(পটুয়াখালী) রাঙ্গাবালী প্রতিনিধি,,, মোঃআসাদ মিয়া
০২:৫৮ পি.এম
পটুয়াখালী জেলার সর্বদক্ষিণের দ্বীপ উপজেলা রাঙ্গাবালীতে অবস্থিত।
দুই লক্ষ মানুষের বসবাস ও এই উপজেলাতে আজও পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা নেই। ২০১২ সালে উপজেলা প্রতিষ্ঠিত হলেও, চিকিৎসা সেবার অভাবে বছর পরে বছর সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছেন।
স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ২০২৩ সালের ১০ এপ্রিল ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে আছেন স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে পরিচালিত হয়।
কিন্তু令人দুঃখজনক কথা, গত জুন ২০২৪ সালের পর থেকে নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। অর্ধনির্মিত ভবনটি বর্তমানে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে আছে।
স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, জরুরি মুহূর্তে—বিশেষ করে যদি নারী ও শিশু অসুস্থ হন—তাদের বাধ্য হয়ে যেতে হয় পাশের গলাচিপা অথবা জেলা শহর পটুয়াখালীতে। এতে সময় নষ্ট হয়, খরচ বৃদ্ধি পায় এবং অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে আমরা পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তিনি জানান, প্রকল্পটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবায়নাধীন ছিল এবং ২০২৪ সালের জুন মাসে এর মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। ঠিকাদারি সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে কাজ বন্ধ ছিল।
তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পাওয়ার পর বর্তমানে নতুন করে টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। টেন্ডার সম্পন্ন হলে, দ্রুত নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু হবে।
এখন প্রশ্ন একটাই—কবে শেষ হবে রাঙ্গাবালীর মানুষের এই দীর্ঘ স্বাস্থ্য ভোগান্তি?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়া উপদ্বীপের দক্ষিণ উপকূলের অবকাশযাপন কেন্দ্র সিমেইজ। সেখানকার আইসক্রিম বিক্রেতা আনাতোলির দিন এখন কঠিন হয়ে উঠেছে। এক সময় তার দোকানে প্রতিদিন ৪০০টি পর্যন্ত আইসক্রিম বিক্রি হতো। কিন্তু এ গ্রীষ্মে ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার কারণে পর্যটকের সংখ্যা হঠাৎ করে কমে গেছে।
সিমেইজ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
প্রায় আড়াই হাজার মানুষের ছোট উপকূলীয় জনপদ সিমেইজের বাসিন্দা আনাতোলি এএফপিকে বলেন, এ মৌসুমে লোকসানে পড়তে হচ্ছে। বলা যায়, ব্যবসার কোনো মৌসুমই নেই।
এক সময় প্রতিবছর লাখো রুশ পর্যটকের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ক্রিমিয়া। কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় উপদ্বীপের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় পর্যটন শিল্প কার্যত ভেঙে পড়েছে।
গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় হোটেল বুকিং ৭০ শতাংশের বেশি কমেছে। রেস্তোরাঁ ও সুইমিং পুলগুলোও প্রায় ফাঁকা পড়ে আছে।
খাতটিকে সহায়তা দিতে রুশ সরকার পর্যটন খাতের কর্মীদের তিন মাসের বেতনের সমপরিমাণ এককালীন অর্থ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তবে এ অর্থ ন্যূনতম মজুরির ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। এটিকে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে না।
আনাতোলি বলেন, আগের ব্যবসার সামান্য অংশ দিয়ে এখন তিনি কোনোমতে সংসার চালানোর চেষ্টা করছেন। আমরা এখনও টিকে আছি। কারণ সবকিছু আগেই প্রস্তুত করা ছিল।
যন্ত্রপাতি, মেরামত, লাইসেন্স ও কর—সবই আগেই পরিশোধ করা হয়েছে।
ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, সারা বছরের রোদ এবং সবুজ জলপাই বাগানের কারণে ক্রিমিয়ার দক্ষিণ উপকূল অনেকটাই ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের মতো। ২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে কৃষ্ণসাগর তীরের এ উপদ্বীপ দখল করে রাশিয়া।
সোভিয়েত আমল থেকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম রুশ নাগরিক ছুটি কাটাতে ক্রিমিয়ায় আসতেন। তাদের অনেকেই ক্রিমিয়াকে তাদের দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিমেইজের একটি বিলাসবহুল হোটেলের কর্তৃপক্ষ জানায়, পর্যটক ফেরাতে তারা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছেন।
হোটেলের এক ব্যবস্থাপক বলেন, ‘সপ্তাহের শেষে একটু ভিড় হয়।’
এএফপির প্রতিবেদক দেখেছেন, হোটেলের হাঁটার পথ, রোদ পোহানোর চেয়ার এবং রেস্তোরাঁর খোলা বসার জায়গা ফাঁকা পড়ে রয়েছে।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, জুনের শুরু থেকে ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের হামলায় এক শিশুসহ এক ডজনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
এদিকে ক্রিমিয়ার বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রগুলোতে ড্রোন হামলায় সেভাস্তোপোলসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তেল ডিপোতে হামলার পর গত মাসে রুশ-নিয়োগকৃত কর্তৃপক্ষ জ্বালানি বিক্রিও স্থগিত করেছিল। তবে ঝুঁকি সত্ত্বেও কিছু পর্যটক নিরুৎসাহিত হননি।
কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, আগের রাতে সিমেইজ থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে একটি আবাসিক ভবনে ইউক্রেনীয় ড্রোন আঘাত হানে। এতে ১৭ জন আহত হন।
ইউলিয়া নামে এক পর্যটক পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কের্চ সেতু হয়ে ট্রেনে ক্রিমিয়ায় এসেছেন। রাশিয়া থেকে ক্রিমিয়ায় যাওয়ার এটিই এখন কার্যত একমাত্র পথ। কারণ রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড দিয়ে সড়কপথে যাতায়াত ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার কারণে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, ‘আমি দুবার ড্রোনের শব্দ শুনেছি। এরপর আর কিছু নয়।’
রাশিয়ার ক্রাসনোদার অঞ্চল থেকে সড়কপথে আসা আরেক পর্যটক ভ্লাদিস্লাভ বলেন, পথে জ্বালানি নাও পাওয়া যেতে পারে—এ আশঙ্কায় তিনি পেট্রলভর্তি জেরিক্যান সঙ্গে এনেছেন।
ইউলিয়ার মতো তিনিও জানান, নিয়মিত ড্রোনের শব্দে তিনি এখন অভ্যস্ত। তাই এ নিয়ে উদ্বিগ্ন নন।
রাশিয়া ইউক্রেনের শহরগুলোতে নিয়মিত কয়েক শত ড্রোন হামলা চালানোর জবাবে ইউক্রেনও প্রায় প্রতি রাতেই রাশিয়ার বিভিন্ন এলাকায় কয়েক শ ড্রোন পাঠায়।
ভ্লাদিস্লাভ বলেন, ‘দেখুন, আমাদের ওপর দিয়েও ওগুলো উড়ে যায়। সকাল সাতটায় ঘুম থেকে ওঠার সময় হোক কিংবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময়—সব সময়ই ওগুলো মাথার ওপর দিয়ে উড়ে যায়। তাই কেউই নিরাপদ নয়।
ইউক্রেন বলছে, শান্তি আলোচনায় মস্কোকে চাপ দিতেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে।
রুশ সরকার পর্যটন খাতের কর্মী, ট্রাভেল এজেন্ট, ট্যুর অপারেটর এবং রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের জন্য এককালীন সহায়তা হিসেবে ৪৩০ কোটির বেশি রুবল (৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার) বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে এ সহায়তা শুধু পর্যটন খাতের জন্য প্রযোজ্য।
সেভাস্তোপোলের উত্তরের একটি এলাকা থেকে বেড়াতে আসা লিলিয়া বলেন, বেসরকারি খাত এখন সংগ্রাম করছে।
সিমেইজের সৈকতে বসে তিনি এএফপিকে বলেন, ‘আমি এমন লোকজনকে চিনি, যারা ড্রাইভিং স্কুল চালান। পেট্রলের উচ্চমূল্যের কারণে তাদের ব্যবসা পুরোপুরি স্থবির হয়ে গেছে। ব্যবসা যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নতুন মৌসুমকে সামনে রেখে আক্রমণভাগ শক্তিশালী করতে তরুণ ফরোয়ার্ড কার্লোস এসপিকে দলে যুক্ত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
স্প্যানিশ ক্লাব ইউডি লেভান্তে থেকে তাকে পাঁচ বছরের চুক্তিতে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে নিয়ে এসেছে লস ব্লাঙ্কোস।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় রিয়াল মাদ্রিদ এই ট্রান্সফারের বিষয়টি নিশ্চিত করে।
২১ বছর বয়সি এই সেন্টার ফরোয়ার্ডের সঙ্গে ২০৩১ সাল পর্যন্ত চুক্তি করেছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। তাকে দলে টানতে প্রায় আড়াই কোটি ইউরো ট্রান্সফার ফি গুনতে হয়েছে মাদ্রিদ ক্লাবকে।
কার্লোস এসপির ফুটবল যাত্রা শুরু হয় একটি ছোট ক্লাবে। পরে তিনি লেভান্তের যুব একাডেমিতে যোগদান করেন এবং ধাপে ধাপে মূল দলে জায়গা করে নেন। গত মৌসুমে লা লিগায় ১৬তম স্থানে থাকা লেভান্তের হয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
২০২৪-২৫ মৌসুমে লেভান্তের শীর্ষ লিগে উত্তরণে ‘সুপার সাব’ হিসেবে ছয় গোল করেন এসপি। পরের মৌসুমে দলকে লা লিগায় টিকিয়ে রাখার লড়াইয়েও তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মে মাসের শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। শেষ ১৩ ম্যাচে ১০ গোল করে নিজেকে লিগের অন্যতম উদীয়মান তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে লা লিগার সেরা অনূর্ধ্ব-২৩ খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। গত মৌসুমে ২৫টি লিগ ম্যাচে মাঠে নেমে ১১ গোল করেন এসপি।
ধারণা করা হচ্ছে, গঞ্জালো গার্সিয়ার ফুলহ্যামে-এ যোগ দেওয়া প্রায় নিশ্চিত হওয়ায় তার সম্ভাব্য শূন্যস্থান পূরণ করতেই রিয়াল এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এনড্রিক ও কিলিয়ান এমবাপ্পে-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় কার্লোস এসপি কতটা নিয়মিত খেলার সুযোগ পান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকায় ইমারত নির্মাণ ও নগর উন্নয়ন-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও বিধিমালাকে যুগোপযোগী ও আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, কমিটির সভাপতি হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে নিয়োগ করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরকে।
নতুন এই কমিটি ঢাকা মহানগরে ইমারত বিধিমালার বাস্তবায়নের আইনি কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে The Building Construction Act, 1952 এবং The Town Improvement Act, 1953 পর্যালোচনা করার পর প্রয়োজনীয় সংশোধন, পরিমার্জন ও সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠন করা হয়েছে।
কমিটি বিদ্যমান আইন দুটি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনের সুপারিশ করবে, যাতে রাজধানীতে ইমারত নির্মাণ-সংক্রান্ত বিধিমালাগুলি আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ রয়েছে, প্রয়োজন হলে কমিটি নতুন সদস্য কো-অপ্ট করতে সক্ষম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সভা করবে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কমিটির সার্বিক সচিবালয়কে সহায়তা প্রদান করবে।
সর্বদা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালার সংশোধনী প্রস্তাব মন্ত্রিসভা বৈঠকে আলোচনা করার জন্য উপস্থাপন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেখ হাসিনাকে ফেরত দেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধ ভারতের কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে বলে সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছে ভারত।
গতকাল বৃহস্পতিবার ভারতের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার বলেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত দিতে বাংলাদেশের অনুরোধ প্রযোজ্য আইন ও প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতির অনুসারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।
এখন বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভের জন্য কংগ্রেসের লোকসভার সংসদ সদস্য শশী থারুরের নেতৃত্বে বৈদেশিক বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সরকারের নেওয়া সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ নিয়ে এই কমিটির নবম প্রতিবেদনের মধ্যে থাকা পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশগুলোতেও সরকার গৃহীত পদক্ষেপ উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ যে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর তাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ করেছে, সে বিষয়ে পার্লামেন্টারি কমিটি সরকারের কাছে জানতে চেয়েছিল।
২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান এবং তারপর থেকে তিনি সেখানে অবস্থান করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ