প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গৌরীপুর উপজেলার অন্তর্গত গৌরীপুর পৌরসভার প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ১৯২৭ সালে। বর্তমানে এটি 'ক' শ্রেণির একটি পৌরসভা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে সরকারে পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পর্যায়ক্রমে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধান মন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১০ থেকে ১২ মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও পৌরসভা নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়সূচি নির্বাচন কমিশন এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি, তবুও ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভায় নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়ে গেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সরব উপস্থিতিতে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে হালকা নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, সালাম আদান-প্রদান এবং বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনসংযোগ জোরদার করছেন। চায়ের দোকান, বাজার, অলিগলি থেকে শুরু করে সর্বত্রই পৌর নির্বাচন নিয়ে আলোচনা চলছে। কে পাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন, কার জনপ্রিয়তা কতটা—এসব নিয়েই রাজনৈতিক অঙ্গন সরগরম। স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, এবারের গৌরীপুর পৌরসভা নির্বাচনে প্রায় এক ডজন ব্যক্তি মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামসহ একটি ইসলামী রাজনৈতিক দলের একাধিক নেতা নিজেদের দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। এ ছাড়া কয়েকজন পরিচিত মুখও স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে ভোটারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রকৃত নির্বাচনের চিত্র পরিষ্কার হবে। তবে তফসিল ঘোষণার আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঠে সক্রিয় হয়ে ওঠা প্রমাণ করছে যে, গৌরীপুর পৌরসভার নির্বাচন এবারে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে পারে। এদিকে সাধারণ ভোটাররা বলছেন, তারা একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব জনপ্রতিনিধিকে বেছে নিতে চান, যিনি পৌরসভার উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন। সব মিলিয়ে, আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার আগেই গৌরীপুর পৌরসভাজুড়ে নির্বাচনী আবহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, দলীয় মনোনয়ন ঘোষণা ও নির্বাচন কমিশনের তফসিল প্রকাশের পর এই আমেজ আরও তীব্র হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন