ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা জারি


এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা জারি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মাদরাসায় কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বদলি ব্যবস্থা চালু করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ নতুন নীতিমালা জারি করেছে।

‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (মাদরাসা) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬’ শীর্ষক এই নীতিমালার আওতায় শিক্ষক বদলির পুরো কার্যক্রম অনলাইনে এবং সফটওয়্যারভিত্তিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে।

এ নীতিমালা মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কর্মরত এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষকদের জন্য একটি স্বচ্ছ, দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর বদলি ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে শিক্ষকরা নির্ধারিত শূন্যপদের বিপরীতে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন এবং নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বদলির সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুন: অবকাঠামো উন্নয়নে গুণগত মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে : সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম যোগদানের পর কমপক্ষে দুই বছর চাকরি সম্পন্ন না হলে কোনো শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন না। একইভাবে একবার বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর পুনরায় বদলির আবেদন করতে হলেও কমপক্ষে দুই বছর কর্মরত থাকতে হবে।

এখন একজন শিক্ষক তার পুরো চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। আবেদনকারী শিক্ষক বা শিক্ষিকা সাধারণত নিজ জেলার শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করবেন। যদি নিজ জেলায় শূন্যপদ না থাকে, তাহলে নিজ বিভাগের অন্য জেলার প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার অনুমতি রয়েছে।

পারিবারিক বা প্রশাসনিক বিশেষ কারণে অন্য জেলার জন্যও আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

একটি শূন্য পদের বিপরীতে যদি একাধিক আবেদন জমা পড়ে, তাহলে সফটওয়্যার নির্ধারিত চারটি মানদণ্ড অনুসারে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। এসব মানদণ্ড হলো- নারী আবেদনকারী, বর্তমান ও কাঙ্ক্ষিত কর্মস্থলের দূরত্ব, স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল এবং চাকরির জ্যেষ্ঠতা।

আরও পড়ুন: জামায়াত নিজেদের কর্মীদের ছাড়া একজন ফকিরকেও ভিক্ষা দেয় না: মীর শাহে আলম

জ্যেষ্ঠতা সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার আলোকে নির্ধারণ করা হবে। দূরত্ব নিরূপণে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুসৃত পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে।

নীতিমালায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুজন শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন। তবে একই বিষয়ের একাধিক শিক্ষককে একযোগে বদলি করা যাবে না।

আবেদনকারীরা অনলাইনে সর্বোচ্চ তিনটি কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানের নাম পছন্দক্রমে উল্লেখ করতে পারবেন। বদলির আবেদন, যাচাই-বাছাই, অনুমোদন এবং চূড়ান্ত আদেশ—সবকিছুই সফটওয়্যার মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এ কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার পরিচালনা ও আবেদন ফরম্যাট নির্ধারণ করবে। বদলিকৃত শিক্ষকের ইনডেক্স নম্বর অনলাইনে নতুন প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরিত হবে। ফলে তার এমপিও সুবিধা, চাকরির জ্যেষ্ঠতা এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

আরও পড়ুন: অরুণাচল সীমান্তে চীনের নিয়ন্ত্রণে ভারতের 'অসহায়ত্ব', মোদি সরকার ব্যাকফুটে

বদলির আদেশ জারির পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ১০ দিনের মধ্যে শিক্ষককে অবমুক্ত করতে হবে। অবমুক্তির পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান বাধ্যতামূলক। যোগদানের তথ্যও অনলাইনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। অবমুক্তি থেকে যোগদান পর্যন্ত সময় চাকরিকাল হিসেবে গণ্য হবে। তবে যেসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্টপ পেমেন্ট, সাময়িক বরখাস্তের আদেশ বা কোনো ফৌজদারি মামলা চলমান রয়েছে, তারা বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

নতুন নীতিমালা জারির ফলে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর জারি করা এনটিআরসিএ সুপারিশপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতে নীতিমালার সংশোধন, পরিমার্জন বা ব্যাখ্যা দেওয়ার ক্ষমতা শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংরক্ষণ করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এ সফটওয়্যারভিত্তিক বদলি ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে মাদরাসাশিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বদলি-সংক্রান্ত জটিলতা দূর হবে। পাশাপাশি শিক্ষক সংকট নিরসন, শূন্যপদ ব্যবস্থাপনা এবং শিক্ষকদের পারিবারিক ও পেশাগত ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র গুলি করেছে, কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ এম


ইরান কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র গুলি করেছে, কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী

মার্কিন সামরিক বাহিনী মঙ্গলবার (২ জুন) জানিয়েছে, তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ‘সফলভাবে প্রতিহত’ করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, তারা ‘আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে’ ইরানের কেশম দ্বীপে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) পাশাপাশি ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) করা একটি দাবি অস্বীকার করেছে। সেই দাবি অনুযায়ী বলা হয়েছিল যে, তারা বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতর এবং উক্ত অঞ্চলের একটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।

একটি বিবৃতিতে সেন্টকম উল্লেখ করেছে, ‘ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল, তবে কোনোটিই নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়নি।’

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কুয়েতে নিক্ষেপ করা দুটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যস্থলে পৌছানোর আগে ভেঙে পড়ে বা পথে বিকল হয়। এবং বাহরাইনের দিকে নিক্ষেপ করা তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন এবং বাহরাইনি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।’

কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘শত্রুপক্ষের’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাগুলোকে প্রতিহত করছে।

সেন্টকম আরো জানায়, ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা তিনটি আক্রমণাত্মক ড্রোনও ভূপাতিত করা হয়েছে। সেগুলো আন্তর্জাতিক জলসীমায় বৈধভাবে চলাচলরত বেসামরিক জাহাজগুলোর দিকে অগ্রসর হচ্ছিল।

কেশম দ্বীপ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত, যা উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রধান সমুদ্রপথ। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তেহরান কার্যত এই নৌপথটিকে বন্ধ করে রেখেছে।

সেন্টকম জানায়, তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল কেশম দ্বীপে অবস্থিত একটি ‘ইরানি সামরিক গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন’। তারা দাবি করে যে, এ অভিযানে কোনো মার্কিন সেনা সদস্য আহত হননি।

অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করে, কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে তারা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে।

এটির জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক পোস্টে সেন্টকম লিখেছে, ‘মিথ্যা। মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে ইরানের সব হামলাই ব্যর্থ হয়েছে।’

গত ৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তবে সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে পরবর্তী আলোচনা এখন পর্যন্ত কোন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আনতে পারেনি।

এছাড়া, গেল সোমবার (১ জুন) তেহরান সতর্ক করে বলেছে, লেবাননে ইসরাইলের সম্প্রসারিত সামরিক অভিযান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটাতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি হামলা, বহু হতাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ এম


গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি হামলা, বহু হতাহত

গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি হামলার ফলে অন্তত তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। উপত্যকার দেইর আল-বালাহ এলাকায় নেতানিয়াহু বাহিনী একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায়। এতে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ইসরাইলের দাবি হচ্ছে, হামাস যোদ্ধাদের লক্ষ্য করেই এসব হামলা কার্যকর করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ জুন) মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় বিমান হামলার ঘটনাটি ঘটে। হামলার ফলে একটি গাড়ি লক্ষ্যবস্তু হিসেবে শনাক্ত হয়।

স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, এই হামলায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের ফলে গাড়িটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায় এবং পরবর্তীকালে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়াতেই মানুষ নিরাপদ স্থানে সরে যান।

একই দিনে, কাছাকাছি জাওয়াইদা শহরে আরেকটি হামলার ফলে কয়েকজন হতাহত হওয়ার খবর দিয়েছেন স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ইসরাইলি গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হন। বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক হামলার ফলস্বরূপ সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা আরো বেড়েছে।

ইসরাইলি বাহিনী এসব ঘটনার ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবুও, তারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে, গাজায় হামাস যোদ্ধাদের লক্ষ্য করেই তাদের অভিযানগুলি পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, হামলা চালিয়ে বেসামরিক নাগরিকদেরকেই লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।

উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে এটি থমকে গেছে। ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে তা অচলাবস্থায় রয়েছে। যেখানে অস্ত্র সমর্পণ ও সেনা প্রত্যাহারের বিষয়গুলো প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। বর্তমান অবস্থায় গাজার একটি বড় অংশ ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সংঘাত এখনও পুরো অঞ্চলে বিস্তৃত রূপে চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনজুড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ এম


রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনজুড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনজুড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে। গত মঙ্গলবার ভোর রাতে রাজধানী কিয়েভ ও দনিপ্রোসহ অন্যান্য বিভিন্ন শহরে চালানো এই হামলায়, আহত হয়েছেন ১৩০ জনেরও বেশি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আশঙ্কা প্রকাশ করে জানান, তাদের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী মস্কো টানা দ্বিতীয় রাতের মতো আবারও বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে। এটি এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে কিয়েভের ওপর রাশিয়ার তৃতীয় বড় হামলা। গত মাসে ইউক্রেনের রুশ-নিয়ন্ত্রিত লুহানস্ক অঞ্চলের একটি ছাত্রাবাসে ড্রোন হামলার পাল্টা জবাব হিসেবেই রাশিয়া কিয়েভে এই পরিকল্পিত হামলা পরিচালনা করেছে বলে জানা গেছে।

এই হামলার পর প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি দেশের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে, রাশিয়ার এই বিশাল হামলা ঠেকানোর মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র বর্তমানে ইউক্রেনের কাছে নেই। তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার ১০০টি ড্রোন ব্যবহার করেছে রুশবাহিনী। এত বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার মতো প্রয়োজনীয় রসদ ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কাছে নেই। পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চেয়ে জেলেনস্কি গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কংগ্রেসকে একটি চিঠি পাঠালেও এখনো কোনো জবাব পাননি।

এদিকে ক্রেমলিন দাবি করেছে, ইউক্রেনীয় বাহিনী বেসামরিক নাগরিকদের ওপর অমানবিক কর্মকাণ্ড চালানোর পর এই যুদ্ধ নতুন এক রূপ নিয়েছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা মিত্র দেশগুলোকে রাশিয়ার ওপর আরো কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং সামরিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছেন। বর্তমানে মার্কিন মধ্যস্থতায় ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা থমকে রয়েছে, কারণ ওয়াশিংটন এখন ইরানের পরিস্থিতির দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। আর এই সুযোগে ইউক্রেনের শহরগুলোতে আকাশপথে হামলা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্ধ্যার মধ্যে ৪ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ এম


সন্ধ্যার মধ্যে ৪ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

দেশের কিছু অঞ্চলে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে, বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। পাশাপাশি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া সতর্কবার্তায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, রংপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। তাই সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখানোর জন্য বলা হয়েছে।

আবহাওয়া সংক্রান্ত আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%