০৫:০৭ পি.এম
রুমিন ফারহানা, তিনয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য, বলেছেন, ‘যত সহজে আপনারা বলেন আরেকটা গণ-অভ্যুত্থান আমরা করবো, বাংলাদেশে আগামী ১০০ বছরেও আর কোনো গণ-অভ্যুত্থান হবে না।’
তিনি এর পিছনে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানে যে স্বপ্ন ছিল চব্বিশে, শেষবারের মতো মানুষ তার জীবন বাজি রেখেছিল। পরে যখন মানুষ দেখল, এটা কতিপয় মানুষের নিজস্ব সম্পত্তি, এটা বাংলাদেশে উগ্রবাদের নতুন উত্থান। অদ্ভুতভাবে কিছু নেই থেকে শতকোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার একটা প্রকল্প।’
আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত ‘গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনীতি: সংকট, সম্ভাবনা ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিষয়টি নিয়ে রুমিন ফারহানা প্রশ্ন তোলেন, ‘চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে হিজাব পরা ও হিজাব ছাড়া নারীরা যেভাবে অংশ নিয়েছিলেন, গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে সেই পরিবেশ কেন রক্ষা হলো না?’
আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের
তিনি আরও বলেন, ‘চব্বিশের অভ্যুত্থানের ঠিক পরেই মুক্তিযুদ্ধের মুর্যাল ও ভাস্কর্যগুলো কারা ভাঙল?’ এই বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন এবং একাত্তর আর চব্বিশকে কেন মুখোমুখি করা হলো, সেই প্রশ্নও তিনি তোলেন।
রুমিন ফারহানা গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশে ‘ভয়াবহ উগ্রবাদের উত্থান হয়েছে’ বলেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সেটা আগে জানলে কয়জন রাস্তায় আন্দোলনে নামতেন, সেকথাও তিনি উল্লেখ করেন।
তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালের দেশভাগ, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ৯০–এর গণ-আন্দোলনের পর দেশের মানুষের প্রতারণার বিষয়টি তুলে ধরেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, ‘দেশের সাধারণ মানুষ বারবার রক্ত দিয়েছে এবং প্রতারিত হয়েছে।’
এ আলোচনা সভায় রাষ্ট্রসংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম, জেএসডির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব, রাজনৈতিক বিশ্লেষক হেলালুজ্জামান আহমেদ, জেএসডির সহ-সভাপতি নুরুল আখতার, সিরাজ মিয়া এবং আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।
আরও পড়ুন: ২৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট সাময়িক স্থগিত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন