ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তায় ফেলে গেলেন স্ত্রী-সন্তান


প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তায় ফেলে গেলেন স্ত্রী-সন্তান

 

রাতের আঁধারে রাস্তার পাশে অসুস্থ জামাল উদ্দিনকে ফেলে গেছেন তার স্ত্রী ও সন্তানরা। যে স্ত্রী এবং সন্তানের সুখের জন্য পরিবারের ছেড়ে তিনি দীর্ঘ ১২ বছর মাথার ঘাম পায়ে ফেলে প্রবাসে কাটিয়েছেন, সেই স্ত্রী ও সন্তানরাই অভিযোগ উঠেছে যে, গত শনিবার রাতে তাকে রাস্তার পাশে ফেলে যান।

শনিবার দিবাগত রাতে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালমেঘা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে খাস জমিতে ১৮ দোকান, ইজারা না হওয়ায় বন্ধ রাজস্ব আদায়

জানা যায়, ওই ব্যক্তির নাম জামাল উদ্দিন, বয়স ৪৯ বছর। তিনি কালমেঘা গ্রামের ফজর আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৫ বছর আগে তিনি নিজ গ্রামের সীমানা ছেড়ে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বাশবাড়ি দক্ষিণ পাড়া, ইয়ার উদ্দিন মোড় এলাকায় শ্বশুরবাড়ির কাছে বসবাস শুরু করেন। জীবিকার তাগিদে পরবর্তীতে সৌদি আরবে পাড়ি যান এবং সেখানে প্রায় ১২ বছর কাজ করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, প্রবাস জীবনে উপার্জিত লক্ষ লক্ষ টাকা তিনি স্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছেন। কয়েক বছর আগে কিডনি জটিলতা ও নানা শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় আট মাস আগে দেশে ফেরেন তিনি। দেশে ফেরার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের অবহেলার অভিযোগ ওঠে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শনিবার গভীর রাতে জামাল উদ্দিনকে তার পৈতৃক ভিটির পাশের রাস্তায় তার স্ত্রী রিনা আক্তার ও সন্তানরা ফেলে রেখে যায়। পরবর্তীতে রাতে বৃষ্টি শুরু হলে তিনি মানবেতর অবস্থায় পড়ে যান। পরে কালমেঘা গ্রামের উত্তর-পূর্ব পাড়ায় তার ভাতিজি ইসমতারার বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ৫ পুলিশসহ আহত ৩০

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোশাররফ মেম্বার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর স্থানীয়রা এগিয়ে এসে জামাল উদ্দিনকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেন।

জামাল উদ্দিনের বড় ভাই সোহরাব আলী বলেন, "আমার ভাইকে আমি পূর্বেই সাবধান করেছিলাম শ্বশুরবাড়িতে না যেতে। কিন্তু সে এলাকার কারও কথা শোনেনি। আজ শুনতে পেলাম, তার স্ত্রী অসুস্থ অবস্থায় তাকে রাস্তায় ফেলে চলে গেছে।"

স্থানীয়রা অসুস্থ জামাল উদ্দিনের চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তার পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে, অভিযুক্ত স্ত্রী রিনা আক্তার বলেন, "আমার স্বামীকে আমি কয়েক মাস আগে ডিভোর্স দিয়েছি। তার সঙ্গে এখন আর আমার কোনো সম্পর্ক নেই।"

আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে বাস দুর্ঘটনায় সুপারভাইজারসহ ২ নিহত, ৩ আহত

রাতের বেলায় তিনি কীভাবে ওই এলাকায় পৌঁছালেন, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, "এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।"

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল আলম জানান, ইতোমধ্যে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাড়াটে লোক দিয়ে সাবেক স্ত্রীকে হত্যা, জামায়াত নেতা কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ পি.এম


ভাড়াটে লোক দিয়ে সাবেক স্ত্রীকে হত্যা, জামায়াত নেতা কারাগারে

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে একটি হত্যা মামলায় আবু বকর ছিদ্দিক নামে পরিচিত এক জামায়াত নেতাকে আদালত কারাগারে পাঠিয়েছে। তিনি সাবেক স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি।

সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরের সময়, আবু বকর ছিদ্দিক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিন আবেদন করেন। আদালতের বিচারক সাদেকুর রহমান, জামিন আবেদনটি নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আবু বকর ছিদ্দিক, কমলনগর উপজেলার চর কালকিনি ইউনিয়ন জামায়াতের রুকন এবং চর সামছুদ্দিন গ্রামের আলী উল্যা হাওলাদারের পুত্র।

আদালত সূত্রে জানা যায় যে, সালেহা বেগম নামক এক বৃদ্ধা নারীকে হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় আবু বকর চার্জশিটভুক্ত আসামি।

এটি জানা যায় যে, ওই নারীকে তিনি গোপনে বিয়ে করেন এবং পরে তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। জমি কেনার জন্য ৩০ লাখ টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে মো. সেলিম নামের ভাসমান এক ব্যক্তিকে দিয়ে, তিনি ২০২৫ সালের ১৫ জুন দিবাগত রাতে সালেহাকে হত্যা করান।

চার্জশিট ও থানা পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের ১৬ জুন, কমলনগরের মতিরহাট সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীরে নুনু সর্দারের পরিত্যক্ত ভিটায় সাহেলা বেগমের মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তার মেয়ে ফাতেমা বেগম অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে মামলা দাখিল করেন।

কমলনগর থানা পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত চালিয়ে রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়। সেলিম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর, সে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে।

এবং আদালতে সেলিমের জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয় যে, সালেহাকে নির্জন স্থানে নিয়ে, সে গলা টিপে অচেতন করে। পরে তাকে ধর্ষণ করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। হত্যার পর, সালেহার কাছে থাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

চার্জশিটে উল্লেখিত সেলিমের জবানবন্দি অনুযায়ী দেখা যায়, ‘সালেহার সঙ্গে আবু বকর ছিদ্দিকের গোপনে বিয়ের সম্পর্ক গড়ে উঠে। জমি কেনার কথা বলে, সালেহার কাছ থেকে আবু বকর ৩০ লাখ টাকা গ্রহণ করে। কিন্তু জমি কিনে না দিয়ে, উল্টো আরো ২০ লাখ টাকা দাবি করে। এর ফলে তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। আবু বকর ছিদ্দিক ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে সালেহাকে হত্যার জন্য সেলিমকে ভাড়া করে। সেলিমের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে, থানা পুলিশ সেলিম ও আবু বকর ছিদ্দিককে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে। আসামি সেলিম কারাগারে থাকলেও, আবু বকর পলাতক থাকায়, আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

বাদির আইনজীবী আমজাদ হোসাইন জানান, চার্জশিটভূক্ত দ্বিতীয় আসামি আবু বকর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করে। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে, তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। হত্যা মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।

ভিকটিম সালেহা বেগমের ছেলে শরীফ উদ্দিন ও মো. আরিফুল ইসলাম জানান, আসামি আবু বকর ছিদ্দিক জামায়াতের রাজনীতি করে থাকলেও, তিনি লম্পট প্রকৃতির একজন ব্যক্তি। তিনি এ পর্যন্ত সাতবার বিয়ে করেছেন। অর্থের লোভে সবার অজান্তে তিনি তাদের মাকেও বিয়ে করেছেন। একসময় তারা ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে, তিনি ভাড়াটে লোক দিয়ে তাদের মাকে হত্যা করাতে বাধ্য হন। ফলে, তারা আদালতের কাছে ন্যায় বিচার প্রার্থনা এবং দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের দাবি করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ পি.এম


বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন

 

আমাদের ভবিষ্যতের জন্য।’—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজের পরিবেশবিষয়ক সংগঠন বিএনএমপিসি ইকো ক্লাব বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন করেছে।

২১ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত আয়োজিত পরিবেশ সচেতনতামূলক কর্মসূচির মধ্যে ছিল বর্ণাঢ্য র‍্যালি, দেয়ালিকা প্রদর্শন, বৃক্ষরোপণ, পরিবেশবিষয়ক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও রচনা প্রতিযোগিতা।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন সমাপনী অনুষ্ঠানে ইকো ক্লাবের নতুন প্যানেল সদস্যদের অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।

পরে আলোচনা সভায় বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।

বাংলা বিভাগের প্রভাষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান লিটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী নাজিফা তাফাননুন, ইকো ক্লাবের মডারেটর সহযোগী অধ্যাপক মুহম্মদ আনোয়ার সাদাত এবং কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মো. তাজুল ইসলাম, পিএইচডি, এইসি।

বক্তারা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে প্রকৃতি, পরিবেশ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি প্রত্যেকের দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়টি তুলে ধরেন।

আয়োজকরা জানান, এ ধরনের কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা, দায়িত্বশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও পরিবেশ সুরক্ষায় বিএনএমপিসি ইকো ক্লাবের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকৃবিতে চার হলের সংঘর্ষের ঘটনায় দুই তদন্ত কমিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪০ পি.এম


বাকৃবিতে চার হলের সংঘর্ষের ঘটনায় দুই তদন্ত কমিটি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) চারটি আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও অপ্রীতিকর ঘটনার তদন্তে পৃথক দুটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা থেকে পৌনে ৩টা পর্যন্ত এবং ২৪ জুলাই দুপুর আড়াইটার পর আশরাফুল হক হল ও শহীদ শামসুল হক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এতে ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। এ সময় উভয় হলের মূল ফটক, সীমানাপ্রাচীরের লাইট, সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুর করা হয়।

এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রতিবেদন ও সুপারিশের জন্য সাত সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এতে সভাপতি করা হয়েছে সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আদহামকে এবং সদস্যসচিব করা হয়েছে সংস্থাপন শাখা-২-এর অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. মঞ্জুর হোসেনকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল হাসান ভূঞা, অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল আলম, অধ্যাপক ড. কাজী কামরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মাহবুবুল প্রতীক সিদ্দিক এবং অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশীদ।

অন্যদিকে, গত ১ ও ২ আগস্ট হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল ও মাওলানা ভাসানী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরপর দুই দিনের সংঘর্ষের ঘটনাতেও পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

চার সদস্যের এ কমিটিতে এনিমেল ব্রিডিং অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভূঁইয়াকে সভাপতি এবং কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এইচ. এম. সাগরকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান মজুমদার ও অধ্যাপক ড. জিয়াউল হক।

তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়ে অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আদহাম বলেন, ‘আজই তদন্তের চিঠি হাতে পেয়েছি। মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করব। আমরা উভয় হল সরেজমিনে পরিদর্শন করব এবং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বসে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।’

অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘আজ সন্ধ্যার দিকে কমিটির চিঠি পেয়েছি। এখনো কোনো কার্যক্রম শুরু করিনি। কমিটির সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করব এবং যত দ্রুত সম্ভব কার্যক্রম শুরু করব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় স্কুলছাত্র কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪১ পি.এম


পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় স্কুলছাত্র কারাগারে

মো. রিমন নামে এক স্কুলছাত্রকে লক্ষ্মীপুরের রামঘাটিতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পুলিশের দায়েরকৃত মামলায় আদালত কারাগারে পাঠিয়েছে। রিমন রামগতি উপজেলার চর মেহার আজিজিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ব্যবসা শাখার ছাত্র।

জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী, তার বয়স ১৪ বছর ২ মাস। সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় আসামি পক্ষের আইনজীবী আবদুর রব সুমন এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে এদিকে, মামলার এজাহারে রিমনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে বাচ্চু প্রকাশ রিপন এবং বয়স দেওয়া হয়েছে ১৯ বছর। জন্ম নিবন্ধনের সঙ্গে নাম কিংবা বয়সের কোনো মিল দেখা যায়নি।

এ ছাড়া আদালতে সোপর্দ করার সময়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান তার (রিমন) নাম সংশোধন করলেও বয়স দেখিয়েছে ১৩ বছর ১১ মাস ২৯ দিন।

আইনজীবী আবদুর রব সুমন বলেন, সকালে রামগতি থানা পুলিশ সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় রিমনকে আদালতে সোপর্দ করে। রিমন ছোট মানুষ, তার এখনো রাজনীতি করার বয়স হয়নি। তাই আমরা তার জামিনের জন্য মানবিক আবেদন করেছি।

এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি হওয়ায় জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাদেকুর রহমান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন। এর আগে সকালেও রামগতি থানা পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করেছিল।

আইনজীবী আরো জানান, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) হাজিরা আছে। এজন্য আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে এবং পরে তাকে গাজীপুরে শিশু-কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

গ্রেপ্তার হওয়া রিমন উপজেলার চর রমিজ ইউনিয়নের চরমেহার গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। তাকে রবিবার (২ আগস্ট) বিকেলে চরমেহার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ৩০ মে সকালে চর আলগী ইউনিয়নের চরনেয়ামত গ্রামের মধ্য পূর্ব আলেকজান্ডার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বহুমুখী দূর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্রের নিচে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়। এসময় তারা ‘মুজিব তোমার স্মরণে, ভয় করি না মরণে, শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে, আমরা সবাই মুজিব সেনা, ভয় করি না বুলেট বোমা, শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ সহ বিভিন্ন উস্কানিমূলক স্লোগান সহ জননিরাপত্তা বিপন্ন ও আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটাতে ঝটিকা মিছিল করে। তারা তাদের কার্যক্রম বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারের জন্য ভিডিও ধারণ করে। এ ঘটনায় ৪ জুন রামগতি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ময়নাল হোসেন বাদী হয়ে রিমনসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রামগতি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় রিমনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বয়স কম না বেশি তা তদন্তের বিষয়। জন্ম নিবন্ধনে বয়স যা আছে তাই লিখে দিতে প্রতিবেদকে বলেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%