৃতা করেন এরফানুল হক নাহিদ, মাসউদুল হক, রফিক মুহাম্মদ, আনিসুর রহমান খান, উবায়দুল্লাহ বাদল, হামিদুল হক মানিক, শফিউল আলম দোলন, মাসুদ করিম, মো. গোলাম কিবরিয়া, মাহমুদুল হাসান এবং বাহারাম খানসহ অন্যান্য সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুলিস্তানে চুরি-ছিনতাই বন্ধের দাবিতে যাত্রী-শ্রমিকদের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


গুলিস্তানে চুরি-ছিনতাই বন্ধের দাবিতে যাত্রী-শ্রমিকদের বিক্ষোভ

রাজধানীর ব্যস্ততম যাতায়াত কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অন্যতম গুলিস্তান এলাকায় যাত্রীদের মালামাল চুরি, ছিনতাই ও পরিবহন মালিকদের হয়রানি বন্ধের জন্য এক বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

এই সমাবেশে যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় গুলিস্তান আহাদ পুলিশ বক্সের সামনে এই সমাবেশটি আয়োজন করা হয়। সমাবেশে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ঘোষিত শ্রমিক কমিটির বিষয়ে আপত্তিও জানানো হয়। 

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, গুলিস্তান বাস টার্মিনালের কমিটিতে প্রকৃত পরিবহন শ্রমিকদের বাদ দিয়ে কয়েকজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, ছিনতাই ও মলম পার্টির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। 

তারা আবারও দাবি করেছেন যে, বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হলে টার্মিনাল এলাকায় যাত্রীদের হয়রানি, চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি পরিবহন মালিকরাও ক্ষতির সম্মুখীন হবে। 

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর শিকদার বলেন, টার্মিনাল এলাকায় যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং মালামালের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং পরিবহনের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কমিটির নেতাদের ওপর বর্তায়। 

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় গাড়িতে অগ্নিসংযোগ বা অন্যান্য দুর্ঘটনা প্রতিরোধেও কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 

তবে, যদি কোনো কমিটির বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই বা অগ্নিসংযোগের মতো অভিযোগ ওঠে, তখন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। জাহাঙ্গীর শিকদার আরও বলেন, যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয় তবে কমিটি বাতিল করা উচিত এবং অভিযুক্তদের টার্মিনাল থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত। এছাড়া প্রকৃত পরিবহন শ্রমিকদের নিয়ে গুলিস্তানে নতুন একটি কমিটি গঠনের পক্ষেও মতামত দিয়েছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%