প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে ১২ থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে তিনি উল্লেখ করেন, "বিদেশের মুখাপেক্ষী হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।"
"আমাদের জিওবি ফান্ড থেকে এটা করতে পারব। এটার মেয়াদ আছে দশ বছর।" বললেন তিনি। তিনি আরও জানান, "দুই স্তরে কাজ হবে। সুতরাং প্রতি বছর ২ থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করলেও আমরা করতে পারব।"
তবে বিষয়টি প্রযুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট, আমাদের দেশীয় নারীরা নয়, বরং বিদেশের উচ্চতর জ্ঞানের সঙ্গে শেয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন শেষে তিনি এই বক্তব্য রাখেন। এসময় পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, "এখন সমস্যাটা দেখা দিয়েছে যে, আমরা উজান থেকে পানি কতটুকু পাবো সেটা কিন্তু এখনো আমাদের কাছে যথেষ্ট সন্দেহের কারণ।"
তিনি বলেন, "পানি চুক্তি ছাড়া আমাদের কাক্সিক্ষত পানি পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। বর্ষাকালে প্রচুর পানি হয়। শুকনা মৌসুমে যদি পানি না পাই তাহলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলে এটি কোনো কার্যকরী ভূমিকা রাখবে না।"
তিনি উল্লেখ করেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেই জায়গাটি অ্যাড্রেস করছেন। উনি বলছেন যে, যাতে পানির রিজার্ভার তৈরি করা যায় ডিজাইনের মধ্যে সেটাকে গুরুত্ব দিতে বলছেন।"
মন্ত্রী আরও বলেন, "যাতে বর্ষাকালে আমরা পানি ধরে রাখতে পারি।"
তিনি জানান, "এক মাসের মধ্যে টেকনিক্যাল কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর মহাপরিকল্পনার মূল কার্যক্রম শুরু হবে।"
তিনি আরও বলেন, "কিছু লোক দেখতেছি, তারা আবার আন্দোলনের কর্মসূচি দিচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘদিন যে আমরা আন্দোলন করলাম, তাদের চেহারা তো আমি একদিনও পাইনি। এখন এরা দেখছে যে কাজ রেডি হয়ে যাচ্ছে। তাই আন্দোলন করে ক্রেডিট নিতে চায়। তারা কই ছিল এতদিন?"
মন্ত্রী বলেন, "তিস্তার চরে যখন সাধারণ মানুষ নিয়ে আমাদের নেতৃবৃন্দ আন্দোলন করছে, তাদের তো আমরা একদিনও সাথে পায়নি।"
এর আগে ত্রাণমন্ত্রী অন্যমন্ত্রীদের নিয়ে তিস্তা প্রধান সেচ খাল, জলঢাকার ধাইজান নদী, চারালকাটা নদী ও দিনাজপুর সেচ খাল পরিদর্শন করেন। এসময় পানি সম্পদ সচিব ড. এ.কে.এম শাহাবুদ্দিন সহ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে গঠিত ৯ সদস্যের কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন