বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৩:৫৯ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড (IMO) এবং ইউরোপীয় বালিকা গণিত অলিম্পিয়াডের (EGMO) বিজয়ী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সাক্ষাৎকালে পদকজয়ী শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং গণিত অলিম্পিয়াডে তাঁদের অংশগ্রহণ, অভিজ্ঞতা ও অর্জনের কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে আরও সাফল্য অর্জনের জন্য শুভকামনা জানান।
এ সময় বাংলাদেশ বালিকা গণিত ফাউন্ডেশন (BGMF) পক্ষ থেকে তৃণমূল পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করতে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এ উদ্যোগে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
স্কুল পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণের জন্য একটি তহবিল গঠনের প্রস্তাব করা হলে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এ বিষয়ে অর্থায়নে তাৎক্ষণিক সম্মতি জানান।
এছাড়া বাংলাদেশ ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াড কমিটির (BdMO) পক্ষ থেকে স্কুল পর্যায়ে Activity-Oriented Mathematics চালুর প্রস্তাব করা হলে প্রধানমন্ত্রী সেটির জন্যও সম্মতি জানান।
স্কুল শিক্ষকদের গণিত দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য ইংরেজি ভাষার দক্ষতা যাচাইয়ে IELTS পরীক্ষার আদলে একটি পৃথক গণিত দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা চালুর প্রস্তাবও উপস্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে গণিতচর্চা ও গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে ভবিষ্যতে সরকারের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তা প্রদান করা হবে।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. এ. এন. এম. এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, ইন্টারন্যাশনাল ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াডের (IMO) জাতীয় কোচ মাহবুবুল আলম মজুমদার, বাংলাদেশ বালিকা গণিত ফাউন্ডেশন (BGMF) এর চেয়ার প্রফেসর সাদিয়া হামিদ কাজী এবং বাংলাদেশ ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াড কমিটির (BdMO) সদস্য মো. আব্দুল হাকিম খান।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদক এবং ইজিএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী মনামী জামান, চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও রৌপ্য পদকজয়ী মো. রায়হান সিদ্দিকী, ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী জাওয়াদ হামীম চৌধুরী, ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী মোহাম্মদ মারজুক রহমান, আনন্দ মোহন কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী তাহসিন খান, রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও আইএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী এম. জামিউল হোসেন, রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও ইজিএমও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী সাজি সেহনাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ১৯ বছর বয়সী এক তরুণীকে অপহরণের পর আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় পুলিশ দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমর উদ্দিন নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পাঁচজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারদের নাম হল— কমলগঞ্জ উপজেলার বদরুল ইসলাম (৪০) ও আব্দুল কাদির শেখ (৫৮)।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ৯ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার সময় পাঁচ ব্যক্তি তরুণীকে অপহরণ করে একটি নির্জন স্থানে আটকে রাখেন।
পরের দিন রাত পর্যন্ত তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়।
ওসি কমর উদ্দিন জানিয়েছেন, দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ নগরের মাসকান্দা এলাকায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে এক যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার একটি ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পরপরই ওই এলাকায় চরম আতঙ্ক একজন গিরে ধরেছে এবং পুরো পরিস্থিতি থমথমে হয়ে উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ১২টার সময় মাসকান্দা পাসপোর্ট অফিসের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মো. রাব্বী (২৭) ছিলেন একজন শিক্ষার্থী, যিনি বেসরকারি পলিটেকনিক কলেজে পড়াশোনা করতেন এবং পাসপোর্ট অফিসের সামনে একটি কম্পিউটার দোকান পরিচালনা করতেন। তিনি মাসকান্দা এলাকার হাইস্কুল রোডের মোবারক হোসেনের ছেলে বলে জানা যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাব্বী দুপুরের সময়ে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থান করছিলেন, সেই সময়ে কয়েকজন যুবক হঠাৎ করে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। রাব্বী দ্রুত দোকানের ভেতরে গিয়ে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা দোকানে ঢুকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রাব্বীর চাচা হোসেন আলী বলেন, "আমার ভাতিজা সকালে বাসা থেকে বের হয়ে পাসপোর্ট অফিসের সামনে দোকানে আসে। এ সময় একদল যুবক তার ওপর প্রকাশ্যে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছে। এখানে শত শত মানুষ দাঁড়িয়ে দেখছে, কেউ প্রতিবাদ করেনি। এখন আবার কেউ কিছু ভয়ে বলতেছে না। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।"
এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, জমিজমার বিরোধের কারণে রাব্বিকে হত্যা করা হয়েছে। তার প্রতিবেশী সাব্বিরের পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। হত্যাকাণ্ডে সাব্বির ও তার ভাই জড়িত বলে তিনি জানান। পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডারউইন টেস্ট এর মাধ্যমে বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেল। ১৫ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে এটি প্রথমবার, যখন বাউন্ডারি দড়িতে কোনো বেটিং প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন ছাড়াই মাঠে নামল অস্ট্রেলিয়া।
এর আগে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বেটিং কোম্পানির চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরই এই পরিবর্তনটি উল্লেখযোগ্য। ২০১২ সাল থেকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ওই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে অংশীদারিত্বে ছিল।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ডারউইন টেস্ট শুরুর আগে মারারা স্টেডিয়ামের বাউন্ডারি দড়িতে বেটিং কোম্পানির পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের বড় বাণিজ্যিক অংশীদার টয়োটার বিজ্ঞাপন দেখা যায়।
২০০০-এর দশকের শেষের দিকে বেটফেয়ারের মাধ্যমে ক্রিকেটের সঙ্গে বেটিং প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক সম্পর্ক শুরু হওয়ার পর এবারই প্রথম ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বড় কোনো বেটিং স্পন্সর ছাড়া থাকছে।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার এক মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্য করে জানান, মৌসুমজুড়ে ভিন্ন ভিন্ন বিজ্ঞাপন সম্পদের জন্য তারা আলাদা চুক্তি করে থাকেন। ডারউইন এবং ম্যাকাইতে টেস্টের বাউন্ডারি দড়ির অংশীদার হিসেবে টয়োটার সমর্থন পাওয়ার জন্য তারা কৃতজ্ঞ।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সরকার গত জুলাইয়ে জুয়া-সংক্রান্ত বিজ্ঞাপনের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার জন্য একগুচ্ছ আইনি পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে সেগুলো এখনও ফেডারেল পার্লামেন্টে পাস হয়নি।
প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মধ্যে জার্সি ও স্টেডিয়ামে বেটিং বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ক্রীড়া সংস্থা এবং বেটিং অংশীদার তাদের বিজ্ঞাপনী উপস্থিতি বাঁচানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
এছাড়া, এপ্রিল মাসে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে আলবানিজ বলেছিলেন, প্রাপ্তবয়স্করা চাইলে বাজি ধরতে পারবেন। কিন্তু শিশুদের যেন যেদিকেই নজর দেয়, সেদিকেই বেটিং বিজ্ঞাপন দেখতে না পায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। খেলাধুলা ও জুয়াকে শিশুদের কাছে অবিচ্ছেদ্য হিসেবে উপস্থাপন না করার উপরও তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।
জুয়া-সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রতি ঘণ্টায় বেটিং প্রতিষ্ঠানের টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের সংখ্যা তিনটিতে সীমাবদ্ধ রাখার প্রস্তাবও এসেছে।
এদিকে বিগ ব্যাশ লিগ এবং উইমেনস বিগ ব্যাশ লিগ চালুর পর থেকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বেটিং প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে টুর্নামেন্ট বা দলের স্পন্সরশীপের কোনো প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। কারণ টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতাগুলো মূলত শিশু ও পরিবারকেন্দ্রিক দর্শকদের জন্য আয়োজন করা হয়।
এছাড়া ক্রিকেটে বেটিংয়ের সুযোগ নিয়েও কড়াকড়ি রয়েছে। বেটিং কোম্পানিগুলো ক্রিকেটে যে পরিমাণ লাইভ বা ইন-প্লে বেটিংয়ের সুযোগ দিতে পারে, সেটিও ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কঠোরভাবে সীমাবদ্ধ রেখেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন বৃদ্ধি করার সুযোগ ভারতের কাজে লাগানো উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একসঙ্গে টেবিলে বসলে অনেক সমস্যা সমাধানের সুযোগ তৈরি হবে।’
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা সব সময়ই রয়েছে বলেও জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী অভ্যন্তরীণ সাংবিধানিক ব্যাপারে ব্যস্ত। এর মাঝে সময় পেলে ব্রিকস সম্মেলনে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতেই পারে। সম্মেলনের জন্য এখনও এক মাস বাকি রয়েছে।’
শামা ওবায়েদ আরও বলেন, ‘ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক উন্নয়নে সুযোগ তৈরি হয়েছে, ভারতের উচিত এই সুযোগ কাজে লাগানো।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ