মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,
০৪:২৩ পি.এম
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সীমানা বর্ধিতকরণ সম্পর্কিত সুপারিশ প্রণয়নের উদ্দেশ্যে এক গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারী নাগরিক, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁদের নিজ নিজ মতামত, পরামর্শ ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন।
গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক, জনাব মোঃ রায়হান কবির। এসময় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, স্থানীয় বাসিন্দা এবং অন্যান্য অংশীজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
এটি ছিল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কার্যক্রম, নারায়ণগঞ্জের মধ্যে। || ২৭ জুলাই, ২০২৬ খ্রি.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় টাস্কফোর্স অভিযান চালিয়ে ৯ এ্যাম্পুল বুপ্রেনরফিন হাইড্রোক্লোরাইডযুক্ত লিজেসিক ইঞ্জেকশনসহ মোঃ মেহের আলী (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।
এ অভিযানটি সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) দুপুর ১২:৫০ থেকে ১:২০ মিনিটের মধ্যে সদর মডেল থানাধীন ইসলামপুর এলাকায় বাস্তবায়িত হয়।
ডিপার্টমেন্ট অব ড্রাগ কন্ট্রোল (ডিএনসি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক (ডিডি) চৌধুরী ইমরুল হাসান জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইসলামপুর গ্রামস্থ এলাকায় টাস্কফোর্সের একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ সবুর আলীর ছেলে মোঃ মেহের আলীকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় অবৈধ ৯ এ্যাম্পুল ক্ষতিকারক বুপ্রেনরফিন হাইড্রোক্লোরাইডযুক্ত লিজেসিক ইঞ্জেকশন।
এ ঘটনায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে আসামির বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। ডিএনসি জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে টাস্কফোর্সের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১ম পত্র, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র বিষয়ে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সেই সাথে ৩টি বিষয়ে ২ হাজার ১০৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সালাহ্উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ১৯৩টি কেন্দ্রে মোট ৭২ হাজার ২৬৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭০ হাজার ১৫৯ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। অবশিষ্ট ২ হাজার ১০৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৯১ শতাংশ পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কুমিল্লা জেলায় ৭০৯ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩০১ জন, চাঁদপুরে ১২৮ জন, ফেনীতে ১৮২ জন, নোয়াখালীতে ৫৭২ জন এবং লক্ষ্মীপুর জেলায় ২১৩ জন অনুপস্থিত ছিল।
এছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে কুমিল্লা জেলায় ১ জন, নোয়াখালীতে ৩ জন এবং ফেনীতে ১ জনসহ মোট ৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
তিনি সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, "হেফাজতে ইসলামকে নির্মূল করার উদ্দেশ্যে তৎকালীন সরকারের পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ মিলে একটি নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়।" তবে, এই ঘটনার পর এ নিয়ে করা মামলাটির কোনো তদন্তকাজ চালানো হয়নি। বহু চেষ্টা করা সত্ত্বেও এই হত্যাকাণ্ডের কোনো তদন্ত বা বিচার পায়নি হেফাজতে ইসলাম। অবশেষে, এ ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "আমি ট্রাইব্যুনালের দায়িত্বভার নেওয়ার পর চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডের মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছি।" দ্রুত তদন্ত শেষ করে বিচারের সম্মুখীন করার জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। কেননা, "শিশুসহ আলেম-ওলেমাদের নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। এটি জেনোসাইড তথা গণহত্যা ছিল।" দেশের ইতিহাসে এমন বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড কখনও ঘটেছে বলেও তিনি জানান।
আমিনুল ইসলাম বলেন, "কিছু ব্লগার বা নাস্তিকদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে একটি ইসলামিক গোষ্ঠী বা একটি ইসলামিক গ্রুপকে নির্মূল করে দেওয়ার জন্য হেফাজতে ইসলামের মতো একটি সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ চালায় তৎকালীন সরকার।" তিনি আরও জানান, "আমরা মোট ৬১ জন শহীদের তালিকা পেয়েছিলাম। এর মধ্যে ৫৮ জনের নাম-ঠিকানা শনাক্ত করা হয়েছে।" এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, "আজ দুটি ঘটনার ওপর আমরা চার্জ দিয়েছি। একটি হলো শাপলা চত্বরে ৫ মে মধ্যরাতে নারকীয় ঘটনায় ৩২ জন শহীদ, আরেকটিতে ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২০ জন মানুষকে হত্যা করার ঘটনা আনা হয়েছে।" এবং "এ সবকিছুই জেনোসাইড ছিল।" এই দুটি চার্জে ৪১ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম ইন্নার পা কেটে ফেলা, ইসলামিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাফিন আহমেদ জিসানকে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি ও তার মাকে প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির হুমকিসহ গালিগালাজ করার প্রতিবাদে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছানোয়ার হোসেন সানুকে গ্রেপ্তার ও বহিষ্কারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মা শাপলা আহমেদ।
মা শাপলা আহমেদ বলেন, তিনি পরিবারের নিরাপত্তা সুরক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে, তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এসময় তিনি বলেছিলেন যে, যদি তার দাবি বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে তিনি আমরণ অনশনে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
আজ সোমবার দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান শাপলা আহমেদ।
তিনি অভিযোগ করেন, গত রোববার (২৬ জুলাই) রাতে ফোন করে তার ছেলে শাফিন আহম্মেদ জিসানকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছানোয়ার হোসেন সানু। একইসঙ্গে তাকে উদ্দেশ্যে করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেছেন এবং তার স্বামী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম ইন্নার পা কেটে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এটি একজন মা, স্ত্রী ও নারী হিসেবে তার সম্মানহানি। এছাড়া এর একটি কল রেকর্ড ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
শাপলা আহমেদ আরও করেছেন বলেন, গত রোববার (২৬ জুলাই) রাতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছানোয়ার হোসেন সানু তার ছেলে জিসানকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছেন এবং তাকে উদ্দেশ্যে করে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করেছেন, যা একজন মা ও নারী হিসেবে তার সম্মানে আঘাত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদকের সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাচন নিয়ে করা একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ওই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। পরে তার ছেলে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দান করে সেটি ফেসবুকে পোস্ট করেন, এরপরই ছানোয়ার হোসেন সানু ফোনে হত্যার হুমকি দেন এবং তাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন।
মা শাপলা আহমেদ তার ছেলে ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ছানোয়ার হোসেন সানু এবং তার ভাই সনি আহমেদ শামীমকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। তিনি আরো জানান, দাবি আদায় না হলে আগামীকাল (মঙ্গলবার) সকালে ১০ টা থেকে আমরণ অনশনে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
এর আগে ১৪ই জুন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম ইন্না। পাশাপাশি জেলার পুলিশ সুপারের নিকট অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।
এসময় শাফিন আহমেদ জিসানের দাদি সাবেক কাউন্সিলর বেগম খালেদা মান্নান, চাচা জেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম মিন্টু এবং জেলা বিএনপির সহপ্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ