০২:০৮ পি.এম
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে মুখ চেপে ও গলায় কাঁচি ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক বখাটের বিরুদ্ধে। শুধু এতেই শেষ নয়, ধর্ষণের সেই দৃশ্য মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেছে অপর এক সহযোগী। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে শাল্লা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন— শাল্লা উপজেলার ০২নং হবিবপুর ইউনিয়নের মার্কুলী গ্রামের মহিম উদ্দিনের ছেলে, বখাটে মো: সুফাইল মিয়া (২০) এবং একই গ্রামের নুরুল হকের ছেলে ও ধর্ষণের সহযোগী সায়েক মিয়া (২০)। মামলার এজাহার এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ভিকটিম শিশুটি তাদের বাড়ির পিছনের পুকুরে নিজেদের হাঁস খুঁজতে যায়। সেই সময় সেখানে উত পেতে থাকা বখাটে সুফাইল মিয়া পিছন থেকে শিশুটির মুখ চেপে ধরে এবং গলায় কাঁচি ঠেকিয়ে চিৎকার না করতে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। একপর্যায়ে সুফাইল মিয়া শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। আর এই অপরাধে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করে তার সহযোগী সায়েক মিয়া, যে নিজে মোবাইল ফোনে ধর্ষণের পুরো ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করে। ঘটনার পর আসামিরা বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। লোকলজ্জা ও প্রাণের ভয়ে শিশুটি প্রথমে বিষয়টি গোপন রাখলেও, পরবর্তীতে তার আচরণে পরিবর্তন দেখে মা জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং বিস্তারিত খুলে বলে। এরপর পরিবারের লোকজন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় এসে এজাহার দায়ের করেন। এ বিষয়ে শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রোকিবুজ্জামান এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, প্রধান আসামি সুফাইল মিয়া কে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা (মামলা নং-০৮, জিআর-৭৪) রুজু করা হয়েছে। অন্য আসামি কে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভিকটিম শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন