প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুষ্টিয়া, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : আজ জেলায় পালিত হয়েছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণ দিবস। ঠিক ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে, তথা ২২ শ্রাবণ, কলকাতার জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রবীন্দ্রনাথ বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা।
এই উপলক্ষে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঐতিহাসিক শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়িতে আজ সীমিত পরিসরে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে, যথা বেলা ১১টায়, কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। এরপরে গীতাঞ্জলি মিলনায়তনে স্মরণসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও রবীন্দ্রপ্রেমীরা অংশগ্রহণ করেন।
তবে স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমী এবং রবীন্দ্রভক্তদের অবস্থান হলো, বিশ্বকবির জন্মবার্ষিকী পালন করার মতো তাঁর প্রয়াণ দিবসও রাষ্ট্রীয়ভাবে আরও ব্যাপক ও মর্যাদাপূর্ণ উপায়ে পালন করা উচিত।
রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির কাস্টোডিয়ান মো. আল-আমীন বলেন, "প্রতি বছরই আমরা বিশ্বকবির প্রয়াণ দিবস যথাযথ শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করি। আজও তাঁর সমাধি স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।" তিনি আরও জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনায় স্মরণসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদারি তদারকির কাজে প্রায়শই শিলাইদহে এসেছেন এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ও এখানে কাটিয়েছেন। পদ্মা নদীর তীরের এই কুঠিবাড়িতে তিনি বাংলা সাহিত্যের অসংখ্য কালজয়ী কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটক, ভ্রমণকাহিনি, চিঠিপত্র এবং শিশুসাহিত্য রচনা করেছেন। তাঁর সাহিত্যসৃষ্টির পাশাপাশি, তিনি ছিলেন গীতিকার, সুরকার, চিত্রশিল্পী, শিক্ষাবিদ এবং সমাজসংস্কারক। গ্রামীণ উন্নয়ন, শিক্ষাবিস্তার এবং কৃষকদের জন্য কৃষিঋণ ব্যবস্থা চালু করার মতো নানা সামাজিক উদ্যোগেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন