ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সুদানের আরএসএফ নেতা মোহাম্মদ হামদান দাগালোকে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত


সুদানের আরএসএফ নেতা মোহাম্মদ হামদান দাগালোকে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত

সুদানের একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালত মোহাম্মদ হামদান দাগালো (হেমেত্তি) এবং তার দুই ভাইসহ ১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। যা রবিবার আদালতে মনোনীত কাউকে উপস্থিত না রেখে করা হয়।

আদালত মূলত এক আঞ্চলিক গভর্নরকে হত্যার পাশাপাশি যুদ্ধকালীন সময়ে সংঘটিত নৃশংসতার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এই রায় প্রদান করে। এই রায় পশ্চিম দারফুরের রাজধানী এল জেনেইনায় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা দায়ের করার পর দেওয়া হয়।

২০২৩ সালের জুনে, আরএসএফ যোদ্ধারা পশ্চিম দারফুরের গভর্নর খামিস আবাকারকে আটক করে তাদের স্থানীয় সদর দপ্তরে নিয়ে গিয়েছিল। অভিযোগ উঠেছে যে, আঞ্চলিক কমান্ডার আবদুল রহমান জুমা বারকাল্লাহর উপস্থিতিতে তাকে সেখানে হত্যা করা হয়।

আরও পড়ুন: আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনকে লজ্জাজনক বললেন নেতানিয়াহু

এই হত্যার পরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় যে, তার মরদেহ বিকৃত করা হচ্ছে। পোর্ট সুদানের আদালতের বিচারক এক বিবৃতিতে জানান, মোহাম্মদ হামদান দাগালো (হেমেত্তি), তার ভাই আবদেলরহিম দাগালো ও আল-কনি হামদান দাগালোসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডের মধ্যে রয়েছে আঞ্চলিক কমান্ডার আবদুল রহমান জুমা বারকাল্লাহ, সাবেক ডেপুটি গভর্নর এল-তিজানি আল-তাহির কারশুম, আরএসএফের বর্তমান রাজ্য কমান্ডার ইদ্রিস হাসান হারুন, কিছু আরব গোত্রপ্রধান এবং আরএসএফ-সমর্থক এক কর্মী। আদালত ১৬ জন আসামিকে মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা, ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ, সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস এবং নিষিদ্ধ যুদ্ধকৌশল ব্যবহারের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছে।

এছাড়া, আদালত আরএসএফের সব সম্পদ সুদানের সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। এতে করে দণ্ডপ্রাপ্তদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ প্রদানের কথা জানানো হয়।

বিচারক মন্তব্য করেন যে, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার মতো আন্তর্জাতিক অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা প্রযোজ্য নয়। পাশাপাশি সুদানের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার কারণে এসব অপরাধ রাজনৈতিক ক্ষমার আওতায়ও এসে না। আদালতে একটি রায়ে উল্লেখ করা হয় যে, পরিকল্পিতভাবে সম্পত্তি ধ্বংস ও লুটপাট এবং বেসামরিক মানুষ, আবাসিক এলাকা, স্কুল ও উপাসনালয়ের ওপর হামলার জন্য আরএসএফ প্রধান হেমেত্তি আইনগতভাবে দায়ী।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

অন্যদিকে, আবদেলরহিম দাগালোকেও এল জেনেইনা শহর অবরোধ পরিকল্পনা, বাসিন্দাদের ওপর কঠিন পরিস্থিতি চাপিয়ে দেওয়া, বেসামরিক লোকজনকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার এবং মাসালিত জাতিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যায় অংশগ্রহণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। আদালত আল-কোনি দাগালোকে এল জেনেইনায় হামলায় সহায়তা প্রদান করার কারণে দোষী সাব্যস্ত করেছে। বিচারকের মতে, তিনি জানতেন যে, আরএসএফ বাহিনী সেখানে নৃশংসতা চালাচ্ছে, তবুও হামলায় সহযোগিতা করেছিলেন। আবদুল রহমান জুমা বারকাল্লাহকে মাসালিত অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে পরিকল্পিত হামলার সময় আরএসএফ ও তাদের মিত্র মিলিশিয়াদের নেতৃত্ব দেবার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এসব হামলায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল।

২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে সহিংসতা বেড়ে গেলে মাসালিত সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষ এল জেনেইনা ও পশ্চিম দারফুরের অন্যান্য অঞ্চল ছাড়তে বাধ্য হয়ে পূর্ব চাদের সীমান্তে আশ্রয় নিতে গিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বায়োপিকে দীপিকাকে দেখতে চান হেমা মালিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৫ পি.এম


বায়োপিকে দীপিকাকে দেখতে চান হেমা মালিনী

 

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ও রাজনীতিবিদ হেমা মালিনী বলেছেন, যে দিন তার জীবন নিয়ে বায়োপিক নির্মাণ হবে, তখন দীপিকা পাড়ুকোন তাঁর চরিত্রে অভিনয়ের জন্য একটি উপযুক্ত পছন্দ হতে পারেন।

চলচ্চিত্রে নিজের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

হেমা মালিনী জানিয়েছেন, ‘যদি তিনি চান, তবে অবশ্যই এই চরিত্রে অভিনয় করতে পারেন। যে কেউ করতে পারে। দীপিকা হচ্ছে একজন সুন্দরী ও প্রতিভাবান অভিনেত্রী।’

হেমা মালিনী এবং দীপিকা পাড়ুকোনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে একটি বিশেষ যোগসূত্র রয়েছে। ২০১৫ সালে রাম কমল মুখার্জির লেখা হেমা মালিনীর জীবনীগ্রন্থ ‘হেমা মালিনী : বিয়ন্ড দ্য ড্রিম গার্ল’-এর মোড়ক উন্মোচন করেছিলেন দীপিকা।

এছাড়া দীপিকার অভিষেক চলচ্চিত্র ‘ওম শান্তি ওম’-এ তিনি ‘শান্তিপ্রিয়া’ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। হেমা মালিনী দীর্ঘকাল ধরেই বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’ নামে পরিচিত। এই দুজনের মিলকেও তাদের বিশেষ সংযোগের একটি দিক হিসেবে দেখা হয়।

চলচ্চিত্রে ৬০ বছর পূর্তির সম্মানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে, হেমা মালিনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের প্রতি ভালোবাসা এবং সম্মান প্রদর্শনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

হেমা মালিনী ১৯৬৮ সালে ‘স্বপ্নো কা সৌদাগর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক করেছিলেন। তারপরে ‘শোলে’, ‘সীতা অউর গীতা’, ‘ড্রিম গার্ল’, ‘সত্তে পে সত্তা’ ও ‘বাগবান’-সহ বহু জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করার ফলে তিনি বলিউডের অন্যতম কিংবদন্তি অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে গাউছিয়া ট্রেডার্স এর পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রতিবেদন মোঃ শরীফ উদ্দিন

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৬ পি.এম


চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে গাউছিয়া ট্রেডার্স এর পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি

চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত বাঁশখালী উপজেলার অসহায় মানবের পাশে দাঁড়াতে গাউছিয়া ট্রেডার্স ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

গাউছিয়া ট্রেডার্সের পরিচালক মোঃ শরীফ উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটের গাউছিয়া ট্রেডার্সের কার্যালয় থেকে ত্রাণসামগ্রী সংগ্রহ করে বন্যাদুর্গত এলাকার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গাউছিয়া ট্রেডার্সের পরিচালক মোঃ শরীফ উদ্দিন। তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করেন, "মানুষের দুঃসময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা চাই এই ত্রাণসামগ্রী দ্রুত বন্যাকবলিত মানুষের হাতে পৌঁছে যাক। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদেরও এভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।"

ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা বাঁশখালীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হবে।

মানুষ মানুষের জন্য—এই মানবিক বার্তা নিয়ে গাউছিয়া ট্রেডার্সের এই উদ্যোগ এগিয়ে চলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গলায় কাঁচি ধরে শিশুকে ধর্ষণ, ভিডিও করল সহযোগী: গ্রেপ্তার ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৮ পি.এম


গলায় কাঁচি ধরে শিশুকে ধর্ষণ, ভিডিও করল সহযোগী: গ্রেপ্তার ১

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে মুখ চেপে ও গলায় কাঁচি ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক বখাটের বিরুদ্ধে। শুধু এতেই শেষ নয়, ধর্ষণের সেই দৃশ্য মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেছে অপর এক সহযোগী। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে শাল্লা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন— শাল্লা উপজেলার ০২নং হবিবপুর ইউনিয়নের মার্কুলী গ্রামের মহিম উদ্দিনের ছেলে, বখাটে মো: সুফাইল মিয়া (২০) এবং একই গ্রামের নুরুল হকের ছেলে ও ধর্ষণের সহযোগী সায়েক মিয়া (২০)। মামলার এজাহার এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ভিকটিম শিশুটি তাদের বাড়ির পিছনের পুকুরে নিজেদের হাঁস খুঁজতে যায়। সেই সময় সেখানে উত পেতে থাকা বখাটে সুফাইল মিয়া পিছন থেকে শিশুটির মুখ চেপে ধরে এবং গলায় কাঁচি ঠেকিয়ে চিৎকার না করতে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। একপর্যায়ে সুফাইল মিয়া শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। আর এই অপরাধে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করে তার সহযোগী সায়েক মিয়া, যে নিজে মোবাইল ফোনে ধর্ষণের পুরো ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করে। ঘটনার পর আসামিরা বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। লোকলজ্জা ও প্রাণের ভয়ে শিশুটি প্রথমে বিষয়টি গোপন রাখলেও, পরবর্তীতে তার আচরণে পরিবর্তন দেখে মা জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং বিস্তারিত খুলে বলে। এরপর পরিবারের লোকজন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় এসে এজাহার দায়ের করেন। এ বিষয়ে শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রোকিবুজ্জামান এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, প্রধান আসামি সুফাইল মিয়া কে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা (মামলা নং-০৮, জিআর-৭৪) রুজু করা হয়েছে। অন্য আসামি কে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভিকটিম শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দোহার উত্তরের লুসাইল কবরস্থানে দাফন করা হলো শেখ হামাদকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৪ পি.এম


দোহার উত্তরের লুসাইল কবরস্থানে দাফন করা হলো শেখ হামাদকে

শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানিকে দোহায় সমাহিত করা হয়েছে, বিশ্বের অত্যন্ত ধনী ও আধুনিক রাষ্ট্র কাতারের রূপান্তরের কারিগর। স্থানীয় সময় রবিবার (১২ জুলাই) সকালে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। তারপর দোহার ইমাম মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব মসজিদে মাগরিবের নামাজের পর তার জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়েছে।

জানাজার সময় শোকাহত মানুষ কাতারি ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত হয়ে শেখ হামাদের কাফন-মোড়ানো মরদেহের দিকে মুখ করে হাত বেঁধে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। এরপর তার ছেলে ও উত্তরসূরি আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিসহ পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যরা তার মরদেহ মসজিদ থেকে বাইরে নিয়ে আসেন। শেখ হামাদকে দোহার উত্তরে অবস্থিত লুসাইল কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

আল জাজিরার সাংবাদিক জেইন বাসরাভি বলেছেন, অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত ‘সাধারণ’ এবং শেখ হামাদকে একটি ‘সাধারণ কবরে’ সমাহিত করা হয়েছে। বাসরাভি আরও মন্তব্য করেছেন যে, এই সরলতা ইসলামি ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, এবং এটি ‘ফাদার আমির’-এর জীবনযাপনেরও প্রতিফলন। তিনি জাগতিক ঐশ্বর্য বা আড়ম্বরের প্রতি সেভাবে খেয়াল না রেখে বরং নিজের জনগণের কল্যাণের ওপর বেশি মনোনিবেশ করেছিলেন।

১৯৯৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শেখ হামাদের শাসনামলে কাতারের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ২৪ গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। এর পেছনে প্রধান কারণ ছিল দেশের বিশাল গ্যাস সম্পদের উন্নয়নে তার বিশেষ মনোযোগ। ২০০৬ সালের মধ্যেই এই ক্ষুদ্র দেশটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানিতে বিশ্বের শীর্ষস্থানে পৌঁছে যায়।

তিনি ছিলেন একমাত্র আরব নেতা, যিনি ২০১২ সালে গাজার ওপর আরোপিত অবরোধ ভেঙে সেখানে সফর করেছিলেন। তার মৃত্যুতে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কুয়েত চার দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করছে। এই সময়ে উপসারগরীয় দুই দেশেই সব সরকারি দপ্তর এবং বিদেশে অবস্থিত দেশটির দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%