ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রী শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ হাতে নেবেন: পানিসম্পদমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ হাতে নেবেন: পানিসম্পদমন্ত্রী

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন শেষে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আপনারা যান এবং এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করতে আসেন যে, আমি (তারেক রহমান) খুব শিগগিরই এই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ হাতে নেব। এটি আমাদের প্রতিশ্রুতির অংশ।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন করার পর এই কথা জানান পানিসম্পদমন্ত্রী। এসময় ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদও তার সঙ্গে ছিলেন।

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে একত্রিত হয়ে আজকে এই এলাকায় এসেছি। সরেজমিন দেখেছি। ইনশাআল্লাহ পদ্মা ব্যারেজ যেভাবে একনেকে পাস হয়েছে, শিগগিরই আমাদের টেকনিক্যাল টিম কাজ করার পর রিপোর্ট দিলে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ একনেকে পাস করানো হবে ইনশাআল্লাহ।’

আরও পড়ুন: নেসেটে ১৯ আসন পেয়েও সংশয়: নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে তো আরব দলগুলো?

মন্ত্রী জানান, উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা দূর করতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এই প্রকল্প গ্রহণ করার আগে-পেছনে অনেক কথা বলা যেতে পারে। কিন্তু আমি একটা কথাই বলার চেষ্টা করছি—পরিকল্পনা অনুযায়ী যদি না আগাই তাহলে আমরা হোঁচট খেতে পারি। যার কারণে বিশেষজ্ঞ টিম কাজ করছেন। আমরা সবার মতামত গ্রহণ করব। প্রয়োজনে দুই-চারটা দেশের বিশেষজ্ঞদেরও।’

মন্ত্রী এর আগে তিস্তা প্রধান সেচ খাল, জলঢাকার ধাইজান নদী, চারালকাটা নদী ও দিনাজপুর সেচ খাল পরিদর্শন করেন। এ সময় পানিসম্পদ সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিনসহ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে গঠিত ৯ সদস্যের কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাটোরে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


নাটোরে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ

সিংড়া উপজেলায়, জেলার অন্তর্গত, আজ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষণা করা ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করতে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম।

আজ শুক্রবার, উপজেলার বালুয়া বাসুয়া কেন্দ্রীয় কবরস্থান সংলগ্ন সড়কের দুই পাশে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল রিফাত।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিংড়া উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অধ্যাপক শারফুল ইসলাম বুলবুল, জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, তাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদত হোসেন, ইটালি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বজলার রহমান, চলনবিল জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আখতারুজ্জামান এবং সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ জানান, সিংড়া পৌর এলাকা ছাড়াও উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে চলতি মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তা মহাপরিকল্পনার জন্য বিদেশের মুখাপেক্ষী হওয়ার প্রয়োজন নেই : ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


তিস্তা মহাপরিকল্পনার জন্য বিদেশের মুখাপেক্ষী হওয়ার প্রয়োজন নেই : ত্রাণমন্ত্রী

ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে ১২ থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে তিনি উল্লেখ করেন, "বিদেশের মুখাপেক্ষী হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।"

"আমাদের জিওবি ফান্ড থেকে এটা করতে পারব। এটার মেয়াদ আছে দশ বছর।" বললেন তিনি। তিনি আরও জানান, "দুই স্তরে কাজ হবে। সুতরাং প্রতি বছর ২ থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করলেও আমরা করতে পারব।"

তবে বিষয়টি প্রযুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট, আমাদের দেশীয় নারীরা নয়, বরং বিদেশের উচ্চতর জ্ঞানের সঙ্গে শেয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন শেষে তিনি এই বক্তব্য রাখেন। এসময় পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, "এখন সমস্যাটা দেখা দিয়েছে যে, আমরা উজান থেকে পানি কতটুকু পাবো সেটা কিন্তু এখনো আমাদের কাছে যথেষ্ট সন্দেহের কারণ।"

তিনি বলেন, "পানি চুক্তি ছাড়া আমাদের কাক্সিক্ষত পানি পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। বর্ষাকালে প্রচুর পানি হয়। শুকনা মৌসুমে যদি পানি না পাই তাহলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলে এটি কোনো কার্যকরী ভূমিকা রাখবে না।"

তিনি উল্লেখ করেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেই জায়গাটি অ্যাড্রেস করছেন। উনি বলছেন যে, যাতে পানির রিজার্ভার তৈরি করা যায় ডিজাইনের মধ্যে সেটাকে গুরুত্ব দিতে বলছেন।"

মন্ত্রী আরও বলেন, "যাতে বর্ষাকালে আমরা পানি ধরে রাখতে পারি।"

তিনি জানান, "এক মাসের মধ্যে টেকনিক্যাল কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর মহাপরিকল্পনার মূল কার্যক্রম শুরু হবে।"

তিনি আরও বলেন, "কিছু লোক দেখতেছি, তারা আবার আন্দোলনের কর্মসূচি দিচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘদিন যে আমরা আন্দোলন করলাম, তাদের চেহারা তো আমি একদিনও পাইনি। এখন এরা দেখছে যে কাজ রেডি হয়ে যাচ্ছে। তাই আন্দোলন করে ক্রেডিট নিতে চায়। তারা কই ছিল এতদিন?"

মন্ত্রী বলেন, "তিস্তার চরে যখন সাধারণ মানুষ নিয়ে আমাদের নেতৃবৃন্দ আন্দোলন করছে, তাদের তো আমরা একদিনও সাথে পায়নি।"

এর আগে ত্রাণমন্ত্রী অন্যমন্ত্রীদের নিয়ে তিস্তা প্রধান সেচ খাল, জলঢাকার ধাইজান নদী, চারালকাটা নদী ও দিনাজপুর সেচ খাল পরিদর্শন করেন। এসময় পানি সম্পদ সচিব ড. এ.কে.এম শাহাবুদ্দিন সহ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে গঠিত ৯ সদস্যের কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানে এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


বান্দরবানে এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির জারুলিয়াছড়ি সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর একটি অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ১ লাখ ৪৫ পিস ইয়াবা। শুক্রবার ১৯ জুন সকালে বিজিবির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, বৃহস্পতিবার ১৮ জুন বিকেল ৪টার দিকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের আন্তর্জাতিক পিলার নং ৪৭/২-এস এর অদূরে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সেগুন বাগান এলাকা থেকে ১১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন ১০টি কার্টন উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত কার্টনের মধ্যে খয়েরি রঙের ৯৯ হাজার ৪৪ পিস ইয়াবা এবং সবুজ রঙের ১ হাজার ১ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এই অভিযানের সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল ফয়জুল কবির জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেভাবে কূটনৈতিক চালে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি করাল কাতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


যেভাবে কূটনৈতিক চালে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি করাল কাতার

১৬ জুন, ফ্রান্সে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। ছবি: রয়টার্স।

দীর্ঘ কয়েক মাসের ধৈর্যশীল এবং পুঞ্জীভূত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পর গত বুধবার ফ্রান্সে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সব ফ্রন্টের লড়াই স্থগিতের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। চুক্তির পেছনে মূল মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে পাকিস্তানের পাশাপাশি কাতার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

বহুপক্ষীয় এই মধ্যস্থতায় প্রথম থেকেই ধারাবাহিক এবং স্পষ্ট নেতৃত্ব দিয়েছে পাকিস্তান। তারা তুরস্ক, সৌদি আরব এবং মিশরকে নিয়ে একটি কূটনৈতিক ফ্রন্ট গঠন করেছে। তবে এই প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান মূলত কাতারের অনুসৃত নীতিই ব্যবহার করেছে। কাতার দুই পক্ষের সঙ্গেই তার অনন্য সম্পর্ক এবং যোগাযোগের মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে কার্যকর সংযোগকারী হিসেবে কাজ করেছে।

গত এক সপ্তাহে কাতারি প্রতিনিধিদল দুইবার তেহরান সফর করেছে। সেখানে গত রোববার ১৭ ঘণ্টার তীব্র আলোচনার পর এই চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। চলতি সপ্তাহে দোহায় পরবর্তী আলোচনার সূচি রয়েছে। বৈশ্বিক সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতারের ভূমিকা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হলেও এই চুক্তিতে তাদের সম্পৃক্ততা অনেক পর্যবেক্ষককে অবাক করেছে।

বর্তমান যুদ্ধের আগে, ওমান ও কাতার যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে কয়েক দফা আলোচনার আয়োজন করেছিল। তখন ওমান সহায়তাকারীর ভূমিকা পালন করলেও কাতার মূলত দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করেছে। তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একযোগে ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।

যুদ্ধ শুরু হলে উপসাগরীয় দেশগুলো অনিচ্ছাসত্ত্বেও এই সংঘাতের শিকার হয়ে যায়। কাতার এতে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ইরানি হামলায় কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানি সক্ষমতার ১৭ শতাংশ ধ্বংস হয়ে যায়, যা পুনরুদ্ধারে প্রায় পাঁচ বছর সময় লাগবে।

দিনের পর দিন ইরানি হামলার মুখে ২৪ মার্চ কাতার আনুষ্ঠানিকভাবে এই মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়। তারা সেই সময়ে নিজের সুরক্ষার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়।

গত ৮ এপ্রিল স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি সাম্প্রতিক সপ্তাহে ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হলে কাতার আবারও আলোচনায় ফিরে আসে। মে মাসের শেষের দিকে একটি ইরানি প্রতিনিধিদল দোহা সফর করে। পাকিস্তান মূল প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিতে থাকলেও কাতার আবারো দুই পক্ষের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের (শাটল ডিপ্লোম্যাসি) কাজ শুরু করে।

নিজেদের সম্পদ ধ্বংস হওয়ার পরও কাতারের আলোচনায় ফিরে আসা সমালোচকদের জন্য একটি বড় বার্তা উচ্চারণ করে। অনেকে চান কাতার ইরানের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে সামরিক পদক্ষেপ নিক। কিন্তু মাসব্যাপী যুদ্ধের পরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর কোনো চূড়ান্ত ক্ষতির কারণ হতে পারেনি। এ পরিস্থিতিতে ছোট উপসাগরীয় দেশগুলোর সামরিক শক্তির কোনো কার্যকারিতা হতেও পারে না।

কাতারের জন্য সবসময় কূটনীতি ও মধ্যস্থতা ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র। যুদ্ধের বিশাল খরচ এবং মানবিক বিপর্যয়ের তুলনায় কূটনৈতিক পদক্ষেপের খরচ অত্যন্ত সামান্য। কাতার যদি ইরানের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করত, তবে তারা মধ্যস্থতাকারীর যোগ্যতা হারাত। একটি ছোট রাষ্ট্র হিসেবে কাতারের জন্য এই কূটনীতি কোনো অসহায়ত্ব নয়, বরং এটি ছিল একটি বাস্তবসম্মত এবং যৌক্তিক সিদ্ধান্ত।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%