০৫:৫০ এম
ফেনীর দাগনভূঁঞায় মা-মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে আদালত দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে ১০ বছরের সাজার ব্যবস্থা করছেন।
রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক এএনএম মোর্শেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন দাগনভূঁঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের বারাহীগুনী গ্রামের সাইফুল ইসলাম, আজাদ এবং জেলে বাড়ির নিপু কুমার দাস। রায় ঘোষণার সময় আসামি আজাদ ও নিপু দাস কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: যুবদল নেতাকে হত্যার হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে
জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট রাতে দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের দক্ষিণ বারাহীগুনী গ্রামের নদী পাড়ে অবস্থিত জেলে বাড়িতে ঢুকে কিছু সহযোগীর সঙ্গে মিলে সাইফুল ইসলাম একটি প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন।
এ ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ধর্ষিতার মাকে বাড়ি থেকে বের করে ব্রিজের উপরে নিয়ে ওই ধর্ষণ করেন আজাদ এবং নিপু। ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ার পর ১১ আগস্ট দাগনভূঁঞা থানায় প্রবাসীর স্ত্রী ৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
পরে দাগনভূঁঞা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুর রহীম ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট সাহাব উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, এ মামলায় আদালতে ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে। চলতি বছরের ২৪ মার্চ উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রোববার রায় ঘোষণা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি
ঘটনাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামি সাইফুল ও নিপুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ এবং ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন; আজাদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন