ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজশাহীতে গরমের দাপট বৃদ্ধি পাচ্ছে, কারণ কী?


রাজশাহীতে গরমের দাপট বৃদ্ধি পাচ্ছে, কারণ কী?

মধ্য মে থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা তাপপ্রবাহ বইছে। এর মধ্যেই রাজশাহীতে গেল কয়েকদিন ধরে মৃদু তাপপ্রবাহ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে মাঝারিতে রূপ নিয়েছে। অতিরিক্ত তাপদাহের কারণে মানুষ, প্রাণী, ফসল ও প্রকৃতি সবকিছু ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আর আগের দিন বুধবার (৩ জুন) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল। সোমবার (১ জুন) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। রোববার (৩১ মে) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সাংবাদিক লাঞ্ছিত, বিএনপির সকল সংবাদ বর্জনের ঘোষণা

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে সেটিকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বলে এবং ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে সেটিকে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে সেটি অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়।

রাজশাহীতে গরম বাড়ানোর কারণ হিসেবে মৌসুমি বায়ুর দেরিতে প্রবেশ এবং বঙ্গোপসাগর থেকে আসা অতিরিক্ত জলীয় বাষ্পের কথা উল্লেখ করা হচ্ছে। পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে কংক্রিটের আধিক্য ও গাছপালা কমে যাওয়ার ফলেও গরম বাড়ছে। দিনের ব্যাপ্তি দীর্ঘ থাকার কারণে ভূপৃষ্ঠ অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।

সাধারণত জুন মাসের শুরুতেই মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত বাড়ে এবং তাপমাত্রা কমে যান। তবে মৌসুমি বায়ুর আগমন বিলম্বিত হওয়ায় মেঘমুক্ত আকাশে সূর্যের আলো সরাসরি ভূপৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিত অংশও গরমের তীব্রতা বাড়াচ্ছে।

বর্তমানে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ অতিরিক্তভাবে বৃদ্ধি পেয়ে গেছে। একই সঙ্গে বাতাসের গতি কম থাকায় গরম বাতাস স্থির হয়ে থাকে। এই অবস্থায় শরীর থেকে ঘাম দ্রুত শুকায় না এবং প্রকৃত তাপমাত্রার চেয়েও বেশি গরম অনুভূত হয়।

আরও পড়ুন: রাজশাহীতে সাঁওতাল শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষাদান দেখে মুগ্ধ নরওয়ের প্রতিনিধি দল

পরিবেশবিদদের মতে, ঘনবসতি, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং গাছপালা ও জলাশয় কমে যাওয়ার কারণে অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় রাজশাহী বেশি উত্তপ্ত হয়ে পড়ছে। গ্রীষ্মকালে দিনের বেলা বড় হওয়ার ফলে দীর্ঘ সময় ধরে সূর্যের তাপ ভূমিতে পড়ে এবং পরিবেশে তাপ জমে থাকে।

নগরের কয়েকটি এলাকা যখন ঘুরে দেখা হয়েছে, তখন সেখানে পিচগলা রাস্তায় একটু স্বস্তির খোঁজে পথচারীরা আখের রসের দোকানে ভিড় করছেন। চোখের সামনে কল থেকে বের করা শীতল এক গ্লাস আখের রস পান করছেন তারা। অতিরিক্ত গরমে তৃষ্ণা মেটাতে সাধারণ মানুষ ডাবও খেতে দেখা যাচ্ছে।

আবহাওয়ার সর্বশেষ উপাত্ত অনুযায়ী, রাতের আকাশ প্রধানত পরিষ্কার থাকলেও ভ্যাপসা গরম কাটছে না। রাতের তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হলেও বাতাসের অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে শরীরে তা প্রায় ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো অনুভূত হচ্ছে। মধ্যরাতের দিকে তাপমাত্রা সামান্য কমে ২৯ থেকে ২৮ ডিগ্রিতে নামলে আর্দ্রতা প্রায় ৮৩ শতাংশ পর্যন্ত উঠে যাচ্ছে।

রিকশাচালক রহমত মিয়া জানান, রাস্তার পিচ থেকে মনে হচ্ছে আগুনের ভাপ উঠে৷ রিকশার সিটে বসা যায় না। একটু পর পর গলা শুকিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বের হতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে মাটি ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমকে গুলি করে হত্যা

ট্রাফিক কনস্টেবল মো. আসাদুজ্জামান জানান, মাথার ওপর চড়া রোদ আর চারপাশের গাড়ির গরম ইঞ্জিনের ধোঁয়ায় দম আটকে এসেছে। ডিউটি তো করতেই হবে, তাই পকেটে স্যালাইনের পানি রেখে একটু পর পর খেয়ে শরীরটা কোনোমতে টিকিয়ে রাখছি।

বিভিন্ন এলাকায় ঘুরলে দেখা যায়, প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। বাজার, সড়ক ও জনসমাগমস্থলগুলোতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় মানুষের উপস্থিতি কম। তবে জীবিকার তাগিদে যাদের বাইরে থাকতে হচ্ছে, তাদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। রিকশাচালক, ভ্যানচালক, নির্মাণ শ্রমিক, খেতমজুর ও দিনমজুররা কাজ করছেন খোলা আকাশের নিচে। কয়েকজন জানান, দুপুরের দিকে কাজ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানান, টানা কয়েকদিন তাপদাহ চলছে। তবে তাপমাত্রা কমে আসবে। এর মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: শরীয়তপুর সদরেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি স্থানীয়দের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেসব নারীরা নিজেদের ভুল কখনোই স্বীকার করেন না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


যেসব নারীরা নিজেদের ভুল কখনোই স্বীকার করেন না

ভুল করা মানুষের জন্য স্বাভাবিক একটি বিষয়। কিন্তু সেই ভুল স্বীকার করা বা ক্ষমা চাওয়ার মানসিকতা সবার মাঝে থাকে না। মনোবিজ্ঞান এবং জ্যোতিষশাস্ত্র উভয় ধরণের ভাবনায় বলা হয়, কিছু মানুষের মধ্যে অহংকার, জেদ এবং আত্মমর্যাদাবোধ এত বেশি থাকে যে তারা সহজে নিজের ভুল মেনে নিতে সক্ষম হন না।

জ্যোতিষশাস্ত্রের দৃষ্টিকোণে, নির্দিষ্ট কয়েকটি রাশির নারীদের মধ্যে এই প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। তাদের মধ্যে অনেক সময় ভুল বোঝা হলেও প্রকাশ্যে তা স্বীকার করতে চান না এবং নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকেন।

মেষ রাশি,

মেষ রাশির নারীরা স্বাধীনচেতা এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে থাকেন। তারা সম্পর্কের চেয়ে অনেক সময় নিজেদের অবস্থানকেই বেশি গুরুত্ব প্রদান করেন, ফলস্বরূপ সহজে ক্ষমা চান না।

বৃষ রাশি,

বৃষ রাশির নারীরা জেদি স্বভাবের হন এবং নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। ভুল হলে তা মানতে তাদের সময় লাগে বেশ।

সিংহ রাশি,

সিংহ রাশির নারীদের মধ্যে আত্মমর্যাদাবোধ এবং অহংকার উপস্থিত থাকে অধিক। তাঁদের জন্য ভুল স্বীকার করলে মর্যাদা কমে যাবে—এমন চিন্তা থেকে তারা অনেক সময় ক্ষমা চান না।

কন্যা রাশি,

কন্যা রাশির নারীরা নিজেদের নিখুঁত মনে করেন। সুতরাং, ভুল হওয়া একান্তে মেনে নেওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে যায়।

বৃশ্চিক রাশি,

বৃশ্চিক রাশির নারীরা অত্যন্ত জেদি এবং রহস্যময় হয়ে থাকেন। নিজের ভুল ঢাকতে কিংবা এটি এড়িয়ে যেতে তারা অধিক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

মকর রাশি,

মকর রাশির নারীরা বাস্তববাদী এবং কঠোর ব্যক্তিত্বের অধিকারী হন। তারা ভুল স্বীকার করার পরিবর্তে যুক্তি দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পছন্দ করেন।

কুম্ভ রাশি,

কুম্ভ রাশির নারীরা স্বাধীনচেতা ও উদাসীন স্বভাবের হয়ে থাকেন। তারা সাধারণত ভুল নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামান না, এমনকি ক্ষমা চাওয়াও এড়িয়ে যান।

জ্যোতিষের মতে, কিছু রাশির নারীদের মধ্যে জেদ, আত্মসম্মান এবং স্বাধীনচেতা মনোভাব এতটাই প্রবল থাকে যে তারা সহজে “আমি ভুল করেছি” এই কথাটি বলতে চান না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে একসঙ্গে ১৫টি মসজিদ সিলগালা করে দিল বিজেপি সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


ভারতে একসঙ্গে ১৫টি মসজিদ সিলগালা করে দিল বিজেপি সরকার

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচল প্রদেশে বিজেপি পরিচালিত রাজ্য সরকার একসঙ্গে ১৫টি মসজিদ সিলগালা করে দিয়েছে।

এই সিদ্ধান্ত অবৈধ বসতি স্থাপন ও জনসংখ্যার কাঠামোগত পরিবর্তনের বিষয়ে স্থানীয় আদিবাসী জনগণের তীব্র আপত্তির মুখে নেওয়া হয়েছে। সাইটগুলো সম্পূর্ণ সিলগালা করার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ ব্যাপারে তথ্য জানানো হয়েছে।

রাজ্য প্রশাসন এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে অরুণাচল প্রদেশ ইন্ডিজেনাস ইয়ুথ অর্গানাইজেশন (এপিআইওয়াইও) নামের স্থানীয় আদিবাসী যুব সংগঠনের দীর্ঘ আন্দোলনের পর। যুব সংগঠনটি এই অবৈধ ধর্মীয় স্থাপনা উচ্ছেদ ও অনুপ্রবেশ বন্ধের দাবিতে প্রতিবাদ জানিয়ে ইটানগর রাজধানী অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টার একটি প্রতীকী হরতাল পালন করেছিল। সংগঠনটি জানিয়েছিল, তাদের দাবি পুর্ণ না হলে আরও বড় আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে রাজ্য সরকারের মুখপাত্র ও শিক্ষামন্ত্রী পিডি সোনা জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এপিআইওয়াইও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পেমা খাণ্ডুর এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বিষয়টি সরকারের নজরে আসে। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন, যাতে রাজধানী কমপ্লেক্স এলাকায় প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া নির্মিত সকল ধর্মীয় স্থাপনা খুঁজে বের করা হয়। এর ফলস্বরূপ একটি সরকারি জরিপের মাধ্যমে সনাক্ত করা হয় ১৫টি অননুমোদিত মসজিদ।

শিক্ষামন্ত্রী পিডি সোনা আরও জানান, জেলা কর্তৃপক্ষ প্রথমে সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ১২টি অননুমোদিত মসজিদ সিলগালা ও খালি করে দেয়। পরে, ১ জুন মুখ্যমন্ত্রী ও আদিবাসী নেতাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে বাকি ৩টি মসজিদ সিলগালা করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে আন্দোলনকারী সংগঠনের দাবিগুলো আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। ফলে, প্রশাসন আশা প্রকাশ করছে যে তারা নতুন কোনো হরতাল বা আন্দোলনের ডাক দেবেন না।

এটি অরুণাচল প্রদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ, জনসংখ্যার দ্রুত পরিবর্তন এবং স্থানীয় আদিবাসী সম্প্রদায়ের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষার বিষয়টিকে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। রাজ্য কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, অরুণাচল প্রদেশের উন্মুক্ত আন্তঃরাজ্য ও আন্তর্জাতিক সীমান্তগুলো অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ। এ জন্য ধারাবাহিক নজরদারি প্রয়োজন।

এর আগে মে মাসে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পেমা খাণ্ডুর সভাপতিত্বে স্থানীয় আদিবাসীদের অধিকার রক্ষা এবং রাজ্যে প্রবেশাধিকারের বিশেষ ব্যবস্থা ইনার লাইন পারমিট (আইএলপি) জোরদার করার বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের পরামর্শমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

মুখ্যমন্ত্রী পেমা খাণ্ডু আদিবাসী সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ কেবল অরুণাচল প্রদেশের নয়, বরং এটি সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও জাতীয় সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে ইনার লাইন পারমিট পরিচালনা ও তদারকির জন্য একটি নতুন সরকারি বিভাগ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাপপ্রবাহে পুড়ছে ৩৮ জেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


তাপপ্রবাহে পুড়ছে ৩৮ জেলা

ঢাকাসহ দেশের ৩৮ জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ প্রবাহিত হচ্ছে। চলতি বছরের এই প্রথম এত সংখ্যক জেলায় এক দিনে এ ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটল। সাধারণত মে মাসের শেষ দিনে দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ ঘটে, তবে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। মৌসুমি বায়ুর দেখা নেই, ফলে তীব্র গরমে এসব জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের কিছু অংশে গরমের দাপট কমে আসবে। এর পাশাপাশি সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তির সৃষ্টি হতে পারে।

শুক্রবার (৬ জুন) সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস থেকে এ তথ্য প্রাপ্ত হয়েছে।

পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী, ঢাকা, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপলগঞ্জ, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, রাঙামাটি ও লক্ষ্মীপুর জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ প্রবাহিত হচ্ছে এবং তা কিছু স্থানে প্রশমিত হতে পারে। সহিত সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

এদিকে, বৃষ্টির সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

অন্যান্য স্থানেও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে বলে জানা গেছে।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা অনুযায়ী, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিত অংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিরাজমান রয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু কক্সবাজার উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল দিনাজপুর ও যশোরে। এই সময়ে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত চুয়াডাঙ্গায় ৪৪ মিলিমিটার রেকর্ড হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পথে বড় বাঁধা নেতানিয়াহু: দ্য গার্ডিয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পথে বড় বাঁধা নেতানিয়াহু: দ্য গার্ডিয়ান

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তির পথে এখন প্রধান বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনের अनुसार, যুদ্ধই এখন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার দীর্ঘ করার একটি পথ। এই কারণে মধ্যপ্রাচ্য সংকটকে কাজে লাগিয়ে নেতানিয়াহু ইরান সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করছেন, বলেছে গণমাধ্যমটি।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সংঘাতের শক্তি আরও বৃদ্ধি করতে এবং নিজের স্বার্থ হাসিলে মেতেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গত কয়েক মাস ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে কিছুবার ধমক দিয়ে থামানোর চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তাকে থামানো যাচ্ছে না।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের তথ্য অনুসারে, নেতানিয়াহুর পুরো রাজনৈতিক ক্যারিয়ারটি যুদ্ধের ওপর নির্ভরশীল। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধটি কোনো বিজয় বা নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং হামাস, হিজবুল্লাহ ও ইরানের কাছ থেকে আসা ধ্বংসের হুমকিকে জিইয়ে রাখতে সাহায্য করে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমানে নেতানিয়াহু অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপের সম্মুখীন হয়েছেন। নেসেটের পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার বিলের প্রথম ধাপ পাস হওয়ার পর, শিগগিরই নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তার পাশাপাশি, ইরান, গাজা এবং লেবাননে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে তার জনপ্রিয়তা হ্রাস পাচ্ছে।

অন্যদিকে, হরমজ প্রণালী বন্ধ করে ইরান বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যের একটি বড় অংশের উপর চাপ সৃষ্টি করেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রও অর্থনৈতিক চাপের সম্মুখীন হয়েছে।

উভয়পক্ষই আলোচনা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেও, লেবানন ফ্রন্টে ইসরাইলের পদক্ষেপ এবং নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ এখনও একটি সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পথে প্রধান অনিশ্চয়তা হয়ে রইল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%