১১:৪০ পি.এম
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) চারটি আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও অপ্রীতিকর ঘটনার তদন্তে পৃথক দুটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা থেকে পৌনে ৩টা পর্যন্ত এবং ২৪ জুলাই দুপুর আড়াইটার পর আশরাফুল হক হল ও শহীদ শামসুল হক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এতে ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। এ সময় উভয় হলের মূল ফটক, সীমানাপ্রাচীরের লাইট, সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুর করা হয়।
আরও পড়ুন: জাল সনদ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা চায় এপিইউবি
এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রতিবেদন ও সুপারিশের জন্য সাত সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এতে সভাপতি করা হয়েছে সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আদহামকে এবং সদস্যসচিব করা হয়েছে সংস্থাপন শাখা-২-এর অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. মঞ্জুর হোসেনকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল হাসান ভূঞা, অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল আলম, অধ্যাপক ড. কাজী কামরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মাহবুবুল প্রতীক সিদ্দিক এবং অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশীদ।
অন্যদিকে, গত ১ ও ২ আগস্ট হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল ও মাওলানা ভাসানী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরপর দুই দিনের সংঘর্ষের ঘটনাতেও পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
চার সদস্যের এ কমিটিতে এনিমেল ব্রিডিং অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভূঁইয়াকে সভাপতি এবং কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এইচ. এম. সাগরকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মেসার্স উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি
কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান মজুমদার ও অধ্যাপক ড. জিয়াউল হক।
তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়ে অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আদহাম বলেন, ‘আজই তদন্তের চিঠি হাতে পেয়েছি। মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করব। আমরা উভয় হল সরেজমিনে পরিদর্শন করব এবং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বসে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।’
অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘আজ সন্ধ্যার দিকে কমিটির চিঠি পেয়েছি। এখনো কোনো কার্যক্রম শুরু করিনি। কমিটির সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করব এবং যত দ্রুত সম্ভব কার্যক্রম শুরু করব।’
আরও পড়ুন: ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতিতে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে অগ্রাধিকার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন