পারভিন আক্তার, স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ
০৬:২৬ পি.এম
"জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬" ও "জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬" যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করার উদ্দেশ্যে প্রস্তুতিমূলক সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সভাটি ১৪ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে, মঙ্গলবার, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন জনাব মোঃ রায়হান কবির। জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ ও গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ যথাযথ মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে আলোচনা হয়।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন নারায়ণগঞ্জ এবং পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণ এবং মাতৃভাষা ভিত্তিক শিক্ষার প্রসার নিয়ে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে চলছে। শিক্ষক সংকটের সমাধানে স্থানীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।
আজ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন-১৯ এর সরকারি দলের সদস্য আন্না মিনজের ৭১ বিধিতে উত্থাপিত জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষা ও সংস্কৃতির উন্নয়নের জন্য নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এরপর ২০০২ সালে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানকে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণ এবং বিলুপ্তপ্রায় ৩০টি ভাষা সংরক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমানে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও সাঁওতালী—এই পাঁচটি ভাষার জন্য প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন এবং বিতরণ করা হচ্ছে। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (ন্যাপ) এসব মাতৃভাষার পাঠদানকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাপ্তাহিক শ্রেণি রুটিনে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালে পাঁচটি পিটিআইয়ের অধীনে মোট ১৫টি ব্যাচে ৪৫০ জন শিক্ষককে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষায় পাঠদানের ওপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।
পরে সম্পূরক প্রশ্নে আন্না মিনজ সংশ্লিষ্ট ভাষার শিক্ষক সংকট এবং শিক্ষার মান তদারকির বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চাইলে, মন্ত্রী বলেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এ বছরও পাঁচটি মাতৃভাষায় নতুন করে ৩৭টি বই প্রকাশ করছে।
তিনি বলেন, চাকমা, গারো, মারমা, ত্রিপুরা ও সাঁওতালী ভাষার পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষায় أيضاً বহুভাষিক শিক্ষা (এমএলই) সম্প্রসারণের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগণ বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তাদের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতেই সরকার মাতৃভাষায় শিক্ষা, পাঠ্যপুস্তক ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করছে।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে শিক্ষক স্বল্পতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগ ও তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ-সৌদি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বন্দর, পরিবহন ও লজিস্টিকস সহযোগিতা জোরদারের জন্য। এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বন্দর অবকাঠামোর আধুনিকায়ন, সামুদ্রিক পরিবহনব্যবস্থার উন্নয়ন, লজিস্টিকস খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময়সহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে সৌদি আরবের পরিবহন ও লজিস্টিকস বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার ড. রুমাইহ বিন মোহাম্মদ আল-রুমাইহের নেতৃত্বাধীন উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল যোগ দেয়।
মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশের নৌখাতের চলমান রূপান্তরমূলক উদ্যোগ সম্পর্কে আলোচনা করেন, যার মধ্যে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বে টার্মিনালসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের অগ্রগতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি সৌদি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের বন্দর, পরিবহন ও লজিস্টিকস খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করবে।
সৌদি আরবের ভাইস মিনিস্টার ড. রুমাইহ বিন মোহাম্মদ আল-রুমাইহ বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং পরিবহন ও নৌপরিবহন খাতে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে পরিবহন ও লজিস্টিকস খাতে সহযোগিতার ব্যাপক সম্ভাবনা বিদ্যমান রয়েছে এবং সৌদি আরব এ ধরনের সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের প্রতি আগ্রহী।
উক্ত বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ বিন আবিয়াহ এবং উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের শেষে উভয় পক্ষ পরিবহন, বন্দর ও লজিস্টিকস খাতে যৌথ উদ্যোগ, প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা আরো জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশ-সৌদি সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যাতে ১০ জেলার মানুষদের সহায়তায় অক্সফাম ইন বাংলাদেশ ১ কোটি ২০ লাখ ৬৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।
এছাড়া, ৩০ লাখ ইউরো তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে চেষ্টা করা হবে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এই তথ্য এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।
অক্সফাম জানায়, ১৪ জুলাই পর্যন্ত অতি বৃষ্টির ফলে বন্যায় ৫৪ জন প্রাণ হারিয়েছে এবং ৩৯ জন আহত হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতিতে ঘরবাড়ি, সড়ক, বাঁধ, কৃষিজমি, পানির উৎস, শৌচাগার ও মৎস্য খামার ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়া, অন্তত ৩ হাজার ৫০০টি পানির উৎস ও ১২ হাজার ৪০০টি শৌচাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বেড়েছে।
অক্সফাম ইন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর অনিল পান্ত বলেন, "বন্যার কারণে মানুষের জীবন ও জীবিকা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।" বিশেষ করে, চট্টগ্রামের বহু পরিবার ঘরবাড়ি ও আয়ের উৎস হারিয়েছে, এবং নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ রোহিঙ্গা শিবিরে সীমিত নিরাপদ আশ্রয়, অস্থিতিশীল পাহাড়ি ঢাল ও ভূমিধসের ঝুঁকি পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে।
সংস্থাটি জানায়, চট্টগ্রামে জরুরি খাদ্য, নিরাপদ খাবার পানি, স্বাস্থ্যবিধি ও মর্যাদা সুরক্ষা কিট বিতরণের পাশাপাশি যারা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের মধ্যে আছে তাদের পরিবারপ্রতি ৮ হাজার টাকা করে বহুমুখী নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। এই অর্থ খাদ্য, ঘর মেরামত, চিকিৎসা, যাতায়াত ও জীবিকা পুনরুদ্ধারে ব্যয় করা যাবে।
কক্সবাজারে অক্সফাম ও এর অংশীদাররা ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা মেরামত এবং রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ করছে।
অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তবে, বর্তমানে বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
তাহলে, আরো বেশি মানুষের কাছে জীবনরক্ষাকারী সহায়তা পৌঁছে দিতে দাতা সংস্থা, উন্নয়ন অংশীদার, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান অনিল পান্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের গয়লাকান্দি গ্রামে পারিবারিক কলহ ও মাদকাসক্তির কারণে এক গৃহবধূকে ঘরের ভেতর আটকে রেখে রাতভর হাত-পা বেঁধে পৈশাচিক নির্যাতনের খবর সামনে এসেছে। ভুক্তভোগী সোনিয়া আক্তারের মাথার চুল কেটে নেওয়ার পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে দেহ জখম করা হয়েছে। নিষ্ঠুর এই নির্যাতনের সময় ওই গৃহবধূর দুই শিশু সন্তানও ঘরে অবরুদ্ধ ছিল।
জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘তালাশ বিডি’ তে এই নির্মমতার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর প্রশাসন নড়ে চড়ে বসে। পুলিশ ঘরের তালা ভেঙে মারাত্মক আহত ওই গৃহবধূ ও তার দুই সন্তানকে উদ্ধার করে। একই সাথে স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত স্বামী নাজমুল শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে গোহালা ইউনিয়নের গয়লাকান্দি গ্রামে এই শিউরে ওঠার মতো ঘটনা সংগঠিত হয়। অভিযুক্ত স্বামীর নাম নাজমুল শেখ (২৮), পিতা নওয়াব আলী শেখ, গ্রামের নাম গয়লাকান্দি, মুকসুদপুর। ভুক্তভোগী স্ত্রী সোনিয়া আক্তার, পিতা লোকমান সরকার, গ্রামের নাম চরমুসুরিয়া, মুন্সীগঞ্জ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাজমুল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশার টাকার জন্য এবং পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়ই সোনিয়াকে শারীরিক নির্যাতন করতেন। সোমবার রাতে সামান্য কথা-কাটাকাটির কারণে নাজমুল ঘরের দরজায় তালা লাগিয়ে দেন এবং এরপর সোনিয়ার হাত-পা বেঁধে মাথার চুল কেটে ফেলা হয়।
এখানেই শেষ নয়, দুই অবুঝ সন্তানের সামনেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে সোনিয়ার পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। রাতভর চলতে থাকে এই অমানুষিক নির্যাতন। মঙ্গলবার সকালে ঘরের ভেতর থেকে সোনিয়ার গোঙানি ও চিৎকার শুনতে পান প্রতিবেশীরা। তারা দ্রুত পুলিশকে বিষয়টি জানালে পুলিশ এসে তালা ভেঙে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে এবং সোনিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করতে পাঠায়।
হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে সোনিয়া আক্তার আর্তনাদ করে বলেন, '(নাজমুল) প্রতিদিন নেশা করে এসে আমাকে মারে। সোমবার রাতে সামান্য বিষয়ে রাগ করে বাচ্চাদের সামনেই আমার হাত-পা বেঁধে চুল কেটে দিল। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিঠে কোপাতে থাকল। আমি এই পশুর কঠিন বিচার চাই।'
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত নাজমুল শেখ স্বীকার করেন যে তার অপরাধ করেছেন, তবে তিনি একটি অদ্ভুত অজুহাত দিয়েছেন। তার দাবি, স্ত্রী যেন তাকে ছেড়ে বাপের বাড়ি পালিয়ে যেতে না পারেন—এ কারণে মূলত তিনি স্ত্রীর হাত-পা বেঁধে এবং মাথার চুল কেটে ঘরে আটকেছিলেন।
স্থানীয় গোহালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মাতুব্বর জানান, নাজমুল একজন চিহ্নিত মাদকাসক্ত এবং প্রায়শই স্ত্রীর ওপর চড়াও হতেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রতিবেশী জানান, নাজমুল কোনো কাজে নিযুক্ত ছিলেন না, বরং তিনি বখাটে স্বভাবের ছিলেন। সংসারের খরচ মেটাতে সোনিয়াকে চাপ দিয়ে তার বাপের বাড়ি থেকে নিয়মিত মোটা অঙ্কের টাকা আনাতেন। তাদের বর্তমান আবাসস্থলও সোনিয়ার বাবার অর্থায়নে নির্মিত।
মুকসুদপুর উপজেলার সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খোন্দকার আরঙ্গজেব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, 'খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা ভেঙে গৃহবধূ ও তার সন্তানদের উদ্ধার করেছে। অভিযুক্ত নাজমুলকে আটক করে মুকসুদপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং মামলা রজু হওয়া মাত্রই আইন অনুযায়ী পরবর্তী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ