ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বগুড়ায় পানির ট্যাংকারের ধাক্কায় প্রাণ গেল অটোভ্যান চালকের


বগুড়ায় পানির ট্যাংকারের ধাক্কায় প্রাণ গেল অটোভ্যান চালকের

বগুড়ার শেরপুর এলাকায় উল্টো পথে আসা একটি পানির ট্যাংকারের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানের চালক জয়নাল আবেদীন (৪৫) নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় মহাসড়কে অটোভ্যানের আরো দুই যাত্রী গুরুতর আহত হন।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের ঘোগা বটতলা এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত জয়নাল আবেদীন শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের গৌড়তা গ্রামে মো. সেলিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন চালক ছিলেন। এছাড়া তিনি ছোনকা উচ্চবিদ্যালয় ও ছোনকা বাজার জামে মসজিদের সামনে ঝালমুড়ি বিক্রি করতেন।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

জানা যায় যে, শনিবার বিকেলে ঘোগা বটতলা মোড় এলাকায় মহাসড়কে একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান ইউটার্ন নিচ্ছিল। সেই সময় উল্টো পথে আসা আব্দুল মোনেম কম্পানির একটি দ্রুতগামী পানির ট্যাংকার অটোভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ফলে অটোভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ট্যাংকারের চাকায় পিষ্ট হয়ে চালক জয়নাল আবেদীনের মৃত্যু ঘটে।

দুর্ঘটনায় অটোভ্যানে থাকা যাত্রী মো. শাহ আলম (৪০) ও মো. জামাল বখত (৪৫) গুরুতর আহত হয়েছেন।

স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠান। আহত ব্যক্তিরা বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শেরপুর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আইয়ুব আলী জানান, দুর্ঘটনায় জড়িত ঘাতক পানির ট্যাংকারটি আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আছে। এই ঘটনার পর একটি মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন: ফেনীতে যুবদলের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা নিলেন ১০০-এরও বেশি নারী-পুরুষ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ এম


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পালটাপালটি হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবার বেড়ে যাওয়ার ব্যাপারে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পূর্বেই বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতার (এমওইউ) শর্তগুলো ওয়াশিংটন আর মানবে না। শনিবার ইরানও এমওইউ সম্পর্কে একই অবস্থানের কথা জানিয়ে দিয়েছে এবং মার্কিন বাহিনীকে সতর্ক করে দিয়েছে যে, তারা যদি দু-তিন দিন হামলা চালাতে থাকে, তবে তেহরান 'সর্বাত্মক অভিযান' শুরু করবে।গ্রাফিস্পেনযুক্তরাষ্ট্র শনিবার টানা সপ্তম দিনের মতো ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, পারস্য উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও দেশটির বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে ইরান। গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে এমওইউ সই করেছিল। এতে বিভিন্ন ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধ করা, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা, মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং আগামী ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির উদ্দেশ্যে আলোচনা চালানোর প্রতিশ্রুতি ছিল। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ২২ জুন সুইজারল্যান্ডে মধ্যস্থতাকারী কাতার ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের নেতা ও কর্মকর্তারা আলোচনায় বসেন। বৈঠকের পরপরই দুই দেশের মধ্যে নতুন করে পালটাপালটি হামলা শুরু হয় এবং থেমে থেমে তা অব্যাহত ছিল। কিন্তু গতকাল আবারও টানা সপ্তম দিনের মতো ইরানে হামলা চলে। ইরান জানাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে শুধু সামরিক লক্ষ্যবস্তু নয়, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন ও সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোকেও নিশানা করছে। এই নতুন সংঘাত শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছে। এদিকে, শুক্রবার জর্ডানে ইরানের হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দেন যে, আলোচনা না ফিরলে তারা বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে হামলা জোরদার করেছে। এসব ঘটনায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি একটি লিখিত বিবৃতিতে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বারবার সমঝোতা স্মারকের শর্ত লঙ্ঘন করছে। এর ফলে প্রমাণিত হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর 'মূল্যহীন ও অকার্যকর'। এদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা যদি আরও দু-তিন দিন অব্যাহত থাকে, তাহলে তেহরান সর্বাত্মক অভিযান আবার শুরু করবে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শুক্রবার রাতে টানা সপ্তম দিনের হামলায় তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ইরানের নজরদারি ব্যবস্থা, সামরিক রসদ অবকাঠামো, ভূগর্ভস্থ অস্ত্রভান্ডার ও নৌবাহিনীর অবকাঠামোকে নিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে বলা হয়েছে, হরমোজগান প্রদেশে সর্বশেষ মার্কিন হামলায় তিনজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছে। ওই হামলায় দুটি সেতু, একটি সড়ক সুড়ঙ্গ ও টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে ১১৬টি টেলিযোগাযোগ টাওয়ার অচল হয়ে পড়েছে। মার্কিন হামলার জবাবে ইরান কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানে হামলা চালিয়েছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানায়, কুয়েতের একটি তেল স্থাপনা ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার জন্য কয়েকটি উৎপাদন ইউনিট বন্ধ করতে হয়েছে। এছাড়া বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের শেখ ইসা বিমানঘাঁটির বিমান আশ্রয়কেন্দ্র, জ্বালানি সংরক্ষণাগার ও সংযোগকারী সেতুর ওপর হামলাও হয়েছে। এক্ষেত্রে জর্ডানের আল-আজরাক ঘাঁটির জ্বালানি ট্যাংকের ওপর হামলা করেছি বলে দাবি করেছে দেশটি। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় তিন মাস পর শুক্রবার প্রথমবার সৌদি আরবে হামলা চালিয়েছে ইরান। রিয়াদের কাছে আল-খারজে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি এবং লোহিত সাগরের উপকূলের ইয়ানবু এলাকায় সতর্ক সংকেত বেজেছে। জানা গেছে যে, আল-খারজের ওই ঘাঁটিতে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ বা ইরান হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলা শুরুর পর প্রথম পর্যায়ে ১৩ মার্কিন সেনা নিহত হয়। এরপর এক বিমান দুর্ঘটনায় পাইলটের মৃত্যু হয়। জর্ডানে নিহত দুজনসহ মোট নিহতের সংখ্যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ১৬। ইরানের খুজেস্তান প্রদেশের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ দিনে যুক্তরাষ্ট্র ১২টি শহরের ৯৫ স্থানে হামলা চালিয়েছে, ফলে অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন। এই হামলার ফলে বিদ্যুৎ স্থাপনা ও পানি শোধনাগারের পাম্পে হামলা হওয়ার কারণে দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি গ্রামের সুপেয় পানির সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, নতুন করে সংঘাতের শুরুতে ৬ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় অন্তত ৫০ মানুষ নিহত এবং ৫০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাজেম গারিবাবাদি, ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী, জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকের সব প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে চলেছে। এই কারণে তেহরানও ওই সমঝোতার আওতাধীন সব অঙ্গীকার স্থগিত করেছে। খুব দ্রুত যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পালটাপালটি হামলা এখন এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা  । ইরানে টানা হামলার প্রভাব ও মাত্রা প্রতিদিন বেড়ে যাচ্ছে। আর ইরানও উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালিয়ে প্রতিউত্তর দিচ্ছে। তিন মাসের মধ্যে প্রথমবার সৌদি আরবে হামলা হয়েছে এবং সিরিয়ায়ও প্রথম হামলার খবর পাওয়া গেছে। কাতারভিত্তিক আরব পারস্পেকটিভস ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক জেইদান আলকিনানি আলজাজিরাকে বলেন, যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি খুব উদ্বেগজনক। এটি ধীরে ধীরে আরো বিশাল সংঘাতে রূপ নিচ্ছে। আলকিনানির মতে, যুদ্ধ বন্ধে জাতিসংঘ বা আন্তর্জাতিক কোনো সংগঠনের উদ্যোগের অনুপস্থিতি এবং আঞ্চলিক মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা থাকা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক আইনের কার্যকারিতা অভাব খুবই উদ্বেগের বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষায় তেজপাতার পানি পানে মিলতে পারে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ এম


বর্ষায় তেজপাতার পানি পানে মিলতে পারে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা

 

রান্নার স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়াতে ব্যবহৃত পরিচিত মসলা তেজপাতা শুধু খাবারের উপকরণ নয়, বরং এর রয়েছে নানা ভেষজ গুণও। দীর্ঘদিন ধরে আয়ুর্বেদে বিভিন্ন উপায়ে তেজপাতা ব্যবহার হয়ে আসছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা বা হজমের সমস্যায় অনেকেই তেজপাতা ভেজানো অথবা ফোটানো পানি পান করে থাকেন।

তেজপাতায় থাকা পলিফেনল, ফ্ল্যাভনয়েড এবং ভিটামিন সি-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করতে পারে। এই উপাদানগুলো কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে এবং প্রদাহ কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

হজমের সমস্যা কমাতেও তেজপাতার ব্যবহার একটি প্রচলিত পদ্ধতি। এতে থাকা কিছু উপাদান হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে এবং বদহজম, পেটফাঁপা অথবা হালকা পেটের অস্বস্তি কমাতে উপকারী হতে পারে।

কিছু গবেষণায় তেজপাতার উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা ও গ্লুকোজ বিপাকে সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে তেজপাতা কোনোভাবেই ওষুধের বিকল্প নয়; স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হিসেবে এটি গ্রহণের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

তেজপাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য উপাদান হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ পাওয়া গেছে। এগুলো শরীরে প্রদাহ কমাতে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে।

এ ছাড়া তেজপাতায় থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের সময়ে সর্দি-কাশির মতো সাধারণ সমস্যায় অনেকে তেজপাতা ফোটানো পানি পান করেন।

তবে মনে রাখতে হবে, তেজপাতার পানি পান করলেই সব ধরনের রোগ দূর হবে—এমন কোনো প্রমাণ নেই। যেকোনো স্বাস্থ্যসমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাতে ব্যবহার না করেও স্মার্টফোনের চার্জ কেন কমে যায়, জানুন কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ এম


রাতে ব্যবহার না করেও স্মার্টফোনের চার্জ কেন কমে যায়, জানুন কারণ

অনেকেই রাতে ঘুমানোর সময় স্মার্টফোন ১০০ শতাংশ চার্জ করে রাখেন। কিন্তু সকালে উঠে দেখা যায়, কোনও ব্যবহার ছাড়াই চার্জ ৮ থেকে ১০ শতাংশ বা তারও অধিক কমে গেছে। এ কারণে অনেকের মনে হয়, হয়তো ব্যাটারিতে সমস্যা হয়েছে। কিন্তু সব সময় বিষয়টি ব্যাটারির ত্রুটির কারণে ঘটে না।

ফোনের বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম, নেটওয়ার্ক সংযোগ, সফটওয়্যার সেটিংস এবং কিছু ফিচার চালু থাকার জন্য রাতে ধীরে ধীরে ব্যাটারির চার্জ কমে যেতে পারে।

ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপগুলি

অনেক অ্যাপ ব্যবহৃত না হলেও পেছনে সক্রিয় থাকে। ই-মেইল সিঙ্ক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোটিফিকেশন, ক্লাউডে তথ্য সংরক্ষণ এবং লোকেশন আপডেটের মতো কাজ চলতেই থাকে। এগুলো প্রসেসর ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে, যার ফলে ধীরে ধীরে ব্যাটারির শক্তি কমে যেতে পারে।

দুর্বল নেটওয়ার্কের প্রভাব

যদি রাতের বেলায় ফোন এমন কোনো স্থানে থাকে যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল, তাহলে ডিভাইসটি বারবার নেটওয়ার্ক টাওয়ারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করে। এই ক্রমাগত সিগন্যাল খোঁজার প্রক্রিয়া ব্যাটারির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে এবং ফোনটি ব্যবহার না করলেও চার্জ দ্রুত কমে হতে পারে।

ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং লোকেশন সার্ভিসগুলোর সক্রিয়তা

অনেক ব্যবহারকারী রাতে ফোন রেখে যাওয়ার আগে ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ বা জিপিএস বন্ধ করেন না। এসব ফিচার সক্রিয় থাকলে ফোন নিয়মিত নেটওয়ার্ক বা আশপাশের ডিভাইস খুঁজতে শুরু করে। এতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ব্যাটারির শক্তি খরচ হয়।

সফটওয়্যার বা অ্যাপের সমস্যা

কখনও কখনও কোনো অ্যাপের ত্রুটি বা সফটওয়্যারের বাগের কারণে ফোনের প্রসেসর অস্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে। ফলে ফোন স্লিপ মোডে থাকলেও ব্যাটারি স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত শেষ হতে পারে। নিয়মিত সফটওয়্যার ও অ্যাপ আপডেট করলে এধরনের সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে কমানো সম্ভব।

পুরনো ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া

লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর ধীরে ধীরে তার ধারণক্ষমতা আয়ত্তে রাখে। ফলে আগের মতো চার্জ ধরে রাখতে পারে না। ব্যাটারি পুরনো হলে ফোন ব্যবহার না করলেও চার্জ দ্রুত কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ব্যাটারির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা জরুরি।

অতিরিক্ত নোটিফিকেশন এবং স্বয়ংক্রিয় সিঙ্ক

সারারাত ধরে বিভিন্ন অ্যাপের নোটিফিকেশন আসা, ছবি বা ফাইল ক্লাউডে আপলোড হওয়া এবং স্বয়ংক্রিয় আপডেট চলতে থাকলে ব্যাটারির ওপর প্রভাব পড়ে। ছোট ছোট এই কার্যক্রম মিলিত হয়ে রাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চার্জ খরচ হতে পারে।

তাপমাত্রার প্রভাব

অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা পরিবেশেও ব্যাটারির কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে। তাই ফোনকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখা উচিত এবং সরাসরি রোদ বা অতিরিক্ত গরম জায়গায় দীর্ঘ সময় রাখা এড়িয়ে চলা ভালো।

রাতের বেলায় অপ্রয়োজনীয় চার্জ ক্ষয় কমানোর উপায়

ঘুমানোর আগে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ করা, প্রয়োজন না হলে ব্লুটুথ ও লোকেশন সার্ভিস বন্ধ রাখা এবং দুর্বল নেটওয়ার্ক এলাকায় এয়ারপ্লেন মোড ব্যবহার করতে পারেন। পাশাপাশি নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট করা, ব্যাটারির অবস্থা পরীক্ষা করা এবং বেশি চার্জ খরচ করে এমন অ্যাপ নিয়ন্ত্রণে রাখলে রাতভর ব্যাটারি ক্ষয় অনেকটাই কমানো সম্ভব।

সূত্র- টেক অ্যাডভাইজর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হত্যাকাণ্ডের দেড় মাস পরেও ব্যবসায়ী শামীমের মাথা উদ্ধার হয়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ এম


হত্যাকাণ্ডের দেড় মাস পরেও ব্যবসায়ী শামীমের মাথা উদ্ধার হয়নি

গত ৮ জুন বরগুনার গৌরীচন্না এলাকার একটি খাল থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ী শামীমের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই দিনই অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন নিহতের স্ত্রী রোকসানা।

এরপর এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একে একে ছয়জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পরে পর্যায়ক্রমে সবার রিমান্ডও মঞ্জুর করেন আদালত।

তবুও এখন পর্যন্ত শামীমের মাথা উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গৌরীচন্না এলাকার খালের যে স্থান থেকে শামীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়, সেই স্থান ও এর আশপাশের এলাকায় দফায় দফায় তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ।

এ ছাড়া একাধিকবার খালে জাল টেনে শামীমের মাথার সন্ধান চালিয়েছে ডিবি পুলিশ।

কিন্তু মাথার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তবে পুলিশ বলছে, শিগগিরই শামীমের মাথা উদ্ধার করা হবে।

এ দিকে শামীম হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে এখন পর্যন্ত যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা হলেন: সজীব, শ্যামল, সফিক, দূর্জয়, সাগর এবং শিমুল।

মামলাটির তদন্ত করছে জেলা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি)।

এ বিষয়ে গৌরীচন্না বাজারের ব্যবসায়ী মো. ফরিদ হোসেন বলেন, ‘ঘটনার দিন সন্ধ্যায় শামীম আমার দোকানে এসে চা খেয়ে রাত ৯টার দিকে পাশের দোকানে যায়।

এরপর আমি দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যাই।

পরে শুনতে পাই শামীমকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

পরবর্তী সময়ে খালের মধ্যে তার মাথাবিহীন মরদেহ পাওয়া যায়।

কিন্তু ওই ঘটনার এক মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত শামীমের মাথাটি উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।’

এ বিষয়ে নিহত শামীমের প্রতিবেশী আফরুজা আক্তার সাথী বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের পর ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

কিন্তু গ্রেফতাররা আসল আসামি কিনা, তা আমরা জানি না।

যদি তারা মূল আসামি হয়, তাহলে এক মাস পার হলেও এখনও কেন প্রশাসন মাথাটি উদ্ধার করতে পারেনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই, ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হোক এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক।

কিন্তু অন্য কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয়।’

নিহত ব্যবসায়ী শামীমের ছেলে মো. নাইম বলেন, ‘আমাদের পরিবারের একমাত্র ভরসাই ছিল আমার বাবা।

আমাদের সব চাহিদা তিনিই পূরণ করতেন।

এখন আর আমাদের চাহিদা পূরণের কেউ নেই।

প্রশাসনের কাছে আমার একটাই চাওয়া, বাবার মাথাটি উদ্ধারসহ জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করুক।’

এ বিষয়ে শামীমের স্ত্রী রোকসানা বলেন, ‘এক মাসেরও বেশি হয়েছে আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে।

ছয়জনকে গ্রেফতার করলেও আমার স্বামীর মাথাটি এখন পর্যন্ত পাইনি।

তবে তাদের সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেফতার করছে।

কারণ আমি কারও নাম উল্লেখ করে মামলায় অভিযোগ দিতে পারিনি।

আমি প্রশাসনের কাছে বিচার চাই এবং স্বামীর মাথাটা উদ্ধারের দাবি জানাই।’

এ বিষয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা বলেন, ‘এটি একটি নির্মম হত্যাকাণ্ড।

ঘটনার পরপরই মামলা রুজু হয়েছে।

বিভিন্ন ধরনের আলামত পর্যালোচনা করে পরপর ছয় আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে।

পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ড মঞ্জুর করে তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

আমরা নিশ্চিত- যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, এই ছয়জনের মধ্যে তারা আছেন।

তবে এর বাইরেও আরও দুই একজন থাকতে পারেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য অনুযায়ী ওই খালের মধ্যের বিভিন্ন জায়গায় জাল দিয়ে আমরা শামীমের মাথা খুঁজেছি।

কিন্তু একটি সমস্যা হলো- ওই খালে স্রোত এবং একটি স্লুইসগেট আছে।

ওই গেট থেকে মাথাটি বের হয়ে যদি বড় নদীতে চলে যায় তাহলে মাথাটি পাওয়ার আশা কম।

তবুও আমরা আশাবাদী- মাথাটি উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%