ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘আখরি রাস্তা’র নির্মাতা কে. ভাগ্যরাজ আর নেই


‘আখরি রাস্তা’র নির্মাতা কে. ভাগ্যরাজ আর নেই

তামিল চলচ্চিত্রজগতের অন্যতম প্রভাবশালী পরিচালক, অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার কে. ভাগ্যরাজ সম্পূর্ণভাবে মারা গেছেন। ৭৩ বছর বয়সে তিনি সাধারণ মধ্যবিত্তের পরিচিত গল্পকে অতি অসাধারণ দক্ষতার সাথে পর্দায় তুলে ধরার কারিগর হিসেবে চিরবিদায় নিলেন।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে হৃদরোগের একটি কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে গভীর শোকের পরিবেশ নেমে এসেছে।

কিছু দিন আগেই গোয়ায় অভিনেত্রী-রাজনীতিক খুশবু সুন্দরের মেয়ের বিয়েতে বর্ষীয়ান নির্মাতা কে. ভাগ্যরাজের উপস্থিতি দেখা গিয়েছিল। কে জানতো, সেটিই হবে তার অংশ নেয়ার শেষ সামাজিক অনুষ্ঠান। মৃত্যু সময় তিনি স্ত্রী অভিনেত্রী পূর্ণিমা ভাগ্যরাজ, ছেলে শান্তনু এবং মেয়ে সারন্যা সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

আরও পড়ুন: গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে আতিকুল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কেও ভাগ্যরাজ, যিনি তামিলনাড়ুর ইরোড জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন, পুরো নাম কৃষ্ণস্বামী ভাগ্যরাজ। চলচ্চিত্রে তার কর্মজীবন শুরু হয়েছিল খ্যাতনামা পরিচালক ভারতীরাজার সহকারী হিসেবে। সেখানে থেকেই তিনি ধীরে ধীরে চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রতি তার আগ্রহ ও দক্ষতা বিকশিত করেন।

১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে তিনি পর্দায় ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে শুরু করেছিলেন। ১৯৭৭ সালে ‘১৬ ভায়াথিনিলে’ এবং পরের বছর ‘সিগাপ্পু রোজাক্কাল’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি রুপালি পর্দায় অভিষেক করেন। তবে গল্প বলার নিজস্ব ঢং এবং নিখুঁত চিত্রনাট্য তাকে দ্রুতই লাইমলাইটে নিয়ে আসে।

১৯৭৯ সালটি ভাগ্যরাজের ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়। ‘সুভারিল্লাধা চিত্রাঙ্গল’ দিয়ে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পাশাপাশি ‘পুধিয়া ভার্পুগাল’ সিনেমায় প্রথমবার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। এরপর তিনি আর পেছনে ফিরে তাকাননি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ২৫টিরও বেশি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন এবং ৭৫টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করে তিনি নিজেকে অতি উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

শুধু দক্ষিণী ছবিতে নয়, বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গেও তার ডাবল রোলের প্রতিভা দেখানো ছিল। ১৯৮৬ সালে ভাগ্যরাজের পরিচালনায় হিন্দি সিনেমা ‘আখরি রাস্তা’ বক্স অফিসে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল।

আরও পড়ুন: জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নস্যাৎ করার জন্য দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

নির্মাতা কে. ভাগ্যরাজের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘আন্ধা ৭ নাটকাল’, ‘ইন্দ্রু পোই নালাই ভা’, ‘থুরাল নিন্নু পোচু’, ‘মুন্ধানাই মুদিচু’, ‘আখরি রাস্তা’ এবং আরো অনেক সিনেমা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রতিভাবান ফুটবলারের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১১ পি.এম


ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রতিভাবান ফুটবলারের মৃত্যু

ভেনেজুয়েলায় সম্প্রতি আঘাত হানা ভূমিকম্পের কারণে ব্যাপক ধংসযজ্ঞ ছড়িয়ে পড়েছে, আর এর ফলে ফুটবল জগতও রেহাই পায়নি। এই ভূমিকম্পের ফলে দেশটির অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় দলের মিডফিল্ডার ইয়িমভার্ট বেরোরতেরানের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। গত বুধবার (২৪ জুন) দেশটির উত্তরাঞ্চলে জমে ওঠা দুটি ভূমিকম্পের পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৯২০ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং প্রায় ৩,০০০ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী এই ফুটবল তারকা ছিলেন জাতীয় যুব দলের অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল প্রতিভা। ক্লাব পর্যায়ে ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রাল দে ভেনেজুয়েলার হয়ে তার অভিষেক ঘটে এবং তিনি মাত্র তিনটি প্রথম বিভাগের ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন। পেশাদার দলে নিজের পারফরম্যান্সের মানিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ার মাঝেই তাকে প্রাণ হারাতে হলো।

ভেনেজুয়েলা ফুটবল ফেডারেশন (এফভিএফ) তার মৃত্যু নিশ্চিত করে একটি বিবৃতিতে জানায়, 'আজ ভেনেজুয়েলার ফুটবল গভীর শোকের সঙ্গে এমন এক তরুণকে বিদায় জানাচ্ছে, যিনি গর্ব, নিষ্ঠা ও ভালোবাসার সঙ্গে দেশের জার্সি প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তার চলে যাওয়া ভিনোটিন্টো পরিবারের জন্য গভীর বেদনার এবং যারা মাঠে অথবা মাঠের বাইরে তার সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন, তাদের মনে অমোচনীয় দাগ রেখে গেছে।'

তারা আরও জানায়, 'এই গভীর শোকের সময়ে আমরা তার পরিবার, বন্ধু, সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং প্রিয়জনদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। ইয়িমভার্ট, তোমার আলো ভিনোটিন্টোর প্রতিটি হৃদস্পন্দনে জ্বলতে থাকবে। শান্তিতে বিশ্রাম নাও।'

ক্লাব ইউভিসি এফসিওও শোক প্রকাশ করে জানায়, 'তুমি ছিলে এক যোদ্ধা, ইয়িমভার্ট। তুমি সবসময় স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তোমার আত্মা শান্তিতে থাকুক।'

এছাড়া ভেনেজুয়েলা ফুটবল ফেডারেশন আরও কয়েকজন ফুটবলারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। নিহতদের মধ্যে ছিলেন রজান সিজা, যিনি কারাকাস এফসির অনূর্ধ্ব-১৮ দলের সদস্য। তিনি লা গুয়াইরার নিজ বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে ছিলেন। নিহতদের তালিকায় আরও রয়েছেন রিকার্দো ভেলোজ (মারিটিমো লা গুয়াইরা), হোসে মিগেল সান্তানা (জাতীয় বিচ সকার দলের সাবেক কোচিং স্টাফ সদস্য), এবং ভিক্টর Анд্রেস পালাসিওস লেদেসমা (১৪ বছর বয়সী, ক্লাব স্পোর্ট সান আগুস্টিনের খেলোয়াড়)।

অন্যদিকে, এই বিপর্যয়ের মধ্যে কিছু ভালো খবরও এসেছে। এডউইন পেরেজা, ভ্যালেরি গিল, এডেরসন রামোস, ব্রেইনেলিস মেন্ডোজা, ফাউস্তো এসকোবার, লুইস ওভালেস, এলিয়াস মার্টিনেজ, রুবেন রোভাইনা এবং মাইনেল রন্দোনকে জীবিত অবস্থায় খুঁজে পাওয়া গেছে এবং তারা নিরাপদে আছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানকে হারালে শেষ ষোলোয় ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ পি.এম


জাপানকে হারালে শেষ ষোলোয় ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কে?

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই ইতিমধ্যে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হলো জাপান। অন্যদিকে, আজ রাতে ‘আই’ গ্রুপের খেলা শেষ হওয়ার পর নকআউটের সম্ভাব্য সমীকরণও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

গ্রুপের শীর্ষস্থান দখল করেছে ফ্রান্স। শেষ ম্যাচে ফ্রান্সের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েছে নরওয়ে। শেষ ৩২-এর অন্য ম্যাচে নরওয়ের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে গ্রুপ ‘ই’-এর রানার্সআপ আইভরি কোস্ট।

এই ম্যাচের বিজয়ী দলই শেষ ষোলোতে খেলবে ব্রাজিল-জাপান ম্যাচের বিজয়ী দলের বিপক্ষে। এর মানে হলো, যদি ব্রাজিল জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে উন্নীত হয়, তাহলে তাদের প্রতিপক্ষ হবে নরওয়ে অথবা আইভরি কোস্ট।

যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোবে, তাহলে দেখা যেতে পারে দারুণ এক লড়াই শেষ ষোলোতে। নরওয়ে নিজেদের ম্যাচে জয়ী হলে আর্লিং হলান্ড এবং ওডেগার্ডদের নরওয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারে নেইমার ও ভিনিসিয়ুসদের ব্রাজিল। সম্ভাব্য এই লড়াই নিয়ে ইতোমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়ছে উত্তেজনা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশকে ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১৮ পি.এম


বাংলাদেশকে ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

বিশ্ব বাণিজ্যমণ্ডলে সার ও জ্বালানির দাম এবং সরবরাহে অস্থিরতা মোকাবেলা করার উদ্দেশ্যে, খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই রাখা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে দুটি প্রকল্পে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই সহায়তার পরিমাণ প্রায় ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ এবং ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষের ফলস্বরূপ খাদ্য, সার ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং রাজস্ব ব্যয়ের সীমাবদ্ধতা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে। এতে ক্ষুদ্র কৃষক এবং দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই প্রভাব মোকাবেলার জন্য বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিক সহযোগিতা দিতে বিশ্বব্যাংক এগিয়ে এসেছে। ধান উৎপাদনের জন্য সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, পরিবার, কর্মসংস্থান এবং জীবনযাত্রা সুরক্ষা করার জন্য এবং জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে এই সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।’

৩০০ মিলিয়ন ডলারের ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশকে নির্দিষ্ট সময়সীমার জন্য অর্থায়ন প্রদান করা হবে। এর মাধ্যমে চলতি বছরের জুলাই-অক্টোবর আমন মৌসুম এবং আগামী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত বোরো মৌসুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানিতে সাহায্য করবে বিশ্বব্যাংক। দেশে মোট সারের প্রয়োজনের ৮৫ শতাংশেরও বেশি বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় ৬ লাখ মেট্রিক টন গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানিতে সহায়তা করবে বিশ্বব্যাংক, যার অর্ধেক ইউরিয়া সার। এতে ক্ষুদ্র কৃষকদের চাষ করা ১৪ লাখ হেক্টর জমির ধান উৎপাদনে সহায়তা প্রদান করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার সোলেমান কুলিবালি বলেন, ‘বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা আমন এবং বোরো ধান মৌসুমের ওপর নির্ভরশীল। এই দুই মৌসুম মিলিয়ে দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে। এছাড়াও দেশের প্রায় অর্ধেক জনগণ কৃষি খাতে কর্মরত। তাই সার সরবরাহে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটলে সেটা শুধু খাদ্য নিরাপত্তাকেই ঝুঁকিতে ফেলবে না, দারিদ্র্য বাড়াবে এবং কর্মসংস্থানেও প্রভাব ফেলবে।’

এছাড়া ৭১৩ মিলিয়ন ডলারের ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স’ প্রকল্পের আওতায় জরুরি ব্যয়ের ক্ষেত্রে ত্বরণ সহযোগিতা প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য নগদ সহায়তা ও জীবনযাত্রার সহায়তা। সংকটকালীন সময়ে আয় স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সুরক্ষায় এই সহায়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে।

প্রকল্পের আওতায় জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহেও অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। এর মধ্যে খাদ্য, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম, জ্বালানি এবং পানির মতো অপরিহার্য সেবা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রকল্পের অর্থ আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ছাড় করা হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের লিড ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার লেসলি জেন ইউ করদেরো বলেন, বিশ্বব্যাংকের সংকট প্রস্তুতি ও সাড়া দেওয়ার টুলকিটের মাধ্যমে এ প্রকল্প বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিকভাবে তহবিল পাওয়ার সুযোগ প্রদান করবে। বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাস করে যেসব জায়গায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেখানে সম্পদ বরাদ্দ দেওয়া হবে। এর ফলে আকস্মিক আঘাতের প্রভাব থেকে মানুষ, ব্যবসা এবং কর্মসংস্থানগুলোকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাবিপ্রবির ১৪ শিক্ষককে চাকরি থেকে অব্যাহতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ পি.এম


হাবিপ্রবির ১৪ শিক্ষককে চাকরি থেকে অব্যাহতি

শিক্ষা ছুটি শেষ হয়ে গেলেও হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) অন্তত ১৮ জন শিক্ষক ক্যাম্পাসে ফেরেননি। এদের মধ্যে ১৪ জনকে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চাকুরীচ্যুত করেছে।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষক সংখ্যা প্রায় ৩৯২ জন। এর মধ্যে ৬৯ জন উচ্চতর ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণের জন্য শিক্ষা ছুটিতে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫২ জন বিদেশে এবং ১৭ জন দেশে অবস্থান করছেন। শিক্ষা ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অন্তত ১৮ জন শিক্ষক দেশে ফেরত আসেননি।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, এদের মধ্যে ১৪ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা ২০০৪-এর 4.1 এর f) ধারা অনুযায়ী তাদের চাকরি থেকে অব্যাহতি (চাকরি থেকে বরখাস্ত) দেওয়া হয়েছে। শর্ত অনুযায়ী তাদের কাছ থেকে ছুটিকালীন বেতন ফেরত নেওয়া হয়েছে এবং সেই অর্থের সঙ্গে সুদসহ আদায় করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ইতোমধ্যেই চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা কয়েক কোটি টাকা ফেরত দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে। যারা এখনো ফেরত দেননি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া আরও ৪ জন শিক্ষককে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, যথাযথ জবাব না পেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের অডিট আপত্তিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক পাওনা ছুটিকালীন বেতনসমূহ ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হয়েছে। অন্যথায় পাওনা টাকা আদায়ের জন্য সরকারি পাওনা আদায় (PDR) আইন অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

দেশে না ফেরার কারণে হিসেবে অনেক শিক্ষক বিদেশে স্থায়ী চাকরি বা গবেষণায় যুক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে কেউ দেশে ফেরেননি—এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. আবু হাসান বলেন, বর্তমান প্রশাসন শিক্ষাছুটি শেষে শিক্ষকদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন রয়েছে। যারা নিয়ম অনুযায়ী দেশে ফেরেননি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমরা চাই শিক্ষকরা বিদেশে জ্ঞান অর্জন করে দেশে এসে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেই জ্ঞান ছড়িয়ে দিক। এতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মান আরও বৃদ্ধি পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%