ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বেলুচিস্তানে অভিযানে ১৭ জন জঙ্গি নিহত


বেলুচিস্তানে অভিযানে ১৭ জন জঙ্গি নিহত

বেলুচিস্তানে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক একাধিক অভিযানে ১৭ জন জঙ্গি নিহত হয়েছেন, দাবী করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী।

মঙ্গলবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানায় যে, গত ২৪ মে ট্রেনে হামলার ঘটনার পর বেলুচিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আইএসপিআরের তথ্য অনুযায়ী, মাস্টাং, নুশকি, জেহরি, খুজদার এবং কেচ জেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।

আরও পড়ুন: বিএমইউতে ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব বিশেষজ্ঞদের

ওই বিবৃতিতে বলা হয় যে, অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদের একাধিক আস্তানায় অভিযান চালায় এবং উভয়পক্ষের মধ্যে তীব্র গোলাগুলির পর ১৭ জন জঙ্গি নিহত হন। পাকিস্তান তাদের ‘ভারত-সমর্থিত ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ গোষ্ঠীর সদস্য বলে দাবি করেছে।

অভিযানে নিহতদের কাছ থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিপুলপরিমাণ বিস্ফোরক এবং প্রস্তুতকৃত ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানায় আইএসপিআর। সংস্থাটির দাবি, যে জঙ্গিরা নিহত হয়েছে তারা ওই অঞ্চলে সংঘটিত একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।

উল্লেখ্য, গত ২৪ মে রেললাইনের পাশে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় কয়েকজন নিহত ও বহু মানুষ আহত হওয়ার পর এসব অভিযান শুরু হয়। বেলুচিস্তান সরকারের মুখপাত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, কোয়েটা শহরের চমন ফটকের কাছে রেললাইনের পাশে বিস্ফোরণে অন্তত ১৪ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে তিনজন ফ্রন্টিয়ার কর্পস (এফসি) সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া আহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও ছিল।

আরও পড়ুন: শ্বাসকষ্টে হাসপাতালে ভর্তি বিএনপি নেতা বুলু, দোয়া চাইলেন পরিবার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ বছর কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ দম্পতির আপিল খারিজ, কারাগারে অনশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ এম


১০ বছর কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ দম্পতির আপিল খারিজ, কারাগারে অনশন

ইরানে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত ব্রিটিশ দম্পতি লিন্ডসে ফোরম্যান ও ক্রেগ ফোরম্যানের ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করে দিয়েছে দেশটির আদালত। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির বরাত দিয়ে তাদের পরিবারের সূত্র থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মোটরসাইকেলে বিশ্বভ্রমণের অংশ হিসেবে ইরান পার হওয়ার সময়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে এই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আসলেও গত ফেব্রুয়ারিতে তাদের ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বর্তমানে তারা তেহরানের এভিন কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

যুক্তরাজ্যে এই দম্পতির আইনি সহায়তা প্রদানকারী দলের সদস্য ব্যারিস্টার হেইডি ডিকস্টাল জানিয়েছেন, ক্রেগ এবং লিন্ডসে সাধারণ পর্যটক। তারা অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে এবং আটকের পর থেকে তাদের মৌলিক অধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে।

লিন্ডসের ছেলে জো বেনেট জানিয়েছেন, আপিল শুনানির সময় তার মা ও সৎ বাবাকে আদালতে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাঁরা অভিযোগ করেন যে, ইরানি কর্তৃপক্ষ আপিল কেন খারিজ করা হলো তার কোনো কারণও দেখায়নি। এছাড়া, ফার্সি ভাষায় লেখা কিছু নথিতে তাদের জোরপূর্বক স্বাক্ষর করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, যা পড়তে না পারায় তারা স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান।

এই দম্পতি বর্তমানে কারাগারে অনশন করছেন, বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার প্রতিবাদে এবং মুক্তির দাবিতে। পেশায় কাঠমিস্ত্রি ক্রেগ ফোরম্যান গত ২৫ দিন ধরে খাবার বর্জন করেছেন। তিনি কেবল চিনি, দুধ ও পানি গ্রহণ করছেন এবং ক্রমান্বয়ে দুর্বল ও কৃশ হয়ে পড়েছেন। মাঝে কিছুদিন অনশন ভাঙলেও বর্তমানে টানা ১৬ দিন ধরে অনশন করছেন পেশায় লাইফ কোচ লিন্ডসে ফোরম্যান।

সহবন্দিদের পরিবারের মাধ্যমে বাইরে আসা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বেনেট জানান, তাদের শারীরিক অবস্থা দিন দিন আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ছে।

এক মাস আগে বিবিসির সঙ্গে কথা বলার পর থেকে পরিবারের সঙ্গে তাদের সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর এই রায়কে ‘হতাশাজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছে এবং এই দম্পতিকে নিরাপদে যুক্তরাজ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। এর আগে যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে এই আটকাদেশকে ‘অন্যায় এবং জঘন্য’ বলে বর্ণনা করা হয়েছিল।

ইরানে প্রায় ছয় বছর বন্দি থাকার পর মুক্তি পাওয়া ব্রিটিশ নাগরিক নাজানিন জাগ্রি-র্যাটক্লিফের স্বামী রিচার্ড র্যাটক্লিফ এই বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘ইরানের রেভল্যুশনারি কোর্ট মূলত কোনো প্রকৃত আদালত নয়, এটি সাজা দেওয়ার একটি মঞ্চ। লিন্ডসে ও ক্রেগের আপিল খারিজ করা আসলে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে ব্রিটিশ সরকারকে দেওয়া একটি রাজনৈতিক বার্তা।’

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মামলাটি এখন ইরানের সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হয়েছে। তবে সেখানকার আইনি প্রক্রিয়া বা সময়সীমা সম্পর্কে তাদের কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই।

জো বেনেট অত্যন্ত উদ্বিগ্ন কণ্ঠে বলেন, ‘আমি এই সংকটের কোনো শেষ দেখতে পাচ্ছি না, এটাই সবচেয়ে কষ্টের। আমরা শুধু তাদের সুস্থভাবে আমাদের মাঝে, নিজ দেশে ফেরত চাই।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ এম


এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা জারি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মাদরাসায় কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বদলি ব্যবস্থা চালু করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ নতুন নীতিমালা জারি করেছে।

‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (মাদরাসা) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬’ শীর্ষক এই নীতিমালার আওতায় শিক্ষক বদলির পুরো কার্যক্রম অনলাইনে এবং সফটওয়্যারভিত্তিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে।

এ নীতিমালা মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কর্মরত এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষকদের জন্য একটি স্বচ্ছ, দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর বদলি ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে শিক্ষকরা নির্ধারিত শূন্যপদের বিপরীতে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন এবং নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বদলির সুযোগ পাবেন।

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম যোগদানের পর কমপক্ষে দুই বছর চাকরি সম্পন্ন না হলে কোনো শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন না। একইভাবে একবার বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর পুনরায় বদলির আবেদন করতে হলেও কমপক্ষে দুই বছর কর্মরত থাকতে হবে।

এখন একজন শিক্ষক তার পুরো চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। আবেদনকারী শিক্ষক বা শিক্ষিকা সাধারণত নিজ জেলার শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করবেন। যদি নিজ জেলায় শূন্যপদ না থাকে, তাহলে নিজ বিভাগের অন্য জেলার প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার অনুমতি রয়েছে।

পারিবারিক বা প্রশাসনিক বিশেষ কারণে অন্য জেলার জন্যও আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

একটি শূন্য পদের বিপরীতে যদি একাধিক আবেদন জমা পড়ে, তাহলে সফটওয়্যার নির্ধারিত চারটি মানদণ্ড অনুসারে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। এসব মানদণ্ড হলো- নারী আবেদনকারী, বর্তমান ও কাঙ্ক্ষিত কর্মস্থলের দূরত্ব, স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল এবং চাকরির জ্যেষ্ঠতা।

জ্যেষ্ঠতা সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার আলোকে নির্ধারণ করা হবে। দূরত্ব নিরূপণে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুসৃত পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে।

নীতিমালায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুজন শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন। তবে একই বিষয়ের একাধিক শিক্ষককে একযোগে বদলি করা যাবে না।

আবেদনকারীরা অনলাইনে সর্বোচ্চ তিনটি কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানের নাম পছন্দক্রমে উল্লেখ করতে পারবেন। বদলির আবেদন, যাচাই-বাছাই, অনুমোদন এবং চূড়ান্ত আদেশ—সবকিছুই সফটওয়্যার মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এ কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার পরিচালনা ও আবেদন ফরম্যাট নির্ধারণ করবে। বদলিকৃত শিক্ষকের ইনডেক্স নম্বর অনলাইনে নতুন প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরিত হবে। ফলে তার এমপিও সুবিধা, চাকরির জ্যেষ্ঠতা এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

বদলির আদেশ জারির পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ১০ দিনের মধ্যে শিক্ষককে অবমুক্ত করতে হবে। অবমুক্তির পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান বাধ্যতামূলক। যোগদানের তথ্যও অনলাইনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। অবমুক্তি থেকে যোগদান পর্যন্ত সময় চাকরিকাল হিসেবে গণ্য হবে। তবে যেসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্টপ পেমেন্ট, সাময়িক বরখাস্তের আদেশ বা কোনো ফৌজদারি মামলা চলমান রয়েছে, তারা বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

নতুন নীতিমালা জারির ফলে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর জারি করা এনটিআরসিএ সুপারিশপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতে নীতিমালার সংশোধন, পরিমার্জন বা ব্যাখ্যা দেওয়ার ক্ষমতা শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংরক্ষণ করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এ সফটওয়্যারভিত্তিক বদলি ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে মাদরাসাশিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বদলি-সংক্রান্ত জটিলতা দূর হবে। পাশাপাশি শিক্ষক সংকট নিরসন, শূন্যপদ ব্যবস্থাপনা এবং শিক্ষকদের পারিবারিক ও পেশাগত ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র গুলি করেছে, কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ এম


ইরান কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র গুলি করেছে, কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী

মার্কিন সামরিক বাহিনী মঙ্গলবার (২ জুন) জানিয়েছে, তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ‘সফলভাবে প্রতিহত’ করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, তারা ‘আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে’ ইরানের কেশম দ্বীপে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) পাশাপাশি ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) করা একটি দাবি অস্বীকার করেছে। সেই দাবি অনুযায়ী বলা হয়েছিল যে, তারা বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতর এবং উক্ত অঞ্চলের একটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।

একটি বিবৃতিতে সেন্টকম উল্লেখ করেছে, ‘ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল, তবে কোনোটিই নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়নি।’

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কুয়েতে নিক্ষেপ করা দুটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যস্থলে পৌছানোর আগে ভেঙে পড়ে বা পথে বিকল হয়। এবং বাহরাইনের দিকে নিক্ষেপ করা তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন এবং বাহরাইনি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।’

কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘শত্রুপক্ষের’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাগুলোকে প্রতিহত করছে।

সেন্টকম আরো জানায়, ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা তিনটি আক্রমণাত্মক ড্রোনও ভূপাতিত করা হয়েছে। সেগুলো আন্তর্জাতিক জলসীমায় বৈধভাবে চলাচলরত বেসামরিক জাহাজগুলোর দিকে অগ্রসর হচ্ছিল।

কেশম দ্বীপ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত, যা উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রধান সমুদ্রপথ। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তেহরান কার্যত এই নৌপথটিকে বন্ধ করে রেখেছে।

সেন্টকম জানায়, তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল কেশম দ্বীপে অবস্থিত একটি ‘ইরানি সামরিক গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন’। তারা দাবি করে যে, এ অভিযানে কোনো মার্কিন সেনা সদস্য আহত হননি।

অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করে, কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে তারা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে।

এটির জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক পোস্টে সেন্টকম লিখেছে, ‘মিথ্যা। মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে ইরানের সব হামলাই ব্যর্থ হয়েছে।’

গত ৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তবে সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে পরবর্তী আলোচনা এখন পর্যন্ত কোন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আনতে পারেনি।

এছাড়া, গেল সোমবার (১ জুন) তেহরান সতর্ক করে বলেছে, লেবাননে ইসরাইলের সম্প্রসারিত সামরিক অভিযান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটাতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি হামলা, বহু হতাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ এম


গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি হামলা, বহু হতাহত

গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি হামলার ফলে অন্তত তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। উপত্যকার দেইর আল-বালাহ এলাকায় নেতানিয়াহু বাহিনী একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায়। এতে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ইসরাইলের দাবি হচ্ছে, হামাস যোদ্ধাদের লক্ষ্য করেই এসব হামলা কার্যকর করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ জুন) মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় বিমান হামলার ঘটনাটি ঘটে। হামলার ফলে একটি গাড়ি লক্ষ্যবস্তু হিসেবে শনাক্ত হয়।

স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, এই হামলায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের ফলে গাড়িটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায় এবং পরবর্তীকালে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়াতেই মানুষ নিরাপদ স্থানে সরে যান।

একই দিনে, কাছাকাছি জাওয়াইদা শহরে আরেকটি হামলার ফলে কয়েকজন হতাহত হওয়ার খবর দিয়েছেন স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ইসরাইলি গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হন। বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক হামলার ফলস্বরূপ সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা আরো বেড়েছে।

ইসরাইলি বাহিনী এসব ঘটনার ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবুও, তারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে, গাজায় হামাস যোদ্ধাদের লক্ষ্য করেই তাদের অভিযানগুলি পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, হামলা চালিয়ে বেসামরিক নাগরিকদেরকেই লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।

উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে এটি থমকে গেছে। ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে তা অচলাবস্থায় রয়েছে। যেখানে অস্ত্র সমর্পণ ও সেনা প্রত্যাহারের বিষয়গুলো প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। বর্তমান অবস্থায় গাজার একটি বড় অংশ ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সংঘাত এখনও পুরো অঞ্চলে বিস্তৃত রূপে চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%