ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইতালির বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি বারেসির মৃত্যু


ইতালির বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি বারেসির মৃত্যু

ইতালির কিংবদন্তি ডিফেন্ডার ফ্রাঙ্কো বারেসি আমাদের মধ্যে নেই। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৬৬ বছর। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার হিসেবে তাকে বিবেচনা করা হয়। বারেসির মৃত্যুর খবরটি বিশ্ব ফুটবল অঙ্গনে শোকের ছায়া ফেলেছে।

তিনি সম্পূর্ণ পেশাদার ক্যারিয়ারটি ইতালির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব এসি মিলানে কাটিয়েছেন। দুই দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে লাল-কালো জার্সিতে খেলেছেন বারেসি, এবং এর মধ্যে ১৫ মৌসুম তিনি দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ইতালির জাতীয় দলের জার্সিতেও ছিলেন তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন সদস্য। জাতীয় দলের হয়ে তার অংশগ্রহণ ছিল ৮১টি ম্যাচ পর্যন্ত।

আশি ও নব্বইয়ের দশকে বারেসি এসি মিলানের সাফল্যের অন্যতম মূল কারিগর ছিলেন। তার নেতৃত্বে এবং অবদানে ক্লাবটি তিনটি ইউরোপিয়ান কাপ জিতেছে, যা বর্তমানে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ নামে পরিচিত। এছাড়া, তিনি ছয়বার সেরি আ শিরোপা জয়েরও স্বাদ পেয়েছেন। ১৯৮২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ জয়ী ইতালি দলের সদস্য হিসেবেও পরিচিত এই কিংবদন্তি ডিফেন্ডার।

আরও পড়ুন: শুধু ৯ দেশ-ই নয়, বিশ্ব এক হলেও হারবে? কারণ- ইয়েমেনের জন্য নবী (সা.) দোয়া করেছিলেন!

শুক্রবার (৩১ জুলাই) এসি মিলান একটি বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করে জানিয়েছে, ফ্রাঙ্কো বারেসির মৃত্যুতে পুরো এসি মিলান পরিবার মর্মাহত। তার আদর্শ, নেতৃত্ব এবং অবদান ক্লাবের ইতিহাস এবং ডিএনএ-তে চিরকাল অমলিন হয়ে থাকবে। তার আইকনিক ৬ নম্বর জার্সির মতোই তিনি মিলান পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে থাকবেন। এই কঠিন সময়ে তার পরিবারের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা রইল।

ক্লাবটি আরও উল্লেখ করেছে যে, বারেসির হঠাৎ বিদায়ে শুধু এসি মিলানই নয়, বিশ্বের কোটি কোটি ‘রসোনেরি’ সমর্থকও নিজেদের পরিবারের একজন সদস্যকে হারানোর বেদনাটি অনুভব করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাফপ্যান্ট পরে, পায়ের ওপর পা তুলে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করলেন মার্কিন সিনেটর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৯ পি.এম


হাফপ্যান্ট পরে, পায়ের ওপর পা তুলে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করলেন মার্কিন সিনেটর

প্রোটোকল ভেঙে আবারও খবরের শিরোনামে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন ফেটারম্যান। তিনি ওয়াশিংটনের ঐতিহ্যবাহী ব্লেয়ার হাউসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সম্পূর্ণ ক্যাজুয়াল পোশাকে। গায়ে হুডি এবং পরনে হাফপ্যান্ট চাপিয়ে, তিনি অনায়াসে পায়ের ওপর পা তুলে বৈঠকের টেবিলে বসে আলোচনার ঝড় তুলেছেন এই প্রভাবশালী রাজনীতিক। পোশাক পরার কায়দা ও শরীরী ভাষা নিয়ে সমালোচনা হলেও ফেটারম্যান স্পষ্টভাবে নিজেদের পরস্পরের প্রতি ইসরায়েলের প্রতি তার অকুণ্ঠ সমর্থনের কথা জানিয়েছেন।

বৈঠকে নেতানিয়াহু ডেমোক্র্যাট সিনেটরের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি ফেটারম্যানকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বন্ধুত্বের একজন সাহসী এবং নির্ভীক কাণ্ডারি আখ্যা দিয়ে বলেন, বিশ্ব রাজনীতিতে সত্য ও ন্যায়ের জন্য তার অবস্থান উদাহরণ হয়ে থাকবে। কেবল ইসরায়েলের জনগণই নয়, বরং বিশ্বজুড়ে স্বাধীনতাকামী মানুষদের পক্ষ থেকেও ফেটারম্যানকে ধন্যবাদ জানান ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।

নেতানিয়াহুর প্রশংসার জবাবে জন ফেটারম্যান একে তার রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বড় সম্মান বলে উল্লেখ করেন। তিনি ইসরায়েলকে একটি ‘অলৌকিক রাষ্ট্র’ হিসেবে বর্ণনা করে সিনেটের মধ্যে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে একই সঙ্গে গাজা সংঘাত ইস্যুতে তিনি নিজের দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কিছু নেতার মনোভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানিকে অযোগ্য উল্লেখ করে তার সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন এই সিনেটর। ফেটারম্যান স্পষ্ট জানান, কংগ্রেসের ভেতর ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বিবেক হিসেবে তিনি কাজ করে যেতে চান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেল দুর্ঘটনা ঠেকাতে ভারতে সম্প্রসারিত হচ্ছে ‘কবচ ৪.০’ প্রযুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫২ পি.এম


রেল দুর্ঘটনা ঠেকাতে ভারতে সম্প্রসারিত হচ্ছে ‘কবচ ৪.০’ প্রযুক্তি

ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি স্বয়ংক্রিয় ট্রেন সুরক্ষা ব্যবস্থা ‘কবচ ৪.০’ এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫৬৯ রুট কিলোমিটারে কার্যকর করেছে। পাশাপাশি আরো ২১ হাজার ৮৫৮ রুট কিলোমিটারে এই প্রযুক্তি স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

লোকসভায় সংসদ সদস্য ডি. রবি কুমারের এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই তথ্য তুলে ধরেন। রেলমন্ত্রী উক্ত তথ্য জানিয়ে বলেন যে, বর্তমানে যেখানে ট্র্যাকসাইডে ‘কবচ’ ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে, তার মধ্যে ১২ শতাংশ রুটে সর্বশেষ ‘কবচ ৪.০’ সংস্করণ কার্যকর হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রিসার্চ ডিজাইনস অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অর্গানাইজেশন (আরডিএসও) এই নতুন সংস্করণের অনুমোদন দেয়। নতুন এই সংস্করণ ট্রেনের অবস্থান আরো নির্ভুলভাবে শনাক্ত করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রেল মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২০ জুলাই পর্যন্ত চালু হওয়া ২ হাজার ৫৬৯ রুট কিলোমিটারের মধ্যে দিল্লি-মুম্বাই করিডোরে ১ হাজার ৪২৩ কিলোমিটার এবং দিল্লি-হাওড়া করিডোরে ১ হাজার ১৪৬ কিলোমিটার রুটে ‘কবচ ৪.০’ কার্যকর করা হয়েছে। এর পাশাপাশি গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারাল, গোল্ডেন ডায়াগোনাল ও হাই-ডেনসিটি নেটওয়ার্কে মোট ২১ হাজার ৮৫৮ রুট কিলোমিটারে ‘কবচ’ প্রযুক্তি স্থাপনের কার্যক্রম চলেছে। সাউদার্ন রেলওয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুটেও এই প্রযুক্তি বসানোর কাজ দ্রুত এগিয়ে হচ্ছে।

এ পর্যন্ত এই প্রকল্পের জন্য ১১ হাজার ২৫৩ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার কেবল, ১ হাজার ৬৬৮টি টেলিকম টাওয়ার এবং ৯৮৮টি স্টেশনে ডেটা সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭ হাজার ৭২৬ রুট কিলোমিটারে ট্র্যাকসাইড সরঞ্জাম বসানো হয়েছে। বর্তমানে ৬ হাজার ১৫৩টি লোকোমোটিভে ‘কবচ’ প্রযুক্তি চালু রয়েছে। আরো ৭ হাজার ৩২৭টি লোকোমোটিভ এবং ১ হাজার ২০০টি ইএমইউ ও মেমু ট্রেনে এই প্রযুক্তি স্থাপনের কাজ চলছে।

রেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রযুক্তি স্থাপনের পাশাপাশি জনবল প্রশিক্ষণও জোরদার করা হয়েছে। ইন্ডিয়ান রেলওয়েজ ইনস্টিটিউট অব সিগন্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশনসের সহযোগিতায় প্রায় ৫৭ হাজার লোকো পাইলট ও সহকারী লোকো পাইলটসহ ৯৪ হাজারের বেশি টেকনিশিয়ান, অপারেটর ও প্রকৌশলীকে ‘কবচ’ পরিচালনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ‘কবচ’ প্রকল্পে ৩ হাজার ৮৭৪ কোটি রুপি ব্যয় হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য আরো ২ হাজার ৬৬৬ কোটি রুপি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রকল্পের অগ্রগতির ভিত্তিতে এই অর্থ ছাড় করা হচ্ছে। বর্তমানে ট্র্যাকসাইড অবকাঠামো স্থাপনে প্রতি কিলোমিটারে প্রায় ৫০ লাখ রুপি এবং প্রতিটি লোকোমোটিভে ‘কবচ’ বসাতে প্রায় ৮০ লাখ রুপি খরচ হচ্ছে। নতুন বরাদ্দের ফলে প্রকল্পের কাজ আরো দ্রুত এগোবে বলে আশা করছে রেল মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে, ‘কবচ’ ভারতীয় রেল নিরাপত্তা আধুনিকায়নের একটি বিশাল উদ্যোগ হিসেবে কাজ করছে। রেল নিরাপত্তায় ব্যয়ের পরিমাণ ২০১৩-১৪ অর্থবছরের ৩৯ হাজার ২০০ কোটি রুপি থেকে বেড়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১ লাখ ২০ হাজার ৩৮৯ কোটি রুপি পৌঁছেছে।

এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৬৭১টি স্টেশনে ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং ব্যবস্থা চালু হয়েছে। একই সংখ্যক স্টেশনে সম্পূর্ণ ট্র্যাক সার্কিটিং এবং ১০ হাজার ৩৯৫টি লেভেল ক্রসিং গেটে ইন্টারলকিং সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া উন্নতমানের রেললাইন ও দীর্ঘ রেল প্যানেলের ব্যবহারও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

রেল নিরাপত্তা জোরদারে কুয়াশায় ট্রেন চলাচলের নিরাপত্তা যন্ত্রের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২০১৪ সালের মার্চে যেখানে এ ধরনের যন্ত্র ছিল মাত্র ৯০টি, ২০২৬ সালের মার্চে তা বেড়ে ৩১ হাজার ৬৯৩টিতে পৌঁছেছে। একই সময়ে ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং সুবিধাসম্পন্ন স্টেশনের সংখ্যা ৮৩৭ থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৬৯১টিতে উন্নীত হয়েছে।

রেল মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির ফলে দুর্ঘটনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে রেললাইনের ওয়েল্ডিং ত্রুটির ঘটনা ছিল ৩ হাজার ৬৯৯টি, যা ২০২৫-২৬ সালে কমে ২৭২টিতে নেমে এসেছে। একই সময়ে রেললাইন ভাঙার ঘটনা ২ হাজার ৫৪৮টি থেকে কমে ২০৮টিতে দাঁড়িয়েছে। দুই ক্ষেত্রেই ৯০ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে।

গুরুতর ট্রেন দুর্ঘটনার সংখ্যাও ২০১৪-১৫ সালের ১৩৫টি থেকে কমে ২০২৫-২৬ সালে ১৬টিতে নেমে এসেছে। ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত মাত্র দুটি গুরুতর ট্রেন দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে।

রেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলট্রাসনিক পরীক্ষার মাধ্যমে রেললাইন পরীক্ষা, নিয়মিত ট্র্যাক পর্যবেক্ষণ, ট্রেনের প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ, পুরোনো আইসিএফ কোচের পরিবর্তে এলএইচবি কোচ চালু এবং সব অনিরাপদ ব্রডগেজ লেভেল ক্রসিং তুলে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ দুর্ঘটনা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এলএইচবি কোচের উৎপাদনও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০০৪-০৫ থেকে ২০১৩-১৪ সময়ে ২ হাজার ৩৩৭টি কোচ তৈরি হলেও, ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৫-২৬ সময়ে এই সংখ্যা বেড়ে ৪৯ হাজার ৩৬৬টিতে পৌঁছেছে।

রেল মন্ত্রণালয়ের মতে, দিল্লি-মুম্বাই ও দিল্লি-হাওড়া করিডোরে ‘কবচ’সহ আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার দুর্ঘটনা কমাতে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের পুরো রেল নেটওয়ার্কে এই প্রযুক্তি চালু করার জন্য এখনো অনেক কাজ বাকি রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনাকে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেওয়া হচ্ছে না: ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৩ পি.এম


শেখ হাসিনাকে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেওয়া হচ্ছে না: ভারত

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের মাটিতে বসে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেয়া হচ্ছে না।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় কমিটিকে এ কথা জানানো হয়েছে।

ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি দলীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন এবং নানা বিবৃতিও দিচ্ছেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে তিনি সাক্ষাৎকারও দিচ্ছেন। তবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, শেখ হাসিনাকে কোনও রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানোর সুযোগ তারা দিচ্ছে না।

লোকসভার পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় কমিটি বলেছে, চরম সংকট বা অস্তিত্বের হুমকির মুখে থাকা ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়ার ভারতের মানবিক ঐতিহ্য ও সভ্যতাগত মূল্যবোধের অংশ হিসেবে শেখ হাসিনাকে সেখানে থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদীয় কমিটি তাঁদের প্রতিবেদন লোকসভায় উপস্থাপন করে। প্রতিবেদনে পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির নবম প্রতিবেদনের সুপারিশ ও পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়। এ কমিটির চেয়ারপারসন কংগ্রেসের সংসদ সদস্য শশী থারুর।

‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যমান আইন ও প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুসারে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে।

ওই কমিটি আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে ঢাকার অনুরোধ নয়াদিল্লির ‘সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে’।

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ থেকে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। তারপর থেকেই তিনি সেখানে বসবাস করছেন। যদিও তাকে ঠিক কোথায় রাখা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ভারত সে সম্পর্কিত কোনো পরিষ্কার তথ্য জানায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গাবালী উপজেলায় হাসপাতাল না থাকায় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত ২ লাখ মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

(পটুয়াখালী) রাঙ্গাবালী প্রতিনিধি,,, মোঃআসাদ মিয়া

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


রাঙ্গাবালী উপজেলায় হাসপাতাল না থাকায় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত ২ লাখ মানুষ

পটুয়াখালী জেলার সর্বদক্ষিণের দ্বীপ উপজেলা রাঙ্গাবালীতে অবস্থিত।

দুই লক্ষ মানুষের বসবাস ও এই উপজেলাতে আজও পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা নেই। ২০১২ সালে উপজেলা প্রতিষ্ঠিত হলেও, চিকিৎসা সেবার অভাবে বছর পরে বছর সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছেন।

স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ২০২৩ সালের ১০ এপ্রিল ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে আছেন স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে পরিচালিত হয়।

কিন্তু令人দুঃখজনক কথা, গত জুন ২০২৪ সালের পর থেকে নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। অর্ধনির্মিত ভবনটি বর্তমানে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে আছে।

স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, জরুরি মুহূর্তে—বিশেষ করে যদি নারী ও শিশু অসুস্থ হন—তাদের বাধ্য হয়ে যেতে হয় পাশের গলাচিপা অথবা জেলা শহর পটুয়াখালীতে। এতে সময় নষ্ট হয়, খরচ বৃদ্ধি পায় এবং অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে আমরা পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তিনি জানান, প্রকল্পটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবায়নাধীন ছিল এবং ২০২৪ সালের জুন মাসে এর মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। ঠিকাদারি সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে কাজ বন্ধ ছিল।

তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পাওয়ার পর বর্তমানে নতুন করে টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। টেন্ডার সম্পন্ন হলে, দ্রুত নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু হবে।

এখন প্রশ্ন একটাই—কবে শেষ হবে রাঙ্গাবালীর মানুষের এই দীর্ঘ স্বাস্থ্য ভোগান্তি?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%