বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৫:২৩ পি.এম
টাঙ্গাইল, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার বাসাইলে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা মৎস্য দপ্তর। এ অভিযানে ১৩০টি অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল এবং কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায়, উপজেলায় অবস্থিত ফুলকি ইউনিয়নের নুন্দা বিল ও বাদিয়াজান প্লাবনভূমিতে উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা মৎস্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিয়ান মুনসীফ।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, দেশীয় মৎস্য সম্পদ রক্ষার উদ্দেশ্যে পরিচালিত এ বিশেষ অভিযানে ১৩০টি অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল এবং ৬৫০ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত ২৬০০ মিটার দীর্ঘ জালের বাজার মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা। এরপর আইনগত প্রক্রিয়ায় জালগুলোকে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
তিনি আরো জানান, দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষার্থে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ অভিযানে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাসিবুল ইসলাম, বাসাইল থানার সাব-ইন্সপেক্টর মো. রুহুলসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, গ্রাম পুলিশ, ফুলকি ইউনিয়ন পরিষদ এবং মৎস্য দপ্তরের কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে একটি নতুন বাহিনী গঠন করতে যাচ্ছে, যা হচ্ছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এই লক্ষ্যে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর একটি খসড়া সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। জনসাধারণের জন্য এই বিষয়ে মতামত প্রদান করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, খসড়াটির চূড়ান্ত উপস্থাপন শেষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত নিয়ে এটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেলেই আইনটি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে। নতুন আইন কার্যকর হলে র্যাব-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনি ভিত্তি বিলুপ্ত হবে। তবে নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত আগের কিছু বিধান কার্যকর থাকবে।
খসড়া আইনে র্যাবের বর্তমান কাঠামোকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে বিশেষায়িত এটি ইউনিট গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি, বাহিনীটির দায়িত্ব, অভিযান পরিচালনার ক্ষমতা, মামলা তদন্ত, সদস্যদের শৃঙ্খলা এবং নাগরিক অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য আলাদা কমিটি গঠনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
নতুন ইউনিটের জন্য সরকার নির্ধারিত একটি প্রতীক (লোগো), পতাকা এবং সুনির্দিষ্ট পোশাক থাকবে, খসড়ার মধ্যে এটি উল্লেখ করা হয়েছে। খসড়া আইন অনুযায়ী, এসআরবি হবে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে একটি বিশেষায়িত ইউনিট। এই ইউনিটের নেতৃত্বে থাকবেন অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটালিয়ন, কোম্পানি, প্লাটুন ও সেকশন গঠন করা যাবে।
বাহিনীর সদর দপ্তর থাকবে ঢাকায়, তবে দেশের যেকোনো স্থানে ইউনিট স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে। শুধু পুলিশ নয়, অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রেষণে এনে এই ইউনিট গঠন করা যাবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সদস্যদের নির্ধারিত শর্তাধীনে চাকরিতে প্রেষণে নিযুক্ত বা অস্থায়ীভাবে সংযুক্ত করা যাবে। প্রেষণে নিয়োগের মেয়াদ ন্যূনতম দুই বছর রাখতে হবে।
এই খসড়া আইনে দেখা যায়, ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করে এসআরবির সদস্যরা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তার করতে পারবেন। মাদক, অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, সন্ত্রাসী আস্তানা, মানবপাচার, সংঘবদ্ধ অপরাধ, সাইবার অপরাধ এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযান পরিচালনার ক্ষমতা থাকবে তাদের।
এছাড়া, আদালত, সরকার বা পুলিশ আইজিপির নির্দেশে ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত পরিচালনার সুযোগ রাখা হয়েছে। তদন্ত পরিচালনা করবেন অন্তত সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তা এবং পুরো প্রক্রিয়ায় ফৌজদারি কার্যবিধি ও পুলিশ রেগুলেশন অনুসরণের বাধ্যবাধকতা থাকবে।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) হাজতখানা, মালখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ থাকবে, সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী। জব্দ মালামাল আদালতের আদেশমতে বা সরকারের বিধি মোতাবেক নিষ্পত্তি করতে হবে।
‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হলো অভিযোগ প্রতিকার কমিটি। র্যাবের বিরুদ্ধে অতীতে ওঠা নানা অভিযোগের প্রেক্ষাপটে নতুন বাহিনীর জবাবদিহি বাড়ানোর উদ্যোগ হিসেবে এটিকে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রতিকার কমিটির সভাপতি হবেন এসআরবির একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক। সদস্য হিসেবে থাকবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, পুলিশ সদর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা, পরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া) এবং মানবাধিকার, আইন বা বিচার প্রশাসনে অন্তত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সরকার মনোনীত একজন ব্যক্তি।
কমিটি নাগরিকদের অভিযোগ তদন্ত করতে পারবে। প্রয়োজনে আলাদা অনুসন্ধান দল গঠন করতে পারবে এবং অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করবে। বাহিনীর কার্যক্রমে অবৈধ প্রভাব, হয়রানি বা অনিয়মের অভিযোগেরও পর্যালোচনা করতে পারবে এই কমিটি।
অভিযোগ প্রতিকার কমিটি অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ প্রদান করতে পারবে। ইউনিটের কার্যক্রমে বিধিবহির্ভূত প্রভাব, পদোন্নতি, পদায়ন, বিভাগীয় শাস্তি, হয়রানি বা অন্যায় আচরণ সংক্রান্ত ক্ষোভ নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষে পরামর্শ দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
অন্তত সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তারা গঠিত দল নিয়ে অভিযোগের তদন্ত পরিচালনা করবেন। ইউনিটের আইনানুগ কার্যক্রমে কোনো ব্যক্তি বা সত্তা বিধিবহির্ভূত এবং অযাচিত প্রভাব বিস্তার করলে এবং সেই অনুসন্ধানে প্রমাণিত হলে, ওই ব্যক্তি বা সত্তার বিরুদ্ধে দায়-দায়িত্ব নিরূপণপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করবে অভিযোগ প্রতিকার কমিটি।
খসড়া আইনে নতুন বাহিনীর সদস্যদের শৃঙ্খলা এবং আচরণবিধি বিস্তারিতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। সদস্যদের দায়িত্ব পালনকালে মাদকাসক্ত থাকা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করা, দায়িত্ব অবহেলা, বেআইনি অর্থ আদায়, সরকারি অস্ত্র কিংবা সরঞ্জামের অপব্যবহার, অপরাধীকে পালাতে সহায়তা করা এবং জুয়া ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার মতো অপরাধের জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে।
অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট সদস্যকে নিজ বাহিনীতে ফেরত পাঠিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও খসড়ায় বলা হয়েছে। আইনের খসড়া অনুযায়ী, এসআরবির সদস্য যদি শৃঙ্খলা লঙ্ঘন অথবা অন্য কোনো ফৌজদারি অপরাধ করে পালিয়ে যায়, তাহলে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক তাকে গ্রেফতার করে সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়নে সোপর্দ করবেন।
পলাতক সদস্যের স্থায়ী অথবা বর্তমান বাসস্থান যে থানায় অবস্থিত, সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অনুরোধ করবেন এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওই অনুরোধকে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট জারি করা পরোয়ানা হিসেবে গণ্য করে পলাতক সদস্যকে ব্যাটালিয়নে সোপর্দ করবেন।
খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন আইন কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে র্যাবের সব সম্পদ, জনবল, তহবিল, দায়-দায়িত্ব, চলমান মামলা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং বিদ্যমান চুক্তি এসআরবির অধীনে স্থানান্তরিত হবে। নতুন বিধিমালা না হওয়া পর্যন্ত র্যাবের বিদ্যমান বিভাগীয় কার্যবিধি প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ কার্যকর থাকবে।
র্যাব প্রতিষ্ঠার পর বিভিন্ন সময় বাহিনীটির বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে সরকারের নতুন নামে বাহিনী গঠনের উদ্যোগকে একটি কাঠামোগত সংস্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যদিও বাহিনীর নাম ও সাংগঠনিক কাঠামোয় কিছু পরিবর্তন এসেছে, তবে অভিযান পরিচালনা, গ্রেফতার, তল্লাশি ও তদন্তের মৌলিক ক্ষমতার বড় অংশই বহাল রাখা হয়েছে। নতুন সংযোজন হিসেবে এসেছে অভিযোগ প্রতিকার কমিটি এবং সদস্যদের জন্য আরও স্পষ্ট শৃঙ্খলা বিধি।
২০০৪ সালের ২৬ মার্চ র্যাব বা র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন গঠিত হয়েছিল। একই বছরের ১৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে বাহিনীটি। গত দুই দশকের বেশি সময় ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে র্যাব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ধামরাইয়ে এক ইটবোঝাই ট্রাকের চাপায় নিহত হয়েছেন একজন মোটরসাইকেল আরোহী। এই ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার কালামপুর-সাটুরিয়া আঞ্চলিক সড়কের মধুডাঙ্গা এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম বজলুর রহমান (৬৫), তিনি উপজেলার বড় কাঠালিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় একজন পশু চিকিৎসক ছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ভোরে কালামপুরগামী একটি ইটবোঝাই ট্রাক মধুডাঙ্গা এলাকায় চলার সময় হঠাৎ একটি শিশু সড়কের ওপর চলে আসে। এই শিশুটিকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রাকচালক দ্রুত ব্রেক দেন, ফলে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের দিকে ছিটকে পড়ে।
এ সময় নিয়ন্ত্রণহীন ট্রাকটি সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মোটরসাইকেলের ওপর উঠিয়ে দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়, এবং এর আরোহী বজলুর রহমান ঘটনাস্থলেই মারা যান।
অপরদিকে, ট্রাকের চালকসহ আরও তিনজন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে একজনের অবস্থা যখন খারাপ হতে শুরু করে, তখন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনাস্থল ও নিহতের বাড়ি কাছাকাছি হওয়ায়, তার স্বজনরা মরদেহ নিয়ে গেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে নিয়ে এনসিবির নেতার নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর কুটুক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন নারায়ণগঞ্জের বিএনপি'র সংগঠনের পক্ষ থেকে।
৬ই আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে, বৃহস্পতিবার, দুপুর ২ ঘটিকার সময়, ডি আই টি আলমাস পয়েন্ট থেকে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ একত্রিত হয়ে, বৃষ্টির অপেক্ষা করে, হাজার হাজার নেতৃবৃন্দ নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর কটুক্তির প্রতিবাদে বিচারের দাবিতে বিশাল এক মিছিল নিয়ে নারায়ণগঞ্জের প্রধান প্রধান সড়কে অতিক্রম করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট সাখাওয়াত ইসলাম খান, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, নারায়ণগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, বি কে এম এর পরিচালক, আমলাপাড়া সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ সরদার, স্বেচ্ছাসেবক মহানগরের আহ্বায়ক সাখাওয়া ত হোসেন রানা, ১২ নাম্বারে সাবেক কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকূ, ছাত্রদলের নেতা শাহেদ, মনিরুল ইসলাম সজল আহ্বায়ক যুবদল নারায়ণগঞ্জ মহানগর, মনোয়ার হোসেন শোভন সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক বিএনপি, এবং তানভীর সরদার, মোহাম্মদ আমিন সরদার, শহর নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন বিএনপি নেতৃবৃন্দ, নারায়ণগঞ্জ ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিজানুর রহমান রনি মল্লিক সহ আরো অনেক নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়া, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : আজ জেলায় পালিত হয়েছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণ দিবস। ঠিক ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে, তথা ২২ শ্রাবণ, কলকাতার জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রবীন্দ্রনাথ বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা।
এই উপলক্ষে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঐতিহাসিক শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়িতে আজ সীমিত পরিসরে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে, যথা বেলা ১১টায়, কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। এরপরে গীতাঞ্জলি মিলনায়তনে স্মরণসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও রবীন্দ্রপ্রেমীরা অংশগ্রহণ করেন।
তবে স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমী এবং রবীন্দ্রভক্তদের অবস্থান হলো, বিশ্বকবির জন্মবার্ষিকী পালন করার মতো তাঁর প্রয়াণ দিবসও রাষ্ট্রীয়ভাবে আরও ব্যাপক ও মর্যাদাপূর্ণ উপায়ে পালন করা উচিত।
রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির কাস্টোডিয়ান মো. আল-আমীন বলেন, "প্রতি বছরই আমরা বিশ্বকবির প্রয়াণ দিবস যথাযথ শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করি। আজও তাঁর সমাধি স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।" তিনি আরও জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনায় স্মরণসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদারি তদারকির কাজে প্রায়শই শিলাইদহে এসেছেন এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ও এখানে কাটিয়েছেন। পদ্মা নদীর তীরের এই কুঠিবাড়িতে তিনি বাংলা সাহিত্যের অসংখ্য কালজয়ী কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটক, ভ্রমণকাহিনি, চিঠিপত্র এবং শিশুসাহিত্য রচনা করেছেন। তাঁর সাহিত্যসৃষ্টির পাশাপাশি, তিনি ছিলেন গীতিকার, সুরকার, চিত্রশিল্পী, শিক্ষাবিদ এবং সমাজসংস্কারক। গ্রামীণ উন্নয়ন, শিক্ষাবিস্তার এবং কৃষকদের জন্য কৃষিঋণ ব্যবস্থা চালু করার মতো নানা সামাজিক উদ্যোগেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ