০৮:৩৮ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কৃতি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও আড্ডায় অংশ নিয়েছেন জাইমা রহমান, যিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীকের কন্যা।
মঙ্গলবারের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় রাজধানী গুলশানের একটি হোটেলে, যেখানে জাইমা রহমান দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সময় কাটান। এ আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের কন্যা মেহভীন রহমান মুনিয়া।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, শুরু থেকেই প্রাণবন্ত পরিবেশে জাইমা রহমান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। তিনি শিশুদের ভবিষ্যৎ স্বপ্ন, আগ্রহ ও লক্ষ্য সম্পর্কে জানতে চান। পাশাপাশি তিনি পড়াশোনার সঙ্গে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ
একপর্যায়ে তিনি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের নানা অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন। শিশুদের কাছে জানতে চান, তারা রান্না করতে পারে কি না। কয়েকজন শিক্ষার্থী ইতিবাচক উত্তর দিলে, তাদের এলাকার খাবার খাওয়ার ব্যাপারে মজার আলোচনা করেন। জবাবে শিশুরা বিরিয়ানি রান্না করে খাওয়ানোর কথা জানান, তখন তিনি বলেন যে, তিনি বিরিয়ানি এবং ইলিশ মাছ খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া রামধননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিয়ান ওসমান রাহিন বলেন, "আমার খুব ভালো লেগেছে। প্রধানমন্ত্রীর কন্যা এত কাছে এসে আমাদের সঙ্গে গল্প করবেন, তা ভাবতে পারিনি। তিনি আমাদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা করার পরামর্শ দিয়েছেন।"
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস বাবলী বলেন, "শিশুরা প্রধানমন্ত্রীর কন্যার সঙ্গে খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছে। তিনি প্রতিটি শিশুর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তাদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন।"
আখাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. দৌলত হোসেন ভূঁইয়া বলেছেন, "এ ধরনের আয়োজন শিশুদের অনুপ্রাণিত করে। তারা নিজেদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনা নিয়ে নতুনভাবে ভাবার সুযোগ পায়।"
আরও পড়ুন: জামায়াত নেতাদের ভারতীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে বৈঠকের দাবি, রাশেদকে চ্যালেঞ্জ
আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, "আমরা আশা করিনি তিনি এত দীর্ঘ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কাটাবেন। প্রতিটি শিশুর সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেছেন। বিষয়টি শিশুদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এবং তাদের উৎসাহিত করেছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন